Connect with us

লাইফস্টাইল

লিভারে চর্বি জমেছে কি-না প্রাথমিক লক্ষণ বুঝে নিন

Published

on

মূলধন

ফ্যাটি লিভার বা লিভারে চর্বি জমা সমস্যায় বর্তমানে অনেকেই ভুগছেন। এটি নীরবে-নিভৃতে লিভারকে অকেজো করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। আগে শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে ফ্যাটি লিভার বেশি দেখা গেলেও এখন গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক এবং পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহমেদ জানান, শরীরের পাওয়ার হাউজ হলো লিভার। আমরা যা খাই, লিভার সেটিকে ব্যবহারের উপযোগী করে। অনেক সময় খাবারের সাথে কিছু রোগ-জীবাণুও পেটে চলে যায়। লিভার এ জীবাণুগলো ধ্বংস করে। আর এগুলো ধ্বংসের মাধ্যমেই শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় ও শরীর সুস্থ থাকে।

ফ্যাটি লিভার বা লিভারে চর্বি জমা কী?

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ডা. ফারুক আহমেদ জানান, আমাদের লিভারে সাধারণত ৩-৪ পাউন্ড চর্বি থাকে। লিভার সেলের চারপাশেও কিছু চর্বি থাকে। এ চর্বির পরিমাণ কোনোভাবে বেশি হলে অর্থাৎ ১০ শতাংশের বেশি হলে সেটিকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

তিনি আরোও জানান, বিশ্বের প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ মানুষ ফ্যাটি লিভার সমস্যায় আক্রান্ত। এক সময় এটি ধনীদের রোগ মনে করা হত। কিন্তু এখন গ্রাম পর্যায়েও প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এ সমস্যায় আক্রান্ত। শহরে এ হার আরও বেশি হতে পারে। এটি অবশ্যই আমাদের দেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এজন্য চিকিৎসার চেয়ে ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করা বেশি জরুরি। এজন্য সচেতনতার বিকল্প নেই।

ফ্যাটি লিভার কেন হয়

ফ্যাটি লিভার হওয়ার কারণ সম্বন্ধে ডা. ফারুক আহমেদ বলেন, পশ্চিমা সমাজে চর্বি তৈরির প্রধান কারণ অ্যালকোহল। এটি ছাড়াও অনেক কারণে চর্বি হয়ে থাকে। অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপে ভুগলেও ফ্যাটি লিভার অনেক বেশি হয়। এর বাইরে বিভিন্ন ওষুধ সেবন অথবা অন্যান্য রোগের কারণে ফ্যাটি লিভার হয়ে থাকে। স্বাভাবিক ওজন কিংবা কম ওজনের মানুষেরও হতে পারে, সেটিকে লিন ফ্যাটি লিভার বলা হয়। লিভারের চর্বি জমার ক্ষেত্রে ধরাবাঁধা কোনো বয়স নেই। বাচ্চাদের মধ্যেও এখন এই রোগের হার প্রায় ১৫ শতাংশ। এজন্য বাচ্চাদের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে, বিশেষ করে যেসব বাচ্চার ওজন বেশি।

লিভারে চর্বি জমার লক্ষণ

ডা. ফারুক আহমেদ বলেন, ফ্যাটি লিভার অনেকটা নীরব ঘাতক। স্বাভাবিক বা ফ্যাটের সময় কোনো মানুষই সেভাবে বুঝতে পারেন না। আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে ধরা পড়ে। শুরুর দিকে লিভারের চারপাশে কিছু চর্বি জমা হয়, অন্য কোনো লক্ষণ থাকে না। এরপর ধীরে ধীরে সেখানে প্রদাহ শুরু হয়। এ সময় লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুরুতে শরীরে শক্তি কমে যায় এবং দুর্বল অনুভব করে। ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়। এর বাইরে জন্ডিস হতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অংশ, চোখ, মুখ, হাত হলুদ হতে পারে।

তিনি বলেন, এ অবস্থা আরও বেশিদিন চললে হাত-পায়ে পানি জমা হতে পারে। অনেক সময় রক্ত বমিও হয়। এরপরও চিকিৎসা না করালে সেটি লিভার ক্যানসারে পরিণত হতে পারে। ক্যানসার হলে লিভারে চাকা হয়। লিভার বড় হয়ে যায় এবং রোগীরা ক্ষীণ বা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় রোগীর আয়ু দ্রুত কমে যায়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

