Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

কমলো স্বর্ণের দাম

Published

on

স্বর্ণ

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবার কিছুটা কমানো হয়েছে। ভালো মানের স্বর্ণ (২২ ক্যারেট) প্রতি ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকা দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। আগামীকাল মঙ্গলবার থেকে এ দাম কার্যকর হবে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের (পাকা স্বর্ণ) দাম কমায়, দেশের বাজারেও নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাজুস।

২৭ সেপ্টেম্বর (সোমবার) থেকে সবচেয়ে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) স্বর্ণ প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৮১ হাজার ২৯৮ টাকায়। ভরিপ্রতি কমানো হয়েছে ১ হাজার ৫০ টাকা। দেশের বাজারে ২১ ক্যারেটের সোনার দাম প্রতি ভরি ৭৭ হাজার ৬২৪ টাকায় বিক্রি হবে। ভরিপ্রতি কমানো হয়েছে ৯৯১ টাকা।

১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ৬৬ হাজার ৪৮৫ টাকায় বিক্রি হবে। ভরিপ্রতি কমানো হয়েছে ৯৩৩ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হবে ৫৫ হাজার ১৭১ টাকায়। ভরিপ্রতি কমানো হয়েছে ৭০০ টাকা।

Nogod-22-10-2022

সোনার দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ১ হাজার ৫১৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের রুপা ১ হাজার ৪৩৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের রুপা ১ হাজার ২২৫ টাকায় বিক্রি হবে। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হবে ৯৩৩ টাকায়।

এর আগে, রোববার (১৮ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। সোমবার (১৯ সেপ্টেম্বর) থেকে সারাদেশে ওই দর কার্যকর হয়।

আজ পর্যন্ত ভালো মানের প্রতি ভরি সোনা ৮২ হাজার ৩৪৮ টাকায় বিক্রি হয়েছে। ২১ ক্যারেটের সোনার দাম ৭৮ হাজার ৬১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৬৭ হাজার ৪১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরির দাম ছিল ৫৫ হাজার ৮৭১ টাকা।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

শিল্প-বাণিজ্য

দেশের শীর্ষ করদাতা হিসাবে এনবিআর পুরস্কার পাচ্ছে নগদ

Published

on

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) থেকে নগদ লিমিটেডকে সেবা খাতে ২০২১-২২ অর্থবছরে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদ-এর নাম ঘোষণা করা হয়েছে।

যাত্রা শুরুর মাত্র তিন বছরেই দেশের শীর্ষ করদাতার তালিকায় চলে এসেছে মোবাইল আর্থিক সেবা খাতের এ প্রতিষ্ঠানটি। দেশের সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে নগদকে পুরস্কৃত করবে এনবিআর।

আগামী শনিবার এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নগদ-এর হাতে এই পুরস্কার তুলে দেবেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

সমাপ্ত অর্থ বছরে এনবিআর উৎপাদন খাত, ব্যবসা খাত এবং সেবা খাতে তিনটি করে মোট নয়টি প্রতিষ্ঠানকে দেশের সর্বোচ্চ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) পরিশোধকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কৃত করবে।

Nogod-22-10-2022

একের পর এক নতুন উদ্ভাবন এবং সেবা বিতরণের ক্ষেত্রে অভিনবত্ব নিয়ে শুরু করায় দ্রুতই নগদ-এর সেবা গ্রাহকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এতে করে নগদ-এর মাধ্যমে লেনদেন যেমন বেড়েছে, একইভাবে সরকারের হয়ে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) সংগ্রহেও নগদ সেরার অবস্থানে চলে এসেছে।

২০১৯ সালে স্বাধীনতা দিবসের দিন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে উদ্বোধন হয় নগদ। বর্তমানে সাড়ে ছয় কোটি গ্রাহককে সেবা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। সুবিধাবঞ্চিত কোটি মানুষের কাছে সামাজিক নিরাপত্তা ভাতা, প্রাথমিকের উপবৃত্তি এবং করোনার সময়ে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার বিতরণের মাধ্যমে সরকারি অর্থ বিতরণ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করেছে নগদ। শুরুতেই গ্রাহক নিবন্ধনের জন্য দেশে প্রথম ইলেক্ট্রনিক কেওয়াইসি’র উদ্ভাবন করে দেশে আর্থিকখাতে ডিজিটালাইজেশন নিশ্চিত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরপর নগদ উদ্ভাবন করে মোবাইল অপারেটরদের কাছে থাকা গ্রাহক তথ্যের মাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে মোবাইল ফোনের মাত্র পাঁচটা বাটন ডায়াল করেই অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি চালু হয়, যা ডিজিটাল সেবার দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিয়েছে।

