Connect with us

শিল্প-বাণিজ্য

বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়াতে তুরস্ক যাচ্ছে ডিসিসিআই প্রতিনিধিদল

Published

on

দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা খুঁজতে তুরস্কে যাচ্ছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) একটি প্রতিনিধিদল। সংগঠনটির সভাপতি রিজওয়ান রাহমানের নেতৃত্বে ৮৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল চার দিনের সফরে ইস্তাম্বুলের উদ্দেশ্যে আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা ছাড়বে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ডিসিসিআই থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার নতুন বাণিজ্যের সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা সম্প্রসারণই প্রতিনিধিদলটির ইস্তাম্বুল সফরের মূল লক্ষ্য।

সফরকালে প্রতিনিধিদল ২৮ সেপ্টেম্বর বিশ্বের সর্ববৃহৎ বাণিজ্য সংগঠন ‘ইস্তাম্বুল চেম্বার অব কমার্স’ আয়োজিত ‘দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা এবং বিটুটি সেশন’, ২৯ সেপ্টেম্বর ফরেন ইকোনোমিক রিলেশন্স বোর্ড অফ টার্কি (ডেইক) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনার ও বিটুবি সেশনে অংশ নেবে।

এছাড়াও সফরকালে তুরস্কের বাণিজ্যমন্ত্রী মেহমেট মুসের সঙ্গে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি রিজওয়ান রাহমান সাক্ষাৎ করবেন। একই সঙ্গে ডিসিসিআইয়ের প্রতিনিধিদলটি ইস্তাম্বুলে অবস্থিত বেশ কয়েকটি শিল্পাঞ্চল পরিদর্শন করবে।

Nogod-22-10-2022

বিশেষত সেবা, উৎপাদন এবং জেনারেল ট্রেডিং খাতে সহযোগিতা ও বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বাংলাদেশে তুরস্কের বিনিয়োগ আকর্ষণ ও সম্ভাবানাময় খাতে জয়েন্ট ভেঞ্চার কার্যক্রম বাড়াতে এ সফর গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে ডিসিসিআই।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
Advertisement

শিল্প-বাণিজ্য

দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ

Published

on

দেশের বাজারে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দাম দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

শনিবার (৩ ডিসেম্বর) এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। নতুন দাম রোববার (৪ ডিসেম্বর) থেকে সারাদেশে কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার (পাকা সোনা) দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে।

ভালোমানের সোনার পাশাপাশি বাড়ানো হয়েছে সব ধরনের সোনার দাম। মান অনুযায়ী প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৪৫০ টাকা থেকে ৩ হাজার ৩৩ টাকা পর্যন্ত। তবে রুপার দামে কোন অপরিবর্তিত আসেনি।

Nogod-22-10-2022

বাজুসের মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটি শনিবার বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। পরবর্তীতে মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান এম এ হান্নান আজাদ সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার দাম কমেছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাজুস সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নতুন মূল্য অনুযায়ী— সব থেকে ভালোমানের বা ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম ৩ হাজার ৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৮৭ হাজার ২৪৭ টাকা করা হয়েছে।

এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা বাড়িয়ে ৮৩ হাজার ২৮১ টাকা করা হয়েছে। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৫০ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৩৮৪ টাকা করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম ভরিতে ২ হাজার ৭৯৯ টাকা বাড়িয়ে ৫৯ হাজার ৪৮৬ টাকা করা হয়েছে।

সোনার দাম বাড়লেও রুপার আগের নির্ধারিত দামই বহাল রয়েছে। ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে এক হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম এক হাজার ৪৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক হাজার ২২৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

দেশে সালফিউরিক এসিডের শতভাগ চাহিদা পূরণে উৎপাদনে যাচ্ছে গ্রাম বাংলা ফার্টিলাইজার

Published

on

চলমান সংকটের মধ্যে দেশের অর্থনীতির জন্য সুখবর নিয়ে আসছে অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের মালিকানাধীন মোনার্ক গ্রুপ। রুট গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে প্রথমবারের মতো গড়ে তুলেছে দেশের একমাত্র বেসরকারি টিএসপি সার প্লান্ট ‘গ্রাম বাংলা এনপিকে ফার্টিলাইজার অ্যান্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ (প্রা.) লিমিটেড’। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশে সালফিউরিক এসিডের শতভাগ চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

জানা গেছে, গ্রাম বাংলা এনপিকে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে চীনের এসইউএমইসি কমপ্লিট ইকুইপমেন্ট অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড। আগামী বছরের (২০২৩) মার্চের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার উদ্দেশ্যে ইতোমধ্যে ইউরোপ এবং চীন থেকে যন্ত্রপাতি প্রতিস্থাপন ও সংযোজন করা হচ্ছে।

