Connect with us

পশু সম্পদ

কোরবানির পশুর বাজার নিয়ে উৎকণ্ঠায় খামারিরা

Published

on

কোরবানি

আসন্ন কোরবানিকে সামনে রেখে সারা বছর ধরে গরু-ছাগলসহ কোরবানিযোগ্য পশু লালন-পালন করেছেন প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রান্তিক পর্যায়ের খামারিরা। তাদের প্রত্যাশা ছিল, ঈদের আগে হাটে পশু বিক্রি করে মুনাফা করবেন। অনেকেই এজন্য ব্যাংকসহ বিভিন্ন উৎস থেকে ঋণও নিয়েছেন। কিন্তু তাদের জন্যও মারাত্মক ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করেছে বৈশ্বিক মহামারী কভিড-১৯। হাটে পর্যাপ্তসংখ্যক ক্রেতার আগমন ও কোরবানির পশুর চাহিদা নিয়ে বড় ধরনের আশঙ্কা তৈরি করেছে মহামারী। এছাড়া মহামারীসৃষ্ট অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ক্রেতার ক্রয়ক্ষমতা নিয়েও তৈরি করেছে বড় ধরনের সংশয়।

পরিস্থিতিকে আরো সংকটাপন্ন করে তুলেছে উত্তরাঞ্চলের বন্যা। গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজের প্রাদুর্ভাবও দেখা দিয়েছে কোনো কোনো স্থানে। সব মিলিয়ে দেশের সবখানেই এখন মারাত্মক দুশ্চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন অনেক খামারি। সর্বস্বান্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কাও করছেন অনেকে।

চট্টগ্রাম: করোনা সংক্রমণের দিক থেকে এ মুহূর্তে ঢাকার পরই সবচেয়ে বিপজ্জনক অবস্থানে রয়েছে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম। চলমান মহামারী পরিস্থিতিতে আসন্ন কোরবানিতে এখানে গরুর হাট বসলেও অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও মহামারীর কারণে ক্রেতা পাওয়া যাবে কিনা, সে বিষয় নিয়েও বড় ধরনের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছেন এখানকার খামারিরা।

কোরবানির পশু পালনের জন্য প্রসিদ্ধ চট্টগ্রামের শঙ্খ তীরবর্তী এলাকা সাতকানিয়া, চন্দনাইশ, আনোয়ারা ও বাঁশখালী। এ এলাকার প্রতিটি বাড়িতেই স্থানীয় জাত চিটাগং রেড ক্যাটলসহ নানা জাতের গরু পালন হয়। এগুলোর বেশির ভাগই পালন করা হয় কোরবানির সময় বিক্রির উদ্দেশ্যে। তবে এবার করোনা সংকটের কারণে গরুর বাজার ও চাহিদা নিয়ে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন এ অঞ্চলসহ চট্টগ্রামের কৃষক ও খামারিরা।

সাতকানিয়ার শঙ্খ তীরবর্তী গ্রাম দক্ষিণ চরতি। এ গ্রামের কৃষক জেয়াবুল হোসেনের কোরবানির গরু রয়েছে পাঁচটি। গত বছর কোরবানির পর সাড়ে ৪ লাখ টাকা দিয়ে স্থানীয় বাজার থেকে গরুগুলো কিনে লালন-পালন করছেন তিনি। প্রত্যাশা ছিল এবার গরুগুলো কমপক্ষে ৮-১০ লাখ টাকায় বিক্রি করবেন তিনি।

তিনি বলেন, প্রতি বছরই কোরবানিকে ঘিরে পাঁচ-সাতটি গরু পালন করি। এ এলাকার প্রতিটি বাড়িতেই কোরবানির গরু পালন হয়। তবে এবার কোরবানির গরুর চাহিদা নিয়ে আমাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে। আমাদের এখানকার গরুর ভালো কদর রয়েছে বাজারে। কিন্তু করোনার কারণে মানুষ এখন শহর ছেড়ে গ্রামে চলে আসছে। প্রবাসীরাও দেশে ফিরছে। চাকরি ও ব্যবসা-বাণিজ্য বন্ধ থাকায় অনেক মানুষ বেকার। তাহলে এসব গরু কিনবে কে?

