Connect with us

ব্যাংক

আরও ৬ ব্যাংকের ব্যাখ্যা চায় বাংলাদেশ ব্যাংক

Published

on

বাংলাদেশ ব্যাংক

প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ডলার মজুত করে কয়েকটি ব্যাংক হাতিয়ে নিয়েছে বড় অঙ্কের মুনাফা। কোনো কোনো ব্যাংক ডলার বিক্রিতে ৭৭০ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফা করেছে। এমন তালিকায় থাকা আরও ছয় ব্যাংকের কা‌ছে ব্যাখ্যা চেয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

ব্যাংকগুলো হলো- ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি), এনসিসি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক ও ব্যাংক এশিয়া এবং বি‌দে‌শি বহুজাতিক দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশন (এইচএসবিসি)।

বুধবার (৭ সে‌প্টেম্বর) রা‌তে এসব ব্যাং‌কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহীদের কা‌ছে এ বিষ‌য়ে চি‌ঠি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে, ডলার নিয়ে অতিরিক্ত মুনাফার অভিযোগে আরও ছয় ব্যাংকের কা‌ছে ব্যাখ্যা চে‌য়ে‌ছিল বাংলা‌দেশ ব্যাংক। সেগুলো হলো ব্র্যাক ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক এবং বিদেশি খা‌তের স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। তারও আগে এসব ব্যাংকের ট্রেজারি বিভা‌গের প্রধানকে সরিয়ে দিতে নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আমদানি বেড়ে যাওয়া ও প্রবাসী আয় কমার কারণে দেশে মার্কিন ডলারের চরম সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দিন দিন বাড়ছে দাম। অপরদিকে ডলারের বিপরীতে পতন হচ্ছে টাকার মান। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে ৯৫ টাকা দরে। গত আগস্টে যা ছিল ৮৫ টাকা।

বাণিজ্যিক ব্যাংকগু‌লো‌ ৯৫ থেকে ৯৬ টাকা ডলারের মূল্য ঘোষণা দিলেও আমদানি পর্যায়ে নিচ্ছে ১০১ থে‌কে ১০৬ টাকা করে। আর নগদ ডলার বি‌ক্রি করছে ১০৬ থে‌কে ১০৮ টাকায়। আর খোলা বাজারে ১০৮ টাকা পর্যন্ত দরে ডলার বিক্রি হচ্ছে। গত ১০ ও ১১ আগস্ট খোলা বাজারে নগদ ডলার ১২০ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল।

বাজারে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ ঠিক রাখতে গিয়ে প্রচুর ডলার বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বুধবারও (৭ সেপ্টেম্বর) বিক্রি করা হয়েছে ৫ কোটি ডলার। এতে রিজার্ভ কমে হয়েছে ৩ হাজার ৮৯৪ কোটি ডলার।

এদিকে, ডলারের বাজারে করণীয় নির্ধারণে বৃহস্পতিবার ব্যাংকগুলোর সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স বাংলাদেশ (এবিবি) ও বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ অথরাইজড ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) নেতারা এ সভায় অংশ নেবেন।

ডলার লেনদেনের মাধ্যমে ব্যাংকগুলো যে মুনাফা করেছে তার তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, প্রাইম ব্যাংক চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন মাসে ৫০৪ শতাংশ বা ১২৬ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। একই সময়ে এনসিসি ব্যাংক ৫০০ শতাংশ বা ১০০ কোটি টাকা, ব্র্যাক ব্যাংক ৪১৭ শতাংশ বা ৭৫ কোটি টাকা, ডাচ-বাংলা ব্যাংক ৪০৩ শতাংশ বা ১১৭ কোটি টাকা, ঢাকা ব্যাংক ৩৫৩ শতাংশ বা ১০৬ কোটি টাকা, সিটি ব্যাংক ৩৪০ শতাংশ বা ১৩৬ কোটি টাকা, মার্কেন্টাইল ব্যাংক ২৪৫ শতাংশ বা ১২০ কোটি টাকা, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক ২৩৪ শতাংশ বা ৯৭ কোটি টাকা, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক ২০৫ শতাংশ বা ১৩৫ কোটি টাকা, ইস্টার্ন ব্যাংক ১৫৯ শতাংশ বা ৪৩ কোটি টাকা এবং ইসলামী ব্যাংক ১৪০ শতাংশ বা ১৩৬ কোটি টাকা মুনাফা অর্জন করেছে।

শেয়ার করুন:

ব্যাংক

অনুমোদন ছাড়া সাবসিডিয়ারিতে ঋণ-বিনিয়োগ করা যাবে না

Published

on

বাংলাদেশ ব্যাংক

এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সাবসিডিয়ারি বা সহযোগী প্রতিষ্ঠানে ঋণ দেওয়া বা বিনিয়োগ করা যাবে না। এছাড়াও সুদ বা মুনাফা মওকুফ এবং বিতরণকৃত ঋণ অবলোপনও করা যাবে না।

বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে সার্কুলার জারি করে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীর কাছে পাঠানো হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, লক্ষ করা যাচ্ছে যে, কতিপয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সাবসিডিয়ারি/সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলোতে সীমাতিরিক্ত বিনিয়োগ করছে। উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোতে দেওয়া ঋণের সুদ মওকুফ কিংবা ঋণ অবলোপনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি-বিধান লঙ্ঘনের ঘটনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর ফলে আর্থিক খাতের ঋণ শৃঙ্খলা ব্যাহত হচ্ছে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ/বিনিয়োগ ফেরত না পাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এ অবস্থায় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের আমানতকারীদের স্বার্থে এবং এ খাতে ঋণ শৃঙ্খলা আনয়নের লক্ষ্যে এখন থেকে আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সাবসিডিয়ারি/সহযোগী প্রতিষ্ঠানে ঋণ দেওয়া বা বিনিয়োগ করা, সুদ বা মুনাফা মওকুফ ও বিতরণকৃত ঋণ অবলোপনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইন, ১৯৯৩-এর ১৮(ছ) ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ নির্দেশনা জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা অবিলম্বে কার্যকর হবে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আর্থিক প্রতিষ্ঠান

‘ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে’ মাইডাস ফাইন্যান্স!

Published

on

বাংলাদেশ ব্যাংক

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান মাইডাস ফাইন্যান্সিং ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে এসে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রশাসন, মানব সম্পদ ও এস্টেট ব্যবস্থাপনা বিভাগের সাবেক প্রধান শামীম আহমেদ। দুর্নীতি-অনিয়ম, একের পর এক অর্থ আত্মসাতের কারণেই আর্থিক প্রতিষ্ঠানটির এই অবস্থার কারণ বলে জানান তিনি।

বুধবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি’র সাগর-রুনি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে শামীম আহমেদ এ তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, ঝুঁকির মুখে পড়ায় বর্তমান আমানতকারীদের অর্থ নিয়মিতভাবে পরিশোধ করা যাচ্ছে না। শুধু তাই না টাকার অভাবে বোর্ডে ঋণ পাস হওয়ার পরেও ঋণ বিতরণ করতে পারছেন না।

এই অবস্থায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে হাজার হাজার আমানতকারী ও বিনিয়োগকারী তাদের বিনিয়োগ হারিয়ে পথে বসতে বাধ্য হবেন বলে আশঙ্কা করেন সংবাদ সম্মেলনকারী।

>>আরও পড়ুন: তিন কার্যদিবস পর উত্থানে শেয়ারবাজার

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানটির অনিয়ম ও দুর্নীতির চিত্র তুলে ধরে শামীম আহমেদ বলেন, ‘দীর্ঘ ১৫ বছর চাকরি চলাকালীন স্বচক্ষে যে সমস্ত দূর্নীতি, দুঃশাসন, অপকৌশল, অপকর্ম, কূটকৌশল ইত্যাদি প্রত্যক্ষ করেছি ইতিপূর্বে আলোচিত কারণে তা প্রমাণসহ মাইডাসের সম্মানিত শেয়ার হোল্ডার, বিনিয়োগকারী ও আমানতকারীদের জ্ঞাতার্থে উপস্থাপন করা আমার নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে মনে করেছি। পাশাপাশি অন্যান্য স্টেকহোল্ডারদেরও বিষয়গুলো জানা আবশ্যক। এ ছাড়া উল্লেখিত অপকর্মে জড়িতদের শাস্তি হওয়া উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আশির দশকে এনজিও হিসেবে মাইডাস বিশেষ সুনাম অর্জন করে। এই সুনাম আর মর্যাদাকে পুঁজি করে ১৯৯৫ সালে আর্থিক প্রতিষ্ঠান মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড গড়ে তোলা হয়। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠানটি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রতিষ্ঠানটির শক্ত আর্থিক ভিত্তি গড়ে ওঠে। শেয়ার হোল্ডারদের নিয়মিত ডিভিডেন্ড দেওয়ার পাশপাশি নিজেস্ব অর্থায়নে ধানমন্ডির ২৭ নম্বর সড়কে জমি কিনে ১৩ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়।’

