Connect with us

লাইফস্টাইল

অফিসে যেসব কাজ করবেন না

Published

on

অফিস হলো এমন একটি জায়গা যেখানে আপনার প্রত্যেকটি পদক্ষেপে ফুটে ওঠে আপনার ব্যক্তিত্ব। কখনো কখনো হয়তো এমন ভুল করে ফেলতে পারেন, যা আপনাকে অনুপযুক্ত ও নীতিহীন কর্মী হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়। ভুলগুলো হয়তো আপনি না জেনেই করে ফেলেছেন। এ ধরনের ভুল এড়ানোর জন্য এই অপেশাদার আচরণগুলো খেয়াল করুন এবং আপনার মধ্যে এ ধরনের আচরণ থাকলে তা বাদ দিন-

অন্যদের বাধা দেওয়া: যখন অন্য কোনো সহকর্মী কথা বলবে, আপনি তার কথার মাঝখানে বাধা দেবেন না। যখন আপনার পর্ব আসবে, তখনই কথা বলুন। কিন্তু যখন অন্যরা কথা বলবে তখন চুপ থাকুন। আপনি যদি অন্যদের কথা বা কাজের মধ্যে বাধা দেন তবে তা আপনাকে সবার সামনে একজন অধৈর্য কর্মী হিসেবে তুলে ধরবে যে কিনা অফিসের শিষ্টাচার জানে না।

কাজে দেরি করা: কাজে দেরি করা, মিটিংয়ে দেরি করে যোগ দেওয়ার মতো স্বভাব সব সময় অপেশাদার আচরণ হিসেবেই বিবেচিত হয়। জরুরি কোনো কাজ পড়ে না গেলে কাজে কখনো দেরি করবেন না। বাসা থেকে কিছুটা আগেই বের হন। এতে করে অফিসে কাজ শুরু কিংবা মিটিংয়ে যোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছুটা এগিয়ে থাকতে পারবেন।

অভিযোগ করা: অফিসের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অভিযোগ করার স্বভাব মোটেই ইতিবাচক কিছু নয়। আপনি যদি অফিসে গিয়ে নিজের ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে নানা অভিযোগ জানাতে থাকেন তবে সেটি হতে পারে আরও বেশি খারাপ। আপনার সহকর্মী হয়তো আপনাকে মুখের ওপর কিছু বলবে না তবে আপনার অভিযোগ শুনে তার বিরক্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। তাই এ ধরনের স্বভাব থাকলে আজই তা বাদ দিন।

Nogod-22-10-2022

ভুল পোশাক নির্বাচন: অফিসে যাওয়ার সময় অবশ্যই আপনাকে পেশাদার ও যথাযথ পোশাক পরে যেতে হবে। অফিসে ক্যাজুয়াল পোশাক পরে চলে যাবেন না। এতে মনে হতে পারে যে অফিসের বিষয়ে আপনি সিরিয়াস নন। অফিসে সব সময় ফর্মাল পোশাক পরুন। এমন পোশাক পরবেন না যাতে আপনাকে দেখতে হাস্যকর লাগে।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

লাইফস্টাইল

ধুলা-বালির অ্যালার্জি কমাবে পাঁচ খাবার

Published

on

আমাদের সবারই কমবেশি বাইরে যেতে হয়। আর বাইরে যাওয়া মানেই ধুলাবালি। আবার ছুটির দিনগুলোতে আমরা বাসাবাড়ি পরিষ্কার করে থাকি। সেখানেও ধুলাবালির মুখোমুখি হতে হয় আমাদের। তবে ঝামেলা তখন শুরু হয় যখন এই ধুলাবালি থেকে অ্যালার্জির সমস্যা হয়। চোখমুখ লাল হয়ে, হাঁচি-কাশিতে একেবারে দফারফা অবস্থা।