একই এলাকার গরুর খামারি আব্দুল মোমেন। তার দুই খামারে গরুর সংখ্যা ১৪০। খামার দুটিতে চিটাগং রেড ক্যাটলসহ অন্যান্য দেশী ও নেপালিসহ বিভিন্ন জাতের গরু রয়েছে। খামারের উদ্যোক্তা আব্দুল মোমেন বলেন, ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে কোরবানির গরু লালন-পালন করছি। চট্টগ্রামের বাজারে এ অঞ্চলের গরুর ভালো চাহিদা থাকায় প্রতি বছর লাভও ভালো হয়। তাই গরু পালনকে ব্যবসা হিসেবে নিয়ে বছর বছর এর পরিধি বাড়িয়েছি। তবে এর সঙ্গে বছর বছর গরু লালন-পালনের খরচও বেড়েছে।

তিনি বলেন, জীবনের সব আয় দিয়ে গড়ে তুলেছি এ খামার। এ গরুগুলোই আমার সারা জীবনের আয়ের টাকা দিয়ে কেনা। সঙ্গে কিছু ব্যাংকঋণও রয়েছে। কিন্তু এবারে গরুর বাজার নিয়ে খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি। এর মধ্যে প্রথম কথা হচ্ছে বাজার কেমন হচ্ছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে কি গরুর বাজার সম্ভব? তাছাড়া করোনার কারণে মানুষের আর্থিক সংকটে চাহিদা তো কমবে।

আগের বছরগুলোর তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় জানিয়েছে, এবার চট্টগ্রামে কোরবানিযোগ্য পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ৭ লাখ ৩১ হাজার। এর মধ্যে স্থানীয়ভাবে সরবরাহযোগ্য পশু রয়েছে ৬ লাখ ৮৯ হাজার ২২টি। এসব পশুর মধ্যে গরু রয়েছে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭২টি। এছাড়া ৫৭ হাজার ১৩১টি মহিষ, ১ লাখ ৬৭ হাজার ২১০টি ছাগল ও ভেড়া এবং ১০৯টি অন্যান্য কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রিয়াজুল হক বলেন, করোনার কারণে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যাওয়ায় এবার কোরবানির পশু বিক্রি কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর পরও সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কোরবানির পশু বিক্রির ব্যবস্থা করতে আমরা কাজ করছি। কারণ কৃষক ও খামারির জীবিকার চেয়ে করোনার সংক্রমণ ও মানুষের জীবনকে এখন গুরুত্ব দিতে হচ্ছে বেশি।

করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম নগরীতে অনুমোদন পেয়েছে তিনটি স্থায়ীসহ মোট সাতটি গরুর হাট। কয়েকদিনের মধ্যে শুরু হবে এসব হাটে গরু বেচাকেনা। প্রয়োজন বিবেচনায় অনুমোদন পেতে পারে আরো কয়েকটি অস্থায়ী গরুর হাট। যদিও সংক্রমণ ঠেকাতে এ মুহূর্তে গরুর হাট থেকে সরে আসার কথা বলছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

রংপুর বিভাগ: করোনার হানায় গোটা রংপুর বিভাগের খামারিরাই বড় ধরনের শঙ্কায় পড়ে গিয়েছেন। বিশেষ করে যেসব খামারি আসন্ন কোরবানিকে সামনে রেখে সারা বছর ধরে গরু লালন-পালন ও মোটাতাজাকরণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের মধ্যেই এখন শঙ্কার মাত্রা সবচেয়ে বেশি। ন্যায্য দামে পশু বিক্রি থেকে শুরু করে চাহিদা ও ক্রেতা পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তা দেখা দিয়েছে তাদের মধ্যে।

রংপুর বিভাগের খামারিদের জন্য এ সংকটকে আরো ঘনীভূত করে তুলেছে চলমান বন্যা পরিস্থিতি ও গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ। বন্যাকবলিত কুড়িগ্রামের সদর উপজেলার যাত্রাপুর ইউনিয়নের ঝুমকার চরের বাসিন্দা মঈনুল হক জানান, মোট চারটি গরু পালন করছেন তিনি, এর মধ্যে দুটি এবার কোরবানির হাটে তোলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু করোনার কারণে এবার গরু বিক্রি হবে কিনা, তা নিয়েই দেখা দিয়েছে বড় ধরনের সংশয়। এর মধ্যে মড়ার উপর খাঁড়ার ঘার মতো দেখা দিয়েছে বন্যা। ব্রহ্মপুত্র নদের অববাহিকায় অবস্থিত ঝুমকার চরের চারণভূমি প্লাবিত হওয়ায় বর্তমানে গরুগুলোর খাবার জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। ঈদের আগে পরিস্থিতির আরো অবনতি হলে এ এলাকায় পাইকাররা আসবেন কিনা, সে বিষয় নিয়েও রয়েছে বড় ধরনের সংশয়।

রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মে মাস পর্যন্ত জরিপে হালনাগাদকৃত তথ্য অনুযায়ী, বিভাগের আট জেলায় কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা ৫ লাখ ৭০ হাজার ৫৫৪। এছাড়াও ঈদের মধ্যে কোরবানিযোগ্য হয়ে উঠবে আরো ২ লাখ ২ হাজার ৩২৭টি। সে হিসেবে আট জেলায় কোরবানিযোগ্য পশু রয়েছে ৭ লাখ ৭২ হাজার ৮৮১টি। এ বছর বিভাগে গত বছর বিক্রি হওয়া পশুর সংখ্যার তুলনায় অতিরিক্ত ১ লাখ ৬৭ হাজার ২৬৫টি পশু প্রস্তুত রয়েছে।

বিভাগের জেলাগুলোর বিভিন্ন স্থানে প্রতি বছরই এ সময় গরু কেনার জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আগত পাইকাররা ভিড় করে থাকেন। কিন্তু এবার সে দৃশ্য একেবারেই চোখে পড়ছে না। রংপুর জেলার অন্যতম বড় হাট শঠিবাড়ি হাটে ঈদের অনেক আগে বাইরের পাইকাররা এসে ভিড় করে থাকেন। কিন্তু এবার চিত্র পুরোপুরি ভিন্ন। হাট ইজারাদারদের একজন মো. ফয়েজুল আলম রুবেল বলেন, তার আট বছরের ব্যবসায় এবারই প্রথম বাইরে থেকে আগত পাইকারদের ভিড় চোখে পড়ছে না তার। যদিও হাটে বিক্রির জন্য গরুর উপস্থিতি ভালো।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের আমবাড়িতে অবস্থিত অনিন্দ ডেইরি ফার্ম মূলত দুধ বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান হলেও খামারটি থেকে প্রতি বছর কোরবানির গরুও সরবরাহ করা হয়ে থাকে। ফার্মের ম্যানেজার মো. মুকুল হোসেন বলেন, এ বছর ৬৫টি গরু বিক্রির লক্ষ্য রয়েছে আমাদের। এর মধ্যে হাটে বেশকিছু গরু নিয়ে গেলেও কাঙ্ক্ষিত দাম না পাওয়ায় ফিরিয়ে নিয়ে আসতে হয়েছে। গত বছর যে আকৃতির ও মানের গরুর দাম ২ লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছিল, এবার সে আকৃতি ও মানের গরু কেউ দেড় লাখ টাকায়ও কিনতে চাচ্ছে না। অথচ, এসব গরুর একেকটির খাওয়া বাবদ প্রায় আট মাস ধরে প্রতিদিন গড়ে ৩০০ টাকা ব্যয় হয়েছে। এছাড়া ফার্মের কর্মচারীদের বেতনসহ অন্যান্য খরচ তো আছেই।

তবে খামার থেকে সরাসরি এবং অনলাইন ও মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্রেতাদের গরু বিক্রি ও সরবরাহকারী বিক্রেতারা এখন পর্যন্ত তুলনামূলক ভালো অবস্থায় রয়েছে। নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর পৌরসভার বাঁশবাড়ি মহল্লার গরু খামারি মো. জামিল আশরাফ মিন্টু বলেন, সাত বছর ধরে খামার থেকে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের মাধ্যমে গরু বিক্রি করছেন তিনি। কখনো হাটে গরু নিয়ে যাননি। গত বছর ২২৩টি বিভিন্ন সাইজের গরু বিক্রি করেছেন। এবারো ১৭০টি গরু ঈদে বিক্রির উদ্দেশ্যে রেখেছেন। এরই মধ্যে ১১৩টি গরু বিক্রি হয়েছে। তার এলাকায় অনেক খামারি মোবাইল ফোনের মাধ্যমে গরু বিক্রি করছেন। এক্ষেত্রে আগ্রহী ক্রেতারা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে গরুর ছবি পাঠিয়ে দেয়া হয়।

