Connect with us

জাতীয়

বেইজিংয়ে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চীনা দূত

Published

on

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক সময়ে অস্থিরতার কারণে বাংলাদেশ সীমান্তে স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এ অবস্থায় সীমান্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে মিয়ানমারে চীনের যে প্রভাব রয়েছে, সেটি কাজে লাগিয়ে দেশটিকে বিশেষ ভূমিকা রাখার অনুরোধ করেছে ঢাকা। ঢাকার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বেইজিংয়ে বিশেষ বার্তা পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন চীনা দূত।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলমের স‌ঙ্গে বৈঠক করেন ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে বেশিরভাগ সময়জুড়েই আলোচনা হয় সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত চীন-মিয়ানমার সীমান্তে ইউনান প্রদেশের মধ্যে মিয়ানমারের গোলাবর্ষণের উদাহরণ দেন। এ‌ক্ষে‌ত্রে চীনে ছোড়া অনিচ্ছাকৃত ছিল বলে অ‌নেকটা মিয়ানমা‌রের প‌ক্ষে কৌশ‌লে সাফাই গান রাষ্ট্রদূত।

Nogod-22-10-2022

সূত্রে জানা যায়, অন্য দূতদের সঙ্গে আসিয়ান জোটের বৈঠকে আমন্ত্রণ না পাওয়ার কারণ হিসেবে চীনা রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন, তাদের সমস্যা ছিল। চীনা দিবস নিয়ে কর্মকর্তারা ব্যস্ত ছিলেন।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির সংঘাতের জেরে বাংলাদেশ যেসব সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে, সেগুলো জানাতে গত সোমবার প্রথম দফায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে আসিয়ান জোটের দূতদের ডাকা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমন্ত্রণে সেই ব্রিফিংয়ে ঢাকায় মিশন না থাকায় লাওস ও কম্বোডিয়া বাদ ছিল। বাদ ছিল মিয়ানমারও। বাকি সাত দেশের কূটনীতিকেরা ব্রিফিংয়ে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে আসিয়ানের সহযোগিতা চায় ঢাকা।

পরদিন মঙ্গলবার ঢাকায় নিয়োজিত অন্যান্য দেশের রাষ্ট্রদূতদের একই ভেন্যুতে ডেকে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলম বিষয়টি সম্পর্কে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরে সহযোগিতার আহ্বান জানান।

সে‌দিনের ব্রিফিংয়েও বিভিন্ন দেশের প্রায় ৩০ জনের মতো রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়াসহ রাশিয়াসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ এবং আরব বিশ্বের দূতরা উপস্থিত ছিলেন। তবে ব্রিফিংয়ে চীন উপস্থিত হয়নি।

ছযদিন পর সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মো. খুরশেদ আলমের দপ্তরে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনার জন্য ডাকা হয় চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিংকে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুপুর ২টা ১৩ মিনিটে হাজির হন রাষ্ট্রদূত লি। প্রায় দেড় ঘণ্টার বৈঠক শেষে ভারপ্রাপ্ত সচিবের দপ্তর থেকে বের হতেই গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন রাষ্ট্রদূত। খুব উচ্ছ্বাস নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলতে দেখা যায় লি-কে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উদ্ভূত পরিস্থিতিকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে আখ্যা দেন।

রাষ্ট্রদূতের পর গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব খুরশেদ আলম। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি সম্পর্কে রাষ্ট্রদূতকে জানানো হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বেইজিং নেপিদোর সঙ্গে আলোচনা করবে বলে রাষ্ট্রদূত আশ্বস্ত করেছেন।

খুরশেদ আলম বলেন, আমাদের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীন আগে থেকে ত্রিপক্ষীয় ব্যবস্থায় ছিল। এটা যেন ত্বরান্বিত হয়, সে বিষয়ে বলেছি। প্রত্যাবাসন নিয়ে তারা যেহেতু আগে একটি ইনিশিয়েটিভ নিয়েছিল, সেটির বিষয়ে আমরা অনুরোধ করেছি। তাদের বলেছি, আপনারা ইনিশিয়েটিভ নিন।

সীমান্তে চলমান পরিস্থিতির মধ্যে প্রত্যাবাসন সম্ভব কি না-এমন প্রশ্নের জবাবে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসবিচ বলেন, তারা যে জায়গায় নিয়ে যাবে, সেখানে কোনো যুদ্ধ হচ্ছে না।

সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে চীনের আশ্বাসে ঢাকা আশ্বস্ত হতে পারছে কি না-এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমরা চীনের আশ্বাসে বিশ্বাস করি কি না করি, এতে কিছু আসে যায় না। কিন্তু চীন যেহেতু আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশ। আমরা মনে করি তাদের এটি বললে যথাস্থানে পৌঁছে দেবে।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম সীমান্তে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে প্রায় দেড় মাস ধরে গোলাগুলি চলছে। সম্প্রতি একটি মর্টারশেল এসে তুমব্রু সীমান্তের বিপরীতে শূন্যরেখায় পড়ে। এতে এক রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনায় এক শিশুসহ পাঁচ রোহিঙ্গা নাগরিক আহত হন।

এর আগেও কয়েক দফায় মর্টারশেল ও গোলা এসে পড়ে বাংলাদেশের ভেতরে। প্রতিবারই মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে ডেকে প্রতিবাদ জানানো হয়। বিশেষজ্ঞরা সমালোচনা করে বলছেন, এমন মৌখিক প্রতিবাদ কার্যকর কিছু নয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, মিয়ানমারের আভ্যন্তরীণ ঝামেলায় জড়াতে চায় না ঢাকা। তাই কূটনৈতিক উপায়ে এ সমস্যার সমাধান করতে চায় বাংলাদেশ।

শেয়ার করুন:
Advertisement

জাতীয়

প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে

Published

on

আরও প্রায় ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিড লাইনে। সিলেটের বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের ১ নম্বর কূপ থেকে এ গ্যাস যুক্ত হবে। সোমবার (২৮ নভেম্বর) থেকে প্রতিদিনই সঞ্চালন লাইনে যুক্ত হবে এ গ্যাস।

গত সেপ্টেম্বরে পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকা বিয়ানীবাজারের ১ নম্বর কূপখনন কাজ শুরু করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।

সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) আব্দুল জলিল প্রামাণিক বলেন, রোববার বিকেলে পরীক্ষামূলক সব কাজ সম্পন্ন করেছি। গ্যাসের চাপ পরীক্ষার (টেস্টিং) কাজ শেষে চূড়ান্ত পর্যায়ে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের জন্য কারিগরি সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি জানান, সবকিছু ঠিক থাকলে সোমবার সকাল থেকেই এক নম্বর কূপ হতে সঞ্চালন লাইনে গ্যাস সরবরাহ শুরু হবে। এ কূপ থেকে প্রতিদিন ৮ মিলিয়ন গ্যাস গ্রিড লাইনে সরবরাহ করা সম্ভব হবে।

Nogod-22-10-2022

বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রটি সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের (এসজিএফএল) আওতাধীন। এ গ্যাসক্ষেত্রের ২ নম্বর কূপ থেকে দৈনিক ৭ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ হচ্ছে।

এসজিএফএল সূত্রে জানা গেছে, বিয়ানীবাজার গ্যাস ফিল্ডের ১ নম্বর কূপ থেকে ১৯৯১ সালে গ্যাস তোলা শুরু হয়। ২০১৪ সালে তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৬ সালে আবার উত্তোলন শুরু হলেও ওই বছরের শেষ দিকে আবারও তা বন্ধ হয়ে যায়। ২০১৭ সালের শুরু থেকেই কূপটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। এরপর বাপেক্স ওই কূপে অনুসন্ধানকাজ চালিয়ে গ্যাসের মজুত পায়।

এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ সেপ্টেম্বর ওই কূপে নতুন করে পুনঃ খননকাজ (ওয়ার্ক ওভার) শুরু হয়। শেষে গত ১০ নভেম্বর থেকে কূপে গ্যাসের মজুদের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। এরপর গ্যাসের চাপ পরীক্ষা শেষে কূপ থেকে দ্রুত জাতীয় সঞ্চালন লাইনে গ্যাস দেওয়ার জন্য প্রস্তুত করা হয়।

সিলেট গ্যাস ফিল্ড লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, বিয়ানীবাজার গ্যাসক্ষেত্রের ১ নম্বর কূপের তিন হাজার ২৫৪ মিটার গভীরে ৭০ বিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস মজুত আছে। গ্যাসের চাপ পরীক্ষার পর দেখা গেছে কূপটি থেকে দৈনিক ১০-১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করতে সক্ষম। তবে কারিগরি বিভিন্ন দিক বিবেচনা করে দৈনিক আট মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হবে। এতে দৈনিক ১২৫-১৩০ ব্যারেল কনডেন্স গ্যাস পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জমি ও সম্পদকে অধিক উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করতে হবে

Published

on

বর্তমান পরিস্থিতিতে জমি ও সম্পদকে অধিক উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