আগামী ২০২৩ সালের মার্চের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্পন্ন করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যেতে সক্ষম হবে। প্রকল্পটি টিএসপি সার উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে জাতীয় গ্রিড থেকে কোনও প্রকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগের প্রয়োজন হবে না। প্রকল্পের উৎপাদিত বাই প্রডাক্ট বিদ্যুৎ দ্বারা উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রকল্পটির উৎপাদিত পণ্য উৎপাদন, বিপণন, সংরক্ষণ এবং পরিবহনের জন্য সরকারের বিভিন্ন সংস্থা থেকে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় অনুমোদন গ্রহণ করা হয়েছে।

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থানার চরচাষী এলাকায় স্থাপিত এ কারখানায় প্রধান পণ্য হিসেবে উৎপাদন হবে টিএসপি (ট্রিপল সুপার ফসফেট) সার এবং এনপিকেএস (মিশ্র) সার। আর উপজাত পণ্য (বাইপ্রডাক্ট) হিসেবে উৎপাদন হবে ফসফরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, জিপসাম ও বিদ্যুৎ। উদ্যোক্তারা বলছেন, এ কারখানায় প্রতি বছর ১ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি সার, ৫০ হাজার মেট্রিক টন এনপিকেএস সার, ৩ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন সালফিউরিক এসিড, ১ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন ফসফরিক এসিড, দেড় লাখ মেট্রিক টন জিপসাম এবং ৮ মেগাওয়াাট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে। প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানটির পণ্য বিক্রির পরিমাণ হবে প্রায় ১৫০০ কোটি টাকা।

Nogod-22-10-2022

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সরকার কৃষি মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয়ে প্রায় ৯ লাখ মেট্রিক টন টিএসপি সার বিদেশ থেকে বিএডিসি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আমদানি করে থাকে। আমদানিকৃত সার সরকার ভর্তুকি দিয়ে সরকারের অনুমোদিত ডিলারের মাধ্যমে দেশের কৃষকদের মধ্যে বিক্রয় ও বিতরণ করা হয়।

বিসিআইসি এর আওতাভুক্ত একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান টিএসপি কমপ্লেক্স চট্টগ্রামের বাৎসরিক উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র ৫০ হাজার মেট্রিক টন টিএসপি সার, যা দেশের মোট চাহিদার তুলনায় খুবই অপ্রতুল।

সরকার ওই সার ভর্তুকির আওতায় ক্রয় পূর্বক কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে অনুমোদিত ডিলার দ্বারা কৃষকের নিকট সরবরাহ ও বিতরণ করে থাকে। অবশিষ্ট টিএসপি সারসহ অন্যান্য সার সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে ভর্তুকির আওতায় আমদানি করে দেশের কৃষকদের চাহিদা পূরণ করা হয়।

এ ক্ষেত্রে সরকার পিএসপি কমপ্লেক্স চট্টগ্রাম হতে ক্রয়কৃত সার এবং বেসরকারীভাবে আমদানিকৃত সারের বিপরীতে ভর্তুকি প্রদান করে থাকে। অর্থ্যাৎ সরকার উভয় ক্ষেত্রে ভর্তুকি প্রদান করে থাকে।

এনপিকে ফার্টিলাইজার জানায়, কারখানা স্থাপন সম্পন্ন করে উৎপাদনে যেতে পারলে দেশের কৃষকদের টিএসপি সারের চাহিদা সঠিক সময়ে মেটানো সম্ভব হবে। এছাড়াও আমদানি ব্যয় হ্রাস পাবে এবং প্রচুর পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। একইসঙ্গে দেশে প্রচুর পরিমান কর্ম সংস্থানের সৃষ্টি হবে। উৎপাদিত টিএসপি সার এর গুনগত মান আন্তজার্তিক মান সম্পন্ন এবং আমাদের সরকার কর্তৃক মানদন্ড বজায় রাখতে সক্ষম হবে।

উৎপাদিতত সারের গুণগত মান আমদানিকৃত টিএসপি সারের তুলনায় সমমান ও উন্নত হলে বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠানটিকেও সরকারের ভর্তুকির আওতায় অন্তর্ভূক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে এনপিকে ফার্টিলাইজার।

উদ্যোক্তারা মনে করছেন, এই প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের কৃষি উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবেন তারা। দেশের মোট চাহিদার ১২ শতাংশ পুরণ করতে পারবে এই প্রকল্প। এছাড়াও দেশের সালফিউরিক এসিডের সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ হবে এই প্রকল্পের মাধ্যমে। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে।