তিনি আরো জানান, তাদের এলাকায় দুয়েক জায়গায় গরুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ দেখা দিয়েছে। যদি তা ছড়িয়ে না পড়ে, তাহলে এবার গরু বিক্রি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।

এ বিষয়ে রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ডা. মো. হাবিবুল হক বলেন, করোনা থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সুরক্ষা দিতে আমরা এবার কোরবানিতে খামারিদের হাটের পরিবর্তে অনলাইনে প্রচারের মাধ্যমে বিক্রিতে উৎসাহিত করছি।

যশোর: আসন্ন কোরবানিকে সামনে রেখে কোরবানিযোগ্য পশু লালন-পালন করেছেন যশোরের প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রান্তিক পর্যায়ের অনেক খামারি। চলমান নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ পরিস্থিতি মহাদুশ্চিন্তায় ফেলে দিয়েছে তাদের সবাইকেই।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, যশোরে এবার কোরবানি উপলক্ষে ১০ হাজার ২৮২টি খামারে ৬৭ হাজার ৯৭৫টি গরু-ছাগল মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৩৪ হাজার ৯৯৭টি ও ছাগল-ভেড়া রয়েছে ৩২ হাজার ৯৭৮টি। এবার জেলায় ৬০ হাজার কোরবানিযোগ্য পশুর চাহিদা রয়েছে। সে হিসেবে এখানে কোরবানিযোগ্য অতিরিক্ত পশু রয়েছে প্রায় আট হাজার।

জানা গিয়েছে, জেলার অধিকাংশ খামারিই এবার নিজেদের গচ্ছিত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পুঁজি বিনিয়োগ করে কোরবানির পশু পালন করছেন। এবার ভারত থেকে গরু আমদানি না হলেও করোনার ছোবল তাদের মধ্যে বড় ধরনের আশঙ্কার কারণ হয়ে উঠেছে। প্রত্যাশা অনুযায়ী পশু বিক্রি করতে না পারলে অনেক খামারির আর্থিকভাবে পঙ্গু হয়ে যাওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে।

যশোর সদরের সুলতানপুর গ্রামের মো. নূরুন্নবী এবারের কোরবানিকে সামনে রেখে মোটাতাজাকরণ করেছেন ১০টি গরু। প্রতিদিন গরুর খাবারের পেছনে তার ব্যয় হয়েছে গড়ে ২ হাজার টাকা করে। হামিদপুর গ্রামের আসাদ আসাদুজ্জামান মোটাতাজাকরণ করেছেন পাঁচটি দেশী গরু। এসব গরুর খাবারের পেছনে দৈনিক তার ব্যয় হয়েছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা। এ দুই খামারিরই প্রত্যাশা ছিল, আসন্ন কোরবানিতে ভালো দামে গরু বিক্রি করবেন। কিন্তু করোনার কারণে বিষয়টি নিয়ে এখন বড় ধরনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারাও। এ বিষয়ে যশোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাক্তার শফিউল আলম বলেন, এবারের কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে খামারিদের মতো আমরাও করোনার প্রভাব নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। যদি খামারিরা লোকসানের শিকার হন, তাহলে আগামীতে তাদের গরু-ছাগল লালন-পালনে আগ্রহ কমেও যেতে পারে।

খুলনা: কোরবানির হাটে পশুর প্রত্যাশিত দাম পাওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন খুলনার খামারিরাও। দুশ্চিন্তার মধ্যে হাটের অপেক্ষায় না থেকে আগাম গরু বিক্রির চেষ্টা করছেন অনেক খামারি ও পশু ব্যবসায়ী। তাদের অনেকেই বলছেন, পরিস্থিতি বুঝেই তারা সিদ্ধান্ত নিতে চান। দাম পেলেই কেবল গরু হাটে তুলবেন। অন্যথায় লোকসান দিয়ে তারা গরু বিক্রি করবেন না। যে কারণে সঠিক দামে আগে থেকেই বিক্রির চেষ্টা করছেন।

এ অবস্থায় অনলাইনেই কোরবানির পশু কেনাবেচায় খামারি ও ক্রেতাদের উৎসাহ দিচ্ছে স্থানীয় প্রশাসন। এরই মধ্যে খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং খুলনা সিটি করপোরেশন ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এখানে ‘অনলাইন কোরবানি হাট’ নামে একটি অ্যাপ চালু করা হয়েছে। চালু করা হয়েছে ওয়েবসাইটও।

খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনায় এবার কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে ৪৫ হাজার ১৪৮টি। এর মধ্যে গরু রয়েছে ৪০ হাজার ৯৬৮টি। ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৪ হাজার ১৮০টি।

দিঘলিয়া উপজেলা সদরের মরহুম খান মোজাফ্ফর হোসেন ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী এরশাদ খান সবুজ জানান, তার খামারে ৮০টি গরু এবার কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু করোনা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে খুব একটা লাভ না হলেও ছেড়ে দেবেন তিনি। কিন্তু লোকসানে গরু বিক্রি করবেন না।

বটিয়াঘাটা উপজেলার খামারি সুমন হোসেন বলেন, অনেকেই অনলাইনে গরু ক্রয়-বিক্রয়ের চেষ্টা করছেন। কিন্তু খামারিরা হাটে গরু নিয়ে বিক্রি না করতে পারলে সন্তুষ্ট হন না।

খুলনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এসএম আউয়াল হক বলেন, এবার করোনার কারণে পশুরহাটে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে বেচাকেনা হবে। এছাড়া অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি হচ্ছে। যে কারণে পশু বিক্রি নিয়ে খামারিদের খুব বেশি হতাশ হওয়ার কিছু নেই।সুত্র:বনিকবার্তা

শেয়ার করুন:
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এগ্রিবিজনেস

শেষে এসে রাজধানীতে কোরবানির পশুর সংকট

Published

on

কোরবানি

শেষ মুহূর্তে রাজধানীর পশু হাটগুলোতে দেখা দিয়েছে কোরবানির গরু ছাগলের সংকট। বৃহস্পতিবার বিকেলের পর থেকেই পশুহাটগুলোকে বেচাবিক্রি বেড়ে যায়। শুক্রবার সকালেই হাটগুলোতে দেখা দেয় পশুর সংকট। আগের রাতে ক্রেতাদের সমাগম দেখে অনেক ফড়িয়া দ্রুত রাজধানীর আশপাশ থেকে পশু জড়ো করেন। ফলে শেষ দিকে কিছুটা হলে বিক্রেতাদের মুখে হাসি ফুটেছে।

পশু ব্যবসায়ী ও ইজারাদাররা জানান, এবার কোভিড-১৯ এর কারণে অনেকেই পশু কোরবানি থেকে বিরত রয়েছেন। আর করোনার স্বাস্থ্যবিধির কড়াকড়ির কারণে রাজধানীতে পশুরহাটও কমিয়ে দেয় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। এ জন্য বাকি যে হাটগুলো ছিল, সেগুলোতেও পশু উঠেছিল তুলনামূলক কম। এ কারণেই বৃহস্পতিবার হাটগুলোতে পশুর সংকট দেখা দেয়। তবে ফড়িয়ারা বিষয়টি আঁচ করতে পেরে তাৎক্ষণিকভাবে পশু আমদানির চেষ্টা করে। তারা দামও বাড়িয়ে দেয়। অথচ গত কয়েক দিন ধরেই পশুর বাজার ছিল কিছুটা মন্দা।

রাজধানীর বিভিন্ন হাটে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, অনেকেই হাটে পশু কিনতে গিয়ে ফিরে যাচ্ছেন। তারা জানান, হাটগুলোতে থাকা পশুর প্রায় সবই বিক্রি হয়ে গেছে। তারা অনেকে ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতার কাছ থেকে পশু কেনার চেষ্টা করেন। অনেকে গরুর পরিবর্তে খাসি কিনতে চান। খাসিরও দাম বেড়ে যায়।

এমনিতেই এবার হাটে পশু কম উঠেছিল। বৃহস্পতিবার দুপুরের পরই হাটে ক্রেতার ঢল নামে। মুহূর্তের মধ্যেই বিপুল সংখ্যক পশু বিক্রি হয়ে যায়। কিছু ব্যাপারী শুক্রবার সকালের মধ্যেই পশু এনে জড়ো করেন। এতে পশুর চাহিদা অনেকটাই পূরণ করা গেছে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

