Connect with us

এগ্রিবিজনেস

শীতে ফসলের যত্নে করণীয়

Published

on

গ্লোবাল হেবি

শীত কৃষিতে একটি নিশ্চিত মৌসুম। শীতের ঠাণ্ডা বাতাসকে উপেক্ষা করে কৃষক ব্যস্ত হয়ে পড়েন মাঠের কাজে। পৌষ মাসে কৃষিতে ফসলের যত্নে আমাদের বিভিন্ন কাজ করতে হয়। শীতে কোন কাজগুলো আমাদের করতে হবে তার চিত্র তুলে ধরা হলো।

ভুট্টা
ভুট্টা ক্ষেতের গাছের গোড়ার মাটি তুলে দিতে হবে। গোড়ার মাটির সাথে ইউরিয়া সার ভালো করে মিশিয়ে দিয়ে সেচ দিতে হবে। গাছের নিচের দিকের মরা পাতা ভেঙে দিতে হবে। ভুট্টার সাথে সাথী বা মিশ্র ফসলের চাষ করে থাকলে সেগুলোর প্রয়োজনীয় পরিচর্যা করতে হবে।

বোরো ধান
অতিরিক্ত ঠাণ্ডার সময় রাতের বেলা বীজতলা স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং দিনের বেলা তুলে ফেলতে হবে। এতে চারা ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। আগাছা ও পাখির আক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বীজ গজানোর ৪-৫ দিন পর বেডের উপর ২-৩ সেন্টিমিটার পানি রাখতে হবে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

চারাগাছ হলদে হয়ে গেলে প্রতি বর্গমিটারে ৭ গ্রাম ইউরিয়া উপরিপ্রয়োগ করতে হবে। এরপরও যদি চারা সবুজ না হয় তবে প্রতি বর্গমিটারে ১০ গ্রাম করে জিপসাম দিতে হবে।

মূল জমি ভালোভাবে চাষ ও মই দিয়ে পানিসহ কাদা করতে হবে। জমিতে জৈবসার দিতে হবে এবং শেষ চাষের আগে দিতে হবে ইউরিয়া ছাড়া অন্যান্য সার। চারার বয়স ৩০-৪০ দিন হলে মূল জমিতে চারা রোপণ করতে হবে। রোপণের ১৫-২০ দিন পর প্রথম, ৩০-৪০ দিন পর দ্বিতীয় এবং ৫০-৫৫ দিন পর শেষ কিস্তি ইউরিয়া সার উপরিপ্রয়োগ করতে হবে।

গম
গমের জমিতে ইউরিয়া সারের উপরিপ্রয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সেচ দিতে হবে। চারার বয়স ১৭-২১ দিন হলে গম ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কার করে একরপ্রতি ১২-১৪ কেজি ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে এবং সেচ দিতে হবে।

সেচ দেয়ার পর জমিতে জো আসলে মাটির ওপর চটা ভেঙে দিতে হবে। গমের জমিতে যেখানে ঘন চারা রয়েছে সেখানে কিছু চারা তুলে পাতলা করে দিতে হবে।

আলু
চারা গাছের উচ্চতা ১০-১৫ সেন্টিমিটার হলে ইউরিয়া সার উপরিপ্রয়োগ করতে হবে;

দুই সারির মাঝে সার দিয়ে কোদালের সাহায্যে মাটি কুপিয়ে গাছের গোড়ায় তুলে দিতে হবে। ১০-১২ দিন পরপর এভাবে গাছের গোড়ায় মাটি তুলে না দিলে ভালো হয়।

আলু ফসলে নাবি ধসা রোগ দেখা দিতে পারে। মড়ক রোগ দমনে ২ গ্রাম ডায়থেন এম ৪৫ অথবা সিকিউর অথবা ইন্ডোফিল প্রতি লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ৭ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে।

