Connect with us

অর্থনীতি

সরকারি যানবাহন ক্রয় ছয় মাসের জন্য স্থগিত

Published

on

নভেল করোনাভাইরাসের (কভিড-১৯) ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক ক্ষত কাটিয়ে উঠতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ব্যয় সংকোচনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সেই উদ্যোগের অংশ হিসেবে আগামী ছয় মাস (ডিসেম্বর পর্যন্ত) সব ধরনের সরকারি যানবাহন ক্রয় স্থগিত করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

গত বুধবার জারি করা এক পরিপত্রে অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, চলমান কভিড-১৯ পরিস্থিতি মোকাবেলা ও সরকারের কৃচ্ছ্র সাধন নীতির আলোকে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের পরিচালন ও উন্নয়ন ব্যয়ের আওতায় নতুন বা প্রতিস্থাপক হিসেবে যানবাহন ক্রয় বন্ধ থাকবে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব মো. মাহফুজুল আলম খান স্বাক্ষরিত পরিপত্রের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, বাংলাদেশ মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকসহ সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবের কাছে পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ।

এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের জারি করা এক নির্দেশনায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অনাবশ্যক ব্যয় কমাতে অস্থাবর সম্পদ ক্রয়, অফিস স্পেস ভাড়া ও সাজসজ্জা সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার কথা বলা হয়েছিল। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর চেয়ারম্যান ও নির্বাহীদের অনাবশ্যক বিদেশ ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার পাশাপাশি কর্মচারীদের ভ্রমণ ও যাতায়াত ভাতা, আপ্যায়ন খরচ, স্টেশনারি ও উন্নয়ন ফান্ডসহ বিভিন্ন খরচে মিতব্যয়ী হওয়ার কথা বলা হয়। এছাড়া বার্ষিক ক্যালেন্ডার, ডায়েরি মুদ্রণ বা এ-জাতীয় প্রচারণামূলক ব্যয়ে অর্থ বরাদ্দ সীমিত করে আনার নির্দেশনাও দিয়েছিল অর্থ মন্ত্রণালয়।

Nogod-22-10-2022

অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও বিরূপ প্রভাব পড়েছে। এ সংকট মোকাবেলায় কৃচ্ছ্র সাধনের নীতি গ্রহণ করছে সরকার। কোন কোন খাতে আরো ব্যয় কমানো যেতে পারে তা চিহ্নিত করার কাজ চলছে। বর্তমান করোনা পরিস্থিতির ব্যয় সামলাতে এসব কৃচ্ছ্র সাধন অর্থনীতিতে ভিন্ন মাত্রা জোগাবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় দুই ভাগে বিভাজন করে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে থাকে। এর মধ্যে পরিচালন ব্যয় বা পরিচালন ব্যয়ের জন্য যে বরাদ্দ দেয়া হয়, তাকে বলা হয় রাজস্ব বরাদ্দ। আর উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করতে যে বরাদ্দ দেয়া হয়, তাকে বলা হয় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি)। প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য অর্থ ব্যয়কে পরিচালন ব্যয় বলা হয়। আর উন্নয়ন প্রকল্প বা কর্মসূচি বাস্তবায়নের ব্যয় হলো উন্নয়ন ব্যয়। ২০২০-২১ অর্থবছরের ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটে পরিচালন ব্যয় বা রাজস্ব বাজেটে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ৩ লাখ ৫২ হাজার ৯৫৭ কোটি টাকা। এবারের বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে ২ লাখ ৫ হাজার ১৪৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেয়া হবে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৪৩ কোটি ও বৈদেশিক সহায়তা থেকে আসবে ৭০ হাজার ৫০১ কোটি ৭২ লাখ টাকা।