নগদ-এর প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক বলেন, “নিশ্চিতভাবে সর্বোচ্চ কর প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার পাওয়ার জন্য আমরা কাজ করিনি। নগদ কাজ করেছে গ্রাহক সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য। সেটি করতে পেরেই আমরা খুশি।” তিনি বলেন, যত বেশি গ্রাহক ডিজিটাল সেবা ব্যবহার করবেন, তাদের জীবন ততটাই সহজ হবে। আর সেটা হলে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল যেমন ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে, সরকারের রাজস্ব আয়েও ইতিবাচক ধারা চলে আসবে।

নগদ-এর গ্রাহক নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজতর হওয়ায় দেশে আর্থিক অন্তর্ভূক্তি যেমন বৃদ্ধি পেয়েছে, তেমনি ক্যাশলেস লেনদেনের বিবেচনায় অনেকখানি অগ্রগতি হয়েছে বলে মনে করেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

দাম বাড়লো ১২ কেজি এলপিজির

Published

on

পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ৪৬ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ অ্যানার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যেটি ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম পরবে ১ হাজার ২৯৭ টাকা।

রোববার (৪ ডিসেম্বর) ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এলপি গ্যাসের নতুন এ দাম ঘোষণা করেন বিইআরসি চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল।

এর আগে ১২ কেজির প্রতিটি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ছিলো ১ হাজার ২৫১ টাকা।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ

Published

on

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম রোববার (৪ ডিসেম্বর) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।

ভালোমানের সোনার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের সোনার দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৩৩ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোন অপরিবর্তিত আসেনি।

Nogod-22-10-2022

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি শনিবার বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী— সব থেকে ভালোমানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৭৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

দেশে সালফিউরিক এসিডের শতভাগ চাহিদা পূরণে উৎপাদনে যাচ্ছে গ্রাম বাংলা ফার্টিলাইজার

Published

on

চলমান সংকটের মধ্যে দেশের অর্থনীতির জন্য সুখবর নিয়ে আসছে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের মালিকানাধীন মোনার্ক গ্রুপ। রুট গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথমবারের মতো গড়ে তুলেছে দেশের একমাত্র বেসরকারি টিএসপি সার প্লান্ট ‘গ্রাম বাংলা এনপিকে ফার্টিলাইজার অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ (প্রা.) লিমিটেড’। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশে সালফিউরিক এসিডের শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, গ্রাম বাংলা এনপিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে চীনের এসইউএমইসি কমপ্লিট ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। আগামী বছরের (২০২৩) মার্চের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে ইউরোপ এবং চীন থেকে যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন ও সংযোজন করা হচ্ছে।

আগামী ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্পন্ন করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে সক্ষম হবে। প্রকল্পটি টিএসপি সার উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে জাতীয় গ্রিড থেকে কোনও প্রকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগের প্রয়োজন হবে না। প্রকল্পের উৎপাদিত বাই প্রডাক্ট বিদ্যুৎ দ্বারা উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রকল্পটির উৎপাদিত পণ্য উৎপাদন, বিপণন, সংরক্ষণ এবং পরিবহনের জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থা থেকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণ করা হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানার চরচাষী এলাকায় স্থাপিত এ কারখানায় প্রধান পণ্য হিসেবে উৎপাদন হবে টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) সার এবং এনপিকেএস (মিশ্র) সার। আর উপজাত পণ্য (বাইপ্রডাক্ট) হিসেবে উৎপাদন হবে ফসফরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, জিপসাম ও বিদ্যুৎ। উদ্যোক্তারা বলছেন, এ কারখানায় প্রতি বছর ১ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি সার, ৫০ হাজার মেট্রিক টন এনপিকেএস সার, ৩ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন সালফিউরিক এসিড, ১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ফসফরিক এসিড, দেড় লাখ মেট্রিক টন জিপসাম এবং ৮ মেগাওয়াাট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানটির পণ্য বিক্রির পরিমাণ হবে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা।

Nogod-22-10-2022

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকার কৃষি মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে প্রায় ৯ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি সার বিদেশ থেকে বিএডিসি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানি করে থাকে। আমদানিকৃত সার সরকার ভর্তুকি দিয়ে সরকারের অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের মধ্যে বিক্রয় ও বিতরণ করা হয়।

বিসিআইসি এর আওতাভুক্ত একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান টিএসপি কমপ্লেক্স চট্টগ্রামের বাৎসরিক উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র ৫০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার, যা দেশের মোট চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