মড়ক লাগা জমিতে সেচ দেয়া বন্ধ রাখতে হবে। তাছাড়া আলু ফসলে মালচিং, সেচ প্রয়োগ, আগাছা দমনের কাজগুলোও করতে হবে। গাছের বয়স ৯০ দিন হলে মাটির সমান করে গাছ কেটে ১০ দিন পর আলু তুলে ফেলতে হবে। আলু তোলার পর ভালো করে শুকিয়ে বাছাই করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে।

তুলা
তুলা সাধারণত ৩ পর্যায়ে সংগ্রহ করা হয়। শুরুতে ৫০ শতাংশ বোল ফাটলে প্রথম বার, বাকি ফলের ৩০ শতাংশ পরিপক্ব হলে দ্বিতীয় বার এবং অবশিষ্ট ফসল পরিপক্ব হলে শেষ অংশের তুলা সংগ্রহ করতে হবে। রৌদ্রময় শুকনা দিনে বীজ তুলা উঠাতে হয়। ভালো তুলা আলাদাভাবে তুলে ৩-৪ বার রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করতে হবে।

ডাল ও তেল ফসল
মসুর, ছোলা, মটর, মাসকালাই, মুগ, তিসি পাকার সময় এখন। সরিষা, তিসি বেশি পাকলে রোদের তাপে ফেটে গিয়ে বীজ পড়ে যেতে পারে, তাই এগুলো ৮০ ভাগ পাকলেই সংগ্রহের ব্যবস্থা নিতে হবে।

আর ডাল ফসলের ক্ষেত্রে গাছ গোড়াসহ না উঠিয়ে মাটি থেকে কয়েক ইঞ্চি রেখে ফসল সংগ্রহ করতে হবে। এতে জমিতে উর্বরতা এবং নাইট্রোজেন সরবরাহ বাড়বে।

গাছপালা
গাছের গোড়ার মাটি আলগা করে দিতে হবে এবং আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। গাছকে খুঁটির সাথে বেঁধে দিতে হবে। রোগাক্রান্ত গাছের আক্রান্ত ডালপালা ছাঁটাই করে দিতে হবে। গাছের গোড়ায় নিয়মিত সেচ দিতে হবে।

শাকসবজি
ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বেগুন, ওলকপি, শালগম, গাজর, শিম, লাউ, কুমড়া, মটরশুঁটি এসবের নিয়মিত যত্ন নিতে হবে। টমেটো ফসলের মারাত্মক পোকা হলো ফলছিদ্রকারী পোকা। ফেরোমন ফাঁদ ব্যবহার করে এ পোকা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। প্রতি বিঘা জমির জন্য ১৫টি ফাঁদ স্থাপন করতে হবে।

আক্রমণ তীব্র হলে কুইনালফস গ্রুপের কীটনাশক (দেবীকইন ২৫ ইসি/কিনালাক্স ২৫ ইসি/করোলাক্স ২৫ ইসি) প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলিলিটার পরিমাণ মিশিয়ে স্প্রে করে এ পোকা দমন করা যায়।

টমেটো সংগ্রহ করে বাসায় ৪-৫ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করার জন্য আধা পাকা টমেটোসহ টমেটো গাছ তুলে ঘরের ঠাণ্ডা জায়গায় উপুড় করে ঝুলিয়ে টমেটোগুলোকে পাতলা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।

শীতকালে মাটিতে রস কমে যায় বলে সবজি ক্ষেতে চাহিদা মাফিক নিয়মিত সেচ দিতে হবে। এছাড়া আগাছা পরিষ্কার, গোড়ায় মাটি তুলে দেয়া, সারের উপরিপ্রয়োগ ও রোগবালাই প্রতিরোধ করা।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

এগ্রিবিজনেস

ভোজ্যতেলে আমদানি নির্ভরতা কমাতে রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি

Published

on

গ্লোবাল হেবি

ভোজ্যতেলে আমদানি নির্ভরতা কমাতে রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার শিবপুরে উন্নত জাতের সরিষা ও ধান উৎপাদনকারী চাষীদের সাথে মতবিনিময় ও কৃষক সমাবেশে মন্ত্রী এ কথা বলেন। কৃষি মন্ত্রণালয় থেওেক পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও কৃষকের উন্নয়নে বিশাল পরিমাণ ভর্তুকি প্রদান এবং সময়োপযোগী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। এর ফলে দেশে আর কোনওদিন খাদ্য সংকট হবে না।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

তিনি বলেন, দেশের কৃষি খাতের সাফল্য আজ বিশ্বস্বীকৃত। একসময় ৭ কোটি মানুষের এ দেশে খাদ্য সংকট দেখা দিতো, আজ ১৭ কোটি মানুষের কেউ না খেয়ে থাকে না। এখন খাদ্যের জন্য আমরা হাত পাতি না। দেশে মঙ্গা হয় না, দুর্ভিক্ষ হয় না। বিগত ১৪ বছরে কেউ না খেয়ে থাকেনি, একজনও না খেয়ে মারা যায়নি।

ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশে ৫০ ভাগ তেল উৎপাদনের মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কমাতে তিন বছর মেয়াদি রোডম্যাপ আমরা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। প্রথম বছরেই এবার সারা দেশে দ্বিগুণ পরিমাণ সরিষা চাষ হয়েছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে সরিষার আবাদ বৃদ্ধির সম্ভাবনার পুরোটা কাজে লাগাতে হবে। যাতে দুই বছর পরে ভোজ্যতেল আমদানি অর্ধেকে নামিয়ে আনা যায় ও আমদানিতে কমপক্ষে ১০ হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় করা সম্ভব হয়।

বিএনপি, জামায়াত ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে জানিয়ে তিনি বলেন, তারা নির্বাচনকে বানচাল করে অসাংবিধানিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় আসতে চায়। সেজন্যই তারা একেকদিন একেকটা আন্দোলনের আওয়াজ তুলে।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির আন্দোলনের আওয়াজ দেশের জনগণের নিকট পৌঁছে না, জনগণ তাতে সাড়া দেয় না। কারণ, জনগণ আওয়ামী লীগের আমলে দেশের যে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে, তা দেখতে পায় ও উপলব্ধি করে।

অনুষ্ঠানে কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, জেলা প্রশাসক আব্দুল লতিফ, সিংগাইর উপজেলা চেয়ারম্যান বক্তব্য রাখেন।

পরে কৃষিমন্ত্রী মানিকগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সরিষা ও ধান আবাদের অগ্রগতি এবং আগামী বছরের কর্মপরিকল্পনা বিষয়ক আঞ্চলিক কর্মশালায় যোগ দেন।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

এগ্রিবিজনেস

‘ব্রয়লার মুরগি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়’

Published

on

গ্লোবাল হেবি

ব্রয়লার মুরগির মাংস মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয় বলে দাবি করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ব্রয়লার মুরগির মাংস, হাড় ও কম্পোজিটে অ্যান্টিবায়োটিক ও ভারি ধাতুর উপস্থিতি থাকলেও তা সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রার অনেক নিচে রয়েছে, যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

