Connect with us

ব্যাংক

কোনো ব্যাংকই দেউলিয়া হবে না : পরিকল্পনামন্ত্রী

Published

on

মূলধন

কোনো ব্যাংকই দেউলিয়া হবে না মন্তব্য করে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমাদের ব্যাংকিং খাত নিয়ে এখন অনেক আলোচনাই হচ্ছে। কিছু কিছু বিষয় গণমাধ্যমেও আসছে। তবে দু’একটি ঘটনার কারণে গোটা ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিয়ে রায় দেওয়া উচিৎ নয়।

বুধবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইন্সটিটিউটে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এখানে আইন রয়েছে, অন্যায় হয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো ব্যাংকই দেউলিয়া হবে না। কয়েকদিন আগে একটা গুজব ছড়িয়েছিল যে ব্যাংকে টাকা পাওয়া যাচ্ছে না। যেটা সম্পূর্ণ ভুল। একটা শ্রেণি অসৎ উদ্দেশ্যে এসব গুজব ছড়ায়।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, সরকার এখন কিছুটা চাপে রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সবাইকে বলছেন মিতব্যয়ী হতে। মূল্যস্ফীতি এখন নিম্নগামী। খাদ্য, তেল, গ্যাসের দাম কমছে। আমাদের দেশেও মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমেছে। আগামী মাসে এটা আরও কমে যাবে। কারণ সামনে নতুন ধান, সবজির মৌসুম। সামনে আমাদের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও ভালো হবে।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

ব্যাংক

লোকসানি ন্যাশনাল ব্যাংকে নিয়োগের হিড়িক!

Published

on

মূলধন

দেশের সবচেয়ে বড় মূলধনী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হওয়া সত্ত্বেও ২০২২ সালে মুনাফা করতে পারেনি ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড। লোকসান করায় প্রতিষ্ঠানটি গত বছরের আর্থিক বিবরণীও প্রকাশ্যে আনেনি। অথচ এই সংকটের মধ্যেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ব্যাংকটিতে ব্যাপক নিয়োগ চলছে। এসব নিয়োগকে ঘিরে ব্যাংকখাতে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

দেশের সবচেয়ে বড় মূলধনী আর্থিক প্রতিষ্ঠান হলেও ২০২২ সালে লোকসান করেছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড। কমেছে প্রতিষ্ঠানটির সম্পদমূল্যও। তবে সংকটের মধ্যেও কর্মী নিয়োগ দিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। এসব নিয়োগ প্রশ্নবিদ্ধ বলে মনে করেন খাত সংশ্লিষ্টরা।

জানা গেছে, সম্প্রতি ট্রেইনি এসিস্ট্যান্ট থেকে শুরু করে এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট (ইভিপি) পর্যন্ত পদে নিয়োগ দিয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক। বৈশ্বিক সংকটের কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরামর্শ অনুযায়ী আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যেখানে পরিচালন ব্যয় কমাচ্ছে, সেখানে গত চার মাসে ৩টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ব্যাংক খাতের এই প্রতিষ্ঠানটি। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে পদ সংখ্যাও ছিল অনির্ধারিত।

মূলত নিজেদের ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যাংকটির সদ্যবিদায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মেহমুদ হোসেন ও মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান শেখ আকতার উদ্দিন আহমেদ সিন্ডিকেট তৈরি করে বেশকিছু প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগ দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। নিজেদের লোক নিয়োগ দেওয়ার সুবিধার্থে ব্যাংকটিতে নতুন-নতুন বিভাগও খুলেছেন তারা। এমনকি পরীক্ষার মাধ্যমে যেসব নিয়োগ হয়েছে- সেগুলো নিয়েও বড় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে ব্যাংক খাতে।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

ন্যাশনাল ব্যাংকের আর্থিক প্রতিবেদনগুলো ঘেটে দেখা গেছে, ব্যাংকটি বর্তমানে মারাত্মক দুরাবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। মূলত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অদক্ষতা ও ব্যক্তি স্বার্থকে প্রাধান্য দেওয়ায় ২০২২ সালে অধিকাংশ ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা বাড়লেও উল্টো লোকসানে গেছে ন্যাশনাল ব্যাংক। ব্যবসা ও রিকভারিতে মনোযোগ না দিয়ে উল্টো উচ্চবেতনে বিপুল নিয়োগের মাধ্যমে পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি করার কারণে বড় লোকসানে গেছে ব্যাংকটি।