এ ছাড়া ঢাকার ধানমন্ডি, চট্টগ্রামের খুলশী এবং বগুড়ার বড়গোলায় (বগুড়া-রংপুর রোড) বাণিজ্যিক ফ্লোর কেনা হয়। মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেড অর্থনৈতিক ও সুনামের দিক থেকে সমৃদ্ধ হতে থাকে। এর নেতৃত্বে ছিলেন স্যামসন এইচ চৌধুরী, একরামউল্লাহ, রোকেয়া আফজাল রহমান, মির্জা বেহরুজ ইস্পাহানী, এস.এম আল-হুসাইনী, বি আর খান, মোহাম্মদ আব্দুল হালিমসহ কয়েকজন বোদ্ধা পর্ষদ সদস্য। তাদের সীমাহীন দূরদর্শিতা, মেধা, শ্রম, অভিজ্ঞতা, পরিকল্পনা ও যুগোযুযোগী সিদ্ধান্ত মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডকে স্বল্প সময়ে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে যায়। প্রতিষ্ঠানটি জনপ্রিয় হয়।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে প্রথমে আব্দুল করিম এবং পরে আব্দুর রশীদ গাজী সততা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলেন। কিন্তু ২০০৮ সাল থেকে অকস্মাৎ এবং অকারণে বিভিন্ন দক্ষ কর্মকর্তাদের জোরপূর্বক পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়। এরপরেই শুরু হয় মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডের অন্ধকার যুগ। পরবর্তীতে কোম্পানির এমডি হয়ে আসা মফিকুল আযম, পর্ষদ সদস্য শামসুল আলম এবং তাদের নিকটাত্মীয় বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ আলম, বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুস্তাফিজুর রহমান, কোম্পানি সচিব তানবীর হাসান পারস্পরিক যোগসাজশে মাইডাস ফাইন্যান্সিং লিমিটেডকে ধ্বংস করতে শুরু করেন। সীমাহীন দুর্নীতি, দুঃশাসন আর অপকর্ম করা শুরু করেন।

অভিযোগে বলা হয়— এরা পরস্পর যোগসাজসে অবৈধ উপায়ে নিজ নামে ঋণ অনুমোদন ও গ্রহণ, ঋণ জালিয়ায়াতি, দুর্নীতির প্রমাণ বিনষ্ট করতে ঘুষ প্রদান; সীমাহীন নারী কেলেঙ্কারি: বেতন ভাতা ম্যানিপুলেশন; নানা ডকুমেন্টস জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে লুটপাট করে বিনিযোগকারীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন।

একইসঙ্গে এই চক্র প্রতিষ্ঠানটিতে দক্ষ কর্মকর্তা কর্মচারীদের অপসারণ করে নিজেদের পছন্দের লোকদের নিযোগ ও পদোন্নতি দিয়ে লুটপাট করছে।

সংবাদ সম্মেলে শামীম আহমেদ বলেন, ‘এই চক্র আমাকে অন্যায়ভাবে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে, আমি আমার চাকরি ফিরে পেতে সহযোগিতা চাইছি।’

শেয়ারবাজারসহ অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ খবর পেতে ফেসবুক ও ইউটিউবে অর্থসংবাদের সঙ্গেই থাকুন

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবেন ব্যবসায়ীরা

Published

on

বাংলাদেশ ব্যাংক

ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ব্যাংক হিসাব খোলার সুযোগ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ব্যক্তিপর্যায়ের ছোট উদ্যোক্তারা বাণিজ্যিক উদ্দেশে এই হিসাবে লেনদেনে করতে পারবেন। হিসাবটির নাম হবে ‘পারসোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্ট’ বা ‘ব্যক্তিক রিটেইল হিসাব’। ব্যাংক, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস), ই-ওয়ালেট সেবা প্রতিষ্ঠান ও পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডারগুলোতে (পিএসপি) এই হিসাব খোলা যাবে।

ই-কেওয়াইসি ও ব্যাংক হিসাব খুলতে যেসব কাগজপত্র দরকার হয়, সেগুলো জমা দিলেই ব্যক্তিগত রিটেইল হিসাব খোলা যাবে। এই হিসাবে খুলতে কোনো খরচ দিতে হবে না। এছাড়া, লেনদেনের ওপর ঋণও মিলবে। হিসাবটি এমএফএসে হলেও টাকা উত্তোলন খরচ কম হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের পরিচালক মো. মেজবাউল হক বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়াই ‘পারসোনাল রিটেইল অ্যাকাউন্ট’ খোলার সুযোগ রয়েছে। ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এমন একটি নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপি সেবায় এ হিসাব খুলতে পরবেন। শনিবার এডিবির (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক) উদ্যোগে দেশের ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপির প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কর্মশালার হয়। সেখানে বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।

