Connect with us

লাইফস্টাইল

কর্মদক্ষতা বাড়াতে যে কাজগুলো করবেন

Published

on

ব্যস্ততায় ভরা জীবনে পেশাগত এবং ব্যক্তিগত জীবনের সমন্বয় করা ভীষণরকম কঠিন হয়ে দাঁড়াতে পারে। ব্যস্ততা সবচেয়ে ক্ষতি করে দেয় আপনার কর্মদক্ষতার। এটি আপনাকে অতিরিক্ত চাপ এবং উদ্বেগে ফেলে দিতে পারে। তাই জেনে নিন এমনকিছু কাজ সম্পর্কে যেগুলো আপনার কর্মদক্ষতাকে বাড়িয়ে দেবে, শত ব্যস্ততায়ও আর চাপ অনুভব করবেন না-

যখনকার কাজ তখনই করুন

যদি এমন হয় যে কিছু কাজ করা প্রয়োজন কিন্তু আপনি পরে করবেন বলে ফেলে রাখছেন, তাহলে সেসব কাজের জন্য নষ্ট হবে আপনার অতিরিক্ত সময়। তাই যখনই কোনো কাজ করার প্রয়োজন হবে, তখনই করে ফেলুন। মনে মনে একটি সময় বেঁধে নিন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার চেষ্টা করুন। কাজের সময়সীমা নির্দিষ্ট থাকলে সেটি দ্রুত এবং সঠিকভাবে শেষ করার তাড়া থাকে।

গোছানো শিডিউল মেনে চলুন

Nogod-22-10-2022

কোনোকিছু গোছানো মানেই অনেকটা এগিয়ে থাকা। তাই প্রতিদিনের কাজগুলোকে সময় ও গুরুত্ব অনুসারে সাজিয়ে নিন। সময়গুলো ভাগ ভাগ করে নিন। নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট কাজ করুন। যখন আপনার একটি গোছানো শিডিউল থাকবে তখন সহজেই সেই সময়সূচি মেনে চলতে পারবেন। যখন আপনার কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পাবে, আপনি খুব সুন্দরভাবেই কাজ শেষ করার উৎসাহ পাবেন। একটি লক্ষ্য ঠিক করুন এবং সেদিকেই এগিয়ে যান।

ফোন সাইলেন্ট মোডে রাখুন

একথা সবাই স্বীকার করবেন যে ফোন থেকে দূরে থাকা সত্যিই কঠি। কারণ আজকাল আমাদের অনেককিছুই ফোনের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু আপনি যত বেশি সময় আপনার ফোন সাইলেন্ট মোডে রাখবেন, কাজে তত বেশি মনোযোগী হবেন। আপনি কার্যকরভাবে মনোনিবেশ করতে সক্ষম হবেন।

একসঙ্গে অনেক কাজ করবেন না

মাল্টি-টাস্কার হওয়ার চেষ্টা করবেন না। এটি আপনার কর্মদক্ষতা বাড়াবে না, বরং কমিয়ে দেবে। তাই একবারে একটি কাজের ওপর ফোকাস করা উচিত। এই অভ্যাস আপনাকে নির্দিষ্ট বিষয়ে আরও দক্ষ করে তুলবে। একসঙ্গে অনেক কাজ করতে গেলে কোনো কাজই খুব বেশি সুন্দর হবে না, সেটি সম্ভবও নয়।

সবচেয়ে অপছন্দের কাজটি দিনের শুরুতে করে ফেলুন

এটি অনেকের কাছেই যুক্তিসঙ্গত সমাধান বলে মনে নাও হতে পারে। তবে যে কাজটি আপনি করতে খুব একটা পছন্দ করছেন না কিন্তু না করেও উপায় নেই, সেটি সম্পন্ন করার জন্য দিনের শুরুটাই সঠিক সময়। আপনি যদি কাজটি দিনের পর দিন ফেলে রাখেন তবে কেবল বিলম্বই হবে। সেইসঙ্গে আপনি এক ধরনের মানসিক চাপের ভেতর থাকবেন। তাই কাজটি যখন করতেই হবে, দিনের শুরুতেই করে ফেলুন।

কাজকে অগ্রাধিকার দিন

কাজ ফেলে রাখবেন না। কোনটি আগে করা জরুরি, কোনটি কিছুটা পরে করলেও সমস্যা নেই তা নির্দিষ্ট করে নিন। কাজের তালিকা অনুযায়ী চিহ্নিত করে রাখতে পারেন। যেটি বেশি জরুরি সেটি লাল কালিতে, যেটি তারপর সেটি হলুদ এবং যেটি নিজের মতো করে পরে করলেও চলবে সেটি সবুজ কালিতে চিহ্নিত করতে পারেন। এতে কাজে এক ধরনের গতি পাবেন এবং সেইসঙ্গে সবচেয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজটি সম্পন্ন করতে পারবেন।

