Connect with us

বীমা

নজরুল ইসলামকে প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ

Published

on

নজরুল

প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে মো. নজরুল ইসলামকে বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইডিআরএ অপসারণ করেছে।

আজ রোববার (২৩ অক্টোবর ২০২২) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহীসহ সকল বীমা কোম্পানিকে পাঠানো হয়েছে।

আইডিআরএ’র ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামকে বীমাকারীর নিবন্ধন প্রবিধানমালা, ২০১৩ এর ৩(২) (খ) প্রবিধানে বর্ণিত ফরম বীউনিক-খ এর ১৭ (ঘ) শর্ত লঙ্ঘনের কারণে কেন পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের পদ হতে অপসারণ করা হবে না, তার কারণ দর্শানোর জন্য গত ৪ অক্টোবর, ২০২২ তারিখে ৫৩.০৩.০০০০.০৫২.১১.০০২.২২.৫৮ নং স্মারকমূলে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

তবে মো. নজরুল ইসলাম নিজে ব্যাখ্যা না দিয়ে কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা কর্তৃক যে ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে, তা সন্তোষজনক নয়।

Nogod-22-10-2022

এমতাবস্থায়, বীমাকারীর নিবন্ধন প্রবিধানমালা, ২০১৩ এর ৩(২) (খ) প্রবিধানে বর্ণিত ফরম বীউনিক-খ এর ১৭ (ঘ) শর্ত লঙ্ঘনের কারণে বীমা আইন, ২০১০ এর ৫০ ধারা মোতাবেক মো. নজরুল ইসলামকে প্রাইম ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে ২০ অক্টোবর ২০২২ তারিখ হতে অপসারণ করা হলো।

এ বিষয়ে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়েছে। বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)’র ওই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন কর্তৃপক্ষের পরিচালক (উপসচিব) মো. জাহাঙ্গীর আলম।

উল্লেখ্য, এর আগে ২০২১ সালের ১ সেপ্টেম্বর ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি। নজরুল ইসলাম সে সময় কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ছিলেন। গ্রাহকদের অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতির কারণে বীমা কোম্পানিটিতে নতুন এই পর্ষদ গঠন করা হয়।

নজরুল ইসলাম বর্তমানে ফারইস্ট ইসলামী লাইফের অর্থ আত্মসাৎ ঘটনায় শাহবাগ থানায় দায়েরকৃত একটি মামলায় জেল হাজতে আছেন। একই মামলায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক পরিচালক এম এ খালেক ও তার ছেলে রুবায়াত খালেকও জেল হাজতে রয়েছেন।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
Advertisement

বীমা

সৈয়দ বেলাল সাধারণ বীমা করপোরেশনের নতুন এমডি

Published

on

বেলাল

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ বেলাল হোসেনকে সাধারণ বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) পদে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। সোমবার (৭ নভেম্বর) এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বদলিপূর্বক প্রেষণে নিয়োগ দেয়ার কথা জানিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সৈয়দ বেলাল হোসেন। তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে আমি বিষয়টি অবগত হয়েছি। তবে এখন পর্যন্ত নিয়োগের কাগজপত্র আমার হাতে আসেনি।

বর্তমানে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন এই নন-লাইফ বীমা ও পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন করপোরেশনটির পুনবীমা বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার ওয়াসিফুল হক। গত ২৯ সেপ্টেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ অস্থায়ীভাবে তাকে এই অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়।

এর আগে সাধারণ বীমা করপোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন সৈয়দ শাহরিয়ার আহসান। ২০১৬ সালে তাকে ৩ বছরের জন্য প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে নিয়োগ দেয় সরকার। এরপর দ্বিতীয় দফায় তার মেয়াদ আরো ৩ বছর বৃদ্ধি করা হয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে তার মেয়াদ শেষ হয়েছে।

Nogod-22-10-2022

সৈয়দ বেলাল হোসেন ২০১২ সালের ২০ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কুষ্টিয়া জেলায় ৩ বছরের বেশি সময় জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৯ সালের ২৩ অক্টোবর তিনি অতিক্তি সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগে কাজের জন্য ২০১৯-২০ অর্থবছরের শুদ্ধাচার পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। এর আগেও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক থাকাকালে জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে একাধিকবার গুরুত্বপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি।