কারও ক্ষেত্রে চোখ থেকে অনবরত পান পড়াও ‘ডাস্ট’ অ্যালার্জির অন্যতম একটি লক্ষণ। শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। ত্বকে র‌্যাশ ও চুলকানির মতো সমস্যা দেখা যায়। এই রোগ থাকলে চিকিৎসকের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়াই শ্রেয়। তবে সব সময় ডাক্তারের কাছে যাওয়া সম্ভব হয় না, তখন কিছু খাবার খেলে আমরা এই অ্যালার্জিকে খানিকটা প্রতিহত করতে পারবো।

গ্রিন টি
প্রতি দিন চা-কফির অভ্যাসে রাশ টানুন। দিনে দু-তিন বার গ্রিন টিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন। এর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট অ্যালার্জির সমস্যার সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

দুধ জাতীয় খাবার
খাওয়ার পাতে রাখুন টক দই, ছানা, লাস্যি। এদের প্রোবায়োটিক উপাদান অসুখের জীবাণুর সঙ্গে যেমন লড়ে, তেমনই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ধুলোবালি থেকে অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

Nogod-22-10-2022

হলুদ
হলুদের অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণ অ্যালার্জি প্রতিরোধে সাহায্য করে। আপনার ধুলোবালিতে অ্যালার্জি থাকলে রোজ নিয়ম করে গরম দুধে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। উপকার পাবেন।

দারুচিনি
এই উপাদানটিও শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই রোজের ডায়েটে দারচিনি দেওয়া চা রাখতে পারেন। এতে শরীর থেকে দূষিত পদার্থগুলি দূর হবে আর অ্যালার্জির সমস্যা থেকেও রেহাই পাবেন।

বাদাম
ধুলোবালিতে অ্যালার্জি থাকলে রোজ ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে থাকা নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর উপাদান অ্যালার্জির সমস্যা দূরে রাখবে। নিয়ম করে কাজু, আখরোট, কাঠবাদাম খেতে পারেন। ড্রাই ফ্রুটস রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

তুলে রাখা শীতের পোশাক ব্যবহারের আগে করণীয়

Published

on

বছর ঘুরে আবারও চলে এসেছে শীতের মৌসুম। চারদিকে হিম হিম আবহ ঘিরে ধরেছে। বাতাসে বইছে শীতের আমেজ। কুয়াশা ঘেরা ঠান্ডা আবহাওয়াই জানান দিচ্ছে, যে কিছুদিনের মধ্যেই জেঁকে ধরবে শীত। কাজেই সবাই এখন আলমারি থেকে তাদের শীতের কাপড় নামানো প্রায় শুরু করে দিয়েছেন।

কিন্তু শীতের কাপড় আলমারি থেকে বের করে সরাসরি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, বছর ধরে আলমারি বা বাক্সে পড়ে থাকা অব্যবহৃত গরম কাপড়গুলো ভ্যাপসা একটা ভাব হয়ে নেতিয়ে থাকে। কাজেই এসব কাপড় আলমারি থেকে বের করে সরাসরি গায়ে দেওয়া মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কাজেই শীতের কাপড় ব্যবহারের পূর্বে বিশেষ কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তার জন্য রয়েছে কিছু টিপস-

সোয়েটার- সোয়েটার ব্যবহারের আগে ধুয়ে নেওয়া ভালো। সোয়েটার মূলত উলেন বা পশমের হয়ে থাকে। কাজেই এটা ধুতে সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার না করে ঠান্ডা পানিতে শ্যাম্পু মিশিয়ে ধোয়া উচিত। আর সঙ্গে অল্প পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে নিলে কাপড়টা আরও ঝকঝকে থাকবে, তবে সাদা কাপড়ের বেলায় সোয়েটার কখনই ব্রাশ বা হাত দিয়ে রগরিয়ে ঘষে বা কেচে ধোয়া উচিত নয়। তাতে করে সোয়েটারের আকার নষ্ট হয়ে যাবে। জলেতে ভিনিগার না মেশানোই ভালো। তার বদলে লেবুর রস মিশিয়ে নিলে উপকার পাওয়া যায়।

