Connect with us

লাইফস্টাইল

চুল পড়া কমাতে করণীয়

Published

on

চুল পড়ার সমস্যা বাড়লে চুলের সৌন্দর্য তো নষ্ট হয়ই, সেইসঙ্গে এটি বিভিন্ন অসুখের লক্ষণও প্রকাশ করতে পারে। তাই চুল পড়ার পরিমাণ বাড়লে নিজের প্রতি আরও বেশি যত্নশীল হতে হবে। বাইরে থেকে যত্ন তো নেবেনই, খাবারের তালিকায়ও যোগ করতে হবে কিছু খাবার। কিছু খাবার আছে যেগুলো খেলে চুল পড়ার সমস্যা অনেকটাই কমে। 

চুল পড়ার সমস্যা কমাতে কিছু খাবার বাদ দিতে হবে, যেগুলো চুলের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। অতিরিক্ত মসলাদার, ভাজাপোড়া, অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার বাদ দিতে হবে খাবারের তালিকা থেকে। সতেজ ও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। এছাড়াও বিশেষ তিনটি খাবার আপনাকে চুল পড়া থেকে মুক্তি দিতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক-

মেথি

চুল পড়ার সমস্যা বন্ধ করতে অন্যতম কার্যকরী খাবার হলো মেথি। এটি বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরিতে ব্যবহার করা যায়। সবজির ফোড়ন হিসেবে রাখতে পারেন মেথির ব্যবহার। সালাদে মেথির গুঁড়া খেতে পারেন। খাওয়া ছাড়াও এটি চুলের যত্নে ব্যবহার করা যায়। সেজন্য অল্প নারকেল তেলে মেথি দিয়ে গরম করে নিতে হবে। তারপর ঠান্ডা করে তা মাথায় লাগিয়ে নিতে হবে। আলতো হাতে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করে নেবেন। এভাবে সারারাত রেখে পরদিন গোসল করে নেবেন। 

Nogod-22-10-2022

অলিভ বীজ

চুলের যত্নে উপকারী খাবার হলো অলিভ বীজ। চুলের যেকোনো সমস্যা দূর করতে কাজ করে এটি। এক চামচ অলিভ বীজ দুধের সঙ্গে ভিজিয়ে খেতে পারেন। নারিকেল এবং ঘি দিয়ে তৈরি লাড্ডুতে ব্যবহার করতে পারেন অলিভ বীজ। পুষ্টিবিদরা বলেন, এতে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। কেমো চললে চুল ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সব চুলই প্রায় উঠে যায়। এই সময়েও চুল গজানোর জন্য অলিভ বীজ খাওয়ার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা।

জায়ফল

চুলের যত্নে খাবারের তালিকায় জায়ফল যোগ করার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদরা। এক গ্লাস হালকা গরম দুধের সঙ্গে এক চিমটি জায়ফল মিশিয়ে খেয়ে নিন। আবার এই জায়ফল নাইটক্যাপ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। জায়ফলে থাকা ভিটামিন বি৬, ফলিক অ্যাসিড এবং ম্যাগনেসিয়াম চুল পড়া বন্ধ করে। সেইসঙ্গে এটি চুলের ডগা ভেঙে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement

লাইফস্টাইল

হার্ট অ্যাটাকের এক মাস আগে যেসব উপসর্গ দেয় শরীর

Published

on

যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা রক্তে শর্করা মাত্রা বেশি বা যাদের স্থুলতার সমস্যা রয়েছে, তাদের হৃদরোগের আশঙ্কা বেশি। হার্ট অ্যাটাক যেকোনো বয়সে, যেকোনো সময় হতে পারে। তবে হার্ট অ্যাটাক হওয়ার এক মাস আগে থেকেই শরীর জানান দেয়। সেক্ষেত্রে কিছু উপসর্গ দেখা দেয়। কিন্তু নানা রকম ব্যস্ততায় আমরা এই বিষয়টি নজরে রাখি না। তবে নিজেকে সুস্থ রাখতে হার্ট অ্যাটাকের উপসর্গগুলো জেনে রাখা এবং সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া উচিত। হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে-

১। শ্বাস-প্রশ্বাসে যদি কষ্ট হয়, তা হলে হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা থাকে। শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, দম আটকে আসলে অবিলম্বে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন। হৃদযন্ত্রের কোনো রকম সমস্যা হলে ফুসফুস অক্সিজেন কম পায়। তাই এই লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

২। কোনো কারণ ছাড়াই ঘাম হওয়া, একটুতেই হাঁপিয়ে যাওয়া দুশ্চিন্তার কারণ। শরীরে রক্ত চলাচল ঠিকঠাক না হলে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঠিক করে অক্সিজেন পায় না। তাই হাঁপ ধরতে পারে।