সরকারের বিভিন্ন সংস্থা তাদের বরাদ্দকৃত অর্থ থেকে অনেক সময় স্থায়ীভাবে গাড়ি কেনে। আবার অনেক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায়ও গাড়ি কেনা হয়। প্রকল্পগুলোতে গাড়ি কেনা বাবদ অনেক অর্থ ব্যয়ের সংস্থান থাকে। কিন্তু প্রকল্প শেষে ওই গাড়ির প্রয়োজনীয়তা থাকে না। আবার গাড়ি কেনার চেয়ে এর পরিচালন, রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানি বাবদ খরচ হয় অনেক বেশি। এসব ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগও পাওয়া যায়। সেজন্য উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য গাড়ি কেনার পরিবর্তে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে গাড়ি ভাড়া নিয়ে প্রকল্পের কার্যক্রম পরিচালনার নীতিগত সিদ্ধান্ত রয়েছে। এখন যেহেতু আগামী ছয় মাস গাড়ি কেনা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তাতে সরকারের ব্যয় অনেক সাশ্রয় হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে গত ৮ জুলাই প্রকাশিত আরেকটি পরিপত্রে চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে বাস্তবায়নাধীন এডিপির আওতায় নিম্ন অগ্রাধিকার বা কম গুরুত্বপূর্ণ এবং মধ্যম অগ্রাধিকারের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ খরচ বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। ‘মধ্যম অগ্রাধিকার’ প্রকল্পের যেসব খাতে অর্থ ব্যয় না করলেই নয়, এমন টাকা খরচের ক্ষেত্রে ‘কঠোর’ বিবেচনায় নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রকল্পের অর্থ ব্যয় অব্যাহত রাখতে বলা হয়েছে।

পরিপত্রে অর্থ মন্ত্রণালয় বলেছে, সীমিত সম্পদের ব্যয় সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিতকল্পে চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিভুক্ত প্রকল্পগুলোর ‘উচ্চ’, ‘মধ্যম’ ও ‘নিম্ন’ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিভুক্ত প্রকল্পগুলোর সুষ্ঠু বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তিনটি পদ্ধতি অনুসরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেসবের মধ্যে রয়েছে মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থাগুলো উচ্চ অগ্রাধিকার চিহ্নিত প্রকল্পগুলো যথানিয়মে বাস্তবায়ন অব্যাহত রাখবে।

মধ্যম অগ্রাধিকার চিহ্নিত প্রকল্পগুলোর ক্ষেত্রে প্রকল্পের যেসব খাতে অর্থ ব্যবহার অবশ্যম্ভাবী বলে বিবেচিত হবে; মন্ত্রণালয়, বিভাগ বা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এবং অধীনস্থ দপ্তর বা সংস্থাগুলো স্বীয় বিবেচনায় সেসব খাতে অর্থ ব্যয় করবে। তবে যেসব ক্ষেত্রে অর্থ ব্যয় পরিহার করা সম্ভব সেসব ক্ষেত্রে ব্যয় আবশ্যিকভাবে পরিহার করতে হবে। অন্যদিকে নিম্ন অগ্রাধিকার চিহ্নিত প্রকল্পগুলোর অর্থছাড় আপাতত স্থগিত থাকবে।

তবে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পগুলো এ পরিপত্রের আওতার বাইরে থাকবে। প্রকল্পের অর্থছাড়ের ক্ষেত্রে অর্থ বিভাগের উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ অবমুক্তি ও ব্যবহার নির্দেশিকা ২০১৮সহ বিদ্যমান আর্থিক বিধিবিধান ও নিয়মাচার যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অর্থনীতি

এডিবি থেকে ২ হাজার কোটি টাকা পেল বাংলাদেশ

Published

on

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) বাংলাদেশকে ২০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ দিয়েছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ ২ হাজার ৭৩ কোটি ৮০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) নগরীরর শেরে বাংলানগর এনইসি সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ সরকার এবং এডিবির মধ্যে এ ঋণচুক্তি সই হয়েছে।

মাইক্রো এন্টারপ্রাইজ ফাইন্যান্সিং অ্যান্ড ক্রেডিট অ্যানহ্যান্সমেন্ট প্রকল্পের আওতায় ২০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি ও প্রকল্পচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে ঋণচুক্তিতে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব শরিফা খান এবং এডিবির পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিনটিং চুক্তিতে সই করেন।

Nogod-22-10-2022

বাংলাদেশ আবাসিক মিশন প্রকল্পচুক্তিতে সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত শীর্ষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. নমিতা হালদার এবং এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমন গিন্টিং স্বাক্ষর করেন।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়া হবে। এ প্রকল্প ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের কাছে ঋণ সহজলভ্য করা এবং নারী উদ্যোক্তাদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ প্রকল্পের কার্যক্রম ৩১ ডিসেম্বর ২০২৭ সালে শেষ হবে।

