Connect with us

অন্যান্য

যানজট নিরসনে স্কুলবাস চালুর উদ্যোগ ডিএনসিসির

Published

on

ঢাকা শহরের মানুষের জন্যে অন্যতম প্রধান সমস্যা যানজট। স্বাভাবিকভাবেই অফিসের পাশাপাশি স্কুল চলাকালীন সড়কে গাড়ির চাপ থাকে বেশি। বিশেষ করে ব্যক্তিগত গাড়ির প্রভাব থাকে চোখে পড়ার মতো। আবার পাবলিক বাসে চড়ে স্কুলে পৌঁছানোও বেশ ঝক্কির। এ অবস্থায় স্কুলবাস সার্ভিস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। যানজট নিরসনে প্রাথমিকভাবে নগরের চারটি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে এই সেবা চালু করা হবে। এটি সফল হলে পর্যায়ক্রমে নগরের অন্য স্কুলগুলোর জন্যও চালু হবে এই সেবা।

ডিএনসিসির সংশ্লিষ্টরা জানান, শিগগির পরীক্ষামূলক এই সেবা কার্যক্রম শুরু হবে। এতে নিরাপদে স্কুলে যাতায়াত করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে সড়কে কমবে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ। অভিভাবকদের আস্থা অর্জন করতে পারলে ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার প্রবণতা কমবে। নগরে যানজট কমানোয় হবে সহায়ক।

 প্রতিটি বাসে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরাসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার থাকবে। অ্যাপের মাধ্যমে ট্র্যাকিং করা যাবে। কখন বাসে উঠলো, বাস থেকে কখন নামলো, স্কুলে কখন প্রবেশ করলো— সবই অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই অভিভাবকেরা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

ডিএনসিসির এমন উদ্যোগ স্বাগত জানিয়েছেন ঢাকা উত্তরের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক ও অভিভাবকেরা। তারা জানান, সাধারণত ধনী পরিবারের শিক্ষার্থীরা ব্যক্তিগত গাড়িতে স্কুলে যাতায়াত করে। এটা মধ্যবিত্ত ও নিন্মআয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। সব স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুলবাস চালু করা গেলে যানজট কিছুটা কমবে। পাশাপাশি জ্বালানি তেলও সাশ্রয় হবে।

Nogod-22-10-2022

ডিএনসিসির জনসংযোগ বিভাগ সূত্র জানায়, নগরের যানজট নিরসন ছিল মেয়র আতিকুল ইসলামে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পরপরই যানজট নিরসনে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর মধ্যে নতুন করে স্কুলবাস চালু করা অন্যতম। এটি চালু হলে কোনো শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে স্কুলে যেতে পারবে না।

গত ৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা উত্তর সিটির নগর ভবনে স্কুলবাস সার্ভিস প্রবর্তন সংক্রান্ত প্রাথমিক কর্মকৌশল নির্ধারণ’ শীর্ষক একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় গুলশানের চিটাগাং গ্রামার স্কুল, স্কলাস্টিকা স্কুল, স্যার জন উইলসন স্কুল এবং বাংলাদেশ ইন্টারন্যাশনাল টিউটোরিয়ালের প্রধান ও অভিভাবক প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তারা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুলবাস চালু করার বিষয়ে ইতিবাচক বক্তব্য দেন।

 জরুরি প্রয়োজনের জন্য একটি হটলাইন নম্বর থাকবে, যেখানে অভিভাবকেরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের বাসার ঠিকানা অনুযায়ী বাসের রুট নির্ধারণ করা হবে।

এসময় ডিএনসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্কুলবাসে নিরাপত্তার বিষয়টি অতি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি বাসে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরাসহ আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার থাকবে। অ্যাপের মাধ্যমে ট্র্যাকিং করা যাবে। কখন বাসে উঠলো, বাস থেকে কখন নামলো, স্কুলে কখন প্রবেশ করলো— সবই অ্যাপের মাধ্যমে ঘরে বসেই অভিভাবকেরা পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

এছাড়া নিয়োগ দেওয়ার আগে বাসচালক ও কর্মীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। জরুরি প্রয়োজনের জন্য একটি হটলাইন নম্বর থাকবে, যেখানে অভিভাবকেরা সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। শিক্ষার্থীদের বাসার ঠিকানা অনুযায়ী বাসের রুট নির্ধারণ করা হবে।