লাইফস্টাইল

শীতে অ্যাকুরিয়ামের মাছের যত্নে করণীয়

Published

on

মূলধন

শীতের সময় অ্যাকুরিয়ামের মাছগুলো ঠান্ডায় দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ফলে খুব সহজেই মাছের স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় মাছ মরে যাচ্ছে বা প্রজনন বন্ধ করে দিচ্ছে। পানির তাপমাত্রা কমে গেলে মাছের সুস্থতা রক্ষায় কিছু উদ্যোগ নেয়া যেতে পারে।

পুষ্টিকর খাবার
অ্যাকুরিয়ামের মাছের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মানসম্পন্ন খাবার দিন। ফ্রোজেন খাবারগুলোতে ভিটামিন এবং খনিজ থাকে, যা মাছের মানসম্পন্ন খাবার সরবরাহের বড় উপাদান হতে পারে।

পানি পরিবর্তন
শীতকালে ঠান্ডা পানিতে অ্যাকুরিয়ামটি পূর্ণ করলে পানির তাপমাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। যাতে মাছের বিভিন্ন স্ট্রেসড হতে পারে। বেশি পরিমাণে পানি পরিবর্তনের বদলে কম পরিমাণে যেমন সাধারণত ২০-২৫% পানি নিয়মিতভাবে ৭-১৫ দিনের মধ্যে পরিবর্তনের চেষ্টা করুন।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ঠান্ডা প্রবেশ বন্ধ
রাতে মাছের অ্যাকুরিয়ামগুলো যাতে ঠান্ডার সংস্পর্শে না আসে, সেটি নিশ্চিত করুন। যদি অ্যাকুরিয়াম জানালার পাশে থাকে তাহলে নিয়মিত জানালা বন্ধ রাখুন। বিশেষ করে রাতের বেলা। সেইসঙ্গে জানালার পর্দা ব্যবহার করতে পারেন। অ্যাকুরিয়ামের পানির তাপমাত্রা মাপার থার্মোমিটারের সাহায্যে প্রতিদিন পানির তাপমাত্রা পরিমাপ করুন। যাতে মাছের জন্য আদর্শ পানির তাপমাত্রা বজায় থাকে। কোনোভাবেই যেন আদর্শ তাপমাত্রার নিচে নেমে না যায়।

হিটারের আকার
অ্যাকুরিয়ামের পানির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করার হিটারটি যথেষ্ট কি না, তা পরীক্ষা করতে পারেন। যদি অ্যাকুরিয়াম ৫০ লিটারের হয়, তাহলে ৫০ ওয়াটের হিটার ব্যবহার করুন। ৫০ লিটারের উপরে ১০০ লিটারের সমান বা কম হলে ১০০ ওয়াটের হিটার ব্যবহার করুন। তাই ৫০-১০০ লিটার পানির ক্ষেত্রে ১০০ ওয়াট, ১০০-১৫০ লিটার পানির ক্ষেত্রে ১৫০ ওয়াট, ১৫০-২০০ লিটার পানির ক্ষেত্রে ২০০ ওয়াট এভাবে হিটার নির্বাচন করুন।

এয়ার পাম্প
অ্যাকুরিয়ামে বড় সাইজের মাছ যেমন কার্প, কমেট বা গোল্ডফিস বা মনস্টার টাইপের মাছ থাকলে পরিমাণমতো অক্সিজেন সাপ্লাই দিন। এয়ার পাম্প কিনে পাইপ ও এয়ার স্টনের মাধ্যমে বাতাস সাপ্লাই করতে পারেন। এতে বাতাসে থাকা অক্সিজেন পানিতে মিশে অক্সিজেনের পরিমাণ বাড়াতে পারে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

শীতে বাড়ে নিউমোনিয়া, সুস্থ থাকবেন যেভাবে

Published

on

মূলধন

শীতে বেড়ে যায় নিউমোনিয়ার সমস্যা। এ সময় সঠিক সুরক্ষার অভাবে শিশু থেকে বয়স্ক সবাই নিউমোনিয়ার সমস্যায় ভুগতে পারেন।

ফুসফুসের সংক্রমণের কারণেই এই রোগ হয়। ফুসফুসে পানি জমেও হতে পারে নিউমোনিয়া। অল্প থেকে ক্রমশ গুরুতর আকার ধারণ করে এই রোগ।

ঠান্ডা লেগে বুকে শ্লেষ্মা জমে থাকার কারণেই মূলত এই রোগের বিস্তার ঘটে। তবে ঠান্ডা লাগলেই যে সবার নিউমোনিয়া হবে, সেটিও নয়। বরং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম, তারাই এই রোগে বেশি আক্রান্ত হন।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