তিনি জানান, এর আগে ২০২০ সালের ১৬ নভেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ ‌‌‘ব্যক্তিক রিটেইল হিসাব’ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। সেখানে বিস্তারিত বলা আছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার অনুযায়ী, ‘ব্যক্তিক রিটেইল হিসাব’ খুলতে কোনো ধরনের ট্রেড লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না। ই-কেওয়াইসি ও ব্যাংক হিসাব খুলতে যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র লাগে সেগুলো জমা দিতে হবে। এটি চলতি হিসাবের মতোই পরিচালিত হবে। বাণিজ্যিক উদ্দেশে ব্যবহার করা যাবে এ হিসাব। তবে এ হিসাবের মাধ্যমে মাসে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকার বেশি লেনদেন করা যাবে না। এ হিসাবের এককালীন স্থিতি হবে সর্বোচ্চ পাঁচ লাখ টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক শাহ জিয়াউল হক কর্মশালায় ব্যক্তিক রিটেইল হিসাবের ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, ‘যাঁদের কোনো ট্রেড লাইসেন্স নেই, তাদের জন্য এই হিসাব। আবার তারা ব্যাংক বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কাছে হিসাব খুলতে আসবেন তেমনটা নাও হতে পারে। বরং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে এসব ক্ষুদ্র-অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছে যেতে হবে। তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট ও ক্যাশলেস সোসাইটি সম্পর্কে বোঝাতে হবে। কাজটি কঠিন হলেও একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক ব্যবস্থার জন্য এর বিকল্প নেই।’

কারা হিসাব খুলতে পারবেন
অতি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী যেমন- মুদি দোকানি, ভাসমান খাদ্যপণ্য বিক্রেতা, বাস-সিএনজি-রিকশাচালক, ফুচকা-চটপটি বিক্রেতা, ফেসবুকে বিভিন্ন পণ্য ও সেবা বিক্রেতা বা বিভিন্ন প্রান্তিক পেশায় নিয়োজিত সেবা প্রদানকারী ব্যক্তিরা এই হিসাব খুলতে পারবেন।

হিসাবটি খোলার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের এক কপি অনুলিপি ও পেশার প্রমাণপত্র দিলেই হবে। পেশার প্রমাণপত্রের জন্য ট্রেড লাইসেন্স বাধ্যতামূলক নয়। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বা সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সমিতির দেওয়া বৈধ কাগজ হলেই হবে। বিনা খরচে এই হিসাব খুলে দেবে দেশের সব ব্যাংক, এমএফএস ও পিএসপি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান।

অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. খুরশীদ আলম, পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের পরিচালক মুহম্মদ বদিউজ্জামান দিদার ও এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ প্রকল্প কর্মকর্তা রাশেদ আল হাসান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

বিটকয়েন ব্যবহারে ফের বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কতা

Published

on

বাংলাদেশ ব্যাংক

বিটকয়েনসহ ভার্চুয়াল (ক্রিপ্টো কারেন্সি) মুদ্রা ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে আবারও নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দিয়েছে।

নির্দেশনাটি সব তফসিলি ব্যাংক, বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনে নিয়োজিত সব অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক, সব মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান বরাবর পাঠানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক ২০১৭ সালে ভার্চুয়াল মুদ্রা হিসেবে বিটকয়েনসহ ইথেরিয়াম, রিপল ও লিটকয়েনের লেনদেন নিয়ে সতর্ক করেছিল। এসবের মাধ্যমে অর্থপাচারের শঙ্কাও করা হয়। একই বছরে গণমাধ্যমে পাঠানো বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিও দেওয়া হয়, যাতে এর ব্যবহার থেকে সবাই বিরত থাকে।

বিটকয়েনসহ সব ধরনের ভার্চুয়াল মুদ্রা ব্যবহারে ফের সতর্ক করে নির্দেশনায় বলা হয়, এটি কোনো দেশের সার্বভৌম স্বীকৃতি নেই। কোথাও বৈধ কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখনও ভার্চুায়াল মুদ্রার স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি। ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স বা এফএটিএফ কর্তৃকও অনুমোদিত না এ মুদ্রা বা সম্পদ।