সূত্র জানায়, গত বছরের ২৭ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক সার্কুলার জারি করে ব্যাংকগুলোকে পরিচালন ব্যয় কমানোর নির্দেশ দিয়েছিল। সংকোচনের মাধ্যমে সাশ্রয় হওয়া অর্থ অন্য কোন খাতেও ব্যয় করা যাবে না। মূলত বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে দেশের ব্যয় সংকোচনের প্রক্রিয়া হিসেবেই ব্যাংক খাতে ব্যয় সংকোচনের নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অথচ রাষ্ট্রীয় নির্দেশনা অমান্য করে দেশের স্বার্থের দিকে না তাকিয়ে নিজস্ব স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রভাবশালী এই সিন্ডিকেট। পরিচালনা পর্ষদের অগোচরেই মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান সদ্য বিদায়ী এমডিকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন পদে জনবল নিয়োগ দিয়েছে।

জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে দেশের শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয় ন্যাশনাল ব্যাংক। তালিকাভুক্ত হওয়ার পর থেকে শুধুমাত্র ২০১৯ সালে বিনিয়োগকারীদের জন্য নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল ২ হাজার ৩১৯ কোটি টাকা পরিশোধিত মূলধনের প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানিটির সর্বশেষ প্রকাশিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত বছরের তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) ন্যাশনাল ব্যাংকের লোকসান হয়েছে ৩৫৭ কোটি টাকা। অথচ ২০২১ সালের একই সময়ে ১৩৪ কোটি টাকা নিট মুনাফা করেছিল ব্যাংকটি। আর ২০২০ সালে ৯ মাসে নিট মুনাফার পরিমাণ ছিল ৩৪৮ কোটি টাকা। এখন পর্যন্ত সর্বশেষ হিসাববছরের (২০২২) আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি ন্যাশনাল ব্যাংক। ২০২১ সালের আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যাংকটি মুনাফা করেছিল ২৪৮ কোটি টাকা এবং এর আগের বছরের (২০১৯) মুনাফা ছিল ৯২০ কোটি টাকা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর শেষে ন্যাশনাল ব্যাংকের খেলাপি ঋণ বেড়ে হয়েছে ১১ হাজার ৩৩৫ কোটি টাকা। এক বছর আগে যা ছিল ৪ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা। এক বছরে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৬ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকা। এখন ব্যাংকটির ২৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ ঋণই খেলাপি।

এদিকে ব্যাংকটি তারল্য-সংকটেও পড়েছে। অনেক শাখায় আমানত কমেছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকে আমানতের বিপরীতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ এসএলআর (বিধিবদ্ধ জমা) জমা রাখতে পারছে না। এ জন্য প্রতিনিয়ত জরিমানা গুনতে হচ্ছে ন্যাশনাল ব্যাংককে। এরপরও ব্যাংকটির আর্থিক পরিস্থিতির উন্নতিতে মনোযোগ না দিয়ে মানবসম্পদ বিভাগের প্রধানকে সঙ্গে নিয়ে নতুন-নতুন নিয়োগে মনোযোগ দিতে দেখা গেছে সদ্যবিদায়ী ব্যবস্থাপনা পরিচালককে। যে কারণে ডিসেম্বর শেষে ব্যাংকটির আর্থিক সূচক আরও শোচনীয় অবস্থায় গেছে।

এই পরিস্থিতির মধ্যেও গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত চার মাসে ৩টি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে ব্যাংকটি। গত ২৭ অক্টোবর এভিপি, এসএভিপি ও ভিপি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় ন্যাশনাল ব্যাংক। ২৯ নভেম্বরে জুনিয়র অফিসার থেকে এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়। চলতি বছরের ১৯ জানুয়ারি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেয় ব্যাংকটি। তিনটি বিজ্ঞপ্তিতেই পদ সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মতে , মূলত নিজেদের মতো করে লোক নেওয়ার সুবিধার্থেই পদ সংখ্যা উন্মুক্ত রেখেছেন সিন্ডিকেটের হোতারা।

এ বিষয়ে জানার জন্য ন্যাশনাল ব্যাংকের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হোসাইন আখতার চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তাঁর মুঠোফোনে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

ইসলামী ব্যাংকের আমানত ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে: চেয়ারম্যান

