Connect with us

অন্যান্য

‘স্বাস্থ্যখাতে চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার হবে’

Published

on

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, করোনার কারণে কমিশনের নিয়মিত অভিযান স্থগিত রাখা হলেও ত্রাণ এবং স্বাস্থ্যখাতে চিহ্নিত দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অভিযান আরও সক্রিয় করা হবে। জনগণের কল্যাণেই এসব অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) দুদকের এক বছর মেয়াদি কৌশলগত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিবেদনের ওপর পূর্ণাঙ্গ কমিশনের এক ভার্চুয়াল সভায় এ কথা বলেন তিনি।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, দুদকের ১৮ জনের বেশি কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত। দু’জন প্রতিশ্রুতিশীল কর্মকর্তা মারা গেছেন। এরমধ্যেও আপনারা মামলা করছেন, অপরাধীদের গ্রেফতার, অভিযোগ সংশ্লিষ্টদের তলব এবং জিজ্ঞাসাবাদ করছেন।দুর্নীতির অভিযাগের অনুসন্ধান, তদন্ত, প্রসিকিউশন, প্রতিরোধসহ সব ধরনের দাফতরিক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এটা আপনাদের কৃতিত্ব। সবাই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনে বাসায় বসে অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই নথির মুভমেন্ট রেজিস্টার অনুসরণ করতে হবে এবং তা কমিশন সচিবকে অবহিত করতে হবে।

কমিশনের মানিলন্ডারিং অনুবিভাগের কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ২০১৯ সালে কমিশন ১১টি মানিলন্ডারিং মামলার ১১টিতেই অপরাধীদের সাজা হয়েছে। ২০১৮ সালেও শতভাগ মামলায় সাজা হয়েছিল। এককভাবে যখন দুদক মানিলন্ডারিং মামলা করতো তখন অসংখ্য মামলা দায়ের হয়েছে। অসংখ্য অপরাধীর শাস্তি হয়েছে।

Nogod-22-10-2022

তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থপাচার বন্ধে দ্রুত সময়ে পাচারকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করে অপরাধলব্ধ সম্পদ উদ্ধার করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিএফআইউ, সিআইডি, জাতীয় রাজস্ববোর্ডসহ অন্যান্য সংস্থার মধ্যে নিবিড় সমন্বয় থাকতে হবে। কীভাবে এসব সংস্থার সঙ্গে কার্যকর সমন্বয় করা যায়, তা কমিশনের কৌশলপত্রের আলোকে বাস্তবায়ন করতে হবে।

ভার্চুয়াল সভায় দুদক কমিশনার ড. মো. মোজাম্মেল হক খান বলেন, জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলপত্র বাস্তবায়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন ফোকাল পয়েন্টের কর্মকর্তারা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য এসব কর্মকর্তারা স্ব-স্ব বিভাগের একটি দুর্নীতির খবরও কমিশনকে জানায়নি। তাদেরও জবাদিহি দরকার। সৎ, স্বচ্ছ ও দৃঢ়চেতা কর্মকর্তাদের ফোকাল পয়েন্টে নিয়োগের বিষয়ে তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।

দুদক কমিশনার এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালসহ জাতীয় সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি দুদকের গোয়েন্দা নজদারি আরও বাড়াতে হবে। কারণ আমাদের কাছে প্রায়ই অভিযোগ আসছে-এসব প্রতিষ্ঠান কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় সরকারি পরিষেবা প্রদান করছে না। প্রয়োজনে করোনা শুরুর আগে যেভাবে অভিযান পরিচালনা করা হতো, স্বাস্থ্য বিধি মেনে সেভাবেই অভিযান শুরু করা হবে।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত, মহাপরিচালক আ ন ম আল ফিরোজ, মো. মফিজুর রহমান ভূঞা, মো. জহির রায়হান, মো. রেজানুর রহমান, সাঈদ মাহবুব খান, মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

সভা পরিচালনা করেন দুদকে আইসিটি ও প্রশিক্ষণ অনুবিভাগের মহাপরিচালক এ কে এম সোহেল।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্যান্য

তিন স্তরে মজুতে অস্থির চালের বাজার

Published

on

দুর্ভিক্ষের আতঙ্কে ভরা মৌসুমে চালের বাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ব্যবসায়ী, কৃষক এবং ভোক্তা পর্যায়ে আপৎকালীন মজুতের প্রভাবে বাজারে চালের দাম বাড়ছে। গত এক মাসে মোটা চালের দাম কেজিতে ৪ থেকে ৬ টাকা বেড়েছে। একই সময়ের ব্যবধানে আটার দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা বেড়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভরা মৌসুমে চালের দাম বৃদ্ধির কারণ অনুসন্ধানে খাদ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মনিটরিং টিম। খাদ্য মন্ত্রণালয় জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) চালের দাম কমার চেয়ে বৃদ্ধির কারণ কী তা খতিয়ে দেখতে বলেছে। কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কি না তা দেখতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আগামী সপ্তাহে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠক করবে খাদ্য মন্ত্রণালয়। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