ডিএনসিসির এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে চিটাগাং গ্রামার স্কুলের অধ্যক্ষ আছিয়া আলম চৌধুরী বলেন, একজন শিক্ষার্থী যেসময় স্কুলবাসে উঠবে, ওই সময় থেকেই শিক্ষার্থীর উপস্থিতি গণ্য করা হবে। বাস দেরি করলেও কোনো শিক্ষার্থীর স্কুলে প্রবেশে সমস্যা হবে না। এই সেবাটি চালু হলে যানজট ব্যাপক হারে কমে যাবে। ফলে দূষণ ও কার্বন নিঃসরণও কমবে। তাই আমরা সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

এসব বিষয়ে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, স্কুলবাস চালু হলে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে স্কুলে আসা যাবে না। স্কুলে যাতায়াতের জন্য ঢাকা উত্তর সিটির ব্যবস্থাপনায় স্কুলবাস চালু করা হবে। এখন পরীক্ষামূলকভাবে প্রথমে চারটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্কুলবাস সেবা চালু হবে।

মেয়র আরও বলেন, অনেক স্কুলে একজন শিক্ষার্থীর জন্য একটি গাড়ি ব্যবহার করা হয়। এতে অসংখ্য গাড়ি রাস্তায় চলাচল করে। স্কুলবাস চালু হলে প্রাইভেট গাড়ির ব্যবহার অনেক কমে যাবে। ছেলেমেয়েরা স্কুলবাসে একসঙ্গে যাওয়া-আসা করলে তাদের মধ্যে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হবে, সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ় হবে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

অন্যান্য

তিন স্তরে মজুতে অস্থির চালের বাজার

Published

on

দুর্ভিক্ষের আতঙ্কে ভরা মৌসুমে চালের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ব্যবসায়ী, কৃষক এবং ভোক্তা পর্যায়ে আপৎকালীন মজুতের প্রভাবে বাজারে চালের দাম বাড়ছে। গত এক মাসে মোটা চালের দাম কেজিতে ৪ থেকে ৬ টাকা বেড়েছে। একই সময়ের ব্যবধানে আটার দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভরা মৌসুমে চালের দাম বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মনিটরিং টিম। খাদ্য মন্ত্রণালয় জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) চালের দাম কমার চেয়ে বৃদ্ধির কারণ কী তা খতিয়ে দেখতে বলেছে। কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কি না তা দেখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আগামী সপ্তাহে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবে খাদ্য মন্ত্রণালয়। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

খাদ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বর্তমানে সরকারি গুদামে ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৯ মেট্রিক টন চাল ও ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৬৩ মেট্রিক টন গম মজুত রয়েছে। চাল ও গমের মোট মজুত ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৯০২ মেট্রিক টন। এ মজুত থেকে আপৎকালীন যে কোনো পরিস্থিতিতে সরকার রেশনিং করবে। তাছাড়া সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি, ওএমএস, বিভিন্ন সংস্থার রেশনিংও এই মজুত থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত বোরো ও চলতি আমন মৌসুমে উৎপাদন যথেষ্ট হয়েছে। আমনের ফলন তো ধারণার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। বাজারে চাল ভরপুর। তারপরও দাম বাড়ছে কেন? এর পেছনে রহস্য আছে। তারা আরও জানান, প্রতি বছর দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে। আবার সরকার আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদেশ থেকে চাল ও গম আমদানি করছে। তারপরও দাম বাড়ে কেন? চলতি বছর বিদেশ থেকে সরকারি পর্যায়ে চাল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৪০২ মেট্রিক টন। গম আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজার ৮৮৬ মেট্রিক টন। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে চাল আমদানি হয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন। আর গম আমদানি হয়েছে ৬ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন। চলতি মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত চাল আমদানির অনুমতি রয়েছে। সুতরাং বাজার কারা নিয়ন্ত্রণ করছে তা অনুসন্ধান করা জরুরি বলে তারা মন্তব্য করেন।