নিউমোনিয়ার প্রাথমিক ও প্রথম লক্ষণ অস্বাভাবিক জ্বর। এই জ্বর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে। একই সঙ্গে কাশি, বুক ও মাথায় হালকা ব্যথা হতে পারে।

এই লক্ষণগুলো দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তার চেয়েও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো নিউমোনিয়া থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখা। এজন্য মেনে চলতে হবে কয়েকটি নিয়ম। জেনে নিন কী কী-

নিউমোনিয়ার টিকা নিন

ঝুঁকি এড়াতে নিউমোনিয়ার টিকা নিন। বয়স ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করে নিউমোনিয়ার টিকা দেওয়া হয়।

নিউমোনিয়া থেকে সুরক্ষিত থাকতে শিশুদেরও টিকা দিয়ে রাখা জরুরি। টিকা দেওয়া থাকলে নিউমোনিয়া এমনকি শীতকালীন নানা সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে।

বারবার হাত ধুতে হবে

নিউমোনিয়া থেকে সুরক্ষিত থাকার সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর উপায় হলো বারবার হাত ধোওয়া। আর হাত ধুতে না পারলে স্যানিটাইজার ব্যবহার করে হাত পরিষ্কার করুন। হাত না ধুয়ে মুখ, চোখ ও নাকে হাত দেবেন না। খেতে বসার আগেও ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।

গরম পোশাক পরুন

যাদের ঠান্ডার সমস্যা আছে তারা শীতে সবসময় গরম পোশাক পরে থাকার চেষ্টা করুন। বারবার গরম পানি পান করুন। রাতে বাইরে বের হলেও মাথা ও কান মাফলারে মুড়িয়ে রাখুন।

পানি পান করুন

প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। নিজেকে আর্দ্র না রাখলে যে কোনো অসুখ হানা দেবে শরীরে। সারাদিন অন্তত ৭-৮ গ্লাস পানি পান করুন।

স্বাস্থ্যকর খাবার খান

শীতকালে প্রচুর সবুজ শাকসবজি পাওয়া যায় বাজারে। ফাইবার, ভিটামিন, কার্বোহাইড্রেটে সমৃদ্ধ খাবার শীতে অন্য রোগের সঙ্গে লড়াই করার শক্তি জোগায়।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

শীতে পা ফাটার সমস্যা সমাধান হবে ঘরোয়া উপায়ে

Published

on

মূলধন

শীতের মৌসুমে বাড়ছে পা ফাটার সমস্যা? অনেকেই আছেন, যাদের সারা বছর কমবেশি পা ফাটে। তবে বাতাসে আর্দ্রতা কমলে যেন এই কষ্ট লাগামছাড়া হয়ে ওঠে। কর্মব্যস্ত জীবনে পায়ের যত্ন নেয়ার সময় হয়ে ওঠে না, অবহেলায় আরও বেড়ে যায় সমস্যা।

১) অ্যালোভেরা: ত্বকের নানা সমস্যা দূর করতেও দারুণ কার্যকর অ্যালো ভেরা। পা ফাটার সমস্যা রুখতে তাই ব্যবহার করতে পারেন অ্যালোভেরা। রাতে শোয়ার আগে চাইলে অ্যালোভেরার জেলের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মেখে নিন পায়ে। তারপর মোজা পরে ঘুমিয়ে পরুন। নিয়ম করে এই পন্থা মেনে চললে পা ফাটার সমস্যা কমবে।

২) পেট্রোলিয়াম জেলি এবং লেবুর রস: লেবুর রসে এসিড রয়েছে। ত্বকের সংক্রমণ দূর করতে এই উপাদানের জবাব নেই। তবে শুধু লেবুর রস ব্যবহার করলে হবে না। পেট্রোলিয়াম জেলি ও লেবুর মিশ্রণ দিয়েই পায়ের পাতার মসৃণতা ফেরাতে পারেন। ১ টেবিল চামচ পেট্রোলিয়াম জেলি ও ২ টেবিল চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পায়ের গোড়ালিতে লাগিয়ে রাখলে দিন কয়েকের মধ্যেই তফাৎ বুঝতে পারবেন।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

৩) কলা: কলা কালো হয়ে গেলে বাড়িতে কেউ খেতে চান না! ফেলে না দিয়ে সেই কলাগুলি রূপচর্চার কাজে লাগাতে পারেন। দুটো কলা মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন। তারপর গোড়ালির ফাটা অংশে সেই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখুন। ১৫-২০ মিনিট রাখার পরে ভাল করে ধুয়ে নিন। সপ্তাহে দু’-তিন দিন প্যাক ব্যবহার করলেই সুফল পাবেন।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বয়সের ছাপ ধীর করতে উপকারী সম্পূরক