ফ্লানেলের কাপড় ও অন্যান্য চাদর- এসব কাপড়ের ক্ষেত্রেও সাবান ও ডিটারজেন্ট দিয়ে না ধুয়ে শ্যাম্পু দিয়ে ধুলে কাপড়ের উজ্জ্বলতা ঠিক থাকে এবং ঘন্টা খানেক ভিজিয়ে রেখে একটু কচলে নিলেই ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়। তবে বেশি ময়লা হলে এক্ষেত্রে হালকা গরম জল মিশিয়ে নিয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে সামান্য কচলে নিলেই ময়লা উঠে যাবে, পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

Nogod-22-10-2022

কোট বা লেদারের কাপড়- কোট আর লেদারের কাপড় ঘরে না ধুয়ে লন্ড্রিতে ড্রাই ক্লিন করিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এসব কাপড় ব্যবহারের সময় যতটা যত্নশীল হতে হয় তেমনি ব্যবহারের পর হালকাভাবে নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে হ্যাংগারে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

কাশ্মীরী ও পশমী চাদর- এগুলো ব্যবহারের আগে ভালোভাবে রোদ লাগিয়ে গায়ে দিতে হবে। এই চাদরগুলো সারাসরি জল দিয়ে ধোয়া উচিত নয়। এগুলো কেবল ড্রাইওয়াশ করাতে হয়।

মোজা, মাফলার ও টুপি- শীতে সোয়েটার, চাদরের চেয়ে বেশি ময়লা হয় মোজা, টুপি ও মাফলার। কাজেই কয়েকদিন পরপর এগুলো সাবান অথবা ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

স্মার্ট হতে যে অভ্যাসগুলো বাদ দেয়া বাধ্যতামূলক

Published

on

প্রতিদিন নিশ্চয়ই বহু মানুষের সঙ্গে দেখা হয় আপনার। ভাবেন এদের মধ্যে যাদের জ্ঞান বেশি তিনিই স্মার্ট মানুষ। একই সঙ্গে, এই জাতীয় ব্যক্তিরাও নিজেদের অন্যদের চেয়ে বেশি স্মার্ট মনে করেন। কিন্তু জেনে অবাক হবেন, যারা সব কিছু জানেন বা বুঝেন তারা স্মার্ট নন।

কয়েকটি গবেষণায় সম্প্রতি এমনই চমকপ্রদ তথ্য উঠে এসেছে। চলুন তাহলে জেনে নেই, কী আছে এসব গবেষণায়-

১। বিশেষজ্ঞরা বিশ্বাস করেন, আপনি যদি নিজের সব কাজের বিচার করেন এবং আবেগপূর্ণ সিদ্ধান্ত না নেন, তাহলে আপনি সত্যিই একজন স্মার্ট ব্যক্তি। অর্থাৎ আপনার নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ থাকলে আপনি নিজেকে স্মার্ট বলতেই পারেন।

পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা অন্যের চিন্তাভাবনাও বোঝেন।

Nogod-22-10-2022

২। প্রকৃত স্মার্ট তারাই যারা মনে করেন, আমি সবকিছু জানি না। পাশাপাশি নতুন কিছু শিখতে চান। সদ্য প্রকাশিত জার্নাল অফ ইনডিভিজুয়াল ডিফারেন্সের গবেষণায় দেখা গেছে, যে সব শিশুরা আইকিউ পরীক্ষায় বেশি স্কোর করেছে তারা অন্য আরও বিষয়ে কৌতূহলী এবং নতুন ধারণার জন্য উন্মুখ।

বুদ্ধিমান ব্যক্তিরা কেবল দৈনন্দিন জিনিসগুলো সম্পর্কেই কৌতূহলী নয় বরং জীবন এবং মহাবিশ্বের মতো দার্শনিক বিষয়গুলো সম্পর্কেও জানতে আগ্রহী।