অপর দিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, যত কথা বলা হোক না কেন আমরা ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে গেছি। তারা যা চাইবে তাই হবে। আগামী বছর বিশ্বে দুর্ভিক্ষ হবে-এ ধরনের খবর প্রচার হওয়ার পর ব্যবসায়ীরা অবৈধ মজুত গড়ে তুলছে। তারা বেশি দামে ধান ক্রয় করছে। ফলে বাজারে চালের দাম বেড়েছে। তারা আরও জানান, তারা তো বেশি দামে ক্রয় করে কম দামে বিক্রি করবে না। অনেকে ব্যবসায়ী ঋণ করে ধান ক্রয় করছেন বলেও জানান তারা। অপর দিকে কৃষকরাও এ বছর সব ধান বিক্রি করছেন না। প্রয়োজনমাফিক বিক্রি করে বাকি ধান তারা মজুত করছে। ফলে বাজারে চালের দাম বেড়ে গেছে। এ ছাড়া ভোক্তারাও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে চাল কিনে মজুত করছেন। যার এক বস্তা দরকার সে আতঙ্কিত হয়ে দুই বস্তা ক্রয় করছে। এ সব মজুদের বিরূপ প্রভাব পড়ছে চালের বাজারে।

Nogod-22-10-2022

খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন (এনডিস) সোমবার বলেন, ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়ছে। তবে হুহু করে বাড়ছে এটা বলা যাবে না। চালের দাম বাড়ার কারণ হলো প্রথম উৎপাদন খরচ বেড়েছে, শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে এবং জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে পরিবহণ ব্যয়ও বেড়েছে। এসব কারণে চালের দাম বাড়ছে। এ ছাড়া অন্য কোনো কারণে চালের দাম বাড়ছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মনিটরিং টিম আমাদের চালের দাম বাড়ার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে বলেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিষয়টি দেখভাল করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের (ডিসি-ফুড) মাধ্যমেও আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় বেশি দামে ধান কেনার বিষয়ে সচিব বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কি না তা দেখতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সচিব আরও জানান, আমরা আগামী সপ্তাহে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক সভা করব।

বনশ্রী-মেরাদিয়া,বাজার ঘুরে দেখা গেছে মোটা চালের দাম বেড়েছে সব চেয়ে বেশি। বর্তমানে খুচরা বাজারে হবি- ২৮ মোটা চাল ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা এক মাস আগেও ছিলো ৫৮ টাকা। পাইজাম বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা করে, যা এক মাস আগেও ৫৪ টাকা। একই সঙ্গে বাড়ছে আটার দাম। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা। এছাড়া সব ধরণের চালের দাম বেড়েছে। খুচরা বিক্রিতারা বলছেন, চালের দাম বাড়ার বিষয়ে তাদের কিছুই জানা নেই। তারা বেশি দামে কেনেন তাই বেশি দামে বিক্রি করছেন। অপরদিকে মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী মো. নিজাম উদ্দিন জানান, গত দুই মাসে পাইকারি বাজারে চালের দাম এক টাকাও বাড়েনি। বরং বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। খুচরা বাজারে চালের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আরও জানান, চালের দাম বাড়েনি। বরং ধানের দাম বেড়েছে। ধানের দাম বাড়ার প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন তিনি। তিনি আরও জানান, আগামী বছর বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষের খবরে বাজারের ওপর প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশ অটোরাইস এন্ড হাস্কিং মিলস মালিক সমিতির একাংশের সভাপতি লায়েক আলী ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়ার বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমরা সরকারের কাছ চাল বিক্রির চুক্তি করেছি। এখন আমাদের কাজ হলো চুক্তি মোতাবেক সরকারকে চাল দেওয়া। তিনি চেয়ে বেশি কিছু বলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। তবে চালের দাম বাড়ার বিষয়টি তিনি দেখছেন বলে জানান।

সরকারি হিসাবে বর্তমানে প্রতি কেজি মোটা চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা হচ্ছে, যা গত বছর একই সময় বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। মাঝারি চাল প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা। সরু (নাজির) প্রতি কেজি ৭৪ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর এই সময় ৬৪ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। সরু (মিনিকেট) প্রতি কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭৫ টাকা, যা গত বছর এই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬৩ টাকা। প্যাকেট আটা দুই কেজির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১৪০, যা গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকা। খোলা আটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬২ টাকা, যা গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।

সরকারি হিসাব মতে গত বছরের তুলনায় এ বছর মোটা চাল কেজিতে বেড়েছে ২ টাকা ৫০ পয়সা। মাঝারি মানের চাল কেজিতে বেড়েছে ৬ টাকা, সব ধরনের সরুচাল কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা, প্যাকেট আটা কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা এবং খোলা আটা কেজিতে বেড়েছে ২৫ টাকা। তবে সরকারি হিসাবের সঙ্গে বাজারে বিক্রয় মূল্যের বেশ অমিল রয়েছে। মোটা চাল ৫৮ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকা দরে। সরুচাল (মিনিকেট-নাজিরশাইল) বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে। আটা বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৭৫ টাকা দরে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

