Connect with us

লাইফস্টাইল

যেসব লক্ষণে বুঝবেন আপনি ডেঙ্গুতে আক্রান্ত

Published

on

ডেঙ্গু

সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে দেশে বেড়েই চলছে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা। ডেঙ্গু একটি ভাইরাল সংক্রমণ, যা মশার কামড়ে ছড়ায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) মতে, ডেঙ্গু হলো একটি ভাইরাল সংক্রমণ যা সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের মধ্যে সংক্রামিত হয়। এডিস ইজিপ্টাই মশা এ রোগের অন্যতম বাহক।

যে ভাইরাস ডেঙ্গু সৃষ্টি করে তাকে ডেঙ্গু ভাইরাস বলা হয়। তবে এই ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপ আছে। এ কারণে ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি অন্তত চার গুণ বেশি থাকে। এটাও উল্লেখ্য যে, ডেঙ্গু সৃষ্টিকারী মশা চিকুনগুনিয়া, হলুদ জ্বর ও জিকা ভাইরাসের বাহক।

ডেঙ্গুর লক্ষণ ও উপসর্গ কি কি?

ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে ১০৪ ডিগ্রি উচ্চ জ্বরের সঙ্গে তীব্র মাথাব্যথা, চোখের পেছনে ব্যথা, পেশি ও জয়েন্টে ব্যথা, বমি বমি ভাব, ফোলা গ্রন্থি ও ত্বকে ফুসকুড়ি দেখা দেয়।

সংক্রমণের প্রথম ২-৭ দিনকে জ্বর পর্ব বলা হয়। অসুস্থতার ৩-৭ দিন পর রোগী সংক্রমণের জটিল পর্যায়ে প্রবেশ করতে পারে, ফলে সামগ্রিক লক্ষণগুলো আরও খারাপ হতে থাকে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সতর্ক করে জানিয়েছে, গুরুতর ডেঙ্গুর ক্ষেত্রে প্লাজমা লিকিং, তরল জমা, শ্বাসকষ্ট, রক্তপাত বা অঙ্গ প্রতিবন্ধকতা হতে পারে।

ডেঙ্গুর গুরুতর পর্যায়ের সতর্কতার লক্ষণগুলো হলো- তীব্র পেটে ব্যথা, ক্রমাগত বমি, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্তপাত, ক্লান্তি, অস্থিরতা, লিভার বড় হয়ে যাওয়া, বমি বা মলের সঙ্গে রক্ত পড়া।

ডেঙ্গু সংক্রমণের ঝুঁকি চারগুণ বেশি কেন?

ডেঙ্গু ভাইরাসের চারটি সেরোটাইপ আছে। একটি সেরোটাইপের সংক্রমণের ক্ষেত্রে শুধু ওই সেরোটাইপের বিরুদ্ধেই শরীরের ইমিউনিটি লড়াই করে।

এ কারণে একজন ব্যক্তি একবার সংক্রামিত হলে সে অন্য তিনটি সেরোটাইপ থেকে আরও তিনবার এটি পেতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ বিষয়ে জানায়, ডেঙ্গু থেকে সুস্থ হলে নির্দিষ্ট এক সেরোটাইপের বিরুদ্ধে আজীবন ইমিউনিটি কাজ করে বলে বিশ্বাস করা হয়।

তবে সুস্থ হওয়ার পরে অন্যান্য সেরোটাইপের ক্রস-ইমিউনিটি পরবর্তী সংক্রমণে (সেকেন্ডারি ইনফেকশন) অন্যান্য সেরোটাইপগুলোর দ্বারা মারাত্মক ডেঙ্গু হওয়ার ঝুঁকি বাড়ায়।

ডেঙ্গু কীভাবে ছড়ায়?

সংক্রামিত স্ত্রী এডিস ইজিপ্টাই মশার কামড়ে এই ভাইরাস ছড়ায়। মশা এমন কারো থেকে সংক্রামিত হতে পারে যার উপসর্গযুক্ত ডেঙ্গু সংক্রমণ আছে।

আবার এমন একজনের থেকেও সংক্রামিত হতে পারে যার এখনো কোনো উপসর্গ নেই (তারা প্রাথমিক লক্ষণযুক্ত)।

ডেঙ্গু নির্ণয়ে আইজিজি পরীক্ষার গুরুত্ব

এনএস১ পরীক্ষার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ভাইরাস শনাক্ত হয়। তবে সংক্রমণের তীব্রতার বিবেচনায় দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থবার আইজিজি পরীক্ষা করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