৩। যদি মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে দেখেন দরদর করে ঘামছেন, তাহলে উপেক্ষা করবেন না।

Nogod-22-10-2022

৪। বুকে ব্যথা বা চাপ লাগার মতো অনুভূতি হলে অবশ্যই চিকিৎসককে জানান।

৫। মেয়েদের ক্ষেত্রে কিছু লক্ষণ আলাদা। বুকে ব্যথা, ঘাম হওয়া বা হাঁপ ধরা ছাড়াও পেটে অস্বস্তি, পিঠে ব্যথার মতো কিছু অন্যান্য লক্ষণও দেখা দিতে পারে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

মা-বাবার এই পাঁচ বদঅভ্যাস সন্তানের জন্য ঝুঁকি!

Published

on

একটি শিশুর জন্য নৈতিক শিক্ষা লাভের প্রথম ভিত্তি হচ্ছে তার পরিবার। আর পরিবারের মধ্যে শিশুর প্রথম শিক্ষক হচ্ছেন তার মা-বাবা। যারা কিনা ছোট থেকেই পারিবারিক শিক্ষায় সন্তানকে বড় করে তোলেন। জীবনের শুরুতে বাবা-মা সন্তানকে যে শিক্ষায় শিক্ষিত করবেন, বড় হয়ে সন্তান তারই প্রতিচ্ছবি দেখাবে।

পৃথিবীতে সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো সন্তান লালন-পালন করা। এক্ষেত্রে পরিবারকে সবকিছু করতে হবে বুঝে-শুনে। কারণ বাবা-মা যদি খারাপ প্যারেন্টিং অনুসরণ করেন, তবে তা সন্তানের ওপর দীর্ঘমেয়াদী খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে। তাই কিছু কিছু কাজ আছে, যেগুলো সন্তানের সঙ্গে বা তার সামনে না করা উত্তম।

​শিশুকে তিরস্কার করা
সন্তান যদি কিছু ভুল করে, তাহলে সে ভুলের জন্য তাকে তিরস্কার বা অনেক বেশি বকাঝকা করা যাবে না। কারণ তিরস্কার বা অধিক বকাঝকা আপনার সন্তানের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। সন্তান সততা দেখিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করার পরও যদি আপনি তাকে বকাঝকা করেন, তাহলে আপনার ক্রিয়াটি আরও খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে।

​সবার সামনে শিশুকে শাসন করবেন না
কিছু বাবা-মা আছেন যারা কিনা অতিথিদের সামনে তাদের সন্তানের ওপর রাগ প্রকাশ করেন। অন্যদের সামনে তাদের বকাঝকা করেন। আবার অনেকে গায়ে হাতও তোলেন। এটি আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাসের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। শৃঙ্খলার এই পদ্ধতি থেকে উদ্ভূত লজ্জার অনুভূতি তার মনে শিকড় গেড়ে বসে।

Nogod-22-10-2022

শুধু উপদেশ নয়, উৎসাহ দিন
বাবা-মা সন্তানকে উপদেশ দেবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু উপদেশ না দিয়ে উৎসাহ দিলে শিশু যেকোনো কাজে নিজের গতি ফিরে পায়। নিজের ভেতর বাড়তি চাপ অনুভব করে না।

​নিয়মানুবর্তিতা
ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে শিশুদের সামনে কিছু নিয়ম ও সীমারেখা তৈরি করতে হয়। আপনি যদি আপনার সন্তানকে নিয়মানুবর্তিতা না শেখাতে পারেন, তাহলে বাইরের জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা বা মানিয়ে নেওয়া তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে উঠতে পারে।

শিশুর অনুভূতি সম্মান না করা
সন্তানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে এবং তার অনুভূতি বুঝতে সময় নেন। যখন একটি শিশুর মতামত এবং অনুভূতি উপেক্ষা করা হয় এবং একটি স্বাস্থ্যকর উপায়ে সম্বোধন করা হয় না, এটি শিশুদের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

হাত-পায়ে ঝি ঝি ধরে কেন?

Published

on

বেশ কিছুক্ষণ এক ভঙ্গিমায় থাকলে বা হাত-পায়ে চাপ পড়লে ঝি ঝি ধরার সমস্যা হয়। এ সমস্যায় কমবেশি সবাই ভোগেন। এক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে হাত-পা নাড়ানো কষ্টকর হয়ে ওঠে, অবশবোধ হয় ও যন্ত্রণা করে। তবে কেন এমনটি হয়?