Published

on

মূলধন

ইসলামী ব্যাংকের আমানত, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যাংকটির চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান। রোববার (২২ জানুয়ারি) ব্যাংটির উদ্যোগের আয়োজিত ৩ দিনব্যাপী বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্টে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিন, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোঃ সেলিম উদ্দিন, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোলায়মান, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ফসিউল আলম এবং শরীআহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যন প্রফেসর ড. মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন তালুকদার বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ব্যাংকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মুহাম্মদ কায়সার আলী। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন ব্যাংকের শরীআহ সুপারভাইজরি কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আব্দুস সামাদ। এছাড়াও ব্যাংকের পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডাইরেক্টর মোঃ ওমর ফারুক খান ও জে কিউ এম হাবিবুল্লাহ, ও ডেপুটি ম্যানেজিং ডাইরেক্টরবৃন্দসহ ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী, ১৬টি জোনের জোনপ্রধান, প্রধান কার্যালয়ের উইং ও ডিভিশন প্রধান এবং ৩৯৪টি শাখার ব্যবস্থাপকগণ সম্মেলনে অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর মোঃ নাজমুল হাসান বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রতি দেশের মানুষের আস্থার প্রতিফলন হিসেবে প্রতি বছরই ব্যাংকের আমানত, বিনিয়োগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পাচ্ছে। ২০২২ সালেও সেই ধারা অব্যাহত রয়েছে। তিনি সম্ভাব্য মন্দা মোকাবেলায় কৃষিসহ অন্যান্য উৎপাদনমুখী খাতসমূহকে গুরত্ব দেয়ার আহ্বান জানান। সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সাথে গ্রাহকদের সেবা প্রদান ও পরিবর্তিত বিশ্ব আর্থিক পরিস্থিতিকে সামনে রেখে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে নিবেদিত হয়ে কাজ করার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিন বলেন, ইসলামী ব্যাংকের প্রতি জনগণের ভালবাসা অব্যাহত রাখতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরলস পরিশ্রম করতে হবে। সততা, আন্তরিকতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতার সাথে ব্যাংকের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে। ব্যাংকের সকল কার্যক্রমে নিয়ম কানুন যথাযথ পরিপালনের জন্য তিনি ব্যবস্থাপকদের প্রতি আহ্বান জানান।

মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা সভাপতির বক্তব্যে বলেন, ইসলামী ব্যাংক গ্রাহকদের প্রয়োজন ও চাহিদার দিকে খেয়াল রেখে বিনিয়োগ প্রোডাক্টসমূহ প্রণয়ন করেছে। সবগুলো প্রোডাক্টকে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে আমরা বিনিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করি। কর্মকর্তা কর্মচারিদের পেশাগত যোগ্যতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থা নিতে ব্যবস্থাপকদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।

অন্যান্য বক্তারা বলেন, ইসলামী ব্যাংক জনগণের আমানতের অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক, নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ও শরীআহর নীতিমালা যথাযথ পরিপালন ইসলামী ব্যাংকের সংস্কৃতির অংশ। পেশাদারিত্ব, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন এবং আন্তরিকতার সাথে গ্রাহকসেবা প্রদানের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

খেলাপি ঋণের ৬৫ শতাংশই শীর্ষ ১০ ব্যাংকে

Published

on

মূলধন

দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ দিনদিন বাড়ছে। সদ্য বিদায়ী বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত খাতটিতে খেলাপি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬৫ শতাংশ রয়েছে শীর্ষ ১০ ব্যাংকে।

রোববার (২২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত ত্রৈমাসিক আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, খেলাপির ৬৫ শতাংশ রয়েছে শীর্ষ ১০ ব্যাংকে। বাকি ৫১টি ব্যাংকে ৩৫ শতাংশ। দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের মোট খেলাপি ঋণ এক লাখ ৩৪ হাজার ৩৯৬ কোটি টাকা। অর্থাৎ মোট খেলাপি ঋণের মধ্যে শীর্ষ ১০টি ব্যাংকে রয়েছে ৮৭ হাজার কোটি টাকা। বাকি ৫১টি ব্যাংকে রয়েছে ৪৭ হাজার কোটি টাকা।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, শীর্ষ দশ খেলাপির ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান (এনবিপি)। সেপ্টম্বরের ব্যাংকটির খেলাপির হার দাঁড়িয়েছে ৯৭ দশমিক ৯৭ শতাংশ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে আইসিবি ইসলামী ব্যাংক। এসময় ব্যাংকটির খেলাপির দাঁড়িয়েছে ৮৩ দশমিক ২০ শতাংশ।