এ বিষয়ে কোম্পানির ব্যস্থাপনা পরিচালক রাজ্জাকুল হোসেন বলেন, সারা বিশ্ব এখন কঠিন সময় পার করছে। এর প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। এমন সময়ে বিশাল বিনিয়োগ নিয়ে আসছি আমরা। আমাদের এই প্রকল্প দেশের কৃষি খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

তিনি বলেন, আমাদের এই প্রকল্প দেশের টিএসপি সারের ১২ শতাংশ চাহিদা পূরণ করবে।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

১ হাজার ৩০০ কোটি টাকায় সিঙ্গাপুরের হোটেল কিনল এস আলম গ্রুপ

Published

on

সিঙ্গাপুরে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা মূল্যের একটি হোটেল কিনেছেন বাংলাদেশের এস আলম গ্রুপ। এশিয়ার রিয়েল স্টেট ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম মিংতিয়ান্দির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আলফা ইনভেস্টমেন্ট পার্টনার্স সিঙ্গাপুরের নোভেনা এলাকায় ২৪১ কক্ষের একটি হোটেল ১২৫ দশমিক ৬ মিলিয়ন ডলারে বিক্রি করেছে।

২০১৯ সালে বিলাসবহুল ওই হোটেলটি কিনেছে বাংলাদেশের চট্টগ্রামস্থ ‘এস আলম গ্রুপ’। যে পরিমাণ অর্থের বিনিময়ে হোটেলটি ক্রয় করে এস আলম, তা বাংলাদেশি মুদ্রায় বর্তমানে প্রায় ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।

কেপেল ক্যাপিটালের প্রাইভেট ইক্যুইটি বিভাগ ইতিমধ্যেই ‘আইবিস নোভেনা’ হোটেলকে এস আলম গ্রুপের কাছে হস্তান্তর করেছে। অফ-মার্কেটের মাধ্যমে এই হোটেল থেকে সিঙ্গাপুরি মুদ্রায় প্রায় সাড়ে ৭ লাখ ডলার আয় করছে এস আলম গ্রুপ।

Nogod-22-10-2022

এস আলম গ্রুপের অধীনে বাংলাদেশের একাধিক ব্যাংক রয়েছে। ২০১৭ সালে ইসলামী বাংকের ১২ ভাগেরও বেশি শেয়ার বিভিন্ন কোম্পানির মাধ্যমে কিনে নেয় এস আলম গ্রুপ। এছাড়াও ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংকের বড় অংশের শেয়ারও এস আলম পরিবারের হাতে রয়েছে।

রিয়েল স্টেট, ইস্পাত, সিমেন্ট, খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, গার্মেন্টস এবং পরিবহন ব্যবসাসহ প্রায় সব খাতেই এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এস আলম গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে- এস আলম স্টিলস লিমিটেড, এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস লিমিটে, এস আলম কোল্ড রোলড স্টিলস, এস আলম সিমেন্ট লিমিটেড, পোর্টম্যান সিমেন্টস লিমিটেড, এস আলম ভেজিটেবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম সুপার এডিবল অয়েল লিমিটেড, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড, এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড, কর্ণফুলী প্রকৃতিক গ্যাস কোং লিমিটেড এবং এভারগ্রিন শিপিং লিমিটেড উল্লেখযোগ্য।

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

যুক্তরাষ্ট্রে এসকেএফের ওষুধ রপ্তানি শুরু

Published

on

প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (এসকেএফ)।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনের জন্য এসকেএফের কারখানা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়। বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এ অনুমোদন পেয়েছে এসকেএফ।

এ ছাড়া, এসকেএফের ফারাজ আয়াজ হোসেন ভবনের সলিড ম্যানুফ্যাকচারিং ফ্যাসিলিটিও এফডিএ অনুমোদিত।

এসকেএফ স্বীকৃতি পেয়েছে যুক্তরাজ্যের এমএইচআরএ, ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের জিএমপি, ব্রাজিলের এএনভিআইএসএ, অস্ট্রেলিয়ার টিজিএ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার এসএএইচপিআরএ’র। প্রতিটি ক্ষেত্রে কঠোর মান নিয়ন্ত্রণ এসকেএফকে এমন স্বীকৃতি এনে দিয়েছে।

Nogod-22-10-2022

ট্রান্সকম লিমিটেডের গ্রুপ সিইও এবং এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও সিমিন রহমান বলেন, ‘এসকেএফ আজ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক ছুঁয়েছে। বাংলাদেশি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি হিসেবে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধের মাধ্যমে মার্কিন বাজারে আমরা আমাদের সক্ষমতা দেখাতে পারব। এই যাত্রায় আমরা জটিল ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ এবং টেকনোলজি ড্রাইভেন মলিকুলাসের ওপর ফোকাস করছি, যেন রোগীদের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়।’