এগ্রিবিজনেস

অনলাইনে বিক্রি হয়েছে ২৫০ কোটি টাকার কোরবানির পশু

Published

on

কোরবানি

অনলাইন সংগঠন ই ক্যাব বলছে, এ বছর অনলাইনে প্রায় ২৭ হাজার গরু ছাগল ও অন্যান্য কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে। যার মূল্য প্রায় আড়াশো কোটি টাকা।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এর এক যৌথ অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়।

ডিজিটাল হাট সম্পর্কে ডিএনসিসির মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সফল করতে গিয়ে ডিএনসিসি, আইসিটি ডিভিশন ই-ক্যাব, আইএসএসএল, ধানসিড়ি ও সাদিক এগ্রোর সম্মিলিত টিমকে রাতদিন পরিশ্রম করতে হয়েছে। নানা ধরনের জটিল ইস্যু ছিল এগুলো তারা আন্তরিকতার সাথে সমাধান করেছে।

তিনি জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ঈদের দিন কাজ করবেন ১১ হাজার কর্মী।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

এগ্রিবিজনেস

ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে আরও ৬টি পশুর হাটের অনুমোদন

Published

on

কোরবানি

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) আরও ছয়টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন ইজারা পাওয়া ছয়টি হাটসহ ডিএসসিসিতে মোট ১১টি হাটের ইজারা দেওয়া হলো।

মঙ্গলবার ডিএসসিসিতে হাট ইজারা সম্পর্কিত তৃতীয় পর্যায়ের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ মো. ইমদাদুল হকের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

নতুন অনুমোদন পাওয়া হাটগুলো হলো- খিলগাঁওয়ের মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন খালি জায়গা (ইজারামূল্য এক কোটি ২০ লাখ), যাত্রাবাড়ীর দনিয়া কলেজ মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা (এক কোটি ৮০ লাখ), ধুপখোলা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা (৫০ লাখ ৬৬ হাজার ৬৬৬ টাকা), ধোলাইখাল ট্রাক-স্ট্যান্ডের পাশে সাদেক হোসেন খোকা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা (৪৮ লাখ ৫০ হাজার), আমুলিয়া মডেল টাউনের খালি জায়গা (২০ লাখ ২৫ হাজার তিন টাকা) এবং লালবাগে রহমতগঞ্জ খেলার মাঠের আশেপাশের খালি জায়গা (২৫ লাখ ১০ হাজার টাকা)।
এর আগে ইজারা পাওয়া পাঁচটি হাট হলো- পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন হাট (ইজারা মূল্য ছিল ৭০ লাখ ৫০ হাজার), গোপীবাগের হাট (দুই কোটি ৫২ লাখ টাকা), হাজারীবাগের হাট (এক কোটি ৩৫ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৫ টাকা), খিলগাঁও হাট (৮৫ লাখ ৫০ হাজার), এবং আফতাব নগরের হাট (এক কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার)।

ঈদ উল আজহাকে কেন্দ্র করে অস্থায়ী পশুর হাটের তালিকা এটিই চূড়ান্ত বলে জানিয়েছে ডিএসসিসির জনসংযোগ বিভাগ।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

এগ্রিবিজনেস

ঢাকা দক্ষিণে পাঁচটি পশুর হাট চূড়ান্ত

Published

on

কোরবানি

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় পাঁচটি পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। রোববার এক সভায় ডিএসসিসি এলাকায় পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।

ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. রাসেল সাবরিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, আজকের সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ডিএসসিসি এলাকায় এবার পাঁচটি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাকিগুলোর দরপত্র অনুযায়ী ১৯ তারিখ শেষ সময়। এরপর বাকি হাটগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। করোনা পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাকি হাটগুলো বসার সম্ভাবনা অনেকাংশেই কম, তবে এ বিষয়ে পরে সভা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে অনলাইন হাট চালু করেছে, দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের এমন কোনো সিদ্ধান্ত আছে কি-না, এ প্রশ্নের জবাবে রাসেল সাবরিন বলেন, অনলাইন হাট বিষয়ে অনেক প্রতিষ্ঠানই আমাদের সঙ্গে আলোচনা করছে। সব কিছু বিবেচনা করে আমরাও পরে এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারি। তবে এখনও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