খাদ্য অধিদপ্তর সূত্র জানায়, বর্তমানে সরকারি গুদামে ১২ লাখ ৯৪ হাজার ৮৪৯ মেট্রিক টন চাল ও ২ লাখ ৯৮ হাজার ২৬৩ মেট্রিক টন গম মজুত রয়েছে। চাল ও গমের মোট মজুত ১৫ লাখ ৯৪ হাজার ৯০২ মেট্রিক টন। এ মজুত থেকে আপৎকালীন যে কোনো পরিস্থিতিতে সরকার রেশনিং করবে। তাছাড়া সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রি, ওএমএস, বিভিন্ন সংস্থার রেশনিংও এই মজুত থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, গত বোরো ও চলতি আমন মৌসুমে উৎপাদন যথেষ্ট হয়েছে। আমনের ফলন তো ধারণার চেয়ে অনেক বেশি হয়েছে। বাজারে চাল ভরপুর। তারপরও দাম বাড়ছে কেন? এর পেছনে রহস্য আছে। তারা আরও জানান, প্রতি বছর দেশে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টন খাদ্যশস্য উৎপাদন হচ্ছে। আবার সরকার আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিদেশ থেকে চাল ও গম আমদানি করছে। তারপরও দাম বাড়ে কেন? চলতি বছর বিদেশ থেকে সরকারি পর্যায়ে চাল আমদানি হয়েছে ২ লাখ ৬০ হাজার ৪০২ মেট্রিক টন। গম আমদানি হয়েছে ৪ লাখ ২২ হাজার ৮৮৬ মেট্রিক টন। এছাড়া বেসরকারি পর্যায়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নিয়ে চাল আমদানি হয়েছে ৩ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন। আর গম আমদানি হয়েছে ৬ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন। চলতি মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত চাল আমদানির অনুমতি রয়েছে। সুতরাং বাজার কারা নিয়ন্ত্রণ করছে তা অনুসন্ধান করা জরুরি বলে তারা মন্তব্য করেন।

অপর দিকে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানান, যত কথা বলা হোক না কেন আমরা ব্যবসায়ীদের কাছে জিম্মি হয়ে গেছি। তারা যা চাইবে তাই হবে। আগামী বছর বিশ্বে দুর্ভিক্ষ হবে-এ ধরনের খবর প্রচার হওয়ার পর ব্যবসায়ীরা অবৈধ মজুত গড়ে তুলছে। তারা বেশি দামে ধান ক্রয় করছে। ফলে বাজারে চালের দাম বেড়েছে। তারা আরও জানান, তারা তো বেশি দামে ক্রয় করে কম দামে বিক্রি করবে না। অনেকে ব্যবসায়ী ঋণ করে ধান ক্রয় করছেন বলেও জানান তারা। অপর দিকে কৃষকরাও এ বছর সব ধান বিক্রি করছেন না। প্রয়োজনমাফিক বিক্রি করে বাকি ধান তারা মজুত করছে। ফলে বাজারে চালের দাম বেড়ে গেছে। এ ছাড়া ভোক্তারাও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে চাল কিনে মজুত করছেন। যার এক বস্তা দরকার সে আতঙ্কিত হয়ে দুই বস্তা ক্রয় করছে। এ সব মজুদের বিরূপ প্রভাব পড়ছে চালের বাজারে।

Nogod-22-10-2022

খাদ্য সচিব মো. ইসমাইল হোসেন (এনডিস) সোমবার বলেন, ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়ছে। তবে হুহু করে বাড়ছে এটা বলা যাবে না। চালের দাম বাড়ার কারণ হলো প্রথম উৎপাদন খরচ বেড়েছে, শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে এবং জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির কারণে পরিবহণ ব্যয়ও বেড়েছে। এসব কারণে চালের দাম বাড়ছে। এ ছাড়া অন্য কোনো কারণে চালের দাম বাড়ছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মনিটরিং টিম আমাদের চালের দাম বাড়ার বিষয়ে খোঁজখবর নিতে বলেছে। খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বিষয়টি দেখভাল করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া জেলা খাদ্য কর্মকর্তাদের (ডিসি-ফুড) মাধ্যমেও আমরা খোঁজখবর নিচ্ছি। দুর্ভিক্ষ মোকাবিলায় বেশি দামে ধান কেনার বিষয়ে সচিব বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করছে কি না তা দেখতে ডিসিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। সচিব আরও জানান, আমরা আগামী সপ্তাহে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক সভা করব।