সৈয়দ বেলাল হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানার ২নং দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের গংগাপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দালাল বাজার এন কে উচ্চ বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন। তার পিতার নাম হাজী শাহাদাত উল্লাহ।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বীমা

বীমা কোম্পানিগুলোর সাথে মতবিনিময় করবে আইডিআরএ

Published

on

আইডিআরএ

সকল লাইফ ও ননলাইফ বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করবে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার (১০ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত একটি নোটিশ বীমা কোম্পানিগুলোকে পাঠিয়েছে বীমা খাতের এই নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

আইডিআরএ’র ওই নোটিশ অনুসারে, আগামী ১৬ অক্টোবর ২০২২ তারিখ সকাল ১১টায় সকল লাইফ বীমা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

অন্যদিকে সকল নন-লাইফ বীমা কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বা মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ অক্টোবর ২০২২ তারিখ সকাল ১১টায়।

Nogod-22-10-2022

কর্তৃপক্ষের সভাকক্ষ-১ এ উক্ত মতবিনিময় সভা দু’টি আয়োজন করা হয়েছে। উভয় মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করবেন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী।

কর্তৃপক্ষের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে সকল লাইফ ও নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় অংশ নিতে বলা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বীমা

আরও গুরুত্ব দিয়ে বিমা দিবস পালন করবে সরকার

Published

on

আরও গুরুত্ব দিয়ে সরকারিভাবে জাতীয় বিমা দিবস পালন করা হবে। এজন্য জাতীয় বিমা দিবসকে ‘খ’ শ্রেণি থেকে ‘ক’ শ্রেণির দিবস হিসাবে ঘোষণা ও দিবসটি উদযাপনের লক্ষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক জারি করা পরিপত্রের ‘ক’ ক্রমিকে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (১০ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ অনুমোদনের কথা জানান।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, আমাদের জাতীয় বিমা দিবস পালন করা হয় ১ মার্চ। সেটা ‘খ’ তালিকার মধ্যে ছিল। মন্ত্রণালয় বলছে এটার অনেক গুরুত্ব রয়েছে এটাকে ‘ক’ তালিকায় নিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি ব্যাপক প্রচার করতে হবে, যাতে মানুষকে আরও বেশি করে ইনস্যুরেন্সের কভারেজে আনা যায়।

‘আমরা অনেকেই জানি না ইনস্যুরেন্স থাকলে বিপদের সময় অনেক কাজে লাগে। এ বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে হবে। সেজন্য ‘ক’ তালিকায় এনে যদি প্রচারণা করা যায়। তাহলে একটি পজেটিভ ফল আসবে।’

Nogod-22-10-2022

তিনি বলেন, সভায় ‘জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (২০২৩-২০৫০)’ এর খসড়া অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করেছিল পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। তবে এটিকে যুগোপযোগী করতে ফেরত পাঠিয়েছে মন্ত্রিসভা। এটা পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় থেকে এসেছে। এসডিজি-২০৩০, ভিশন-২০৪১, ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এবং আন্তর্জাতিক যে প্রতিশ্রুতি আছে, সেই অনুযায়ী আমাদেরকে একটা জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা করতে হয়, এটা তারা আজকে উপস্থাপন করেছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, এখানে ৯০টি উচ্চ অগ্রাধিকার এবং ২৩টি মধ্য অগ্রাধিকার দিয়ে একটা প্ল্যান-প্রোগ্রাম উপস্থাপন করেছেন এবং এটি বাস্তবায়ন করতে প্রায় ২৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমপরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হবে ২০৫০ সাল পর্যন্ত। এটা আনার পরে কেবিনেট দেখে বলেছে, আরেকটু মোডিফিকেশন করতে হবে। আজকের জন্য ফেরত দিয়ে দিয়েছে। মোডিফিকেশন করে তারপর নিয়ে আসতে হবে।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বীমা