রোববার (২৭ নভেম্বর) রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের বার্ষিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, কৃষিজমিতে ফসল উৎপাদনে সবাইকে আরো মনোযোগী হওয়ার পাশাপাশি সমবায় সমিতিগুলোর সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুধা, দারিদ্র, শোষণ ও দুর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন৷ এখন জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণের জন্য সমবায় সমিতিসমূহকে কাজ করে যেতে হবে৷ সকলের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সমবায় সমিতিকে ভূমিকা রাখতে হবে।

Nogod-22-10-2022

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের পুরস্কার প্রাপ্ত সদস্যদের হাতে ‘ড. আখতার হামিদ খান পল্লী ও সমবায় উন্নয়ন পুরস্কার ও পদক’ তুলে দেন৷

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

‘যে কোনো বয়সে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে’

Published

on

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, আমাদের দেশের উচ্চশিক্ষায় নানামুখী দেয়াল রয়েছে। শিক্ষা যদি জীবনব্যাপী হয় তাহলে উচ্চশিক্ষার দেয়ালগুলো ভেঙে দিতে হবে। একজন শিক্ষার্থীকে যে কোনো বয়সে উচ্চশিক্ষা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

তিনি বলেন, যদি কোনো শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি পার করে কর্মজীবনে জড়িয়ে পড়েন এবং পরবর্তী সময়ে উচ্চশিক্ষায় ফিরতে চান তাহলে তাকেও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ দিতে হবে। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে ধরা-বাধা নিয়ম থেকে বের হয়ে এসে শিক্ষা গ্রহণের দরজা উন্মুক্ত রাখতে হবে।

রোববার (২৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের (রাওয়া) আয়োজনে ‘শিক্ষা এবং নৈতিকতা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্য এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা খুব দক্ষ মানুষ হলাম, কিন্তু আমার ভেতরে নৈতিকতা বোধ না থাকে তাহলে সেই শিক্ষার কোনো মূল্য নেই। সঠিক শিক্ষাগ্রহণের পাশাপাশি আমাদের শিক্ষার্থীদের নৈতিক মূল্যবোধও শেখাতে হবে।

Nogod-22-10-2022

সেমিনারে অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, আমাদের রাষ্ট্র ও জাতির সামনে একটি সুস্পষ্ট লক্ষ্য এবং তার কৌশল বাস্তবায়নের জন্য সুস্পষ্ট কর্মনীতি দরকার। নানা ধারা-উপধারায় বিভক্ত বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা রূপ ও প্রকৃতি অত্যন্ত জটিল। যে রাষ্ট্রে অপসংস্কৃতি প্রবল এবং সংস্কৃতি নির্জীব, অপসংস্কৃতিকেই যে রাষ্ট্রসংস্কৃতি বলা হচ্ছে, তাতে স্কুলের পাঠ্যপুস্তকে নীতিবিদ্যা ও নীতিশিক্ষাকে স্থান দেওয়া কঠিন।

তিনি বলেন, আমাদের জীবনধারায় উন্নত বিজ্ঞান-প্রযুক্তিকে আমরা যথাসম্ভব গ্রহণ করব। আমাদের কল্যাণে আমরা সেগুলোকে ব্যবহার করবো, কিন্তু সেগুলো দ্বারা আমরা পরিচালিত হবো না।

সেমিনারে শিক্ষাবিদ সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, নীতিশাস্ত্রের সফল বিকাশ ঘটাতে পারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যদি এর সঙ্গে পরিবার সংযুক্ত থাকে তাহলে বিকাশটি আশানুরূপ হয়। কিন্তু আমাদের দেশের সমাজ বাস্তবতা পাল্টেছে, পরিবারের ভেতর সুনীতির চর্চা কমেছে। কোনো কোনো পরিবারের সুনীতির জায়গা নিয়ে নিয়েছে দুর্নীতি। তারপরেও অনেক পরিবার তাদের সন্তানদের মূল্যবোধ চর্চায় আকৃষ্ট করার চেষ্টা করে। কিন্তু ঘরের বাইরের জগতে নৈতিকতার স্থলন ও অভাব থাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নীতির চর্চা উৎসাহিত না করলে পরিবারগুলোর উদ্যোগে শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট জায়গা পর্যন্ত সন্তানদের নিয়ে যেতে পারে। আমাদের দেশে যে পরীক্ষা নির্ভর, সনদমুখী শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলিত, তাতে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীর প্রকৃত মেধার পরিচয় পাওয়া যায় না, বিকাশ ঘটা তো দূরের কথা। এই শিক্ষা নৈতিকতার বিকাশে সহায়ক নয়।