Published

on

মূলধন

বয়স বেঁধে রাখা যায় না। তবে বয়স্ক হওয়ার গতি ধীর করা যায়।

বয়সের ছাপ, জ্ঞানীয় দক্ষতা হ্রাস, হাড়ের সংযোগ স্থলের ব্যথা ও বিপাক কমা ইত্যাদি বয়স বাড়ার লক্ষণ। জীবনযাপনের ধরন ও সঠিক প্রসাধনী ব্যবহারের মাধ্যমে এই গতি কিছুটা ধীর করা সম্ভব।

স্বাস্থ্যকর জীবনধারার ক্ষেত্রে সঠিক সম্পূরক গ্রহণ করা উপকারী।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ইটদিসনটদ্যট ডককমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিউ ইয়র্ক’য়ের পুষ্টিবিদ মেলিসা রিফকিন রান্নাঘরে পাওয়া যাবে এমন কয়েকটি সম্পূরক সম্বন্ধে জানিয়েছেন।

আর কয়েকটি গ্রহণ করতে হবে ট্যাবলেট বা ক্যাপ্সুল হিসেবে, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শে।

কোলাজেন

কোলেজন দেহের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোটিন। তবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে এর উৎপাদন কমতে থাকে। এই প্রোটিন হাড়, ত্বক এবং পেশিসহ সংযোগকারী কোষকে সুদৃঢ় করতে সহায়তা করে।

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কোলাজেনের উৎপাদন কমে এবং এসব ক্ষেত্রে পরিবর্তন দেখা দেয়।

গবেষণানুযায়ী, কোলাজেনের সম্পূরক স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি ত্বক, চুল ও নখ কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়াই ভালো রাখে।

সকালে পানীয় হিসেবে কোলাজেন পাউডার বা এর তৈরি তরল খাবার, যেমন- চা, কফি, দই বা স্মুদি ইত্যাদি খাবার গ্রহণ করা যেতে পারে।

ভিটামিন সি

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান হিসেবে এটা কোষের স্বাস্থ্য ভালো রাখার পাশাপাশি দেহে কোলাজেন তৈরিতেও সহায়তা করে। কোলাজেনের মতো ভিটামিন সি-ও ত্বক, নখ ও চুল ভালো রাখতে সহায়তা করে।

‘ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ সায়েন্স ডটকম’ সাময়িকীতে প্রকাশিত পোল্যান্ডের ‘দি ইন্সটিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্স, মেডিকেল কলেজ ইয়ান কোহানস্কি ইউনিভার্সিটি’র করা গবেষণায় দেখা গেছে, ভিটামিন সি সম্পূরক ত্বকের আর্দ্রতা রক্ষা করতে পারে এবং কোলাজেনের উৎপাদনকে গতিশীল করে। ফলে বয়সের ছাপ হ্রাস পায়।

এছাড়াও, ভিটামিন সি’র অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রভাব বয়সের কারণে হওয়া কোষের ক্ষয় কমাতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে।

রেসভেরাট্রল

এটা এমন একটা রাসায়নিক যৌগ যা লাল আঙ্গুর বা এর তৈরি কোনো উপাদানে পাওয়া যায়। এটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস যা সম্পূরক হিসেবে প্রতিদিন গ্রহণ করা যায়।

চীনের ‘হুবে ইউনিভার্সিটি অফ চাইনিজ মেডিসিন’য়ের করা গবেষণা অনুযায়ী রেসভেরাট্রল ‘অ্যান্টি এইজিং’ উপাদান সমৃদ্ধ সম্পূরক। এটা প্রদাহনাশক, হৃদস্বাস্থ্য, স্নায়ুর জন্য উপকারী। আর বয়সের গতি ধীর করতেও সহায়তা করে।

ওমেগা-থ্রি

এই অত্যাবশ্যকীয় চর্বি গত এক দশক ধরে স্বাস্থ্যকর সম্পূরক হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞানীয় দক্ষতায় ভাটা পরে যা পূরণ করতে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিডস সহায়তা করে। এটা স্মৃতিশক্তি ও জ্ঞানীয় দক্ষতা উন্নত করে।

বার্ধক্যের অন্যতম লক্ষণ হাড়ের সংযোগ স্থলে ব্যথা কমাতে ওমেগা থ্রি অ্যাসিডস সাহায্য করে। সম্পূরক হিসেবে ওমেগা থ্রি বাছাই করার সময় তাতে আরও পুষ্টি উপাদান যেমন- ওমেগা-সিক্স’এস বা ওমেগা-নাইন’এস থাকে সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। এতে আরও ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