আইজিএম পরীক্ষাও আবশ্যক। এই পরীক্ষাগুলো অ্যান্টি-ডেঙ্গু অ্যান্টিবডি শনাক্তকরণের সঙ্গে সাম্প্রতিক বা অতীতের সংক্রমণ নির্ধারণ করে।

আইজিএমের উপস্থিতি সাম্প্রতিক সংক্রমণ নির্দেশ করে যেখানে আইজিজি এর উপস্থিতি অতীতের সংক্রমণ নির্ধারণ করে।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয়

ডেঙ্গু সংক্রমণ সম্পর্কে জনগণকে ভালোভাবে জানাতে হবে। আপনার পরিবারের কেউ সংক্রামিত হলে, লক্ষণগুলো লক্ষ্য করা গুরুত্বপূর্ণ। রোগীকে বিশ্রামের জন্য পর্যাপ্ত সময় দিন, তাদের হাইড্রেটেড রাখুন ও ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

জ্বর কমানোর মতো সহায়ক ওষুধ, পেশি ব্যথা ও জয়েন্টে ব্যথার জন্য ব্যথানাশক ওষুধ বাড়িতে রাখা উচিত। যেন লক্ষণগুলো দেখা গেলেও দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ অনুযায়ী, এই উপসর্গগুলেঅর চিকিৎসার ক্ষেত্রে অ্যাসিটামিনোফেন বা প্যারাসিটামল ভালেঅ কাজ করে। তবে এনএসএআইডি (নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগ) যেমন আইবুপ্রোফেন ও অ্যাসপিরিন এড়ানো উচিত।

এই অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ওষুধগুলি রক্তকে পাতলা করে এবং ঝুঁকিপূর্ণ রোগে কাজ করে।রক্তক্ষরণের ক্ষেত্রে, রক্ত পাতলাকারীরা পূর্বাভাসকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

শেয়ার করুন:

স্বাস্থ্য সংবাদ

চলতি বছর ডেঙ্গুতে রেকর্ড ৩৬০ আক্রান্ত

Published

on

ডেঙ্গু

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬০ জন। যা চলতি বছর একদিনের হিসেবে সর্বোচ্চ। আর একইসময়ে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন ১ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি মোট রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২৮ জন।

এর আগে গতকাল শনিবার ২৯৪ জন আক্রান্ত এবং একজনের মৃত্যু হয়েছিল। এরও আগে গত ৬ সেপ্টেম্বর একদিনে পাঁচজনের মৃত্যু এবং আক্রান্ত হয়েছিলেন ২৮৪ জন।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের ইনচার্জ ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার সকাল ৮টা থেকে রোববার একই সময়ের মধ্যে সারাদেশে নতুন করে ৩৬০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ২৩৯ জন ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে এবং ঢাকার বাইরে ১২১ জন চিকিৎসা নিচ্ছেন। সেপ্টেম্বর মাসের ১১ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৫৬৯ জন।

বর্তমানে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট এক হাজার ১২৮ জন ভর্তি রয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার ৪৭টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৮৯৩ জন। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ২৩৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, চলতি বছরে ১ জানুয়ারি থেকে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ৭৫০ জন। এরমধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৭ হাজার ৫৮৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এ নিয়ে ১ জানুয়ারির থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট মারা গেছেন ৩৩ জন। গত ২১ জুন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে বছরের প্রথম কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়।

২০২০ সালে করোনা মহামারিকালে ডেঙ্গুর সংক্রমণ তেমন না বাড়লেও ২০২১ সালে সারাদেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হন ২৮ হাজার ৪২৯ জন। ওই বছর দেশব্যাপী ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ১০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

স্বাস্থ্য সংবাদ

চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যুর অর্ধেকই কক্সবাজারে

Published

on

ডেঙ্গু

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে ৩২ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজার জেলায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম এ তথ্য জানিয়েছে।

এ বছর ডেঙ্গুতে প্রথম মৃত্যু হয় জুন মাসে। সে মাসে একজনেরই মৃত্যুর তথ্য দিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। জুলাই মাসে মৃত্যু বেড়ে নয়জনে দাঁড়ায়। পরের মাসে, অর্থাৎ আগস্টে মৃত্যু হয় ১১ জনের। আর চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১০ দিনে মৃত্যু হয়েছে ১১ জনের। এর মধ্যে এক দিনে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছিল।

ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে কক্সবাজার জেলায়। দেশের দক্ষিণ-পূর্বের এ জেলাতে এ বছর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে ৭৬৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছে ১৫ জন। দেশের আর কোনো জেলায় এ বছর এত মৃত্যু হয়নি। রাজধানী ঢাকায় এ বছর ডেঙ্গুতে মারা গেছে ১৩ জন। ঢাকা বিভাগের আর কোনো জেলায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়নি। বরিশাল জেলায় তিনজনের এবং চট্টগ্রাম জেলায় একজনের মৃত্যু হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে নতুন ২৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকায় ভর্তি হয়েছে ২৪৪ জন, বাকি ৫০ জন দেশের অন্যান্য জেলায়।

সারা দেশে ১ জানুয়ারি থেকে আজ পর্যন্ত ৮ হাজার ৩৯০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৮১ শতাংশ রোগী ঢাকার। বাকি ১৯ শতাংশ রোগী দেশের অন্যান্য জেলার। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগী কক্সবাজার জেলায়।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

হার্ট অ্যাটাকের আগে যে লক্ষণ দেখা দেয় শরীরে

Published

on

ডেঙ্গু

কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (সিভিডি) বিশ্বব্যাপী মৃত্যুর প্রধান কারণ। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, প্রতিবছর আনুমানিক ১৭.৯ মিলিয়ন মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক। তথ্য অনুসারে, ৫টির মধ্যে চারটিরও বেশি মৃত্যু হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের কারণে ঘটে। আর এই তথ্যই বলে দেয় কতটা ভয়াবহ আকার ধারন করেছে এই রোগটি।

হার্ট অ্যাটাককে ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়। হার্ট অ্যাটাক যে কাউকে প্রভাবিত করতে পারে, বিশেষ করে যাদের বয়স ৫০ বা তারও বেশি। যাই হোক, অল্পবয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের সংখ্যা বর্তমানে অনেক বেড়েছে।

কীভাবে হার্ট অ্যাটাক হয়?

হার্ট অ্যাটাক হৃৎপিণ্ডে পুষ্টিসমৃদ্ধ রক্ত ও অক্সিজেনের অভাবকে নির্দেশ করে। এটি তখনই ঘটে যখন একটি ধমনী, যা হৃৎপিণ্ডে রক্ত ও অক্সিজেন পাঠায় তা ব্লক হয়ে যায়।

হার্টের ধমনীতে চর্বিযুক্ত, কোলেস্টেরল-ধারণকারী জমাসহ বিভিন্ন কারণে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে। যখন এই ফ্যাটি জমা বা ফলক ফেটে যায়, তখন এটি রক্ত জমাট বাঁধে। যা ধমনীগুলোকে ব্লক করে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে রক্ত প্রবাহকে বাঁধা দেয়। যার ফলে হার্ট অ্যাটাক হয়।

পুরুষ ও নারীদের ক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক কেন ভিন্ন?

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, নারীদের হার্ট অ্যাটাক পুরুষদের চেয়ে ভিন্ন হতে পারে। যদিও বুকে ব্যথা ও চাপ অন্যতম এক লক্ষণ, যা পুরুষ ও নারী উভয়ের মধ্যেই ঘটতে পারে।

পরে বমি বমি ভাব, ঘাম, বমি, ঘাড়, চোয়াল, গলা, পেট বা পিঠে ব্যথাসহ অন্যান্য উপসর্গগুলো দেখা দিতে পারে। এমনকি অজ্ঞান হয়ে পড়তে পারে। অন্যদিকে পুরুষদের শ্বাসকষ্ট, চোয়াল ও কাঁধে ব্যথাসহ বমি বমি ভাব হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

পুরুষ ও মহিলাদের বিভিন্ন উপসর্গের সম্মুখীন হওয়ার আরেকটি কারণ হলো পুরুষদের বড় ধমনীতে প্লেক তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে, যা হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহ করে।

অন্যদিকে নারীদের হৃৎপিণ্ডের ধমনী ছোট হওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে। তাই এটি পুরুষ বনাম নারীদের মধ্যে লক্ষণগুলোর গতিপথ পরিবর্তন করে।