ফারইস্ট লাইফের সাবেক সিইও হেমায়েত উল্লাহ গ্রেফতার

Published

on

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা হেমায়েত উল্লাহকে গ্রেফতার করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পদ্মা ইসলামী লাইফের কার্যালয় থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সুত্র জানায়, ফারইস্ট থেকে চাকুরিচ্যুত হওয়ার পর হেমায়েত পদ্মা ইসলামী লাইফে সিইও হিসেবে যোগদানের চেষ্টা করে। কিন্তু নিয়ন্ত্রক সংস্থাসআইডিআরএ তার নিয়েগের বিষয়টি অনুমোদন দেয়নি। ফলে পদ্মা লাইফে তিনি সিইও হতে না পারলেও পরবর্তীতে চীফ কনসাল্টেন্ট হিসেবে যোগদান করে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পদ্মা ইসলামী লাইফের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম বলেন, হেমায়েত উল্লাহকে সিইও হিসেবে নিয়েগের জন্য পর্ষদ আইডিআর এর অনুমোদন পায়নি। পরবর্তীতে তাকে চীফ কনসাল্টেন্ট হিসেবে রাখা হয়। আজকে বিকালে পদ্মা লাইফের প্রধান কার্যালয় থেকে ডিবি পুলিশ তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

এর আগে শাহবাগ থানায় দায়েরকৃত ৮শ’ কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও সাবেক দুই পরিচালক এম এ খালেক ও তার ছেলে রুবাইয়াত খালেদকে গ্রেফতার করে আইন-শৃংখলা বাহিনী। এই মামলার ১০ নং এজাহারভুক্ত আসামি হেমায়েত উল্লাহ।

উল্লেখ্য, গত ১৩ সেপ্টেম্বর মো. নজরুল ইসলাম, এম এ খালেক ও রুবাইয়াত খালেদকে আদালতে সোপর্দ করলে নজরুল ইসলামকে ২ দিনের রিমান্ড ও এম এ খালেক ও রুবাইয়াত খালেককে জেলে গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয় আদালত।

Nogod-22-10-2022

সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আদালত এম এ খালেক ও রুবাইয়াত খালেদকে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদের আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। এরপর শাহবাগ থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের ১৫ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে বিচারক তাদের প্রত্যেকের ৫ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে দ্বিতীয় দফায় একদিনের রিমান্ড শেষে রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ফের ১২ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শহিদুল ইসলাম তার ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

তারও আগে ১৬ সেপ্টেম্বর তার একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। একইদিন মামলার আসামি কোম্পানিটির সাবেক পরিচালক এম এ খালেক এবং তার ছেলে রুবাইয়াত খালেদকে আদালতে হাজির করা হয়। এরপর শাহবাগ থানায় করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের ১৫ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

অন্যদিকে আসামির পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করেন।উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে দু’দিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

গ্রাহকের ৮শ’ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে শাহবাগ থানায় মামলা করা হয়। মামলার পর তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

এর আগে চলতি বছরের ৮ মার্চ ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ও সাবেক পরিচালক এম এ খালেকসহ কোম্পানিটির ৯ পরিচালক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ।

প্রাইম এশিয়া ফাউন্ডেশন এবং পিএফআই প্রোপার্টিজ লিমিটেড নামক দু’টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফারইস্ট ইসলামী লাইফের ১৫৮তম পর্ষদ সভার ভুয়া সার-সংক্ষেপ তৈরি করে সেটির বরাত দিয়ে কোম্পানিটির ৭০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করে দুদক।

এরপর ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানিতে বিশেষ নিরীক্ষক নিয়োগ ও দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি), সরকারের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) এবং বীমা খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ) ।

এরই ধারাবাহিকতায় ১ সেপ্টেম্বর ২০২১ বীমা কোম্পানিটিতে নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বীমা

ফারইস্টের অর্থ আত্মসাৎ: রিমান্ডে নজরুল, খালেককে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ

Published

on

ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দায়েকৃত একটি মামলায় প্রতিষ্ঠানটির সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলামের দু’দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। একই সঙ্গে কোম্পানিটির সাবেক পরিচালক এম এ খালেক এবং তার ছেলে রুবায়াত খালেককে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট মাহবুব আহমেদ শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