ভয়েসনিউজ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
Advertisement

লাইফস্টাইল

লিভারে চর্বি জমেছে কি-না প্রাথমিক লক্ষণ বুঝে নিন

Published

on

ফ্যাটি লিভার বা লিভারে চর্বি জমা সমস্যায় বর্তমানে অনেকেই ভুগছেন। এটি নীরবে-নিভৃতে লিভারকে অকেজো করে জীবনকে ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে। আগে শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে ফ্যাটি লিভার বেশি দেখা গেলেও এখন গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে শেখ রাসেল জাতীয় গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক এবং পরিপাকতন্ত্র ও লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহমেদ জানান, শরীরের পাওয়ার হাউজ হলো লিভার। আমরা যা খাই, লিভার সেটিকে ব্যবহারের উপযোগী করে। অনেক সময় খাবারের সাথে কিছু রোগ-জীবাণুও পেটে চলে যায়। লিভার এ জীবাণুগলো ধ্বংস করে। আর এগুলো ধ্বংসের মাধ্যমেই শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় ও শরীর সুস্থ থাকে।

ফ্যাটি লিভার বা লিভারে চর্বি জমা কী?

ডা. ফারুক আহমেদ জানান, আমাদের লিভারে সাধারণত ৩-৪ পাউন্ড চর্বি থাকে। লিভার সেলের চারপাশেও কিছু চর্বি থাকে। এ চর্বির পরিমাণ কোনোভাবে বেশি হলে অর্থাৎ ১০ শতাংশের বেশি হলে সেটিকে ফ্যাটি লিভার বলা হয়।

Nogod-22-10-2022

তিনি আরোও জানান, বিশ্বের প্রায় ২৫-৩০ শতাংশ মানুষ ফ্যাটি লিভার সমস্যায় আক্রান্ত। এক সময় এটি ধনীদের রোগ মনে করা হত। কিন্তু এখন গ্রাম পর্যায়েও প্রায় ৩০ শতাংশ মানুষ এ সমস্যায় আক্রান্ত। শহরে এ হার আরও বেশি হতে পারে। এটি অবশ্যই আমাদের দেশের জন্য উদ্বেগের বিষয়। এজন্য চিকিৎসার চেয়ে ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ করা বেশি জরুরি। এজন্য সচেতনতার বিকল্প নেই।

ফ্যাটি লিভার কেন হয়

ফ্যাটি লিভার হওয়ার কারণ সম্বন্ধে ডা. ফারুক আহমেদ বলেন, পশ্চিমা সমাজে চর্বি তৈরির প্রধান কারণ অ্যালকোহল। এটি ছাড়াও অনেক কারণে চর্বি হয়ে থাকে। অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, উচ্চ কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপে ভুগলেও ফ্যাটি লিভার অনেক বেশি হয়। এর বাইরে বিভিন্ন ওষুধ সেবন অথবা অন্যান্য রোগের কারণে ফ্যাটি লিভার হয়ে থাকে। স্বাভাবিক ওজন কিংবা কম ওজনের মানুষেরও হতে পারে, সেটিকে লিন ফ্যাটি লিভার বলা হয়। লিভারের চর্বি জমার ক্ষেত্রে ধরাবাঁধা কোনো বয়স নেই। বাচ্চাদের মধ্যেও এখন এই রোগের হার প্রায় ১৫ শতাংশ। এজন্য বাচ্চাদের প্রতি সতর্ক থাকতে হবে, বিশেষ করে যেসব বাচ্চার ওজন বেশি।

লিভারে চর্বি জমার লক্ষণ

ডা. ফারুক আহমেদ বলেন, ফ্যাটি লিভার অনেকটা নীরব ঘাতক। স্বাভাবিক বা ফ্যাটের সময় কোনো মানুষই সেভাবে বুঝতে পারেন না। আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে গিয়ে ধরা পড়ে। শুরুর দিকে লিভারের চারপাশে কিছু চর্বি জমা হয়, অন্য কোনো লক্ষণ থাকে না। এরপর ধীরে ধীরে সেখানে প্রদাহ শুরু হয়। এ সময় লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শুরুতে শরীরে শক্তি কমে যায় এবং দুর্বল অনুভব করে। ক্ষুধামন্দা দেখা দেয়। এর বাইরে জন্ডিস হতে পারে। শরীরের বিভিন্ন অংশ, চোখ, মুখ, হাত হলুদ হতে পারে।