বনশ্রী-মেরাদিয়া,বাজার ঘুরে দেখা গেছে মোটা চালের দাম বেড়েছে সব চেয়ে বেশি। বর্তমানে খুচরা বাজারে হবি- ২৮ মোটা চাল ৬৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। যা এক মাস আগেও ছিলো ৫৮ টাকা। পাইজাম বিক্রি হচ্ছে ৫৮ টাকা করে, যা এক মাস আগেও ৫৪ টাকা। একই সঙ্গে বাড়ছে আটার দাম। প্রতি কেজি আটা বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৭৮ টাকা। এছাড়া সব ধরণের চালের দাম বেড়েছে। খুচরা বিক্রিতারা বলছেন, চালের দাম বাড়ার বিষয়ে তাদের কিছুই জানা নেই। তারা বেশি দামে কেনেন তাই বেশি দামে বিক্রি করছেন। অপরদিকে মৌলভীবাজারের ব্যবসায়ী মো. নিজাম উদ্দিন জানান, গত দুই মাসে পাইকারি বাজারে চালের দাম এক টাকাও বাড়েনি। বরং বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। খুচরা বাজারে চালের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই। তিনি আরও জানান, চালের দাম বাড়েনি। বরং ধানের দাম বেড়েছে। ধানের দাম বাড়ার প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছেন তিনি। তিনি আরও জানান, আগামী বছর বিশ্বব্যাপী দুর্ভিক্ষের খবরে বাজারের ওপর প্রভাব পড়েছে। বাংলাদেশ অটোরাইস এন্ড হাস্কিং মিলস মালিক সমিতির একাংশের সভাপতি লায়েক আলী ভরা মৌসুমে চালের দাম বাড়ার বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আমরা সরকারের কাছ চাল বিক্রির চুক্তি করেছি। এখন আমাদের কাজ হলো চুক্তি মোতাবেক সরকারকে চাল দেওয়া। তিনি চেয়ে বেশি কিছু বলবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। তবে চালের দাম বাড়ার বিষয়টি তিনি দেখছেন বলে জানান।

সরকারি হিসাবে বর্তমানে প্রতি কেজি মোটা চাল ৪৮ থেকে ৫০ টাকা হচ্ছে, যা গত বছর একই সময় বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা। মাঝারি চাল প্রতি কেজি ৫৫ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর একই সময়ে ছিল ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা। সরু (নাজির) প্রতি কেজি ৭৪ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে, যা গত বছর এই সময় ৬৪ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। সরু (মিনিকেট) প্রতি কেজি চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭৫ টাকা, যা গত বছর এই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৬৩ টাকা। প্যাকেট আটা দুই কেজির প্যাকেট বিক্রি হচ্ছে ১৪০, যা গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৯০ টাকা। খোলা আটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬২ টাকা, যা গত বছর একই সময়ে বিক্রি হয়েছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা।

সরকারি হিসাব মতে গত বছরের তুলনায় এ বছর মোটা চাল কেজিতে বেড়েছে ২ টাকা ৫০ পয়সা। মাঝারি মানের চাল কেজিতে বেড়েছে ৬ টাকা, সব ধরনের সরুচাল কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা, প্যাকেট আটা কেজিতে বেড়েছে ৩০ টাকা এবং খোলা আটা কেজিতে বেড়েছে ২৫ টাকা। তবে সরকারি হিসাবের সঙ্গে বাজারে বিক্রয় মূল্যের বেশ অমিল রয়েছে। মোটা চাল ৫৮ থেকে ৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮ থেকে ৭২ টাকা দরে। সরুচাল (মিনিকেট-নাজিরশাইল) বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকা দরে। আটা বিক্রি হচ্ছে ৭২ থেকে ৭৫ টাকা দরে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

দর বাড়ার শীর্ষে কে অ্যান্ড কিউ

Published

on

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে লেনদেনে অংশ নেয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বৃদ্ধির শীর্ষে কে এন্ড কিউ লিমিটেড।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সূত্র মতে, রোববার (৪ ডিসেম্বর) কোম্পানিটির শেয়ার দর বেড়েছে ৬ দশমিক ৭৪ শতাংশ। ফলে ডিএসইর টপটেন গেইনারের তালিকার প্রথম অবস্থানে রয়েছে কে এন্ড কিউ লিমিটেড।