১৯৭৩ সাল থেকে এডিবি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। এডিবি এ পর্যন্ত বাংলাদেশকে ২৭ দশমিক ২২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা এবং শূন্য দশমিক ৫৩৭ বিলিয়ন ডলারের অনুদান সহায়তা দিয়েছে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম বাড়ালো কেন্দ্রীয় ব্যাংক

Published

on

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রিত স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম প্রতিটি মুদ্রায় ৪ হাজার টাকা বাড়িয়ে পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর তৃতীয় দফায় স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দাম বাড়ানো হলো। যা মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক মুদ্রিত ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০০০’, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবর্ষ ১৯২০-২০২০’ এবং ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ শীর্ষক স্মারক স্বর্ণমুদ্রার মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরোও বলা হয়, ২২ ক্যারেট স্বর্ণ দিয়ে প্রস্তুত করা ১০ গ্রাম ওজনের ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০০০’, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মশতবর্ষ ১৯২০-২০২০’ এবং ‘স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ১৯৭১-২০২১’ শীর্ষক স্মারক স্বর্ণমুদ্রা (বাক্সসহ) প্রতিটির বিক্রয়মূল্য ৭৫ হাজার টাকা পুনর্নির্ধারণ করা হলো।

Nogod-22-10-2022

আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারে স্বর্ণের দরবৃদ্ধির কারণে স্মারক স্বর্ণমুদ্রার দরবৃদ্ধি করা হয়েছে। যা মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

প্রতিটি স্মারক মুদ্রা ২২ ক্যারেট মানের ১০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণ দিয়ে প্রস্তুত করা। প্রতিটি মুদ্রায় গত ৮ মার্চ দুই হাজার টাকা বাড়িয়ে ৬৮ হাজার এবং ২৪ মে চার হাজার টাকা বাড়িয়ে ৭২ হাজার করা হয়। এবার একই বছরে তৃতীয় দফায় ৪ হাজার টাকা দাম বাড়ানো হয়েছে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

অর্থপাচার-ঋণ খেলাপিতে খাদের কিনারে ব্যাংকিং খাত: টিআইবি

Published

on

ভারত, পাকিস্তান, নেপাল ও ভূটানের শেয়ারবাজারে পতন হয়েছে। তবে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কার শেয়ারবাজারে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে।

মঙ্গলবার (৬ ডিসেম্বর) ভারতে বোম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) সূচক ‘সেনসেক্স’ ২০৮ পয়েন্ট কমেছে। লেনদেন শেষে সূচকটি অবস্থান করছে ৬২ হাজার ২২৬ পয়েন্টে। এছাড়াও দেশটির ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) সূচক ‘নিফটি ৫০’ সূচকও ৫৮ পয়েন্ট কমেছে।

পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক ‘কেএসই ১০০’ ৫৩৭ পয়েন্ট হারিয়ে অবস্থান করছে ৪১ হাজার ৬১২ পয়েন্টে। নেপাল স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক ‘এনইপিএসই’ ৪ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমেছে। দিন শেষে সূচকটি অবস্থান করছে ১ হাজার ৯৩৩ পয়েন্টে। এছাড়াও ভূটানের শেয়ারবাজারের সূচক ‘বিএসআই’ ০ দশমিক ০৮ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৪৭ দশমিক ৯৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

দক্ষিণ এশিয়ার শেয়ারবাজারে মঙ্গলবার ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায়। শ্রীলঙ্কার শেয়ারবাজার কলম্বো স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সূচক ‘এএসপিআই’ ৩৭ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে। লেনদেন শেষে সূচকটির অবস্থান ৮ হাজার ৮৮১ পয়েন্টে।

Nogod-22-10-2022

এদিকে, সপ্তাহের তৃতীয় কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক বৃদ্ধি পেলেও গত ১৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন হয়েছে। আজ ডিএসইর প্রধান সূচক ‘ডিএসই এক্স’ ১৬ দশমিক ৪৫ পয়েন্ট বেড়েছে। এছাড়াও ‘ডিএস ৩০’ সূচকে ৭ পয়েন্ট এবং ‘ডিএসই এস’ সূচকে ৪ দশমিক ৫২ পয়েন্ট যোগ হয়েছে।