তিনি বলেন, এ অবস্থা আরও বেশিদিন চললে হাত-পায়ে পানি জমা হতে পারে। অনেক সময় রক্ত বমিও হয়। এরপরও চিকিৎসা না করালে সেটি লিভার ক্যানসারে পরিণত হতে পারে। ক্যানসার হলে লিভারে চাকা হয়। লিভার বড় হয়ে যায় এবং রোগীরা ক্ষীণ বা অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়ে। এ সময় রোগীর আয়ু দ্রুত কমে যায়।

সূত্র: ডক্টর টিভি

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

বন্ধুকে জড়িয়ে ধরলে দূর হয় দুশ্চিন্তা

Published

on

বন্ধুত্ব আমাদের মন ভালো রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ একাকিত্ব আমাদের টেনে নিয়ে নিয়ে যায় বিষণ্নতার দিকে। আমাদের ভালো রাখতে এবং ভালো থাকতে সাহায্য করে বন্ধুত্ব। আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যে বন্ধুত্বের প্রভাব নিয়ে বিভিন্ন সময়ে হয়েছে গবেষণাও।

২০১৮ সালে বন্ধুত্বের ওপর একটি গবেষণা করা হয়েছিল। যেখানে দেখা যায়, বন্ধুকে জড়িয়ে ধরলেই দুশ্চিন্তা ও অ্যাংজাইটি অনেকটা কমে যায়। অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরেও কি আমাদের জীবনে বন্ধুত্ব একইভাবে প্রভাব ফেলে? চলুন জেনে নেওয়া যাক-

বন্ধু কেন প্রয়োজন?

বন্ধুত্ব তৈরি হলে আমাদের অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ করা অনেকটাই সহজ হয়। এটি নিজের প্রতি বিশ্বাস তৈরি করে। কমে যায় হতাশা কিংবা বিষণ্নতার উপসর্গও। বিষণ্নতা ও হতাশা কিন্তু অনেক বড় ক্ষতির কারণ হতে পারে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ২৭ শতাংশ মানুষ যাদের জীবনে ভালো বন্ধু ছিল, তাদের জীবনে অ্যাংজাইটি কম। তাই জীবনে ভালো থাকতে হলে বন্ধুত্ব করা জরুরি।

Nogod-22-10-2022

গবেষণায় উঠে এসেছে যে তথ্য

ফোর্বসের তরফে বন্ধুত্ব নিয়ে একটি গবেষণা করা হয়েছিল। সেখানে দেখা গেছে, যাদের তেমন ভালো কোনো বন্ধু নেই বা যাদের সামাজিক যোগাযোগ অনেকটা কম, বেশিরভাগ সময়ে তারা একাকিত্বে ভোগেন। যাদের জড়িয়ে ধরার মতো একজন বন্ধু আছেন, তাদের জীবনে দুশ্চিন্তা জায়গা পায় না। যখন আপনার নিজেকে ভীষণ একা লাগে বা আপনি একাকিত্বে ভোগেন, নিজেকে তা থেকে মুক্তি দিন। মন ভালো রাখে এমন কাজ করুন। আপনার জীবনে যদি ভালো বন্ধু থাকে তবে তাদের সঙ্গে সময় কাটানোর চেষ্টা করুন। এতে সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে।

নিজেকে ভালো রাখতে

আপনার প্রতিদিনের কাজগুলোই আপনার মনে প্রভাব ফেলে সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি দ্য এশিয়া পেসিফিক জার্নাল অফ ম্যানেজমেন্ট রিসার্চ অ্যান্ড ইনফর্মেশনে একটি স্টাডি প্রকাশ করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় এমনই একটি বিষয়। যেখানে বলা হয়, যখন কেউ তার সমস্যার কথা বন্ধুদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন, তখন জীবনে তার পজিটিভ প্রভাব পড়ে। নিজেরাই নিজেদের সমস্যা মিটিয়ে নেওয়া সহজ হয়। এ কারণে ভালো বন্ধু তৈরি করা জরুরি।

