Connect with us

টেলিকম ও প্রযুক্তি

নতুন সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে গ্রামীণফোনের আবেদন

Published

on

সিনো বাংলা

দেশের সর্ববৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন লিমিটেড তাদের নতুন সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এ পৃথক দুটি চিঠিতে আবেদন করেছে।

এর আগে গত ২৯ জুন অনির্দিষ্টকালের জন্য গ্রামীণফোনের সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় বিটিআরসি।

অপারেটরটির বিরুদ্ধে গ্রাহকদের অভিযোগ এবং বিটিআরসির পরীক্ষাতেও সেবার মান সন্তোষজনক না হওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে জানিয়েছিল বিটিআরসি।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সেবার মান আরও শক্তিশালী করতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানো ওই চিঠিতে গ্রামীণফোন তাদের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে।

চিঠিতে গ্রামীণফোন জানায়:

১. নেটওয়ার্ক বিস্তৃতিকরণ ও সেবার মান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ২০২১ ও ২০২২ সালে সর্বোচ্চ স্পেকট্রাম ক্রয় করে গ্রামীণফোন।

২. ২০২২ সালের মধ্যে টাওয়ার কোম্পানির মাধ্যমে অপারেটরটি আরও ১৯০০ টাওয়ার নির্মাণ করবে, যা সেবার মান উন্নয়নে সহায়তা করবে। ২০২১ সালেও কোম্পানিটি ১৬০০ টাওয়ার নির্মাণ করে।

৩. গ্রামীণফোনের মোট ১৪ হাজার ৫০০টি সাইটে ১০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম নিয়োগ করে। এছাড়াও গ্রাহকদের ডেটা এক্সপেরিয়েন্স বাড়াতে ১৫ হাজার ৫৫০টি সাইটের ব্যান্ডউইথ ১০ মেগাহার্টজ থেকে ১৫ মেগাহার্টজ-এ উন্নয়ন করে।

৪. এনটিটিএস পার্টনারদের সহযোগীতায় গ্রামীণফোন ফাইবারাইজেশন প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে। ২০২২ সালে অপারেটরটি ২৩১৬ কিলোমিটার এলাকা ফাইবারের আওতায় নিয়ে আসে, যা ২০২১ সালের তুলনায় ৩০ শতাংশ বেশি এবং আগের বছরের তুলনায় অপারেটরটি সাইটগুলোতে ফাইবার কানেক্টিভিটি বাড়িয়েছে ৭৫ শতাংশ।

৫. ঢাকার গ্রাহকদের উন্নত অভিজ্ঞতা প্রদান ও সেবার মান বাড়াতে অপারেটরিটি ফ্রিকোয়েন্সি অপটিমাইজেশনের কাজ করছে।

৬. অপারেটরটি নতুন কেনা ২৬০০ মেগাহার্টজ স্পেকট্রাম ব্যবহার শুরু করেছে। ইতোমধ্যে গ্রামীণফোন বিটিআরসি ও এনবিআর’কে প্রথম ইন্সটলমেন্টের ২৪৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে।

চিঠিতে গ্রামীণফোন দাবি করে, কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিশ্চিত করতে বিটিআরসির নির্ধারণ করে দেওয়া সব শর্ত পূরণ করে আসছে তারা। যার মধ্যে:
১. বিটিআরসি’র কোয়ালিটি অব সার্ভিস রিপোর্ট অনুযায়ী ২০২১ সালে জিপির কল ড্রপ রেট ছিল ০.২২ শতাংশ, যা শর্ত অনুযায়ী ৯ গুণ কম। অপারেটরগুলোর কলড্রপ ২ শতাংশ পর্যন্ত স্বাভাবিক ধরা হয়। এমন কি গ্রামীণফোনের এই কলড্রপ দ্বিতীয় বেস্ট অপারেটরের থেকে ২ গুণ কম।
২. ২০২২ সালে বিটিআরসি’র সাথে গ্রামীণফোনও টেস্ট ড্রাইভ পরিচালনা করে, যেখানে সব বিভাগে কোয়ালিটি অব সার্ভিসের সব শর্ত পূরণ করেছে অপারেটরটি।