সরকার ওই সার ভর্তুকির আওতায় ক্রয় পূর্বক কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অনুমোদিত ডিলার দ্বারা কৃষকের নিকট সরবরাহ ও বিতরণ করে থাকে। অবশিষ্ট টিএসপি সারসহ অন্যান্য সার সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ভর্তুকির আওতায় আমদানি করে দেশের কৃষকদের চাহিদা পূরণ করা হয়।

এ ক্ষেত্রে সরকার পিএসপি কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম হতে ক্রয়কৃত সার এবং বেসরকারীভাবে আমদানিকৃত সারের বিপরীতে ভর্তুকি প্রদান করে থাকে। অর্থ্যাৎ সরকার উভয় ক্ষেত্রে ভর্তুকি প্রদান করে থাকে।

এনপিকে ফার্টিলাইজার জানায়, কারখানা স্থাপন সম্পন্ন করে উৎপাদনে যেতে পারলে দেশের কৃষকদের টিএসপি সারের চাহিদা সঠিক সময়ে মেটানো সম্ভব হবে। এছাড়াও আমদানি ব্যয় হ্রাস পাবে এবং প্রচুর পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। একইসঙ্গে দেশে প্রচুর পরিমান কর্ম সংস্থানের সৃষ্টি হবে। উৎপাদিত টিএসপি সার এর গুনগত মান আন্তজার্তিক মান সম্পন্ন এবং আমাদের সরকার কর্তৃক মানদন্ড বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

উৎপাদিতত সারের গুণগত মান আমদানিকৃত টিএসপি সারের তুলনায় সমমান ও উন্নত হলে বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানটিকেও সরকারের ভর্তুকির আওতায় অন্তর্ভূক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে এনপিকে ফার্টিলাইজার।

উদ্যোক্তারা মনে করছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের কৃষি উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবেন তারা। দেশের মোট চাহিদার ১২ শতাংশ পুরণ করতে পারবে এই প্রকল্প। এছাড়াও দেশের সালফিউরিক এসিডের সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে।

এ বিষয়ে কোম্পানির ব্যস্থাপনা পরিচালক রাজ্জাকুল হোসেন বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এমন সময়ে বিশাল বিনিয়োগ নিয়ে আসছি আমরা। আমাদের এই প্রকল্প দেশের কৃষি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, আমাদের এই প্রকল্প দেশের টিএসপি সারের ১২ শতাংশ চাহিদা পূরণ করবে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় সিঙ্গাপুরের হোটেল কিনল এস আলম গ্রুপ

Published

on

সিঙ্গাপুরে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের একটি হোটেল কিনেছেন বাংলাদেশের এস আলম গ্রুপ। এশিয়ার রিয়েল স্টেট ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিংতিয়ান্দির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আলফা ইনভেস্টমেন্ট পার্টনার্স সিঙ্গাপুরের নোভেনা এলাকায় ২৪১ কক্ষের একটি হোটেল ১২৫ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছে।

২০১৯ সালে বিলাসবহুল ওই হোটেলটি কিনেছে বাংলাদেশের চট্টগ্রামস্থ ‘এস আলম গ্রুপ’। যে পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে হোটেলটি ক্রয় করে এস আলম, তা বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

কেপেল ক্যাপিটালের প্রাইভেট ইক্যুইটি বিভাগ ইতিমধ্যেই ‘আইবিস নোভেনা’ হোটেলকে এস আলম গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করেছে। অফ-মার্কেটের মাধ্যমে এই হোটেল থেকে সিঙ্গাপুরি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ ডলার আয় করছে এস আলম গ্রুপ।

Nogod-22-10-2022

এস আলম গ্রুপের অধীনে বাংলাদেশের একাধিক ব্যাংক রয়েছে। ২০১৭ সালে ইসলামী বাংকের ১২ ভাগেরও বেশি শেয়ার বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে কিনে নেয় এস আলম গ্রুপ। এছাড়াও ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংকের বড় অংশের শেয়ারও এস আলম পরিবারের হাতে রয়েছে।

রিয়েল স্টেট, ইস্পাত, সিমেন্ট, খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, গার্মেন্টস এবং পরিবহন ব্যবসাসহ প্রায় সব খাতেই এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে- এস আলম স্টিলস লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস লিমিটে, এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস, এস আলম সিমেন্ট লিমিটেড, পোর্টম্যান সিমেন্টস লিমিটেড, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড, কর্ণফুলী প্রকৃতিক গ্যাস কোং লিমিটেড এবং এভারগ্রিন শিপিং লিমিটেড উল্লেখযোগ্য।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