নারীদের মধ্যে যে লক্ষণ হার্ট অ্যাটাকের একমাস আগে প্রদর্শিত হয়

সার্কুলেশন জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, যা হার্ট অ্যাটাক থেকে বেঁচে যাওয়া ৫০০ জনেরও বেশি নারীর দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রায় ৯৫ শতাংশ নারীরা জানিয়েছেন তারা ঘটনার আগের মাসগুলোতে অস্বাভাবিক শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেছেন।

রিপোর্ট করা সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্লান্তি ও ঘুমের ব্যাঘাত। এছাড়া পুরুষদের মধ্যে বুকে ব্যথা হওয়া ও নারীদের মধ্যে শ্বাসকষ্টের লক্ষণ বেশি দেখা গেছে।

হার্ট অ্যাটাকের যেসব লক্ষণ কারও উপেক্ষা করা উচিত নয়

আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন (এএইচএ) হার্ট অ্যাটাকের যেসব লক্ষণ অবহেলা করতে মানা করেছেন সেগুলো হলো-

>> বুকে অস্বস্তি
>> শরীরের উপরের অংশে ব্যথা ও অস্বস্তি। এর মধ্যে এক বা উভয় বাহু, পিঠ, ঘাড়, চোয়াল বা পেটের মতো এলাকা অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।
>> নিঃশ্বাসের দুর্বলতা
>> ঠান্ডা ঘাম, বমি বমি ভাব বা হালকা মাথা ঘামা ইত্যাদি।

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধের উপায়

হার্ট অ্যাটাক হলো অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার অভ্যাসের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ফলাফল। যার মধ্যে রয়েছে- ধূমপান, অ্যালকোহল সেবন, খারাপ ডায়েট, শারীরিক কার্যকলাপের অভাবসহ আরও অনেক কিছু।

ভুল জীবনধারার কারণে স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন সমস্যা যেমন- উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস, স্থূলতাসহ রক্তনালি সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা বাড়ায়। আর এসব সমস্যায় ধীরে ধরে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ায়।

হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে বিশেষজ্ঞরা আরও পুষ্টিকর, কম তৈলাক্ত ও চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়ার পরামর্শ দেন। এর পাশাপাশি নিয়মিত ব্যায়াম ও শারীরিক কার্যকলাপ হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেকটাই কমিয়ে দেয়। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য প্রথমেই ধূমপান ও অ্যালকোহল সেবন ত্যাগ করুন।

জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার পাশাপাশি নিয়মিত হার্টের স্বাস্থ্য স্ক্রিনিং করতে হবে। তাহলে প্রাথমিক অবস্থাতেই জোনা যাবে আপনার হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি আছে কি না।

ঝুঁকি এড়াতে রক্তচাপ, কোলেস্টেরল, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন। স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন ও অতিরিক্ত ওজন থাকলে তা নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করুন।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

স্বাস্থ্য সংবাদ

শিশুদের করোনা টিকা দেওয়া শুরু

Published

on

ডেঙ্গু
 

দেশে কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে সুরক্ষায় ৫ থেকে ১১ বছর বয়সি শিশুদের ভ্যাকসিন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ১১ আগস্ট পরীক্ষামূলক ভ্যাকসিন দেওয়া হলেও পুরোদমে ভ্যাকসিন প্রয়োগ শুরু হচ্ছে আজ থেকে।

প্রথমে ১২টি সিটি কর্পোরেশন এলাকার স্কুলে করোনার টিকা দেওয়া হবে। পরে সারাদেশে ৫-১১ বছর বয়সি সব শিশুকে এই টিকা দেওয়া হবে।

বুধবার ঢাকা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার আলেয়া ফেরদৌসী শিখা সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৫ আগস্ট সকাল ৯টা থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) ১৫টি কেন্দ্রে এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ছয়টি কেন্দ্রে দেওয়া হবে শিশুদের প্রথম ডোজের ভ্যাকসিন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি ফাইজারের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। সেই ভ্যাকসিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে এনে ইতোমধ্যে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এর আগে, ১১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

টিকাদান লক্ষ্যমাত্রা-
১. সারাদেশের প্রায় ২ কোটি ২০ লাখ ৫-১১ বছর বয়সী শিশুকে ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
২. ২৫ আগস্ট থেকে পরবর্তী ১৪ দিনব্যাপী ১২টি সিটি করপোরেশনের ৫৫টি জোন ও ৪৬৫ টি ওয়ার্ড এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
৩. প্রতিদিন ১ হাজার ৮৬০টি টিকাদান টিম কাজ করবে।
৪. ২৫ আগস্ট ১২টি সিটি করপোরেশনের ১৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