বৃহস্পতিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একটি গবেষণা প্রতিবেদন তুলে ধরে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশে মাথাপিছু মুরগির মাংস খাওয়ার পরিমাণ অন্যান্য দেশের তুলনায় খুবই কম জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ব্রয়লার মুরগির মাংস খাওয়া নিরাপদ কিনা এ নিয়ে আমাদের অনেকের মধ্যেই ভ্রান্ত ধারণা বা দ্বিধাদ্বন্দ্ব রয়েছে। বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় এবং সামাজিক গণমাধ্যমে অনেক প্রচার দেখা যায় যে, ব্রয়লার মাংসে অ্যান্টিবায়োটিক, হেভি মেটাল এবং অন্যান্য ক্ষতিকর পদার্থের উপস্থিতি রয়েছে, যা মানব স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক তথ্যের ফলে জনগণের মধ্যে অনেক সময় ব্রয়লার মাংস সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্রয়লার মাংস খাওয়া কমিয়ে দেয়। ফলে ব্রয়লার শিল্পের ওপর একটি বড় ধরনের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত কৃষি মন্ত্রণালয়ের অর্থায়ন ও উদ্যোগে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের অধীনে গবেষণাটি করা হয়। গবেষণার মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্রয়লার মুরগির মাংসে, হাড়ে, কম্পোজিটে (কলিজা, কিডনি ও গিজার্ডের সমন্বয়) এবং মুরগির খাদ্যে কী পরিমাণ অ্যান্টিবায়োটিক ও ভারি ধাতু আছে তা নির্ণয় করা। গবেষণার জন্য ঢাকা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও বরিশালের ব্রয়লার খামার এবং বাজার থেকে ব্রয়লারের মাংস, হাড়, কম্পোজিট ও ব্রয়লার খাদ্যের নমুনা এবং ঢাকার তিনটি সুপারশপ থেকে ব্রয়লার মুরগির নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সংগৃহীত প্রায় ১ হাজার ২০০টি ব্রয়লার মুরগি এবং ৩০টি ব্রয়লার মুরগির খাদ্য থেকে ৩১৫টি নমুনা প্রস্তুত করে বহুল ব্যবহৃত ১০টি অ্যান্টিবায়োটিক এবং তিনটি ভারি ধাতুর অবশিষ্ট অংশের পরিমাণ পরীক্ষা করা হয়।

মোট ১০টির মধ্যে ৭টি অ্যান্টিবায়োটিক (এনরোফ্লক্সাসিন, সিপরোফ্লক্সাসিন, নিওমাইসিন, টাইলোসিন, কলিস্টিন, অ্যামোক্সাসিলিন ও সালফাডায়াজিন) পরীক্ষণের জন্য নমুনাগুলো এসজিএস বাংলাদেশ লিমিটেডের মাধ্যমে ভারতের চেন্নাইয়ে এসজিএস ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়। অবশিষ্ট তিনটি অ্যান্টিবায়োটিক এবং তিনটি ভারি ধাতু পরীক্ষার জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আধুনিক ল্যাবে পাঠানো হয়।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, গবেষণায় পাওয়া ফলের ভিত্তিতে দেখা গেছে— ব্রয়লার মুরগির মাংসে, হাড়ে ও কম্পোজিটে মূলত দুটি অ্যান্টিবায়োটিক (অক্সিটেট্রাসিইক্লিন ও ডক্সিসাইক্লিন) এবং তিনটি ভারি ধাতুর (আর্সেনিক, ক্রোমিয়াম ও লেড) সামান্য উপস্থিতি রয়েছে, যা স্বাভাবিক এবং তা সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রার অনেক নিচে।’

মন্ত্রী বলেন, নমুনায় বাজারের তুলনায় সুপারশপ থেকে সংগ্রহ করা মুরগিতে অ্যান্টিবায়োটিক ও ভারি ধাতুর উপস্থিতি অনেক কম।

এ বিষয়ে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তারা জানান, সুপারশপে যেসব পোলট্রি মুরগি ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর ড্রেসিং মানসম্পন্ন এবং পৃথকভাবে বাছাই করা হয়। কিন্তু বাজারে একটি পাত্রে অসংখ্য মুরগি ড্রেসিং করায় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব নাহিদ রশীদ ও কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

এগ্রিবিজনেস

পাটপণ্য সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে মন্ত্রণালয়

Published

on

গ্লোবাল হেবি

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নে পাটপণ্য সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী।

এসময় তিনি পাটজাত পণ্যকে বর্ষপণ্য-২০২৩ ও পাটকে কৃষিজাত পণ্য হিসেবে ঘোষণা করায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, পাটচাষি, পাটপণ্যের উৎপাদনকারী ব্যবসায়ী, বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উদ্যোক্তা, পাটজাত পণ্যের ব্যবহারকারী, ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানান।

