সবজি চাষে সরকারি সহায়তা পাবে পটুয়াখালীর ২৫৯২ কৃষক

প্রতিনিধি প্রকাশ: ২০২০-০৬-২৪ ১১:৩১:৩২

করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে পতিত জমি আবাদি করে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে পটুয়াখালী জেলা কৃষি বিভাগ। প্রান্তিক কৃষকরা যাতে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করতে পারেন সে জন্য পুষ্টি বাগান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর। এ কর্মসূচির আওতায় জেলার দুই ৫৯২ জন কৃষককে বিনামূল্য বীজ, সার এবং শাক-সবজি রক্ষায় বেড়া তৈরি ও পরিচর্যা খরচ বাবদ নগদ দুই হাজার টাকা প্রদান করা হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে , ইতোমধ্যে পুষ্টি বাগান কর্মসূচির আওতায় দুই হাজার ৫৯২ জন কৃষকের তালিকা করা হয়েছে। সে অনুযায়ী উপজেলার অফিসগুলোতে বীজ, সার এবং শাক-সবজি রক্ষায় বেড়া তৈরি ও পরিচর্যা খরচ বাবদ নগদ টাকা পাঠানো হয়েছে। এতে কৃষকের নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর বা মোবাইল ব্যাংকিং নম্বর সংযুক্ত করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যে সরকারের এমন উদ্যোগে তারা অনেক উপকৃত হবেন। নিজেরাই নিজেদের শাক-সবজির চাহিদা মেটাতে পারবেন।

পটুয়াখালী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত বলেন, করোনাভাইরাসের এই ক্রান্তিকালে প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকরা যেন খাদ্য সংকটে না পড়েন সে জন্য ইতোমধ্যে তিন হাজার ৫৯০ জন কৃষকের মাঝে শাক-সবজির বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রান্তিক কৃষকরা যাতে নিরাপদ সবজি উৎপাদন করতে পারেন তার জন্য পুষ্টি বাগান কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার। এই কর্মসূচির আওতায় জেলার দুই হাজার ৫৯২ জন কৃষককে বিনামূল্যে বীজ, সার এবং শাক-সবজি রক্ষায় বেড়া তৈরি ও পরিচর্যা খরচ বাবদ নগদ দুই হাজার করে টাকা প্রদান করা হবে।

তিনি আরও বলেন, যারা পুষ্টি বাগান কর্মসূচির আওতায় এসেছেন তারা ১২ মাস নিরাপদ সবজি উৎপাদন করবেন। তারা শাক-সবজিতে কীটনাশক দেবেন না, বালাইনাশক দেবেন না। এতে নিজের পরিবারের পুষ্টি চাহিদা তারা নিজেরাই পূরণ করতে পারবেন।

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।