বীমা গ্রাহকদের জমাকৃত ৮শ’ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগে সেপ্টেম্বর মাসের শুরুতে শাহবাগ থানায় মামলা নং ১৫(৯)২২ দায়ের করা হয়। ওই মামলায় তাদের গ্রেফতার দেখিয়ে আজ আদালতে হাজির করে পুলিশ।

মামলার সুষ্ঠুতদন্তের জন্য তাদের ১৫ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন।

Nogod-22-10-2022

তবে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে নজরুল ইসলামের দুই দিনের রিমান্ড ও এম এ খালেক এবং তার ছেলে রুবায়াত খালেকের দুই দিনের জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন শাহবাগ থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক নিজাম উদ্দিন ফকির।

এর আগে চলতি বছরের ৮ মার্চ ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম ও সাবেক পরিচালক এম এ খালেকসহ কোম্পানিটির ৯ পরিচালক-কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ।

প্রাইম এশিয়া ফাউন্ডেশন এবং পিএফআই প্রোপার্টিজ লিমিটেড নামক দু’টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ফারইস্ট ইসলামী লাইফের ১৫৮তম পর্ষদ সভার ভুয়া সার-সংক্ষেপ তৈরি করে সেটির বরাত দিয়ে কোম্পানিটির ৭০ কোটি ৬৯ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে এই মামলা দায়ের করে দুদক।

প্রসঙ্গত, শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতিসহ বেশ কিছু অভিযোগ ওঠে। ২০২১ সালের শেষের দিকে বিএসইসি কোম্পানিটিতে বিশেষ নিরীক্ষা পরিচালনা করে। গেল এক দশকে গ্রাহকদের ২ হাজার ১২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ করে প্রতিষ্ঠানটির তৎকালীন মালিকপক্ষ বিদেশে পাচার করেছে- এমন প্রমাণ পায় বিএসইসি।

গেল এক দশকে আত্মসাতকৃত টাকা বিদেশে পাচার করেছে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের তৎকালীন মালিকপক্ষ। বিপুল পরিমাণ এই অর্থ আত্মসাতের সাথে জড়িত ছিলেন ফারইস্ট লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম, ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. হেময়েত উল্লাহ এবং পরিচালক এম এ খালেক। তারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করার জন্য জাল নথি পর্যন্ত তৈরি করে।

২ হাজার ১২৫ কোটি টাকার মধ্যে ৮৫৪ কোটি টাকায় বেআইনিভাবে জমি অধিগ্রহণ করে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স। নিজেদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কোম্পানিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া হয় ৬৫৯ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর মুদারাবা মেয়াদী আমানতের বিপরীতে ব্যাংক ঋণ নিয়ে ৪২১ কোটি টাকা লোপাট করা হয়। এছাড়াও দুটি ভূয়া সামাজিক প্রতিষ্ঠানের ১৯২ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে তৎকালীন মালিকপক্ষ।

এসব অনিয়ম-দুর্নীতির জন্য গত বছরের ৯ আগস্ট কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠন করে দেয় বিএসইসি। বিনিয়োগকারীদের স্বার্থের কথা বিবেচনা করে কোম্পানিটিতে ১০ জন স্বতন্ত্র পরিচালক দেওয়া হয়। একই বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর কোম্পানির মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ হেমায়েত উল্লাহকে অপসারণ করে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কতৃপক্ষ (আইডিআরএ)।

সম্প্রতি ফারইস্ট ইসলামী লাইফের প্রায় ২০ শতাংশ শেয়ার কিনে নেয় বেক্সিমকো গ্রুপের দুই প্রতিষ্ঠান জুপিটার বিজনেস লিমিটেড ও ট্রেডনেক্সট ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড। বেক্সিমকোর দুই প্রতিষ্ঠানের পাঁচ জনকে ফারইস্টের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে কোম্পানিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়া হয় বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স এসোসিয়েশনের (বিআইএ) প্রেসিডেন্ট শেখ কবির হোসেনকে।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