করোনা মহামারির সময় এসকেএফ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ রপ্তানিতে সাফল্য অর্জন করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি ৩টি অ্যান্টি-কোভিড জেনেরিক ওষুধ— রেমডেসিভির (রেমিভির), মলনুপিরাভির (মনুভির) এবং নির্মাট্রেলভির ও রিটোনাভির সংমিশ্রণ (প্যাক্সোভির) উৎপাদন ও বাজারজাত করে।

এসকেএফ এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিশ্বের ৪৮টি দেশে রপ্তানি করেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার ৬৮টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন

শিল্প-বাণিজ্য

জোহান্সবার্গে স্বাস্থ্যসেবা প্রদর্শনীতে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড

Published

on

গতকাল ২৬ অক্টোবর থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার জোহান্সবার্গে শুরু হয়েছে সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যসেবা প্রদর্শনী আফ্রিকা হেলথ ২০২২। এই প্রদর্শনীতে অংশ নিচ্ছে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড। প্রদর্শনীটি চলবে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত।

মঙ্গলবার (২৫ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আফ্রিকা হেলথ ২০২২’- এ অংশ নিচ্ছে টেকনো ড্রাগস। জোহান্সবার্গের গ্যালাঘার কনভেনশন সেন্টারের বাংলাদেশ প্যাভিলিয়নের ২ নম্বর হলে এই প্রদর্শনীতে অংশ নেবে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড।

১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আফ্রিকা হেলথ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে অর্থপূর্ণ সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা, জ্ঞান এবং দক্ষতা বিকাশের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এই মর্যাদাপূর্ণ ইভেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি টেকনো ড্রাগস লিমিটেড।

Nogod-22-10-2022

টেকনো ড্রাগস লিমিটেড মানসম্পন্ন পণ্য, শক্তিশালী বিতরণ চ্যানেল এবং ডাক্তার-রোগীর গ্রহণযোগ্যতার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা বাজারে নিজেদের শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করেছে। ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিটি তিনটি ভিন্ন ধরনের পণ্য যেমন- ক্যানসার প্রতিরোধী মেডিসিন, ভেটেরিনারি মেডিসিন এবং হিউম্যান হেলথ কেয়ার এইসব মেডিসিন উৎপাদন করে কোম্পানি থেকে ভোক্তাদের কাছ পর্যন্ত সম্পূর্ণ ওষুধ বিতরণ প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন করেছে।

টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের এমডি শাহ জালাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ওষুধ শিল্পে এখন আর বিশ্বে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। ১৯৯৬ সালে ভেটেরিনারি ওষুধ নিয়ে আমাদের যাত্রা শুরু হয় এমন সময়ে যখন বাজারে দামি বিদেশি পণ্যের আধিপত্য ছিল। টেকনো ড্রাগস লিমিটেড তার ক্রমাগত উচ্চমানের পণ্য এবং অতুলনীয় গ্রাহক পরিষেবার মাধ্যমে বাজারে তার সুনাম বজায় রেখেছে এবং দেশের ভেটেরিনারি মেডিসিন মার্কেটের পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছে।

টেকনো ড্রাগস লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর আরেফিন রাফি আহমেদ বলেন, মেডিসিন মার্কেটে একটি শক্তিশালী অবস্থান নিশ্চিত করার জন্য, টেকনো ড্রাগস লিমিটেড ২০০৩ সালে হিউম্যান মেডিসিন ফর্মুলেশনে প্রবেশ করে। হিউম্যান মেডিসিন এর ক্ষেত্রে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড এমন কিছু মেডিসিন নিয়ে এসেছে যা আগে কখনো চালু হয়নি। বর্তমানে আমাদের কোম্পানি বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বড় গর্ভনিরোধক ইনজেকশন প্রস্তুতকারী এবং সরবরাহকারী। আমরা এটা জানাতে পেরে আনন্দিত যে টেকনো ড্রাগস লিমিটেড বিশ্বের পঞ্চম গর্ভনিরোধক ইমপ্লান্ট প্রস্তুতকারকদের মধ্যে একটি এবং বাংলাদেশে এটি প্রথম।

প্রদর্শনীটি একটি দুর্দান্ত নেটওয়ার্কিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে যা আফ্রিকার বিভিন্ন কোম্পানির সাথে অন্যান্য দেশের স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী কোম্পানিগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে যা আফ্রিকাতে ব্যবসার নতুন এক দিক উন্মোচন করবে।

অর্থসংবাদ/এনএন

শেয়ার করুন:
(অর্থসংবাদে প্রকাশিত কোনও তথ্য পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।)
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