তালিকার দ্বিতীয় স্থানে থাকা অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের শেয়ারদর বেড়েছে ৪ দশমিক ২৪ শতাংশ। আর তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা অ্যাডভেন্ট ফার্মা লিমিটেডের শেয়ার দর বেড়েছে ৪ দশমিক ৩ শতাংশ।

Nogod-22-10-2022

দর বৃদ্ধির তালিকায় থাকা অন্য কোম্পানিগুলো হলো- আমরা নেটওয়ার্কস, অ্যাপেক্স ফুডস, বিডি থাই ফুড, এডিএন টেলিকম, ওয়ান ব্যাংক, ইস্টার্ন কেবলস ও বিডি মনোস্পুল লিমিটেড।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

রোববার স্পট মার্কেটে যাচ্ছে ২ কোম্পানি

Published

on

রেকর্ড ডেটের আগে আগামী রোববার (৪ ডিসেম্বর) স্পট মার্কেটে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ২ কোম্পানি ।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানিগুলো হচ্ছে- লাফার্জহোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড এবং ম্যাকসন্স স্পিনিং।

কোম্পানিগুলোর স্পট মার্কেটে লেনদেন শেষ হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর। আলোচ্য কোম্পানিগুলোর রেকর্ড তারিখ ৬ ডিসেম্বর।

Nogod-22-10-2022

আর রেকর্ড ডেটের দিন কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

কাল স্পট মার্কেটে যাচ্ছে ৪ কোম্পানি

Published

on

রেকর্ড ডেটের আগে আগামীকাল বুধবার (২৩ নভেম্বর) স্পট মার্কেটে যাচ্ছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ৪ কোম্পানি।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

কোম্পানিগুলো হচ্ছে- ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড, তাল্লু স্পিনিং মিলস, সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট এবং মিথুন নিটিং অ্যান্ড ডাইং লিমিটেড।

কোম্পানিগুলোর স্পট মার্কেটে লেনদেন শেষ হবে আগামী ২৪ নভেম্বর। আলোচ্য কোম্পানির রেকর্ড তারিখ আগামী ২৭ নভেম্বর।

Nogod-22-10-2022

অন্যদিকে তাল্লু স্পিনিং ও মিথুন নিটিং জেড ক্যাটাগরির হওয়ায় স্পট মার্কেটে লেনদেন শেষ হবে আগামী ২৭ নভেম্বর। এই দুই কোম্পানির রেকর্ড ডেট আগামী ২৮ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

আর রেকর্ড ডেটের দিন কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

মালয়েশিয়ায় নির্বাচনে জামানত হারালেন মাহাথির

Published

on

৫৩ বছরের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে প্রথমবার নির্বাচনে পরাজিত হয়েছেন আধুনিক মালয়েশিয়ার রূপকার বর্ষীয়ান নেতা ও দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ।

স্থানীয় সময় শনিবার (১৯ নভেম্বর) মালয়েশিয়ার সাধারণ নির্বাচনে নিজের আসনে মোহাম্মদ সুহাইমি আবদুল্লাহর কাছে হেরে গেছেন ৯৭ বছর বয়সী দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী। এ পরাজয়কে তার সাত দশকের রাজনৈতিক জীবনের ইতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

১৯৬৯ সালের পরে প্রথমবারের মতো মাহাথির প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কাছে হেরে গেছেন। দুই দশকের বেশি সময় ধরে মালয়েশিয়ার রাষ্ট্র শাসন করা ৯৭ বছর বয়সী এই নেতা এবারের নির্বাচনে নিজের সংসদীয় আসন ধরে রাখতে ব্যর্থ হন। এই আসনে জিতেছেন দেশটির আরেক সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন জোটের প্রার্থী। পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে মাহাথির চতুর্থ হয়েছেন।

মাহাথির মোহাম্মদ একটি জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তিনি ক্ষমতাসীন বারিসান ন্যাশনালের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে নির্বাচনে প্রচার চালান। তবে এবারের নির্বাচনে তার জোট মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না। বারিসান জোটকে এবার মুহিউদ্দিনের জোটের পাশাপাশি মাহাথিরের দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী।

Nogod-22-10-2022

এদিকে ভোটের আগে জরিপের আভাসকে ছাপিয়ে এ পর্যন্ত দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের নেতৃত্বাধীন জোট পেরিকাতান এগিয়ে রয়েছে। এরপর রয়েছে বিরোধীদলীয় নেতা আনোয়ার ইব্রাহিমের দল পাকাতান হারাপান।

চলতি মাসে এক সাক্ষাৎকারে মাহাথির জানিয়েছিলেন, নির্বাচনে হেরে গেলে তিনি রাজনীতি থেকে অবসর নেবেন।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