Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

সয়াবিন তেলের দাম লিটারপ্রতি কমলো ১৪ টাকা

Published

on

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ১৪ টাকা কমিয়ে ১৭৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতদিন ১৯২ টাকায় বিক্রি হয়েছে প্রতি লিটার সয়াবিন। এছাড়াও ৫ লিটারের বোতল ৮৮০ টাকা ও খোলা সয়াবিন তেল ১৫৮ টাকা লিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

সোমবার (৩ অক্টোবর) বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ভোজ্যতেল মালিক সমিতির সদস্যরা বর্তমানে ডলারের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি এবং এলসি খোলার জটিলতার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর সিনিয়র সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় সিটি গ্রুপের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান, মেঘনা গ্রুপের চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল এবং টি. কে গ্রুপের এমডি মোস্তফা হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ডলারের মূল্য বৃদ্ধির বিষয়ে এবং এলসি খোলার জটিলতার বিষয়ে বিস্তারিত আলাপ আলোচনা শেষে এবং ভোক্তাদের সুবিধার্থে ভোজ্যতেলের দাম ১৪ টাকা কমিয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
Advertisement

শিল্প-বাণিজ্য

১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় সিঙ্গাপুরের হোটেল কিনল এস আলম গ্রুপ

Published

on

সিঙ্গাপুরে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের একটি হোটেল কিনেছেন বাংলাদেশের এস আলম গ্রুপ। এশিয়ার রিয়েল স্টেট ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিংতিয়ান্দির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আলফা ইনভেস্টমেন্ট পার্টনার্স সিঙ্গাপুরের নোভেনা এলাকায় ২৪১ কক্ষের একটি হোটেল ১২৫ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছে।

২০১৯ সালে বিলাসবহুল ওই হোটেলটি কিনেছে বাংলাদেশের চট্টগ্রামস্থ ‘এস আলম গ্রুপ’। যে পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে হোটেলটি ক্রয় করে এস আলম, তা বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

কেপেল ক্যাপিটালের প্রাইভেট ইক্যুইটি বিভাগ ইতিমধ্যেই ‘আইবিস নোভেনা’ হোটেলকে এস আলম গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করেছে। অফ-মার্কেটের মাধ্যমে এই হোটেল থেকে সিঙ্গাপুরি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ ডলার আয় করছে এস আলম গ্রুপ।

Nogod-22-10-2022

এস আলম গ্রুপের অধীনে বাংলাদেশের একাধিক ব্যাংক রয়েছে। ২০১৭ সালে ইসলামী বাংকের ১২ ভাগেরও বেশি শেয়ার বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে কিনে নেয় এস আলম গ্রুপ। এছাড়াও ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংকের বড় অংশের শেয়ারও এস আলম পরিবারের হাতে রয়েছে।

রিয়েল স্টেট, ইস্পাত, সিমেন্ট, খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, গার্মেন্টস এবং পরিবহন ব্যবসাসহ প্রায় সব খাতেই এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে- এস আলম স্টিলস লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস লিমিটে, এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস, এস আলম সিমেন্ট লিমিটেড, পোর্টম্যান সিমেন্টস লিমিটেড, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড, কর্ণফুলী প্রকৃতিক গ্যাস কোং লিমিটেড এবং এভারগ্রিন শিপিং লিমিটেড উল্লেখযোগ্য।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রে এসকেএফের ওষুধ রপ্তানি শুরু

Published

on

প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (এসকেএফ)।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনের জন্য এসকেএফের কারখানা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়। বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এ অনুমোদন পেয়েছে এসকেএফ।

এ ছাড়া, এসকেএফের ফারাজ আয়াজ হোসেন ভবনের সলিড ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটিও এফডিএ অনুমোদিত।

এসকেএফ স্বীকৃতি পেয়েছে যুক্তরাজ্যের এমএইচআরএ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের জিএমপি, ব্রাজিলের এএনভিআইএসএ, অস্ট্রেলিয়ার টিজিএ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার এসএএইচপিআরএ’র। প্রতিটি ক্ষেত্রে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ এসকেএফকে এমন স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

Nogod-22-10-2022

ট্রান্সকম লিমিটেডের গ্রুপ সিইও এবং এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সিমিন রহমান বলেন, ‘এসকেএফ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছুঁয়েছে। বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হিসেবে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধের মাধ্যমে মার্কিন বাজারে আমরা আমাদের সক্ষমতা দেখাতে পারব। এই যাত্রায় আমরা জটিল ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ এবং টেকনোলজি ড্রাইভেন মলিকুলাসের ওপর ফোকাস করছি, যেন রোগীদের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়।’

