Connect with us

অর্থনীতি

৩৪৮ কোটি টাকার তেল ও ডাল কেনা হচ্ছে টিসিবির জন্য

Published

on

টিসিবি

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য এক কোটি ৬৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল ও ৮ হাজার টন মসুর ডাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্য খরচ হবে ৩৪৭ কোটি ৯৯ লাখ ৪১ হাজার টাকা। এর মধ্যে ২৭৭ কোটি ৭৫ হাজার টাকার তেল ও ৭১ কোটি টাকার মসুর ডাল কেনা হবে।

বুধবার (১৯ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থমন্ত্রী এ সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়েছিলেন। সভা শেষে সভার সিদ্ধান্তের বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. রাহাত আনোয়ার।

অতিরিক্ত সচিব জানান, টিসিবির মাধ্যমে ১ কোটি ১০ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। মেঘনা এডিবল অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এই তেল কেনা হবে। এ জন্য খরচ হবে ১৮৯ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। প্রতি লিটার ১৭১ দশমিক ৮৫ টাকা করে এই তেল কেনা হবে। এর আগে প্রতি লিটার কেনা হয়েছিল ১৮৫ টাকা দরে।

এদিকে আজকের বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুইটি প্রস্তাব টেবিলে উত্থাপন করা হয়। সেগুলো হলো- টিসিবির মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৫৫ লাখ লিটার সয়াবিন তেল সুপার অয়েল রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে ক্রয়ের অনুমোদন। এতে মোট খরচ হবে ৮৭ কোটি ৯৭ লাখ ২৫ হাজার টাকা। প্রতি লিটার ১৫৯ দশমিক ৯৫ টাকা করে এ তেলা কেনা হবে; আগে এর মূল্য ছিল ১৮৫ টাকা।

Nogod-22-10-2022

এছাড়া টিসিবি কর্তৃক স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৮ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এতে খরচ হবে ৭০ কোটি ৯৮ লাখ ৬৬ হাজার টাকা। প্রতি কেজির দাম পড়বে ৮৮ দশমিক ৭৩ টাকা।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব জানান, আজকে অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৩তম এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৩১তম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় সরকারি ক্রয় কমিটির অনুমোদনের জন্য ছয়টি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। ক্রয় প্রস্তাবনাগুলোর মধ্যে কৃষি মন্ত্রণালয়ের দুটি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালেয়ের তিনটি প্রস্তাবনা ছিল। ক্রয় কমিটির অনুমোদিত ছয়টি প্রস্তাবে মোট অর্থের পরিমাণ ১ হাজার ৩৫৫ কোটি ১৪ লাখ ৪৬ হাজার ৪১০ টাকা।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

অর্থনীতি

আইসিবির দুই প্রতিষ্ঠানে নতুন সিইও

Published

on

ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনস্থ দুই প্রতিষ্ঠান আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড এবং আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডে নতুন প্রাধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

গত ১ ডিসেম্বর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে সই করেছেন মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মো. গোলাম মোস্তফা।

মাহমুদা আক্তার পেয়েছেন আইসিবি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব। আর আইসিবি ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্ট লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার দায়িত্ব পেয়েছেন মাজেদা খাতুন।

দুই কর্মকর্তাই এর আগে ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের মহাব্যবস্থাপকের দায়িত্বে ছিলেন। আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাদের পদায়ন কার্যকর হবে।

Nogod-22-10-2022
শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ব্যাংকে ১০ লাখ টাকা জমায় কোনো প্রশ্ন করা যাবে না

Published

on

ব্যাং‌কে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা দেওয়ার ক্ষে‌ত্রে গ্রাহক‌কে কোনো ধর‌নের প্রশ্ন না করা জন্য নি‌র্দেশনা দি‌য়ে‌ছে বাংলা‌দেশ ব্যাংক।

আজ রোববার (৪ ডি‌সেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ব্যাংকার্স সভায় ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী‌দের আবেদ‌নের পরিপ্রে‌ক্ষি‌তে এ নির্দেশনা দেন বাংলা‌দেশ ব্যাংকের গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার।

সভা শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক এ তথ্য জানান।

মুখপাত্র ব‌লেন, সম্প্র‌তি ব্যাংকে টাকা জমা দিতে গেলে আমানতকারীদের ব্যাংকাররা বি‌ভিন্ন প্রশ্ন করে টাকার উৎসহ জান‌তে চান। এতে গ্রাহকরা টাকা জমা দি‌তে গি‌য়ে জবাব‌দি‌হিতার মু‌খে প‌ড়ে বিভ্রান্ত হ‌চ্ছেন। তাই এখন থে‌কে অন্তত ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জমা দিতে যাওয়া কোনো গ্রাহককে অতিরিক্ত প্রশ্নের মুখোমুখি না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Nogod-22-10-2022