আড্ডা দিন

আড্ডা দেওয়াটাকে হালকা ভেবে উড়িয়ে দেবেন না। কারণ এই আড্ডার ফলে কমে যেতে পারে আপনার খারাপ লাগা, বিষণ্নতা। কমে যেতে পারে অস্বস্তি। অনেক বন্ধু থাকেন যারা বন্ধুর জন্য নানাভাবে কষ্ট করেন, সঠিক পথ দেখান। অনেক সমস্যার সমাধান করে দেন। বন্ধু, সে যে বয়সীই হোক না কেন, সে তো আপনার বন্ধুই! তাই মন খুলে তার সঙ্গে কথা বলুন, আড্ডা দিন। এতে ভালো থাকবে মানসিক স্বাস্থ্য।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

স্মার্ট হতে যে অভ্যাসগুলো থাকতেই হবে

Published

on

প্রতিদিন নিশ্চয়ই বহু মানুষের সঙ্গে দেখা হয় আপনার। ভাবেন এদের মধ্যে যাদের জ্ঞান বেশি তিনিই স্মার্ট মানুষ। একই সঙ্গে, এই জাতীয় ব্যক্তিরাও নিজেদের অন্যদের চেয়ে বেশি স্মার্ট মনে করেন। কিন্তু জেনে অবাক হবেন, যারা সব কিছু জানেন বা বুঝেন তারা স্মার্ট নন।

কয়েকটি গবেষণায় সম্প্রতি এমনই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। চলুন তাহলে জেনে নেই, কী আছে এসব গবেষণায়-

১। প্রকৃত স্মার্ট তারাই যারা মনে করেন, আমি সবকিছু জানি না। পাশাপাশি নতুন কিছু শিখতে চান। সদ্য প্রকাশিত জার্নাল অফ ইনডিভিজুয়াল ডিফারেন্সের গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব শিশুরা আইকিউ পরীক্ষায় বেশি স্কোর করেছে তারা অন্য আরও বিষয়ে কৌতূহলী এবং নতুন ধারণার জন্য উন্মুখ।

বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কেবল দৈনন্দিন জিনিসগুলো সম্পর্কেই কৌতূহলী নয় বরং জীবন এবং মহাবিশ্বের মতো দার্শনিক বিষয়গুলো সম্পর্কেও জানতে আগ্রহী।

Nogod-22-10-2022

২। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন, আপনি যদি নিজের সব কাজের বিচার করেন এবং আবেগপূর্ণ সিদ্ধান্ত না নেন, তাহলে আপনি সত্যিই একজন স্মার্ট ব্যক্তি। অর্থাৎ আপনার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকলে আপনি নিজেকে স্মার্ট বলতেই পারেন।

পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা অন্যের চিন্তাভাবনাও বোঝেন।

৩। স্মার্ট ব্যক্তিরা সবকিছুর অন্যান্য দিক গুলোতেও মনোযোগ দেয়। তারা মনে করে না যে শুধুমাত্র তারাই সঠিক, অন্যরা ভুল। এই ধরনের লোকেরা অন্যদের ধারণাগুলোকে স্বাগত জানায় এবং সেগুলো বোঝার মাধ্যমে নতুন জিনিস শেখার ইচ্ছা রাখে।

ব্রিটিশ জার্নাল অফ সাইকোলজি অনুসারে, যারা একা থাকেন তারা বেশি সন্তুষ্ট হন। অন্যদিকে, আপনি যদি নিজের সঙ্গে কথা বলেন, তবে এটিও স্মার্ট হওয়ার লক্ষণ।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

দ্রুত ক্লান্তি দূর করতে খান ৫ খাবার

Published

on

ক্লান্তির ছাপ দূর করে দ্রুত শরীরকে চাঙ্গা করাও দরকার। এ জন্য মানতে হবে কিছু নিয়ম। খেতে হবে এমন কয়েকটি এনার্জি সমৃদ্ধ খাবার, যা শরীরে দ্রুত শক্তি আনে।

সাধারণত বিশেষজ্ঞরা বলেন, এ ধরনের খাবার সকালে খাওয়া উচিত যা সারাদিন শরীর সুস্থ রাখতে পারে। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যাক-

খেতে আমন্ড

আমন্ড দারুণ একটি খাবার। এ খাবারটি খেলে শরীর সুস্থ থাকতে পারে। এতে রয়েছে ভিটামিন বি থেকে শুরু করে নানা প্রয়োজনীয় খনিজ। তাই রোজ ৫ থেকে ৬টি আমন্ড খেতে পারলে শরীর সুস্থ থাকে, ক্লান্তি হয় দূর।