করোনা মহামারির সময় এসকেএফ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ রপ্তানিতে সাফল্য অর্জন করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি ৩টি অ্যান্টি-কোভিড জেনেরিক ওষুধ— রেমডেসিভির (রেমিভির), মলনুপিরাভির (মনুভির) এবং নির্মাট্রেলভির ও রিটোনাভির সংমিশ্রণ (প্যাক্সোভির) উৎপাদন ও বাজারজাত করে।

এসকেএফ এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিশ্বের ৪৮টি দেশে রপ্তানি করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার ৬৮টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

জোহান্সবার্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদর্শনীতে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড

Published

on

গতকাল ২৬ অক্টোবর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গে শুরু হয়েছে সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যসেবা প্রদর্শনী আফ্রিকা হেলথ ২০২২। এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড। প্রদর্শনীটি চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আফ্রিকা হেলথ ২০২২’- এ অংশ নিচ্ছে টেকনো ড্রাগস। জোহান্সবার্গের গ্যালাঘার কনভেনশন সেন্টারের বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের ২ নম্বর হলে এই প্রদর্শনীতে অংশ নেবে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড।

১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আফ্রিকা হেলথ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে অর্থপূর্ণ সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা, জ্ঞান এবং দক্ষতা বিকাশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এই মর্যাদাপূর্ণ ইভেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেড।

Nogod-22-10-2022

টেকনো ড্রাগস লিমিটেড মানসম্পন্ন পণ্য, শক্তিশালী বিতরণ চ্যানেল এবং ডাক্তার-রোগীর গ্রহণযোগ্যতার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা বাজারে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করেছে। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিটি তিনটি ভিন্ন ধরনের পণ্য যেমন- ক্যানসার প্রতিরোধী মেডিসিন, ভেটেরিনারি মেডিসিন এবং হিউম্যান হেলথ কেয়ার এইসব মেডিসিন উৎপাদন করে কোম্পানি থেকে ভোক্তাদের কাছ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ওষুধ বিতরণ প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করেছে।

টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের এমডি শাহ জালাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ওষুধ শিল্পে এখন আর বিশ্বে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। ১৯৯৬ সালে ভেটেরিনারি ওষুধ নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয় এমন সময়ে যখন বাজারে দামি বিদেশি পণ্যের আধিপত্য ছিল। টেকনো ড্রাগস লিমিটেড তার ক্রমাগত উচ্চমানের পণ্য এবং অতুলনীয় গ্রাহক পরিষেবার মাধ্যমে বাজারে তার সুনাম বজায় রেখেছে এবং দেশের ভেটেরিনারি মেডিসিন মার্কেটের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছে।

টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, মেডিসিন মার্কেটে একটি শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য, টেকনো ড্রাগস লিমিটেড ২০০৩ সালে হিউম্যান মেডিসিন ফর্মুলেশনে প্রবেশ করে। হিউম্যান মেডিসিন এর ক্ষেত্রে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড এমন কিছু মেডিসিন নিয়ে এসেছে যা আগে কখনো চালু হয়নি। বর্তমানে আমাদের কোম্পানি বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় গর্ভনিরোধক ইনজেকশন প্রস্তুতকারী এবং সরবরাহকারী। আমরা এটা জানাতে পেরে আনন্দিত যে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড বিশ্বের পঞ্চম গর্ভনিরোধক ইমপ্লান্ট প্রস্তুতকারকদের মধ্যে একটি এবং বাংলাদেশে এটি প্রথম।

প্রদর্শনীটি একটি দুর্দান্ত নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যা আফ্রিকার বিভিন্ন কোম্পানির সাথে অন্যান্য দেশের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী কোম্পানিগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে যা আফ্রিকাতে ব্যবসার নতুন এক দিক উন্মোচন করবে।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিলের স্বীকৃতি পেল আরও তিন বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান

Published

on

সবুজ কারখানা

তৈরি পোশাকশিল্পে পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ কারখানার ক্ষেত্রে বিশ্বে উদাহরণ তৈরী করেছে বাংলাদেশ। প্রতিনিয়ত বাড়ছে ‘সবুজ কারখানা’র সংখ্যা। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের আরও তিনটি তৈরি পোশাক কারখানাকে ‘সবুজ কারখানা’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনাইটেড স্টেটস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)।