চিঠিতে গ্রামীণফোন আরোও জানায়, কোয়ালিটি অব সার্ভিস নিশ্চিতে ধারাবাহিক প্রচেষ্টা জরুরি, যা রেগুলেটরের সহযোগীতায় গ্রামীণফোন করে যাচ্ছে। অপারেটরটির এসব উদ্যোগ সবাইকে সংযুক্ত হতে সহায়তা করবে এবং স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণে একজন ইকোসিস্টেম প্লেয়ার হিসেবে কাজ করে যাবে।

সবশেষে চিঠিতে নতুন সিম বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানায় গ্রামীণফোন কর্তৃপক্ষ।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

টেলিকম ও প্রযুক্তি

বৈশ্বিক ই-কমার্স সূচকে ১২ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

Published

on

সিনো বাংলা

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো গত বছর বাংলাদেশেও ই-কমার্সের বাড়বাড়ন্ত হয়েছে বলেই এত দিন জানা গেছে। তবে দেশের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো রেকর্ড পরিমাণ প্রবৃদ্ধি করলেও বৈশ্বিক ই-কমার্স সূচকে পিছিয়েছে গেছে। চারটি উপ-সূচকের ভিত্তিতে এই সূচক প্রণয়ন করা হয়। যদিও এই সূচক প্রণয়নে একেক দেশের ক্ষেত্রে একেক বছরের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়নবিষয়ক সংস্থার (আঙ্কটাড) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালের বি-টু-সি (ক্রেতার কাছে সরাসরি বিক্রয়) ই-কমার্স সূচক ২০২০- এ ১২ ধাপ পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ২০১৯ সালে যেখানে বাংলাদেশের র‌্যাঙ্কিং ছিল ১০৩, সেখানে ২০২০ এর সূচকে অবস্থান ১১৫। এ সময়ে (২০১৯ সালের তুলনায়) সূচক কমেছে ৫ দশমিক ৮ পয়েন্ট।

মোট চারটি উপ-সূচকের ভিত্তিতে এই সূচক প্রণয়ন করেছে আঙ্কটাড। সেগুলো হলো- জনসংখ্যার কত অংশ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে, ই-কমার্স সাইটে অ্যাকাউন্টধারীর সংখ্যা, ইন্টারনেট সার্ভারের নির্ভরযোগ্যতা ও পণ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্যতা। সব উপ-সূচক মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্জিত পয়েন্ট ৩৩ দশমিক ৩। এই সূচকের শীর্ষ দেশ সুইজারল্যান্ডের অর্জিত পয়েন্ট ৯৫ দশমিক ৯।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালে বিশ্বের ১৫০ কোটি মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করতো। ২০১৮ সালের তুলনায় ২০১৯ সালে অনলাইনে কেনাকাটা করা ক্রেতার সংখ্যা বাড়ে ৭ শতাংশ। তবে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে মানুষের অনলাইনে কেনাকাটার প্রবণতা কম।

২০১৯ সালে বিশ্বের ২৩ শতাংশ মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেছেন বলে ই-কমার্স সূচকে বলা হয়েছে। উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে যেখানে অর্ধেক মানুষ অনলাইনে কেনাকাটা করেন, সেখানে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে সেই সংখ্যা মাত্র ২ শতাংশ। নিম্নমধ্যম আয়ের দেশে এই হার ৫ শতাংশ এবং উচ্চমধ্যম আয়ের দেশে সেটা ১৬ শতাংশ। তবে প্রতি বছর অনলাইনে কেনাকাটা করা মানুষের সংখ্যা বাড়ছে।

যদিও এই সূচক প্রণয়নে একেক দেশের ক্ষেত্রে একেক বছরের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের কত শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটা করেন সেই তথ্যের ভিত্তি ২০১৭ সাল। দেখা যায়, বাংলাদেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে মাত্র ৬ শতাংশ অনলাইনে কেনাকাটা করেন। এ সংখ্যা মোট জনসংখ্যার মাত্র এক দশমিক ৩ শতাংশ।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