বুধবার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এফবিসিসিআই ও বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজেএমএ) নেতাদের সঙ্গে আলোচনাকালে এসব কথা বলেন। এসময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রউফ, এফবিসিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মো. আবুল হোসেনসহ অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়ন করতে পাটপণ্য সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে। পাশাপাশি পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা করায় কৃষিপণ্যের মতো পাটেও সব আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়াও জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টারের (জেডিপিসি) মাধ্যমে পাটপণ্যের ব্যবহার বাড়ানোর পাশাপাশি সরকার বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উদ্ভাবন ও ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ করা হবে। বর্তমান ব্যবসাবান্ধব সরকার দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পাটজাত দ্রব্যাদি রপ্তানি খাতে (৫-২৫ ভাগ) নগদ ভর্তুকি দিয়েছে।

তিনি বলেন, জেডিপিসির নিবন্ধিত উদ্যোক্তারা ২৮২ প্রকার দৃষ্টিনন্দন পাটপণ্য উৎপাদন করছেন- যার অধিকাংশই বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। এছাড়াও বহুমুখী পাটজাত পণ্যকে আরও জনপ্রিয় করতে প্রচার-প্রচারণাসহ বিদেশে বিভিন্ন মেলার আয়োজন করা হবে। এছাড়াও পাট ও পাটজাত পণ্যের প্রচারের জন্য বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সেমিনার, সভা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, সরকার ‘উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় অল্প জমিতে অধিক পাট উৎপাদন, পাটবীজের আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করা, পাটচাষিদের প্রশিক্ষণ দেওয়া ও বিনামূল্যে উফশী জাতের পাটবীজ সার (ইউরিয়া, টিএসপি ও এমপিও) এবং বালাইনাশকসহ কৃষি যন্ত্রপাতি দিয়েছে।

গোলাম দস্তগীর আরও বলেন, এছাড়াও মানসম্মত পাটবীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগে একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে। সবকিছু ঠিক থাকলে দ্রুত সময়ে বাংলাদেশ উন্নত পাটবীজ উৎপাদনে স্বনির্ভর হবে। প্রয়োজনীয় পাটবীজ সংগ্রহে আমদানি নির্ভরতা আর থাকবে না।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

এগ্রিবিজনেস

নতুন তিন জাতের ব্রি ধানের অনুমোদন

Published

on

গ্লোবাল হেবি

জাতীয় বীজ বোর্ডের অনুমোদন পেয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত আরও তিনটি নতুন ধানের জাত। নতুন তিনটি জাতের মধ্যে ব্রি ধান-১০৩ আমন মৌসুম, ব্রি ধান-১০৪ ও ব্রি হাইব্রিড ধান-৮ বোরো মৌসুমের জন্য অবমুক্ত করা হয়েছে।

ব্রির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় বীজ বোর্ডের ১০৮তম সভায় সোমবার এ জাতগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। সভায় বাংলাদেশ ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরসহ মন্ত্রণালয়ের অধীন দপ্তর, সংস্থার প্রধানরাও উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় বীজ বোর্ডের সভাপতি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, নতুন উদ্ভাবিত ব্রি ধান-১০৩ আমন মৌসুমের একটি জাত। এ জাতটির পূর্ণবয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ১২৫ সেন্টিমিটার। এর ডিগ পাতা খাড়া, দানা লম্বা ও চিকন। ১ হাজারটি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২৩ দশমিক ৭ গ্রাম। ধানে অ্যামাইলোজের পরিমাণ ২৪ শতাংশ। এ জাতটির গড় জীবৎকাল ১৩২ দিন। এ জাতটির গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ৬ দশমিক ২ টন। উপযুক্ত পরিচর্যা পেলে জাতটি প্রতি হেক্টরে ৮ টন পর্যন্ত ফলন দিতে পারবে।