মেজবাউল হক বলেন, ইসলামী ব্যাংকে গ্রাহকদের আমানতের পূর্ণ নিশ্চয়তা রয়েছে। তবে, সেখানে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতি হয়েছে কি না তার তদন্ত চলছে। তদন্তের পরই আমরা বলতে পারবো।

ভোক্তা ঋণের সর্বোচ্চ সুদের হার ১২ শতাংশ মৌখিকভাবে অনুমোদন করা হয়েছে এবিবির এমন দাবি নিয়ে তিনি বলেন, আমরা এ নিয়ে কোনো সার্কুলার করিনি। আগের নিয়মেই ভোক্তা ঋণের সুদহার রয়েছে। তবে কোনো ব্যাংক যদি ১২ শতাংশের কথা বলে থাকে তাহলে সেটা আগাম প্রস্তুতি। এটা হলে আমরা সার্কুলা দেবো।

গ্রাহক ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানত উঠিয়ে নিচ্ছেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, বিশ্বাসের সেই সংকট কেটে গেছে। আমানতকারীরা পুনরায় ব্যাংকে টাকা রাখছেন। এছাড়া বাণিজ্য ঘাটতি অনেকটাই কমে এসেছে। সহসাই ডলারসহ সামষ্টিক অর্থনৈতিক সংকট কেটে যাবে।

তিনি বলেন, আজকের বৈঠকে বেশ কিছু বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম বিষয় হলো— আসন্ন রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে আমদানি ঋণপত্র (এলসি) সহজীকরণ বিষয়। এ নিয়ে ব্যাংকগুলোর এমডিদের সঙ্গে কথা হয়েছে। রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবারহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আমদানিতে সবধরনের সহায়তা দিতে এমডিদের নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, অপ্রয়োজনীয় এলসি খোলা বন্ধ রয়েছে। তবে, রমজানে প্রয়োজনীয় নিত্যপণ্যের আমদানি অর্থায়নের ক্ষেত্রে মার্জিনের হার ন্যূনতম পর্যায়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অর্থসংবাদ/এমএন

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংক থেকে ঋণ অর্থপাচার কিনা অনুসন্ধানের নির্দেশ

Published

on

ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলম গ্রুপসহ পৃথক চারটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৩৪ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার ঘটনায় অর্থপাচার হয়েছে কি না সেটি দুদক ও বিএফআইইউ সংশ্লিষ্টদের অনুসন্ধান করার জন্যে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

অনুসন্ধান শেষে চার মাসের মধ্যে এ বিষয়ে অগ্রগতি প্রতিবেদন জমা দেওয়া জন্য বলা হয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

এছাড়া বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ লোপাটের ঘটনায় কর্তৃপক্ষের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না এবং তাদের বিরুদ্ধে কেন যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। একই সঙ্গে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে তাদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

Nogod-22-10-2022

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

আরও বেড়েছে চালের দাম

Published

on

এক সপ্তাহের ব্যবধানে নতুন করে বেড়েছে মোটা চালসহ প্রায় সব ধরনের চালের দাম। মোটা চাল ন্যূনতম কেজিপ্রতি বেড়েছে ২ টাকা। আর মাঝারি ও চিকন চালের দাম বেড়েছে ২-৫ টাকা পর্যন্ত।

অন্যদিকে বাজারে কমেছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম। কিছুটা কমতি সবজির দামও। তেল, চিনি, আটা, ডাল ও অন্যান্য মুদি উপকরণের দাম আগের মতোই রয়েছে।

বাজারে মোটা পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে ৫৬-৬০ টাকা। মাঝারি মানের মিনিকেট ৭০-৭২ টাকা ও সরু নাজির চাল ৭৫-৮৫ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। এরমধ্যে পাইজাম চালের দাম বেড়েছে ২ টাকা, মিনিকেট ২ টাকা ও ভালো মানের নাজিরশাইল চালের দাম বেড়েছে ৫ টাকা। চিকন চালের দাম কেজিতে ৩ টাকা বেড়ে ৬৮ টাকা, মাঝারি বা পাইজাম চাল ২ টাকা বেড়ে ৬০ টাকা এবং মোটা চাল কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বাজারে গত এক মাসে তিন দফা বেড়ে আটার দাম প্রতি কেজি ৭৫ টাকায় ঠেকেছে। বাজারে দুই কেজি ওজনের প্যাকেটজাত আটা বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। খোলা আটা নিলে পাওয়া যাচ্ছে ৫-১০ টাকা কমে।

Nogod-22-10-2022

অন্যদিকে বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে দুই সপ্তাহ আগে বেড়ে যাওয়া তেল ও চিনির দাম। প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ১৯০ টাকা এবং চিনির দাম ১০৭ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। তবে চিনি ১১০ থেকে ১১৫ টাকা আর ১৯০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে তেল-চিনি।