আসলে দীর্ঘক্ষণ এক ভঙ্গিতে থাকলে এমনটি ঘটে। এক্ষেত্রে হাত-পায়ের পেশিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে যে স্নায়ু, তার উপরে চাপ পড়ে বলেই এমনটি ঘটে। তখন হাত-পায়ে শক্তি পাওয়া যায় না।

যদি পায়ে ঝি ঝি ধরার পরেও একইভাবে যদি দীর্ঘক্ষণ বসে থাকা হয় তাহলে পায়ের কয়েকটি অংশে রক্ত জমাট বেঁধে যেতে পারে। তখন ঝি ঝি’র অনুভূতি আরও বাড়ে।

ঠিক একইভাবে কোনো হাত দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিমায় রাখলেও ঝি ঝি ধরতে পারে। তখন হাত অবশ হয়ে যায় ও যন্ত্রণা করে।

Nogod-22-10-2022

ওরেগন স্টেট ইউনিভার্সিটির মতে, ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতির একটি স্নায়বিক উপসর্গের মধ্যে আছে হাত-পায়ের অসাড়তা ও ঝি ঝি ভাব।

স্বাস্থ্য সংস্থা বিএমজে’র মতে, যদিও নিউরোলজিক জটিলতার অগ্রগতি সাধারণত ধীরে ধীরে হয়, তবে ভিটামিন বি ১২ এর ঘাটতি হলে তা চিকিৎসার পরও উপসর্গগুলো দীর্ঘ সময়ের জন্য শরীরে উপস্থিত থাকে।

এ সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তির উপায় কী?

মাথা দোলান

দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকলে ঝিঁঝি ধরে যায়। তখন মাথা এপাশ ওপাশ দোলালে সাধারণত শরীরের সব স্নায়ুতে চাপ পড়ে। এতে ধীরে ধীরে ঝিঁঝি ঠিক হয়ে যায়।

দাঁড়িয়ে থাকুন ও হাঁটার চেষ্টা করুন

ঝিঁঝি লাগলে যদিও হাঁটতে কষ্ট হয়, তাই কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকুন ও হাঁটার চেষ্টা করুন। পায়ে ঝিঁঝি ধরলে পেশিতে সঙ্কোচনের কারণেই এমনটি হয়। দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করলে ঝিঁঝি ঠিক হয়ে যাবে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

ধুলা-বালির অ্যালার্জি কমাবে পাঁচ খাবার

Published

on

আমাদের সবারই কমবেশি বাইরে যেতে হয়। আর বাইরে যাওয়া মানেই ধুলাবালি। আবার ছুটির দিনগুলোতে আমরা বাসাবাড়ি পরিষ্কার করে থাকি। সেখানেও ধুলাবালির মুখোমুখি হতে হয় আমাদের। তবে ঝামেলা তখন শুরু হয় যখন এই ধুলাবালি থেকে অ্যালার্জির সমস্যা হয়। চোখমুখ লাল হয়ে, হাঁচি-কাশিতে একেবারে দফারফা অবস্থা।

কারও ক্ষেত্রে চোখ থেকে অনবরত পান পড়াও ‘ডাস্ট’ অ্যালার্জির অন্যতম একটি লক্ষণ। শ্বাস বন্ধ হয়ে আসে। ত্বকে র‌্যাশ ও চুলকানির মতো সমস্যা দেখা যায়। এই রোগ থাকলে চিকিৎসকের কাছ থেকে পরামর্শ নেয়াই শ্রেয়। তবে সব সময় ডাক্তারের কাছে যাওয়া সম্ভব হয় না, তখন কিছু খাবার খেলে আমরা এই অ্যালার্জিকে খানিকটা প্রতিহত করতে পারবো।

গ্রিন টি
প্রতি দিন চা-কফির অভ্যাসে রাশ টানুন। দিনে দু-তিন বার গ্রিন টিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠুন। এর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট অ্যালার্জির সমস্যার সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

দুধ জাতীয় খাবার
খাওয়ার পাতে রাখুন টক দই, ছানা, লাস্যি। এদের প্রোবায়োটিক উপাদান অসুখের জীবাণুর সঙ্গে যেমন লড়ে, তেমনই শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়। ধুলোবালি থেকে অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা কমে।

Nogod-22-10-2022

হলুদ
হলুদের অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল গুণ অ্যালার্জি প্রতিরোধে সাহায্য করে। আপনার ধুলোবালিতে অ্যালার্জি থাকলে রোজ নিয়ম করে গরম দুধে এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করুন। উপকার পাবেন।

দারুচিনি
এই উপাদানটিও শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। তাই রোজের ডায়েটে দারচিনি দেওয়া চা রাখতে পারেন। এতে শরীর থেকে দূষিত পদার্থগুলি দূর হবে আর অ্যালার্জির সমস্যা থেকেও রেহাই পাবেন।