নির্দেশনায় বলা হয়, অনুমোদনহীন এসব ভার্চুয়াল মুদ্রার বিপরীতে কোনো আর্থিক দাবি স্বীকৃত নয়। এর লেনদেন বাংলাদেশ ব্যাংক বা কোনো নিয়ন্ত্রক সংস্থা অনুমোদন করে না। এ মুদ্রার দ্রুত দর ওঠানামা করায় আর্থিক ঝুঁকিও থাকে। এজন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে এ মুদ্রায় লেনদেন বা কোনো ধরনের ব্যবসা পরিচালনা করা ইত্যাদি থেকে বিরত থাকতে বলা হয়।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ব্যাংক

চীনের মুদ্রা ইউয়ানে অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে দেশের ব্যাংক

Published

on

বাংলাদেশ ব্যাংক

চীনের সঙ্গে বাণিজ্য বাড়াতে দেশটির মুদ্রা ইউয়ান (সিএনআই) দিয়ে লেনদেন করতে দেশের এডি ব্যাংকগুলো অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে। অনুমোদিত এসব ডিলার শাখার মাধ্যমে বৈদেশি লেনদেনও নিষ্পত্তি করা যাবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা দিয়েছে।

এর আগে ২০১৮ সালেও চীনের সঙ্গে লেনদেন সহজ করতে ইউয়ান দিয়ে সরাসরি আমদানি ও রপ্তানি দায় নিষ্পত্তির জন্য ক্লিয়ারিং অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

নির্দেশনায় বলা হয়, এডি শাখাগুলো চীনের ব্যাংকের সঙ্গে ইউয়ান মুদ্রায় ব্যাংক হিসাব খুলতে পারবে। অর্থাৎ এখন থেকে মার্কিন ডলার, ইউরো, জাপানি ইয়েন, যুক্তরাজ্যের পাউন্ড ও কানাডিয়ান ডলারের মতো প্রয়োজনীয় ইউয়ান কিনতে ও লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবে।

২০১৬ সালে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে মর্যাদা পায় ইউয়ান। ডলার, ইউরো, জাপানি ইয়েন ও ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিংয়ের পর আইএমএফের পঞ্চম রিজার্ভ মুদ্রা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি দেশ চীনের ইউয়ান।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

আর্থিক প্রতিষ্ঠান

২০ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে ডাচ-বাংলার ‘রকেট’ সেবা

Published

on

বাংলাদেশ ব্যাংক

ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মোবাইল ব্যাংকিং ‘রকেট’ এর সিস্টেম আপগ্রেডেশনের কারণে ২০ ঘণ্টা সেবা বন্ধ থাকবে। আগামী বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টা থেকে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ‘রকেট’ এর সেবা নিতে পারবেন না গ্রাহকরা।

মঙ্গলবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ব্যাংকের জনসংযোগ কর্মকর্তা সগীর আহমেদ বিষয়টি জানিয়েছেন।

এক নোটিশে ডাচ-বাংলা ব্যাংক জানায়, মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সিস্টেম আপগ্রেডেশনের কারণে ‘রকেট’ এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সব সেবা আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ১১টা থেকে ১৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।

ডাচ-বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশে প্রথম ২০১১ সালের ৩১ মার্চ মোবাইল ব্যাংকিং ডাচ-বাংলা ‘মোবাইল ব্যাংক’ চালু করে। যেটি বর্তমানে রকেট নামে পরিবর্তন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয়3 hours ago

শেখ হাসিনার জন্যই দেশজুড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয়5 hours ago

আইজিপির দায়িত্ব নিলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

বাংলাদেশ ব্যাংক
সারাদেশ5 hours ago

এক টাকায় পছন্দের পোশাক,সহযোগীতায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

বাংলাদেশ ব্যাংক
কর্পোরেট সংবাদ6 hours ago

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয়6 hours ago

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী

বাংলাদেশ ব্যাংক
পরিবেশ7 hours ago

৩ দিনের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, বাড়বে বৃষ্টি

বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয়7 hours ago

র‍্যাবের ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এম খুরশীদ হোসেন

বাংলাদেশ ব্যাংক
ক্রিকেট8 hours ago

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা

বাংলাদেশ ব্যাংক
জাতীয়9 hours ago

আমাদের হাঁটু ভাঙবে না, কোমরও ভাঙবে না: কাদের

বাংলাদেশ ব্যাংক
রাজধানী11 hours ago

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৯

তারিখ অনুযায়ী খবর

October 2022
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
Advertisement
Advertisement

এ সপ্তাহের আলোচিত

সম্পাদক : হায়দার আহমেদ খান এফসিএ

কার্যালয় : ৫৬ পুরানা পল্টন, শখ সেন্টার, লেভেল-৪, ঢাকা।

news.orthosongbad@gmail.com

+8801791004858

স্বত্ব © ২০২২ অর্থসংবাদ