এতসব বাড়তির মধ্যে শুধু কমেছে ডিম ও ব্রয়লার মুরগির দাম। পাইকারিতে প্রতি ডজন বাদামি রঙের ডিমের দাম ১১০ টাকা। খুচরা ব্যবসায়ীরা হালিপ্রতি ডিমের দাম রাখছেন এখন ৪০ টাকা। এতে প্রতি ডজনের দাম দাঁড়ায় ১২০ টাকা। এক মাসের ব্যবধানে ডিমের দাম ডজনে কমেছে ২০ থেকে ২৫ টাকা।

অন্যদিকে ব্রয়লার মুরগি এখন প্রতিকেজি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এর প্রভাবে কিছুটা কমেছে সোনালি মুরগির দামও। কেজিপ্রতি সোনালি মুরগির দাম পড়ছে ২৬০ থেকে ২৮০ টাকা। যা গত সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ২০ টাকা কম।

এছাড়া বাজারে শীতকালীন সবজি প্রচুর থাকলেও সে অনুযায়ী দাম কমেনি।

খুচরা বাজারে পেঁপে ৩০ আর মুলা ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। শীতকালীন অন্যান্য সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকায় কেনাবেচা চলছে। কিছু সবজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি দরেও বিক্রি হচ্ছে, যেগুলো গ্রীষ্মের। এরমধ্যে শিম, পটলের তুলনায় অন্য সবজির দাম বেশি। পাকা বা আমদানি করা টমেটোর কেজি ১১০ থেকে ১২০, গাজর ১২০ থেকে ১৩০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

পোশাক রপ্তানিতে আবারও দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ

Published

on

পোশাক রপ্তানির বাজারে ফের দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ২০২০ সালে বাংলাদেশকে সরিয়ে দ্বিতীয় স্থানে জায়গা করে নেয় ভিয়েতনাম।  এবার তাদের সরিয়ে আবারও দ্বিতীয় অবস্থানে জায়গা করে নেয় লাল-সবুজের দেশটি।

বুধবার বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (ডব্লিউটিও) প্রকাশিত বিশ্ব বাণিজ্য পরিসংখ্যান পর্যালোচনা-২০২২ এ দেখা যায়, বিশ্বব্যাপী তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে ভিয়েতনামের অংশ ২০২০ সালের ৬.৪০ শতাংশ থেকে ২০২১ সালে ৫.৮০ শতাংশে নেমে গেছে।

বৈশ্বিক আরএমজি বাজারে বাংলাদেশের অংশ অবশ্য ২০২০ সালে ৬.৩০ শতাংশ থেকে গত বছর ৬.৪০ শতাংশে উন্নীত হয়। এই অনুপাত ২০১৯ সালে ৬.৮০ শতাংশ এবং ২০১৮ সালে ছিল ৬.৪০ শতাংশ।

ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যান পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, গত বছর বাংলাদেশ থেকে আরএমজি রপ্তানি দৃঢ়ভাবে বেড়েছে এবং বার্ষিক ২৪ শতাংশ বৃদ্ধি রেকর্ড করেছে। ২০২০ সালে, এই রপ্তানি একটি বড় ধাক্কার সম্মুখীন হয়েছিল এবং ভিয়েতনামের আরএমজি রপ্তানির ৭ শতাংশ বৃদ্ধির বিপরীতে বাংলাদেশে ১৭ শতাংশ হ্রাস পেয়েছিল।

Nogod-22-10-2022

বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে ২০১০ সালে বাংলাদেশের অংশ ছিল ৪.২০ শতাংশ, তখন ভিয়েতনামের অংশ ছিল ২.৯০ শতাংশ।
চীন ২০২০ সালে বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানি বাজারে দেশটির অংশ ৩১.৬০ শতাংশ থেকে গত বছরে ৩২.৮০ শতাংশে উন্নীত করে প্রথম অবস্থান ধরে রেখেছে।

ডব্লিউটিওর প্রকাশনা অনুসারে ইউরোপীয় ইউনিয়ন আরএমজির দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ব রপ্তানিকারক। সুতরাং, প্রযুক্তিগতভাবে, বাংলাদেশ তৃতীয় বৃহত্তম বিশ্ব আরএমজি রপ্তানিকারক দেশ এবং ভিয়েতনাম চতুর্থ।

ইইউ-এর সম্মিলিত রপ্তানি পরিসংখ্যান দেশভিত্তিক আলাদা করা হলে, বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনাম দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক হবে। তুরস্ক ও ভারত পঞ্চম এবং ষষ্ঠ অবস্থানে রয়েছে। এরপরে রয়েছে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, হংকং এবং পাকিস্তান।

ডব্লিউটিওর পরিসংখ্যানে আরও দেখা যায়, শীর্ষ ১০ পোশাক রপ্তানিকারকের বার্ষিক মোট রপ্তানি মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৬০ বিলিয়ন ডলার, যা ২০২০ সালের ৩৭৮ বিলিয়ন থেকে একটি বড় উত্থান। এ মূল্য ২০১৯ সালে ৪১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেকর্ড করা হয়েছিল।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