দর বাড়ার শীর্ষে কে অ্যান্ড কিউ

Published

on

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বৃদ্ধির শীর্ষে কে এন্ড কিউ লিমিটেড।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, রোববার (৪ ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ফলে ডিএসইর টপটেন গেইনারের তালিকার প্রথম অবস্থানে রয়েছে কে এন্ড কিউ লিমিটেড।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। আর তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেডের শেয়ার দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।

Nogod-22-10-2022

দর বৃদ্ধির তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- আমরা নেটওয়ার্কস, অ্যাপেক্স ফুডস, বিডি থাই ফুড, এডিএন টেলিকম, ওয়ান ব্যাংক, ইস্টার্ন কেবলস ও বিডি মনোস্পুল লিমিটেড।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

রোববার স্পট মার্কেটে যাচ্ছে ২ কোম্পানি

Published

on

রেকর্ড ডেটের আগে আগামী রোববার (৪ ডিসেম্বর) স্পট মার্কেটে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২ কোম্পানি ।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানিগুলো হচ্ছে- লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড এবং ম্যাকসন্স স্পিনিং।

কোম্পানিগুলোর স্পট মার্কেটে লেনদেন শেষ হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর। আলোচ্য কোম্পানিগুলোর রেকর্ড তারিখ ৬ ডিসেম্বর।

Nogod-22-10-2022

আর রেকর্ড ডেটের দিন কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

কাল স্পট মার্কেটে যাচ্ছে ৪ কোম্পানি

Published

on

রেকর্ড ডেটের আগে আগামীকাল বুধবার (২৩ নভেম্বর) স্পট মার্কেটে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৪ কোম্পানি।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, তাল্লু স্পিনিং মিলস, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট এবং মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড।

কোম্পানিগুলোর স্পট মার্কেটে লেনদেন শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর। আলোচ্য কোম্পানির রেকর্ড তারিখ আগামী ২৭ নভেম্বর।

Nogod-22-10-2022

অন্যদিকে তাল্লু স্পিনিং ও মিথুন নিটিং জেড ক্যাটাগরির হওয়ায় স্পট মার্কেটে লেনদেন শেষ হবে আগামী ২৭ নভেম্বর। এই দুই কোম্পানির রেকর্ড ডেট আগামী ২৮ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

আর রেকর্ড ডেটের দিন কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

মালয়েশিয়ায় নির্বাচনে জামানত হারালেন মাহাথির

Published

on

৫৩ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে প্রথমবার নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার বর্ষীয়ান নেতা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ নভেম্বর) মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচনে নিজের আসনে মোহাম্মদ সুহাইমি আবদুল্লাহর কাছে হেরে গেছেন ৯৭ বছর বয়সী দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী। এ পরাজয়কে তার সাত দশকের রাজনৈতিক জীবনের ইতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১৯৬৯ সালের পরে প্রথমবারের মতো মাহাথির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কাছে হেরে গেছেন। দুই দশকের বেশি সময় ধরে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্র শাসন করা ৯৭ বছর বয়সী এই নেতা এবারের নির্বাচনে নিজের সংসদীয় আসন ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। এই আসনে জিতেছেন দেশটির আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী। পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে মাহাথির চতুর্থ হয়েছেন।

মাহাথির মোহাম্মদ একটি জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি ক্ষমতাসীন বারিসান ন্যাশনালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নির্বাচনে প্রচার চালান। তবে এবারের নির্বাচনে তার জোট মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। বারিসান জোটকে এবার মুহিউদ্দিনের জোটের পাশাপাশি মাহাথিরের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী।

Nogod-22-10-2022

এদিকে ভোটের আগে জরিপের আভাসকে ছাপিয়ে এ পর্যন্ত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন জোট পেরিকাতান এগিয়ে রয়েছে। এরপর রয়েছে বিরোধীদলীয় নেতা আনোয়ার ইব্রাহিমের দল পাকাতান হারাপান।

চলতি মাসে এক সাক্ষাৎকারে মাহাথির জানিয়েছিলেন, নির্বাচনে হেরে গেলে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