সাইবার সিকিউরিটিতে বিনিয়োগ বাড়বে ১৩ শতাংশ

Published

on

সিনো বাংলা

ডিজিটালাইজেশনের এ যুগে সাইবার সিকিউরিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সিঙ্গাপুরভিত্তিক প্রযুক্তি বিশ্লেষক প্রতিষ্ঠান ক্যানালিসের সর্বশেষ প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে বৈশ্বিক সংস্থা ও পরিষেবা খাতে সাইবার সিকিউরিটি ব্যয় দাঁড়াবে ২২ হাজার ৩৮০ কোটি ডলার। গত বছরের তুলনায় তা বাড়বে ১৩ দশমিক ২ শতাংশ বাড়বে।

ক্যানালিসের ওয়েবসাইটে এ ব্যাপারে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালে সাইবার সিকিউরিটি পরিষেবা খাতের প্রবৃদ্ধি পণ্য সরবরাহের চেয়ে বেশি হবে। দেশীয়-আন্তর্জাতিক ব্যবসা পরিচালনা থেকে শুরু করে দৈনন্দিন কেনাকাটায়ও এখন অনলাইন লেনদেনের হার বাড়ছে। তবে অনলাইনভিত্তিক লেনদেনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হ্যাকিং থেকে নিরাপদ থাকা। হ্যাকাররা ভিন্ন ভিন্ন কৌশলে ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানের তথ্য চুরি করে বেকায়দায় ফেলে দিচ্ছে। এজন্য সাইবার সিকিউরিটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।

গবেষণা প্রতিষ্ঠানটি বলছে, ক্রমাগত অনলাইন হ্যাকিংয়ের হার বাড়ছে। এজন্য বিভিন্ন কোম্পানি ও সংস্থার অগ্রাধিকারের তালিকায় রয়েছে সাইবার সিকিউরিটি। প্রতিষ্ঠানগুলোর বার্ষিক বাজেটের ওপর চাপ বাড়ছে। সাইবার সিকিউরিটির জন্য সব পরিকল্পনা হয়তো বাস্তবায়ন হবে না। প্রতিষ্ঠানগুলো এ খাতের ব্যয় পর্যবেক্ষণ করে দেখবে। কেবল সবচেয়ে জরুরি সাইবার সিকিউরিটির ওপর মনোযোগ দেবে যাতে ঝুঁকি কমিয়ে আনা যায়। এক্ষেত্রে সরকার ও বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যয় বাড়বে, কিন্তু অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিম্নমুখী থাকায় ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানগুলোর বিনিয়োগ কিছুটা কমবে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ক্যানালিসের প্রধান বিশ্লেষক ম্যাথিউ বল বলেন, সাইবার আক্রমণের হুমকির মুখে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাইবার সিকিউরিটি বলয় প্রসারিত ও শক্তিশালী করতে এবং শনাক্তকরণ ক্ষমতা বাড়াতে কাজ করবে। ২০২৩ সালে সাইবার হামলা মোকাবেলা উন্নত করার চেষ্টা অব্যাহত রাখবে। অপারেশনাল, অর্থনৈতিক ও ব্র্যান্ড বিবেচনায় কোম্পানিগুলোর জন্য র্যানসামওয়্যার সবচেয়ে বড় হুমকি। তবে চ্যাটজিপিটির মতো জেনারেটিভ এআই মডেলের উদ্ভাবন ও অপব্যবহার ২০২৩ সালের সাইবার ঝুঁকিকে অন্য স্তরে নিয়ে যাবে। এ প্রযুক্তির ব্যবহার দুর্বল ও ক্ষতিকর কোড তৈরি করবে। এতে আক্রমণের ফ্রিকোয়েন্সি ও পরিসর বাড়বে। প্রতিষ্ঠানগুলো এরই মধ্যে বর্তমান ঝুঁকিগুলো মোকাবেলা করতে হিমশিম খাচ্ছে। এর ওপরে আবার সাইবার সিকিউরিটির জন্য আলাদা করে বড় বিনিয়োগ তাদের বেশ ভালোই ভোগাবে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্মার্ট বিনিয়োগ করতে চ্যানেল অংশীদারদের সঙ্গে আরো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে হবে।