৩। স্মার্ট ব্যক্তিরা সবকিছুর অন্যান্য দিক গুলোতেও মনোযোগ দেয়। তারা মনে করে না যে শুধুমাত্র তারাই সঠিক, অন্যরা ভুল। এই ধরনের লোকেরা অন্যদের ধারণাগুলোকে স্বাগত জানায় এবং সেগুলো বোঝার মাধ্যমে নতুন জিনিস শেখার ইচ্ছা রাখে।

ব্রিটিশ জার্নাল অফ সাইকোলজি অনুসারে, যারা একা থাকেন তারা বেশি সন্তুষ্ট হন। অন্যদিকে, আপনি যদি নিজের সঙ্গে কথা বলেন, তবে এটিও স্মার্ট হওয়ার লক্ষণ।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

গ্যাস থেকে সৃষ্ট পেট ব্যথা দূর করতে ঘরোয়া পদ্ধতি

Published

on

খাবারের অনিয়ম বা জীবনযাপন পদ্ধতি পরিবর্তনের কারণে অধিকাংশই গ্যাস থেকে সৃষ্ট পেট ব্যথার সমস্যায় ভোগেন। তবে এমন ব্যথা মারাত্মক আকারও ধারণ করে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। গ্যাসের ব্যথা কমাতে ঘরোয়া কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-

ব্যায়াম
গ্যাসের ব্যথা কমাতে কিছু ব্যায়াম করতে পারেন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ব্যায়াম করলে গ্যাসের ব্যথা কিছুটা হলেও নিরাময় হয়। এজন্য মেঝেতে উপুর হয়ে বসে পা দুটি সাইকেল চালানোর মতো রেখে হাত দুটি পাশে রাখুন। বড় করে নিঃশ্বাস নিন। ধীরে ধীরে ছাড়ুন। এতে গ্যাস থেকে মুক্তি পাবেন। খাওয়ার পরে কিছুটা হাঁটলেও গ্যাসের সমস্যা কমে। এছাড়া গ্যাসের সমস্যা কমাতে নিয়মিত যোগব্যায়াম করতে পারেন।

পুদিনা পাতা
গবেষণায় দেখা গেছে, পুদিনা পাতার তেল ডায়রিয়া, গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ভূমিকা রাখে। পুদিনা পাতায় থাকা অ্যান্টিপেসমোডিক গুণাগুণ পেটের ব্যথা কমাতে সাহায্য করে। যারা নিয়মিত গ্যাসের ব্যথায় ভোগেন তারা খাওয়ার আধঘন্টা আগে পুদিনা পাতার ক্যাপসুল খেতে পারেন। গ্যাসের ব্যথা নিরাময়ে এই পাতার রস, তেলও খেতে পারেন।

হিট প্যাড
কিছু গবেষণা বলছে, হিটিং প্যাড ব্যবহার করলে অতিরিক্ত গ্যাসের ফলে সৃষ্ট পেট ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। ১০৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট পর্যন্ত উত্তপ্ত একটি গরম প্যাড এক ঘন্টা পর্যন্ত পেটের ব্যথা কমাতে সহায়তা করে।

Nogod-22-10-2022

ঘরোয়া এসব পদ্ধতি অনুসরণ করার পরও পেট ব্যথা না কমলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে পারেন। সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

মৌসুমি সর্দি-জ্বর নাকি করোনা বুঝবেন যে লক্ষণে

Published

on

ঋতু পরিবর্তনের এ সময় ছোট-বড় সবাই সর্দি-জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছেন। শীত আসতেই বেড়ে যায় নানা রোগের ঝুঁকি। যার মধ্যে অন্যতম হলো ফ্লু। আবার শীত এলে করোনা সংক্রমণও বেড়ে যায়।

এ কারণে কমবেশি সবাই সাধারণ সর্দি-জ্বরের সঙ্গে কোভিড ১৯ এর লক্ষণকে গুলিয়ে ফেলেন। কারণ কোভিডের উপসর্গও সর্দি-জ্বর দিয়েই শুরু হয়।