ভিটামিন বি টুয়েল্ভ

বয়স বাড়ার ফলে দেহ ভিটামিন বি শোষণে দুর্বল হয়ে পড়ে। ভিটামিন বি টুয়েল্ভ’য়ের ঘাটতি দীর্ঘ হলে দেখা দিতে পারে রক্ত শূন্যতা। এর আরেকটি লক্ষণ হল- ক্লান্তিভাব।

যদিও ক্লান্ত অনুভব করার পেছনে নানান কারণ থাকতে পারে। তবে বয়স বৃদ্ধি এর অন্যতম কারণ।

ভিটামিন বি টুয়েল্ভ’য়ের ঘাটতি কমাতে এর সম্পূরক গ্রহণ করা ইতিবাচক ফলাফল দেয়।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

সুস্থ থাকতে রসুনের যত গুনাগুণ

Published

on

মূলধন

রসুন এমন একটি উপকরণ যা আমাদের রান্নাঘরে প্রতিদিনই থাকে। আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান এই উপকরণটি। মাছ হোক কিংবা মাংস আদা-রসুন না দিলে তাতে যেন স্বাদ লাগে না । তবে আপনি জানলে অবাক হবেন এই রসুনের রয়েছে অনেক রকম গুণ। যা আপনার শরীরের অর্ধেক রোগ সারাতে সাহায্য করবে।

রসুন উচ্চ রক্তচাপের সমস্যার নিরাময়ের জন্য খুব কাজের উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয়। কোলেস্টেরল কমাতেও কাজ করে রসুন। এটি খারাপ কোলেস্টেরল কমায় এবং হৃদরোগ প্রতিরোধ করে ।

ঋতুচক্র বন্ধ হয়ে যাওয়া নারীদের ক্ষেত্রে রসুন খুবই উপকারী এতে শরীরের অনেক রকম সমস্যা দূর হয়। এছাড়াও জ্বর-সর্দি-কাশি হলে কালোজিরে, রসুন ও সরষে তেল দিয়ে ভেজে খেলে তার শরীরে রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা বাড়ায়।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে রসুন। বিশেষ করে রোজ যদি কেউ এক কোয়া রসুন খান, তাঁর ডায়াবিটিসের আশঙ্কা কিছুটা কমতে পারে।

সম্প্রতি আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অব কানেক্টিকাট স্কুল অব মেডিসিন রসুন নিয়ে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেছে। সকালে খালি পেটে রসুন খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে সেখানে কয়েকটি কথা বলা হয়েছে। দেখে নেওয়া যাক সেগুলি কী কী।

যাঁরা সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খান, তাঁদের হৃদ্‌রোগের আশঙ্কা অনেকটা কমে যায়। রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে, শরীর চট করে ক্লান্ত হয় না।

রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে রসুন। বিশেষ করে রোজ যদি কেউ এক কোয়া রসুন খান, তাঁর ডায়াবিটিসের আশঙ্কা কিছুটা কমতে পারে।

অনেকেই সারা বছর সর্দি-কাশির সমস্যায় ভোগেন। ঠান্ডা লাগা কমতেই চায় না। তাঁরা যদি নিয়মিত সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খান, তিন সপ্তাহেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

সবচেয়ে বড় কথা, শরীরকে দূষণ মুক্ত করতে রসুন খুবই কার্যকর। সকালে খালি পেটে এক কোয়া রসুন খেলে শরীরে জমা টক্সিন দ্রুত সাফ হয়ে যায়। সার্বিক ভাবে সুস্থতা বাড়ে এর ফলে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
মূলধন
জাতীয়11 mins ago

নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন, সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই: প্রধানমন্ত্রী

মূলধন
পুঁজিবাজার38 mins ago

লেনদেন কমলেও বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা

মূলধন
পুঁজিবাজার13 hours ago

দ্বিগুণ আয় বেড়েছে সিনো বাংলার

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

গ্লোবাল হেবির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

আয় কমেছে ইনডেক্স এগ্রোর

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

নাহি অ্যালুমিনিয়ামের আয় কমেছে ৫ গুণ

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

শ্যামপুর সুগারের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

ক্রাউন সিমেন্টের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

মূলধন
পুঁজিবাজার15 hours ago

আয় কমেছে ন্যাশনাল পলিমারের

মূলধন
টেলিকম ও প্রযুক্তি15 hours ago

বৈশ্বিক ই-কমার্স সূচকে ১২ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

Advertisement
January 2023
SMTWTFS
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 

ফেসবুকে অর্থসংবাদ