এছাড়া তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা বেসিক ও পদ্মা ব্যাংকের খেলাপির হার যথাক্রমে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ ও ৬৭ দশমিক শূণ্য ৮ শতাংশ। এছাড়া বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক ৪৫ দশমিক ৪২ শতাংশ খেলাপি নিয়ে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে। তবে ষষ্ঠ ও সপ্তম তালিকায় থাকা বিডিবিএল ও জনতা ব্যাংকের খেলাপির হার যথাক্রমে ৪০ দশমিক ৭২ শতাংশ এবং ২৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ।

একইভাবে খেলাপির হার ২৭ দশমিক ৪৬ শতাংশ নিয়ে অষ্টম তালিকায় রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক। এই ১০ ব্যাংকের তালিকার অন্য দুটি ব্যাংক হচ্ছে- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক (রাকাব) এবং রূপালী ব্যাংক। এই ব্যাংক দুটোর খেলাপির হার যথাক্রমে ২১ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও ১১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

তথ্য অনুযায়ী, দেশের ব্যাংকিং খাতে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে সামগ্রিকভাবে খেলাপি ঋণ বেড়েছে দশমিক ৪০ শতাংশ। কারণ জুন প্রান্তিকের খেলাপি ঋনের হার ৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ থেকে বেড়ে সেপ্টেম্বরে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩৬ শতাংশে। তবে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে খেলাপির তালিকায় থাকা ১০ শীর্ষ ব্যাংকের খেলাপির ঋণ মোট খেলাপির তুলনায় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৪ দশমিক ৫১ শতাংশ। যা জুন প্রান্তিকে ছিল ৬৩ দশমিক ৫৯ শতাংশ। সেই হিসাবে ৩ মাসে ওই ব্যাংকগুলোর খেলাপি বৃদ্ধির হার দশমিক ৯৫ শতাংশ।

একই সময়ে পুরো ব্যাংক খাতের মোট খেলাপির ৪৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ ধারণ করছে মাত্র ৫ টি ব্যাংক। যা তার আগের প্রান্তিকে ছিল ৪৫ দশমিক ৯৮ শতাংশ। এছাড়া এই ৫ ব্যাংকের খেলাপি বৃদ্ধির হার ৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

দেশের মোট রেমিট্যান্সের এক-তৃতীয়াংশ আরহণ করেছে ইসলামী ব্যাংক

Published

on

মূলধন

বিদায়ী ২০২২ সালে ইসলামী ব্যাংক দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এককভাবে আহরণ করেছে বলে জানিয়েছে ব্যাংকের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও প্রধান নির্বাহী মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা।

গত শুক্রবার মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্টে ইসলামী ব্যাংকের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক ব্যবসায় উন্নয়ন সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংক প্রায় ২ কোটি গ্রাহকের আস্থার ব্যাংক। এই ব্যাংকের ৬ হাজার ইউনিট দেশ ও প্রবাসে গ্রাহকদের প্রযুক্তিসমৃদ্ধ ব্যাংকিং সেবা প্রদান এবং স্মার্ট ও ক্যাশলেস বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে। ২০২২ সালে ইসলামী ব্যাংক দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় এক তৃতীয়াংশ এককভাবে আহরণ করেছে। বিগত বছরে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে রপ্তানি হয়েছে ৪০৩ কোটি মার্কিন ডলার।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

তিনি আরও বলেন, গত বছর দেশের বেসরকারি খাতের সিংহ ভাগ সার আমদানি হয়েছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ইসলামী ব্যাংকের সমৃদ্ধি ও সাফল্যে নিরন্তর সহযোগিতা অব্যাহত রাখায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও গ্রাহক-শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞতা জানান।

ব্যাংকের বোর্ড অব ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. নাজমুল হাসান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মেলন উদ্বোধন করেন।

ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান মো. সাহাবুদ্দিন, এক্সিকিউটিভ কমিটির চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মো. সেলিম উদ্দিন, অডিট কমিটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোলায়মান, রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) ইঞ্জিনিয়ার আবদুল মতিন, পরিচালক মো. জয়নাল আবেদীন, প্রফেসর ড. কাজী শহীদুল আলম, মো. কামরুল হাসান, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সালেহ জহুর ও মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন বিশেষ অতিথি হিসেবে সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে আমানত কমেছে প্রায় হাজার কোটি টাকা