ক্যানালিসের রিসার্চ অ্যানালিস্ট শ্রীকারা উপাধ্যায় বলেন, কনসাল্টিং, আউটসোর্সিং, ডিপ্লয়মেন্ট, ইন্টিগ্রেশন, রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালন পরিষেবাসহ সাইবার সিকিউরিটি পরিষেবার সরবরাহ ২০২৩ সালে ১৪ দশমিক ১ শতাংশ বেড়ে ১৪ হাজার ৪৩০ কোটি ডলার হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ২০২৩ সালে বৈশ্বিক সাইবার সিকিউরিটি সামগ্রিক বাজারের ৬৪ দশমিক ৫ শতাংশ হবে। এ বছর সাইবার সিকিউরিটি সক্ষমতা বাড়াতে প্রতিষ্ঠানগুলো সিকিউরিটি কৌশলগুলো পরিবর্তন করবে। মহামারী শুরুর পর থেকে গত তিন বছরে যে কাঠামোগত দুর্বলতা দেখা গেছে সেগুলো সমাধানে কাজ করবে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

প্রযুক্তি খাতে দিনে চাকরি হারাচ্ছেন ১৬০০ কর্মী

Published

on

সিনো বাংলা

বেশ কিছুদিন ধরেই খারাপ সময় পার করছেন প্রযুক্তি খাতের কর্মীরা। বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে কর্মী ছাঁটাইয়ের খবর প্রায়ই খবরের শিরোনাম হচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এক খবরে বলেছে, চলতি বছরে খাতটি থেকে প্রতিদিন চাকরি হারাচ্ছেন গড়ে ১৬০০ কর্মী। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা এবং মন্দার আশঙ্কার কারণেই প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মীদের ছাঁটাই করছে।

আজ মঙ্গলবারের (১৭ জানুয়ারি) প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি ট্র্যাকিং সাইট লেঅফের বরাতে জানায়, গত বছর ১ হাজারের বেশি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এক লাখ ৫৪ হাজার ৩৩৬ জন কর্মীকে ছাঁটাই করেছে। চলতি বছরেও অব্যাহত রয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মী ছাঁটাইয়ের প্রবণতা। মাইক্রোসফট, টুইটার, মেটার মতো বাঘা বাঘা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে তালিকায় রয়েছে ছোট-বড় নানা প্রতিষ্ঠান।

বিশ্লেষকদের উদ্ধৃত করে রয়টার্স বলছে, রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের জেরে বিশ্বজুড়ে চলমান অর্থনৈতিক মন্দার প্রভাব পড়েছে প্রযুক্তি খাতে। খরচ বাঁচানোর দ্রুততম পথ হিসেবে কর্মী ছাঁটাইকেই বেছে নিচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো। অবশ্য এ ছাঁটাই দীর্ঘমেয়াদে প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে বলে ধারণা করছেন অনেকে। বিশেষ করে এ ধরনের প্রবণতা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে অনাস্থা তৈরি করে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনে বিজয় কি-বোর্ড ব্যবহারের নির্দেশ

Published

on

সিনো বাংলা

অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনে বিজয় অ্যান্ড্রয়েড প্যাকেজ কিট (এপিকে) ব্যবহার করার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আমদানিকরা ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সব মোবাইলফোনেই বিজয় ব্যবহার করতে হবে।

শুক্রবার (১৩ জানুয়ারি) বাংলাদেশ মোবাইলফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতিসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ দেওয়া হয়। বিটিআরসির কাজী মো. আহসানুল হাবীব মিথুনের সই করা নির্দেশনায় এ কথা জানানো হয়।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সব অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনে বিজয় কি-বোর্ড ব্যবহারের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে আমদানিকরা ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সব অ্যান্ড্রয়েড মোবাইলফোনে বিজয় অ্যান্ড্রয়েড এপিকে ফাইল ব্যবহারের লক্ষে কমিশনের স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে বিনামূল্যে বিজয় অ্যান্ড্রয়েড এপিকে ফাইল সরবরাহ করা হবে। এ লক্ষে চিঠি জারির ৩ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনের স্পেকট্রাম বিভাগের সহকারী পরিচালক, দিদারুল ইসলামের কাছ থেকে বর্ণিত বিজয় অ্যান্ড্রয়েড এপিকে ফাইলটি সংগ্রহ করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