বাদাম
ধুলোবালিতে অ্যালার্জি থাকলে রোজ ড্রাই ফ্রুটস খাওয়ার চেষ্টা করুন। এতে থাকা নানা ধরনের স্বাস্থ্যকর উপাদান অ্যালার্জির সমস্যা দূরে রাখবে। নিয়ম করে কাজু, আখরোট, কাঠবাদাম খেতে পারেন। ড্রাই ফ্রুটস রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

লাইফস্টাইল

তুলে রাখা শীতের পোশাক ব্যবহারের আগে করণীয়

Published

on

বছর ঘুরে আবারও চলে এসেছে শীতের মৌসুম। চারদিকে হিম হিম আবহ ঘিরে ধরেছে। বাতাসে বইছে শীতের আমেজ। কুয়াশা ঘেরা ঠান্ডা আবহাওয়াই জানান দিচ্ছে, যে কিছুদিনের মধ্যেই জেঁকে ধরবে শীত। কাজেই সবাই এখন আলমারি থেকে তাদের শীতের কাপড় নামানো প্রায় শুরু করে দিয়েছেন।

কিন্তু শীতের কাপড় আলমারি থেকে বের করে সরাসরি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ, বছর ধরে আলমারি বা বাক্সে পড়ে থাকা অব্যবহৃত গরম কাপড়গুলো ভ্যাপসা একটা ভাব হয়ে নেতিয়ে থাকে। কাজেই এসব কাপড় আলমারি থেকে বের করে সরাসরি গায়ে দেওয়া মোটেও স্বাস্থ্যসম্মত নয়। কাজেই শীতের কাপড় ব্যবহারের পূর্বে বিশেষ কিছু দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তার জন্য রয়েছে কিছু টিপস-

সোয়েটার- সোয়েটার ব্যবহারের আগে ধুয়ে নেওয়া ভালো। সোয়েটার মূলত উলেন বা পশমের হয়ে থাকে। কাজেই এটা ধুতে সাবান বা ডিটারজেন্ট ব্যবহার না করে ঠান্ডা পানিতে শ্যাম্পু মিশিয়ে ধোয়া উচিত। আর সঙ্গে অল্প পরিমাণ ভিনেগার মিশিয়ে নিলে কাপড়টা আরও ঝকঝকে থাকবে, তবে সাদা কাপড়ের বেলায় সোয়েটার কখনই ব্রাশ বা হাত দিয়ে রগরিয়ে ঘষে বা কেচে ধোয়া উচিত নয়। তাতে করে সোয়েটারের আকার নষ্ট হয়ে যাবে। জলেতে ভিনিগার না মেশানোই ভালো। তার বদলে লেবুর রস মিশিয়ে নিলে উপকার পাওয়া যায়।

ফ্লানেলের কাপড় ও অন্যান্য চাদর- এসব কাপড়ের ক্ষেত্রেও সাবান ও ডিটারজেন্ট দিয়ে না ধুয়ে শ্যাম্পু দিয়ে ধুলে কাপড়ের উজ্জ্বলতা ঠিক থাকে এবং ঘন্টা খানেক ভিজিয়ে রেখে একটু কচলে নিলেই ময়লা পরিষ্কার হয়ে যায়। তবে বেশি ময়লা হলে এক্ষেত্রে হালকা গরম জল মিশিয়ে নিয়ে কিছুক্ষণ ভিজিয়ে রেখে সামান্য কচলে নিলেই ময়লা উঠে যাবে, পরে ঠান্ডা জল দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

Nogod-22-10-2022

কোট বা লেদারের কাপড়- কোট আর লেদারের কাপড় ঘরে না ধুয়ে লন্ড্রিতে ড্রাই ক্লিন করিয়ে পরিষ্কার করতে হবে। এসব কাপড় ব্যবহারের সময় যতটা যত্নশীল হতে হয় তেমনি ব্যবহারের পর হালকাভাবে নরম ব্রাশ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করে হ্যাংগারে ঝুলিয়ে রাখতে হবে।

কাশ্মীরী ও পশমী চাদর- এগুলো ব্যবহারের আগে ভালোভাবে রোদ লাগিয়ে গায়ে দিতে হবে। এই চাদরগুলো সারাসরি জল দিয়ে ধোয়া উচিত নয়। এগুলো কেবল ড্রাইওয়াশ করাতে হয়।

মোজা, মাফলার ও টুপি- শীতে সোয়েটার, চাদরের চেয়ে বেশি ময়লা হয় মোজা, টুপি ও মাফলার। কাজেই কয়েকদিন পরপর এগুলো সাবান অথবা ডিটারজেন্ট দিয়ে ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার রাখতে হবে।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