সবুজ কারখানার স্বীকৃতি পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ভবানীপুর গাজীপুরের সিএ নিটওয়্যার লিমিটেড, বানিয়ারচলা গাজীপুরের সিলকেন সুইং লিমিটেড এবং মেহেরাবারি ময়মনসিংহের অবস্থিত সুলতানা সুয়েটার লিমিটেড। কারখানা তিনটি প্লাটিনাম রেটিং পেয়েছে।

এতে দেশের পোশাক খাতে মোট পরিবেশবান্ধব প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৭৬টিতে। এর আগে চলতি মাসের শুরুতে গাজীপুরের আমান টেক্সটাইল লিমিটেড পেয়েছে প্লাটিনাম রেটিং এবং রাজধানীর আয়েশা ফ্যাশন লিমিটেড পায় গোল্ড রেটিং।

শনিবার (১৫ অক্টোবর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল।

Nogod-22-10-2022

মাত্র এক দশক আগেও দেশে পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার সংখ্যা ছিল মাত্র একটি। এখন সেই সংখ্যা বেড়ে ১৭৬টিতে দাঁড়িয়েছে। সবুজ কারখানার তালিকায় বিশ্বে শীর্ষে অবস্থান করছে বাংলাদেশ। যা এই খাতের রপ্তানি বাড়াতে অবদান রাখছে বলে জানিয়েছেন রপ্তানিকারকেরা। তালিকায় বাংলাদেশের পরের অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম ও ইন্দোনেশিয়া।

বিজিএমইএ পরিচালক জানান, গাজীপুরের সিএ নিটওয়্যার লিমিটেডকে ১০ অক্টোবর স্বীকৃতি দিয়েছে ইউএসজিবিসি। তারা প্রতিষ্ঠানটিকে ৮৭ পয়েন্ট দিয়েছে। বানিয়ারচলা গাজীপুরের সিলকেন সুইং লিমিটেডকে ১১ অক্টোবর স্বীকৃতি দিয়েছে ইউএসজিবিসি। তারা প্রতিষ্ঠানটিকে ৯২ পয়েন্ট দিয়েছে। মেহেরাবারি ময়মনসিংহের সুলতানা সুয়েটার লিমিটেডকে ১২ অক্টোবর স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি পেয়েছে ৮১ পয়েন্ট।

‘সবুজ পোশাক কারখানা’ ভবনে বিশ্বে শীর্ষ স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ৫৭টি কারখানা প্লাটিনাম রেটিং, ১০৫টি গোল্ড রেটিং ও ১০টি সিলভার রেটিং পেয়েছে। এছাড়া চারটি কারখানা সনদ পেয়েছে।

২০০১ সাল থেকে লিড সনদ পাচ্ছে বাংলাদেশ। সংস্কার, জ্বালানি, পানি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ কয়েকটি মানদণ্ডের ভিত্তিতে কারখানাগুলোকে ‘সবুজ কারখানা’ স্বীকৃতি দেয় ইউএসজিবিসি।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

বাড়লো চিনির দাম, কমেছে পাম অয়েলের

Published

on

চিনির দাম কেজিতে ৬ টাকা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন দর অনুযায়ী এখন থেকে প্রতি কেজি খোলা চিনি ৯০ টাকা, আর প্যাকেটজাত চিনি ৯৫ টাকা। এছাড়াও পাম অয়েল সুপার প্রতি লিটারে ৮ টাকা কমিয়ে ১২৫ টাকা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এক সভা শেষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

বাণিজ্যসচিব বলেন, আজকের সভায় সিদ্ধান্ত হলো বেশি দামের যে তেল বাজারে আছে সেটা আগের দামে বিক্রি করতে হবে। এখন যে তেল বাজারে যাবে সেটা লিটারে ১৪ টাকা কম দামে বিক্রি হবে। আর চিনি ও পাম অয়েল এই দুটির দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ বিকেলের মধ্যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে অ্যাসোসিয়েশন।

তিনি বলেন, নতুন দাম অনুযায়ী পাম অয়েল সুপার প্রতি লিটারে ৮ টাকা কমিয়ে ১২৫ টাকা করা হয়েছে, যা আগে ১৩৩ টাকা লিটার বিক্রি হতো। একই সঙ্গে চিনির দাম ৬ টাকা বাড়িয়ে খোলা চিনি প্রতি কেজি ৯০ টাকা আর প্যাকেটজাত চিনি ৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। কারণ আমরা আগে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ডলারে দাম ধরতাম না। বর্তমানে ১০৫ টাকা দরে ডলার ধরলে চিনির দাম বেশি হয়। সেজন্য কেজিতে ৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। সয়াবিন এরই মধ্যে লিটারে ১৪ টাকা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে।

Nogod-22-10-2022
শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