আরও উল্লেখ করা হয়, আমদানি করা/আমদানিতব্য ও স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত সব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট মোবাইল হ্যান্ডসেট কমিশন থেকে বাজারজাতকরণের অনুমতি গ্রহণের পূর্বে সব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্ট মোবাইল হ্যান্ডসেটে সরবরাহকরা বিজয় অ্যান্ড্রয়েড এপিকে ফাইল ইনস্টল করে কমিশনে তা প্রদর্শন করতে হবে।

অন্যথায় উক্ত মোবাইল হ্যান্ডসেটের বাজারজাতকরণের জন্য অত্র কমিশন থেকে অনাপত্তি প্রদান করা হবে না। এ চিঠি জারির তারিখ থেকে বর্ণিত নির্দেশনাটি কার্যকর করা হবে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

টেলিকম ও প্রযুক্তি

নিজের বেতন ৪০ শতাংশ কমালেন অ্যাপল সিইও টিম কুক

Published

on

সিনো বাংলা

নিজের বেতন ৪০ শতাংশ কমিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী (সিইও) টিম কুক। এর ফলে প্রযুক্তি কোম্পানিটি থেকে চলতি বছর তার বাৎসরিক আয় ৯ কোটি ৯৪ লাখ মার্কিন ডলার থেকে এক ধাক্কায় ৪ কোটি ৯০ লাখ ডলারে চলে আসবে। খবর এপির।

২০১১ সালে পদোন্নতি পেয়ে অ্যাপলের সিইও হন কুক। গত তিন বছর তিনি মূল বেতন হিসেবে ৩০ লাখ ডলার পাচ্ছিলেন। ২০২০ সালে বোনাসসহ কোম্পানি থেকে তার মোট আয় ছিল ১ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। কিন্তু ২০২১ সালে তা একলাফে বেড়ে ৯ কোটি ৮৭ লাখ ডলারে পৌঁছায় এবং ২০২২ সালে এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৯ কোটি ৯৪ লাখ ডলারে।

গত বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) রেগুলেটরি ফাইলিংয়ে অ্যাপল জানিয়েছে, ২০২৩ সালের জন্য টিম কুকের মোট বেতন ধরা হয়েছে ৪ কোটি ৯০ লাখ ডলার (৫১০ কোটি টাকা প্রায়)। এর মধ্যে মূল বেতন হবে ৩০ লাখ ডলার, নগদ প্রণোদনা ৬০ লাখ ডলার এবং ইক্যুইটি বোনাস চার কোটি ডলার।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

কোম্পানিটি আরও জানিয়েছে, শেয়ারহোল্ডারদের মতামত, কোম্পানির পারফরম্যান্স, সর্বোপরি টিম কুকের পরামর্শে সিইও’র বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কুকের উচ্চ বেতনের বিষয়ে বিভিন্ন মহল থেকে সম্প্রতি সমালোচনার মুখে পড়েছিল অ্যাপল। ইনস্টিটিউশনাল শেয়ারহোল্ডার সার্ভিস (আইএসএস) নামে একটি পরামর্শক ফার্ম অভিযোগ তোলে, কুক যে বেতন পান তার অর্ধেকটাই কোম্পানির পারফরম্যান্সের ভিত্তিতে নয়।

গত বছরের মার্চ মাসে অ্যাপলের নির্বাহী বেতন ইস্যুতে শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে একটি ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়েছিল। এতে বিদ্যমান বেতনের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়লেও বিরোধীদের সংখ্যাও ছিল উল্লেখযোগ্য।

ব্লুমবার্গের হিসাবে, প্রধান নির্বাহীদের কাছ থেকে নিজের বেতন কমানোর এ ধরনের সুপারিশ খুবই বিরল। বরং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিইও’দের বেতন প্যাকেজ ক্রমাগত বেড়েছে। নির্বাহী বেতনের ক্ষেত্রে ২০২১ সাল ছিল রেকর্ডের বছর।

অ্যাপল জানিয়েছে, টিম কুক তার বেতন কমানোর সিদ্ধান্ত অনুমোদন দিয়েছেন। ৬২ বছর বয়সী এ ব্যবসায়ী তার ধন-সম্পদ দাতব্য কাজে ব্যয় করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
January 2023
SMTWTFS
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 

ফেসবুকে অর্থসংবাদ