সেমিনারে ইউজিসির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. দিল আফরোজা বেগম, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসের (বিইউপি) সাবেক উপাচার্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ লে. জেনারেল আতাউল হাকিম সারওয়ার হাসান, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক খুরশীদা বেগম এবং রাওয়ার সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) আলাউদ্দিন এম এ ওয়াদুদসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

ব্যাংক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি জানাতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

Published

on

দেশের ব্যাংক খাতের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক থেকে টাকা সরিয়ে নেওয়ার আলোচনার প্রেক্ষাপটে তিনি এ নির্দেশ দেন।

রোববার (২৭ নভেম্বর) সচিব সভায় প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা হয়। সভা শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

ব্যাংকিং খাত সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এটা নিয়ে মিটিংয়ে ইনডাইরেক্ট আলোচনা হয়েছে এবং নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে ব্যাংকিং ও ফাইন্যান্স ডিভিশনকে। চারদিকে এতো কথাবার্তা উঠছে, আসল সিনারিওটা কী সেটা শিগগির দেখে অবহিত করবেন আমাদের।’

ইসলামী ব্যাংক প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নে খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘ওভারঅল, আরও কয়েকটা ব্যাংকের কথা তো…ওটা শোনার পর আমি ইন্টারনেটে গিয়ে দেখলাম কয়েকটা ব্যাংকের ব্যাপারে ইউটিউবে বিভিন্ন রকম…বাইরে থেকে বক্তৃতা দিচ্ছেন। তবুও এটাকে অবহেলা করা হয়নি। বলা হয়েছে, এগুলোকে দেখে সিনারিওটা আমাদের জানাও।’

Nogod-22-10-2022

এছাড়া সভায় জঙ্গি ইস্যুতে সচিবদের সতর্ক থাকারও নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

২৫ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৩৫ কোটি ডলার

Published

on

চলতি নভেম্বর মাসের প্রথম ২৫ দিনে ১৩৪ কোটি ৭১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে প্রবাসীরা। দেশের ডলার সংকট কাটাতে প্রবাসীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোসহ বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরেও প্রবাসী আয়ে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি বজায় রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, আলোচিত মাসের প্রথম ২৫ দিনে রাষ্ট্র মালিকানাধীন পাঁচ বাণিজ্যিক ব্যাংকের মাধ্যমে ২৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আর বেসরকারি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১০৭ কোটি ৯৮ লাখ ডলার, বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৪ লাখ ডলার এবং বিশেষায়িত একটি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে দুই কোটি ৮৮ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স।

এ সময়ে সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স এসেছে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে। ব্যাংকটির মাধ্যমে প্রবাসীরা ৩২ কোটি ৮৭ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে। এছাড়া অগ্রণী ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৯ কোটি ৬ লাখ ডলার, ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ৮ কোটি ১৪ লাখ এবং আল আরাফা ইসলামী ব্যাংকে মাধ্যমে ছয় কোটি ৪৫ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। তবে এসময়ে কোনো রেমিট্যান্স আসেনি বিডিবিএল, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়ার মাধ্যমে কোন রেমিট্যান্স আসেনি।

Nogod-22-10-2022

চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে ২০০ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। তবে পরবর্তীতে রেমিট্যান্সের ইতিবাচক এই ধারা অব্যাহত থাকেনি। এর পরের মাসগুলোতে ধারাবাহিক কমছে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ। অবৈধভাবে রেমিট্যান্স পাঠানোর তথ্য পেয়েছে আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। তাই রেমিট্যান্স বাড়াতে হুন্ডি প্রতিরোধের বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে বিএফআইইউ। হুন্ডির মাধ্যমে রেমিট্যান্সে পাঠানোয় জড়িতের অভিযোগে ২৩০ জন বেনিফিশিয়ারির হিসাব সাময়িকভাবে উত্তোলন স্থগিত করে আর্থিক খাতের এ সংস্থাটি। পরে বৈধ পথের প্রতিশ্রুতিতে এসব হিসাবগুলো পুণরায় খুলে দেওয়ার কথা জানানো হয়।

অন্যদিকে বৈধ উপায়ে আসা রেমিট্যান্সের বিপরীতে আড়াই শতাংশ নগদ প্রণোদনা দিচ্ছে সরকার। রেমিট্যান্স প্রেরণকারীদের সিআইপি সম্মাননা, অনিবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিনিয়োগ ও গৃহায়ন অর্থায়ন সুবিধা দেওয়াসহ নানা উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এতেও বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়ানো যাচ্ছে না।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
November 2022
S M T W T F S
 12345
6789101112
13141516171819
20212223242526
27282930  

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