আজ ডিএসইতে ২৭১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। গত ১৯ মাসের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন লেনদেন। এর আগে গত বছরের (২০২১) ৫ এপ্রিল এক্সচেঞ্জটিতে ২৩৬ কোটি ৬০ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছিল।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

তারল্য সুবিধা পাবে ইসলামিক ব্যাংকগুলো

Published

on

ব্যাংক

শরীয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংকগুলোকে তারল্য সুবিধা দেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। তারল্য সংকট কাটাতে ব্যাংকগুলো ১৪ দিন মেয়াদে এ সুবিধা দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার দিয়ে সব শরীয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়, ইসলামিক আর্থিক ব্যবস্থাকে অধিকতর শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে এ তারল্য সুবিধা দেওয়া হবে। আজ (৫ ডিসেম্বর) থেকেই এটি কার্যকর হবে। শরীয়াহ্ ভিত্তিক ব্যাংকগুলো সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসে নিয়মিতভাবে এই সুবিধা গ্রহণের জন্য একটি ফর্মে আবেদন করতে পারবে। প্রজ্ঞাপনের সঙ্গে এ ধরনের আবেদন ফর্মও যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে।

অর্থসংবাদ/কেএ

Nogod-22-10-2022
শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

মূল্যস্ফীতি কমেছে নভেম্বরে

Published

on

গত নভেম্বর মাসে দেশে মূল্যস্ফীতি কমে ৮ দশমিক ৮৫ শতাংশে নেমে এসেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্যে বিষয়টি উঠে এসেছে। এর আগের মাসে (অক্টোবরে) মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৯১ শতাংশ। এছাড়াও সেপ্টেম্বরে এ হার ছিল ৯ দশমিক ১০ ও আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ।

বিবিএসের দাবি, সবজিসহ নানা খাদ্যপণ্যর দাম কমেছে। সংস্থাটি বলছে, নভেম্বর মাসে খাদ্যপণ্যের দাম কমে মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ১৪ শতাংশ হয়েছে যা গত মাসে ছিল ৮ দশমিক ৫০ শতাংশ।

সোমবার (৫ ডিসেম্বর) পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান মূল্যস্ফীতির সর্বশেষ তথ্য প্রকাশ করেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, নভেম্বর মাসে অত্যন্ত ভালো খবর পেয়েছি। মূল্যস্ফীতি ডিসেম্বরে আরও কমার সম্ভাবনা আছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান, শাক সবজি হওয়ার পাশাপাশি তেল গ্যাসের দামও বিশ্বব্যাপী কমছে। সার্বিকভাবে প্রবৃদ্ধিও সাত শতাংশে যাবে বলে আশা করেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

Nogod-22-10-2022

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বর্তমানে ৪২২টি পণ্যের উপর মূল্যস্ফীতি যাচাই করা হয়। এখন সেগুলো আবার পুনর্বিবেচনা করা হবে। কেননা এখানে সোনার দামও ধরা হয়েছে। সোনার দাম বাড়লে মূল্যস্ফীতিতে প্রভাব পড়ে। এছাড়া মাখন ও কফিসহ এরকম অনেক পণ্যের দামও ধরা হয়। এগুলো সংশোধন করা হবে।

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ যা তার আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ যা আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৩৮ শতাংশ। খাদ্য-বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৩১ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে কমে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ৯৫ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৮ দশমিক ৭৫ শতাংশ। খাদ্যবর্হিভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৫৪ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৭ শতাংশ।

নভেম্বরে মজুরি হার শতকরা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯৮ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ। কৃষি খাতে মজুরি হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৮৫ শতাংশ। শিল্প খাতে মজুরি হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ। সেবা খাতে মজুরি হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭ দশমিক ১৭ শতাংশে, যা তার আগের মাসে ছিল ৭ দশমিক ১১ শতাংশ।

গত জুলাইয়ে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ, আগস্টে ছিল ৯ দশমিক ৫২ শতাংশ, সেপ্টেম্বরে ছিল ৯ দশমিক ১০ শতাংশ।

গত জুলাইয়ে মজুরি হার ছিল ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ, আগস্টে ছিল ৬ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং সেপ্টেম্বরে ছিল ৬ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