একই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ব্রি ধান-১০৪-এ আধুনিক উফশী ধানের সব বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান। এ জাতের ডিগ পাতা খাড়া, প্রশস্ত ও লম্বা, পাতার রং সবুজ। পূর্ণবয়স্ক গাছের গড় উচ্চতা ৯২ সেন্টিমিটার। জাতটির গড় জীবৎকাল ১৪৭ দিন। ১ হাজারটি পুষ্ট ধানের ওজন গড়ে ২১ দশমিক ৫ গ্রাম। এ জাতের ধান বাসমতী টাইপের তীব্র সুগন্ধিযুক্ত। এ ধানের দানায় অ্যামাইলোজের পরিমাণ শতকরা ২৯ দশমিক ২ ভাগ। এ ছাড়া প্রোটিনের পরিমাণ শতকরা ৮ দশমিক ৯ ভাগ এবং ভাতও ঝরঝরে হয়ে থাকে। এ জাতের জীবৎকাল ব্রি ধান-৫০-এর প্রায় সমান। এ ধানের গুণগত মান ভালো অর্থাৎ চালের আকার-আকৃতি অতিরিক্ত লম্বা চিকন ও রং সাদা হয়ে থাকে।

প্রস্তাবিত জাতের ফলন পরীক্ষায় ১০টি অঞ্চলে ব্রি ধান-৫০-এর চেয়ে ব্রি ধান-১০৪-এর ফলন প্রায় ১১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেশি পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শীর্ষ ছয় স্থানে এটি ব্রি ধান-৫০-এর চেয়ে ১৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ বেশি ফলন দিয়েছে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

এগ্রিবিজনেস

অর্ধশতাধিক দেশে রপ্তানি হয় বাংলাদেশের মাছ: মৎস্য মন্ত্রী

Published

on

গ্লোবাল হেবি

অর্ধশতাধিক দেশে বাংলাদেশের মাছ রপ্তানি হয় বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সাভারে বিসিএস লাইভস্টক একাডেমি মিলনায়তনে ৪০তম বিসিএস (লাইভস্টক) ও বিসিএস (মৎস্য) ক্যাডারে যোগদান করা কর্মকর্তাদের কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এখন পৃথিবীর ৫০টির অধিক দেশে বাংলাদেশের মাছ রপ্তানি হয়। কোনো কোনো দেশে মাংস রপ্তানি শুরু হচ্ছে। এ খাতে দেশে আন্তর্জাতিক মানের মাননিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার তৈরি হয়েছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত বিকশিত না হলে বিদেশনির্ভর থাকতে হতো উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম খাবারের বড় একটি অংশ। এগুলো উৎপাদন না হলে দেশে খাদ্য সংকট হতো। পুষ্টি ও আমিষের যোগানে সংকট হতো।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের মাছ আমদানি করতে হতো। কোরবানির চাহিদা মেটাতে ভারত-মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু আমদানি করতে হতো। এখন আমরা বিদেশমুখী নই। সম্প্রতি যে তিনটি দেশ মাছ উৎপাদনে ভালো করেছে তার মধ্যে অন্যতম বাংলাদেশ।

নতুন নিয়োগ হওয়া বিসিএস কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব। সে অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। রাষ্ট্রের নাগরিকদের সেবক হিসেবে কাজ করতে হবে।

দেশের উন্নয়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত অন্যতম অংশীদার উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম বলেন, এ খাতকে ডিজিটাল ব্যবস্থাপনার আওতায় আনা হচ্ছে।

নবীন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারপরও একটি শ্রেণি আছে যারা দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চায়, সাম্প্রদায়িকতা ফিরিয়ে আনতে চায়। সেসব মানুষের দ্বারা কখনও বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও এ টি এম মোস্তফা কামাল, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
January 2023
SMTWTFS
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 

ফেসবুকে অর্থসংবাদ