Published

on

মূলধন

দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে এজেন্ট ব্যাংকিং। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ দেশের গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙা করতে বড় অবদান রাখছে এ খাত। তবে সদ্য বিদায়ী ২০২২ সালের নভেম্বর শেষে প্রায় হাজার কোটি টাকা আমানত কমেছে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য মতে, নভেম্বরে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে ২৯ হাজার ৬৫৮ কোটি টাকা আমানত রাখেন গ্রাহকরা। যা আগের মাস অক্টোবরে ছিল ৩০ হাজার ৬২৬ কোটি টাকা। এক মাসের ব্যবধানে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে আমানত কমেছে ৯৬৮ কোটি টাকা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এজেন্ট ব্যাংকিং প্রান্তিক পর্যায়ে আমানত রাখা, ঋণ বিতরণ ও প্রবাসী আয় আনার পাশাপাশি স্কুল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছে ব্যাংকগুলো। সরকারের সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ভাতাও বিতরণ হচ্ছে এসব শাখাগুলো। এতে সাধারণ মানুষ ব্যাংকিং কার্যক্রমের আওতায় আসছেন আর ব্যাপকহারে এগিয়ে যাচ্ছে দেশের অর্থনীতি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, আমানত সংগ্রহে শহরের চেয়ে এগিয়ে গ্রামীণ শাখাগুলো। সদ্য বিদায়ী নভেম্বর শেষে দেখা যায়— প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকরা মোট ২৩ হাজার ৭৪৭ কোটি টাকার আমানত রাখেন। যা আগের মাস অক্টোবরের তুলনায় ৯৭১ কোটি টাকা কম। অক্টোবরে গ্রামের এজেন্ট শাখাগুলো আমানত সংগ্রহ করেছিল ২৪ হাজার ৭১৯ কোটি টাকা। আর নভেম্বর শেষে শহরের এজেন্ট ব্যাংকের শাখাগুলোতে ৫ হাজার ৯১১ কোটি টাকার আমানত রাখেন গ্রাহকরা।

অর্থসংবাদের মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

এদিকে, ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও অক্টোবরের চেয়ে বেশ এগিয়ে ছিল নভেম্বর। নভেম্বর মাসে মোট ঋণ বিতরণ করা হয় ৭৮৭ কোটি টাকা, যা আগের চেয়ে ১১২ কোটি টাকা বেশি। এর মধ্যে শহরে ২৬৯ কোটি এবং গ্রামে ৫১৮ কোটি টাকা বিতরণ করে ব্যাংকগুলো। আগের মাসে ঋণ বিতরণের পরিমাণ ছিল ৬৭৪ কোটি টাকা।
অপরদিকে, এজেন্ট ব্যাংকের শাখাগুলোতে গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের পরিমাণ বেড়েছে। নভেম্বরে খাতটিতে মোট ২৫৬ কোটি টাকা ব্যবহৃত হয়েছে। এর আগের মাসে এজেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে বিল পরিশোধ করা হয়েছিল ২২৮ কোটি টাকা।

এছাড়া নভেম্বরে এজেন্ট শাখাগুলোতে আগ্রহ বেড়েছে প্রবাসীদের। ফলে প্রবাসী আয় সংগ্রহ বেড়েছে এসব শাখায়। মাসটিতে মোট ২ হাজার ৮২৩ কোটি টাকার রেমিট্যান্স আসে, যা আগের মাসের চেয়ে ২১৬ কোটি টাকা বেশি। অক্টোবরে এজেন্টের মাধ্যমে মোট ২ হাজার ৬০৬ কোটি টাকার রেমিট্যান্স সংগ্রহ করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
মূলধন
জাতীয়31 mins ago

নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন, সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই: প্রধানমন্ত্রী

মূলধন
পুঁজিবাজার58 mins ago

লেনদেন কমলেও বাজার মূলধন বেড়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

দ্বিগুণ আয় বেড়েছে সিনো বাংলার

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

গ্লোবাল হেবির আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

আয় কমেছে ইনডেক্স এগ্রোর

মূলধন
পুঁজিবাজার14 hours ago

নাহি অ্যালুমিনিয়ামের আয় কমেছে ৫ গুণ

মূলধন
পুঁজিবাজার15 hours ago

শ্যামপুর সুগারের দ্বিতীয় প্রান্তিক প্রকাশ

মূলধন
পুঁজিবাজার15 hours ago

ক্রাউন সিমেন্টের আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ

মূলধন
পুঁজিবাজার15 hours ago

আয় কমেছে ন্যাশনাল পলিমারের

মূলধন
টেলিকম ও প্রযুক্তি16 hours ago

বৈশ্বিক ই-কমার্স সূচকে ১২ ধাপ পেছাল বাংলাদেশ

Advertisement
January 2023
SMTWTFS
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031 

ফেসবুকে অর্থসংবাদ