ভ্যাকসিনের ধরন
১. শিশুদের উপযোগী ফাইজার ভ্যাকসিন।
২. ডোজের সংখ্যা- ২
৩. ডোজের পরিমাণ ০.২ এমএল
৪. প্রথম ও দ্বিতীয় ডোজের ব্যবধান- ৮ সপ্তাহ বা ৫৬ দিন

টিকাদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন
১. সুরক্ষা ওয়েবপোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে ৫-১১ বছর বয়সসীমার শিশুদের রেজিস্ট্রেশন শুরু হয়েছে। রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে ১৭ ডিজিটের ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন নম্বর ব্যবহার করতে হবে।
২. যে শিশুদের জন্ম সনদপত্র নেই, তাদের অভিভাবকরা জন্ম সনদপত্র সংগ্রহ করে রেজিস্ট্রেশন করবেন।
৩. বিদেশি পাসপোর্টধারী শিশুদের সুরক্ষা ওয়েবপোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত হওয়ার পূর্বে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নির্ধারিত ‘এক্সেল ছকে’ তথ্য দিতে করতে হবে।
কীভাবে ভ্যাকসিন পাবে

কোভিড-১৯ টিকা রেজিস্ট্রেশন কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে নিজ নিজ স্কুলে ও পরবর্তীতে কমিউনিটি পর্যায়ে (স্কুল বহির্ভূত শিশু) নিকটস্থ কেন্দ্র থেকে ভ্যাকসিন নিতে পারবে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ব্রেন টিউমারের ১০ লক্ষণ

Published

on

ডেঙ্গু

একজন মানুষের শরীরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো তার মস্তিষ্ক। আর সেখানকার সামান্য সমস্যাও মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। মাথাব্যথার সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন।

বিভিন্ন কারণে মাথাব্যথা হতে পারে। তবে প্রায়ই মাথাব্যথা হওয়ার কারণ হতে পারে বেশ গুরুতর। এমনকি ব্রেন টিউমারের কারণেও হতে পারে তীব্র মাথাব্যথা। যা বেশিরভাগ মানুষই সাধারণ ভেবে ভুল করেন।

এ কারণে টিউমারের আকারও ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, পরে যা মৃত্যুর কারণও হতে পারে। আর যদি প্রথম দিকেই ব্রেন টিউমার শনাক্ত করা যায় তাহলে খুব সহজেই চিকিৎসার মাধ্যমে তা নিরাময় করা সম্ভব।

ব্রেন টিউমার কী?

টিউমার আসলে শরীরের অস্বাভাবিক কোষ বিভাজন। যদিও শরীরের যে কোনো অংশেই টিউমার হতে পারে। ঠিক তেমনই মস্তিষ্কেও টিউমার হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রেন টিউমারের বিভিন্ন ধরন থাকে। এক্ষেত্রে মস্তিষ্কের ঠিক কোন অংশে কী ধরনের টিউমার হয়েছে তা শনাক্ত করেই টিউমারের চিকিৎসা করা হয়। আবার কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায় যে ব্রেন টিউমার হয়ে গিয়েছে ক্যানসারাস।

ব্রেন টিউমারের প্রাথমিক অবস্থায় তেমন গুরুতর লক্ষণ দেখা দেয় না। তবে টিউমার বড় হতে থাকলে সমস্যা দেখা যায়। এক্ষেত্রে টিউমার বড় হলে খুলির ভেতরে জায়গা কমতে থাকে। তখন বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে দেয়।

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ কী কী?