সভা সূত্রে জানা গেছে, ডিএসসিসি এলাকায় চূড়ান্ত হওয়া পাঁচটি হাটের মধ্যে রয়েছে- কমলাপুর লিটল ফ্রেন্ডস ক্লাব সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গা, আফতাবনগর ব্লক-ই, এফ, জি এর সেকশন ১ ও ২ নম্বর এলাকা, হাজারীবাগ লেদার টেকনোলজি কলেজ সংলগ্ন খালি জায়গা, উত্তর শাহজাহানপুর মৈত্রী সংঘের মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গা এবং পোস্তগোলা শ্মশানঘাট সংলগ্ন খালি জায়গা।

ডিএসসিসি সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ডিএসসিসি এলাকায় ১৪টি অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছিল। কিন্তু এর মধ্যে তিনটি হাট ইজারা নিতে কেউ দরপত্র জমা দেয়নি। এছাড়া দুটিতে সরকারি দরের চেয়ে কম মূল্যে দরপত্র জমা পড়েছে, যে কারণে পুনরায় দরপত্র আহ্বান করা হয়।

গত ২৯ জুন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ হানিফ মিলনায়তনে দরপত্রগুলো খোলেন ডিএসসিসির প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন। সেখানে দেখা যায়, ১৪টি হাটের মধ্যে ধূপখোলা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গায় নির্ধারিত অস্থায়ী পশুর হাটে, শ্যামপুর বালুর মাঠ এবং দনিয়া কলেজ মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য কোনো দরপত্র জমা পড়েনি।

ধূপখোলা মাঠ সংলগ্ন খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য সরকারি দর ছিল ৪৬ লাখ ৮১ হাজার ৩৩৪ টাকা, দনিয়া কলেজ মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার জন্য সরকারি দর ছিল এক কোটি ৫৪ লাখ ৪০ হাজার ৬৬৭ টাকা এবং শ্যামপুর বালুর মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের জন্য সরকারি দর ছিল এক কোটি দুই লাখ ১১ হাজার ৩৩৫ টাকা। কিন্তু এই তিনটি হাটের জন্য কোনো দরপত্র জমা পড়েনি।

এদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটির অস্থায়ী দুটি কোরবানির পশুর হাটে সরকারি দরের চেয়ে কম মূল্যে দরপত্র জমা পড়েছে। এই দুটি হচ্ছে মেরাদিয়া বাজার ও আরমানিটোলা মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী পশুর হাট।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, মেরাদিয়া বাজার সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার হাটের সর্বোচ্চ দর উঠেছে ৯০ লাখ তিন হাজার টাকা। তবে সরকারি দর ছিল এক কোটি ৯ লাখ ৩৯ হাজার ৮০০ টাকা। অন্যদিকে আরমানিটোলা মাঠ সংলগ্ন আশপাশের খালি জায়গার অস্থায়ী হাটের সর্বোচ্চ দর উঠেছে এক কোটি ১৫ লাখ টাকা, যার সরকারি দর ছিল এক কোটি ৬৫ লাখ ২৮ হাজার ৫৪ টাকা।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

কোরবানি
জাতীয়2 hours ago

শেখ হাসিনার জন্যই দেশজুড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

কোরবানি
জাতীয়3 hours ago

আইজিপির দায়িত্ব নিলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

কোরবানি
সারাদেশ4 hours ago

এক টাকায় পছন্দের পোশাক,সহযোগীতায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

কোরবানি
কর্পোরেট সংবাদ5 hours ago

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

কোরবানি
জাতীয়5 hours ago

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী

কোরবানি
পরিবেশ5 hours ago

৩ দিনের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, বাড়বে বৃষ্টি

কোরবানি
জাতীয়6 hours ago

র‍্যাবের ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এম খুরশীদ হোসেন

কোরবানি
ক্রিকেট7 hours ago

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা

কোরবানি
জাতীয়8 hours ago

আমাদের হাঁটু ভাঙবে না, কোমরও ভাঙবে না: কাদের

কোরবানি
রাজধানী10 hours ago

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৯

তারিখ অনুযায়ী খবর

October 2022
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
Advertisement
Advertisement

এ সপ্তাহের আলোচিত

সম্পাদক : হায়দার আহমেদ খান এফসিএ

কার্যালয় : ৫৬ পুরানা পল্টন, শখ সেন্টার, লেভেল-৪, ঢাকা।

news.orthosongbad@gmail.com

+8801791004858

স্বত্ব © ২০২২ অর্থসংবাদ