তাহলে কীভাবে বুঝবেন আপনি সাধারণ ফ্লু নাকি কোভিডে ভুগছেন? বিশেষজ্ঞদের মতে, কোভিড আর সাধারণ ফ্লু’র উপসর্গগুলো প্রায় একইরকমভাবে প্রথমদিকে প্রকাশ পায়।

তবে কিছু লক্ষণ আছে যা সাধারণ ফ্লু থেকে করোনার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক, সাধারণ সর্দি-কাশি নাকি কোভিডে ভুগছেন কীভাবে বুঝবেন-

Nogod-22-10-2022

সাধারণ ফ্লু ও করোনাভাইরাস সংক্রমণ

করোনা ভাইরাসের মতোই সাধারণ ফ্লু’র ক্ষেত্রেও ভাইরাস ছড়ায় বাতাসের মাধ্যমে। অন্যদিকে করোনাভাইরাস বাতাসের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে আবার মানুষের সংস্পর্শে এলেও হতে পারে।

সাধারণ ফ্লু কয়েক দিনের মধ্যেই সেরে যায়। আবার এর প্রভাবও খুব একটা গুরুতর রূপ ধারণ করে না। অন্যদিকে কোভিড-১৯ এর প্রভাবে আক্রান্তদের সর্দি-কাশি মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে।

সাধারণ ফ্লু ও করোনার উপসর্গ

সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা, জ্বর, শরীর ব্যথার মতো সাধারণ উপসর্গ ফ্লু’র কারণে হয়। এসব লক্ষণ কিন্তু করোনা রোগীদের ক্ষেত্রেও প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে হিসেবে দেখা গেছে।

তবে করোনায় সংক্রমিত হলে আক্রান্তরা স্বাদ ও গন্ধ টের পাওয়ার ক্ষমতা হারায়। এমনটি অবশ্য সাধারণ ফ্লু’র ক্ষেত্রে হয় না। এ ছাড়াও বমি বমি ভাব, ক্লান্তি এসব লক্ষণ করোনার ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়।

সাধারণ সর্দি-কাশি টের পাওয়ার আরও একটি লক্ষণ হলো ২-৩ দিনের মধ্যে আক্রান্তরা সুস্থ হয়ে ওঠেন। অন্যদিকে করোনার ক্ষেত্রে ৩-৫ দিন পর্যন্ত সর্দি-কাশিতে ভুগে থাকেন আক্রান্তরা। আবার ১৪ দিন পরেও উপসর্গগুলো দেখা যায়।

এ কারণে সর্দি-কাশি, জ্বর বা গলা ব্যথা হলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়বেন না। ২-৩ দিন সময় দিন। নিজের শরীরকে বোঝার চেষ্টা করুন। দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হবেন না।

পাশাপাশি খেয়াল রাখুন গলা ব্যথা, ঠান্ডা লাগা ও জ্বর ছাড়া করোনার অন্য কোনো উপসর্গ চোখে পড়ছে কি না। ২-৩ দিনের মধ্যে যদি অবস্থার পরিবর্তন না ঘটে, তাহলে কোভিড ১৯ পরীক্ষা করে দেখুন।

প্রথম থেকেই গরম পানিতে গার্গল করুন। তুলসি পাতা ফুটিয়ে মধু দিয়ে পান করুন। ভেষজ চা পান করার বিকল্প নেই। দিনে অন্তত দুইবার করে গরম ভাপ নিন।

কারণ সামান্য ভুলের জন্য পরিবারের সবাই আক্রান্ত হতে পারেন। এজন্য বাড়ির অন্যদের থেকে আলাদা থাকুন। সবসময় মাস্ক ব্যবহার করুন। অসুস্থ হওয়ার পরপরই আলাদা ঘর, বাথরুম, পোশাক, থালা-বাসন ব্যবহার করুন।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