Nogod-22-10-2022

কলা খেতে হবে নিয়মিত

কলা হলো উপকারী ফল। এই ফলে রয়েছে ক্যালোরি। এর মাধ্যমে শরীর দ্রুত শক্তি পায়। এছাড়াও নানা ভিটামিন ও খনিজে ভরপুর থাকে কলা। এবার থেকে এই ফল খান ভালো থাকতে চাইলে।

তালিকায় রাখুন হার্বাল টি

শরীর সুস্থ রাখতে চাইলে খেতে পারেন হার্বাল টি। এই চায়ে থাকে নানা উপকারী উপাদান। মাথায় রাখতে হবে যে হার্বাল টি এর মধ্যে ক্যাফেইন থাকে। এই উপাদান ক্লান্তি দূর করতে পারে। তাই এই পানীয় রোজ খান।

লেবু পানি খেতে পারেন

লেবুর মধ্যে রয়েছে ভালো পরিমাণে ভিটামিন সি এবং প্রয়োজনীয় খনিজ। এবার তার সঙ্গে পানি মিশিয়ে লবণ, চিনি অল্প মেশালে তা হয়ে যায় সুপার ড্রিংকস। তবে কারো সুগার, প্রেশার থাকলে অবশ্যই মেশাতে যাবেন না এসব। এর থেকে সমস্যা তৈরি হতে পারে। এছাড়া অন্য যে কোনও মানুষ এভাবে খেতে পারেন লেবু জল।

উল্লেখ্য, লেখাটি সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যে লেখা হয়েছে। কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ফুসফুস সতেজ রাখতে যে ৫ খাবার খাবেন

Published

on

শুষ্ক আবহাওয়ায় বাতাসে মিশে থাকা ক্ষতিকর কণাগুলি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে। চিকিৎসকদের মতে, শুধু শুকনো কাশি নয়, শ্বাসনালির উপরে এবং নীচের অংশে সংক্রমণের জন্যও দায়ী এই দূষিত বায়ু।

স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে এই বায়ুদূষণ। দেখা দিচ্ছে নানা জটিল রোগ। সমস্যা দেখা দিচ্ছে ফুসফুসে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, বায়ুদূষণের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকাতে নিয়মিত কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন। ফুসফুস ভালো রাখতে পারে— এমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে জেনে নিন—

আমলকি গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত আমলকি খেলে যকৃতের ধূলিকণার সব ক্ষতি ঠেকানো যায়। আমলকিতে থাকা ভিটামিন ‘সি’ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, সর্দি-কাশি ঠেকাতে পারে। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রেও আমলকির জুসের গুণ বর্ণনা করে বলা হয়েছে, শরীরের সব ধরনের ক্রিয়ার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে তা।

তুলসী

Nogod-22-10-2022

বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে ফুসফুসকে রক্ষা করতে পারে তুলসীপাতা। এ ছাড়া বাতাসে থাকা ধূলিকণা শোষণ করতে পারে তুলসীগাছ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন অল্প করে তুলসীপাতার রস খেলে শরীরের শ্বাসযন্ত্রের দূষিত পদার্থ দূর হয়।

টমেটো

শরীরকে রোগ প্রতিরোধক্ষম করে তোলে টমেটো। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় টমেটোর এসব কার্যক্ষমতার কথা বলা হয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, টমেটোতে আছে দারুণ অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ প্রভার, যা কোষকে বুড়ো হতে দেয় না। এ ছাড়া নানা রকম ক্যানসার প্রতিরোধ করতে পারে টমেটো। টমেটোর লাইকোপেন শ্বাসযন্ত্রে সুরক্ষাস্তর হিসেবে কাজ করে। বাতাসে থাকা ক্ষতিকর ধূলিকণার প্রভাব হিসেবে কাজ করে লাইকোপেন।

লেবুজাতীয় ফল

কমলা ও লেবুতে প্রচুর ভিটামিন ‘সি’ থাকে। লেবুজাতীয় ফল নিয়মিত খেলে ফুসফুসে বায়ুর ক্ষতিকর উপাদানগুলোর প্রভাব পড়তে পারে না।

হলুদ

হলুদ পরিচিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে পরিচিত। দূষিত কণার প্রভাব থেকে ফুসফুসকে সুরক্ষা দিতে কাজ করে এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। কফ ও অ্যাজমার সমস্যা সমাধানে হলুদ ও ঘিয়ের মিশ্রণ কাজে লাগে। এ ছাড়া হলুদ, গুড় ও মাখনের মিশ্রণ অ্যাজমা দূর করতে পারে।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