১. তীব্র মাথাব্যথা
২. বমি হওয়া
৩. চোখে ঝাপসা দেখা
৪. জোড়া জিনিস দেখা
৫. হাত-পা নাড়াতে কষ্টবোধ
৬. শরীরের ভারসাম্য রাখতে কষ্ট হয়
৭. কথা বলতে সমস্যা
৮. ক্লান্তি
৯. অবসাদ
১০. ভুলে যাওয়া ইত্যাদি।

এসব লক্ষণ সাধারণ ভেবেই এড়িয়ে যান কমবেশি সবাই। তবে সুস্থ থাকতে চাইলে এসব লক্ষণের মধ্যে কোনো একটি দেখলেও দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

চুল পড়া কমাতে করণীয়

Published

on

ডেঙ্গু

চুল পড়ার সমস্যা বাড়লে চুলের সৌন্দর্য তো নষ্ট হয়ই, সেইসঙ্গে এটি বিভিন্ন অসুখের লক্ষণও প্রকাশ করতে পারে। তাই চুল পড়ার পরিমাণ বাড়লে নিজের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে। বাইরে থেকে যত্ন তো নেবেনই, খাবারের তালিকায়ও যোগ করতে হবে কিছু খাবার। কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে চুল পড়ার সমস্যা অনেকটাই কমে। 

চুল পড়ার সমস্যা কমাতে কিছু খাবার বাদ দিতে হবে, যেগুলো চুলের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। অতিরিক্ত মসলাদার, ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে খাবারের তালিকা থেকে। সতেজ ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এছাড়াও বিশেষ তিনটি খাবার আপনাকে চুল পড়া থেকে মুক্তি দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

মেথি

চুল পড়ার সমস্যা বন্ধ করতে অন্যতম কার্যকরী খাবার হলো মেথি। এটি বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। সবজির ফোড়ন হিসেবে রাখতে পারেন মেথির ব্যবহার। সালাদে মেথির গুঁড়া খেতে পারেন। খাওয়া ছাড়াও এটি চুলের যত্নে ব্যবহার করা যায়। সেজন্য অল্প নারকেল তেলে মেথি দিয়ে গরম করে নিতে হবে। তারপর ঠান্ডা করে তা মাথায় লাগিয়ে নিতে হবে। আলতো হাতে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে নেবেন। এভাবে সারারাত রেখে পরদিন গোসল করে নেবেন। 

অলিভ বীজ

চুলের যত্নে উপকারী খাবার হলো অলিভ বীজ। চুলের যেকোনো সমস্যা দূর করতে কাজ করে এটি। এক চামচ অলিভ বীজ দুধের সঙ্গে ভিজিয়ে খেতে পারেন। নারিকেল এবং ঘি দিয়ে তৈরি লাড্ডুতে ব্যবহার করতে পারেন অলিভ বীজ। পুষ্টিবিদরা বলেন, এতে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। কেমো চললে চুল ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সব চুলই প্রায় উঠে যায়। এই সময়েও চুল গজানোর জন্য অলিভ বীজ খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

জায়ফল

চুলের যত্নে খাবারের তালিকায় জায়ফল যোগ করার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। এক গ্লাস হালকা গরম দুধের সঙ্গে এক চিমটি জায়ফল মিশিয়ে খেয়ে নিন। আবার এই জায়ফল নাইটক্যাপ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। জায়ফলে থাকা ভিটামিন বি৬, ফলিক অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম চুল পড়া বন্ধ করে। সেইসঙ্গে এটি চুলের ডগা ভেঙে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

ডেঙ্গু
জাতীয়3 hours ago

শেখ হাসিনার জন্যই দেশজুড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেঙ্গু
জাতীয়5 hours ago

আইজিপির দায়িত্ব নিলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

ডেঙ্গু
সারাদেশ5 hours ago

এক টাকায় পছন্দের পোশাক,সহযোগীতায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

ডেঙ্গু
কর্পোরেট সংবাদ6 hours ago

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

ডেঙ্গু
জাতীয়6 hours ago

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী

ডেঙ্গু
পরিবেশ7 hours ago

৩ দিনের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, বাড়বে বৃষ্টি

ডেঙ্গু
জাতীয়7 hours ago

র‍্যাবের ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এম খুরশীদ হোসেন

ডেঙ্গু
ক্রিকেট8 hours ago

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা

ডেঙ্গু
জাতীয়9 hours ago

আমাদের হাঁটু ভাঙবে না, কোমরও ভাঙবে না: কাদের

ডেঙ্গু
রাজধানী11 hours ago

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৯

তারিখ অনুযায়ী খবর

October 2022
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
Advertisement
Advertisement

এ সপ্তাহের আলোচিত

সম্পাদক : হায়দার আহমেদ খান এফসিএ

কার্যালয় : ৫৬ পুরানা পল্টন, শখ সেন্টার, লেভেল-৪, ঢাকা।

news.orthosongbad@gmail.com

+8801791004858

স্বত্ব © ২০২২ অর্থসংবাদ