Connect with us

অর্থনীতি

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি কেন অবৈধ নয় : হাইকোর্ট

Published

on

highcourt

কোনো ধরনের গণশুনানি ছাড়াই জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ও বেআইনি ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আদালতে এ সংক্রান্ত রিটের পক্ষে অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ ও ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া এবং রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় শুনানি করেন। এর আগে গত ৮ আগস্ট জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইউনুছ আলী আকন্দ এ রিট দায়ের করেন। রিটে তেলের দাম বৃদ্ধি করে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা গেজেট স্থগিত, বাতিল ও প্রত্যাহার চাওয়া হয়েছে।

জ্বালানি সচিব, জ্বালানি উপ সচিব ও বিইআরসির চেয়ারম্যানকে রিটে বিবাদী করা হয়েছে। এদিকে, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিতে নৌযানে যাত্রীভাড়া ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে সমন্বয় করেছে সরকার। মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) থেকে পুনর্নির্ধারিত ভাড়া কার্যকর হবে। গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো. জাহাঙ্গীর আলম খান।

গত ৫ আগস্ট রাত ১২টার পর থেকে ডিজেল, পেট্রল, করোসিন, ও অকটেনের দাম বাড়িয়েছে সরকার। প্রতি লিটার ডিজেলে ৩৪ টাকা, কেরোসিনে ৩৪ টাকা, অকটেনে ৪৬ টাকা, পেট্রল ৪৪ টাকা দাম বেড়েছে। দাম বাড়ার পর প্রতি লিটার ডিজেল ১১৪ টাকা, কেরোসিন ১১৪ টাকা, অকটেন ১৩৫ টাকা ও প্রতি লিটার পেট্রল ১৩০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির এক দিনের মধ্যেই বাসভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। রোববার (৭ আগস্ট) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার রুটে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ১ টাকা ৮০ পয়সার জায়গায় ২ টাকা ২০ পয়সা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাসের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটার ভাড়া ২ টাকা ১৫ পয়সার জায়গায় ২ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী মিনিবাস এবং ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) আওতাধীন জেলার (নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ ও ঢাকা) অভ্যন্তরে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারে ভাড়া ২ টাকা ৫ পয়সার জায়গায় ২ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরীতে চলাচলকারী বাস ও মিনিবাসের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ভাড়া যথাক্রমে ১০ টাকা ও ৮ টাকা নির্ধারিত হলো।

শেয়ার করুন:

অর্থনীতি

এডিবির কাছে বাংলাদেশের মোট বকেয়া ১১.৬৯ বিলিয়ন ডলার: অর্থমন্ত্রী

Published

on

জ্বালানি তেল

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, গত ৫১ বছরে বাংলাদেশ কখনই দেশি-বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হয়নি। বর্তমানে এডিবির কাছে বাংলাদেশের মোট বকেয়া ১১.৬৯ বিলিয়ন ডলার। জিডিপি অনুপাতে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কম ঋণের দেশের মধ্যে অন্যতম।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ম্যানিলায় এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সদর দপ্তরে বার্ষিক সভার অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়ার দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য সংকট পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল সদস্য দেশগুলোকে দ্রুত ভ্যাকসিন ও ব্যয় সহায়তা দিয়ে সাহায্য করেছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যে, বাংলাদেশ-এডিবি কান্ট্রি পার্টনারশিপ স্ট্র্যাটেজি (২০২১-২০২৫), বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন ও লক্ষ্যগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়েছে। যা আগামী পাঁচ বছরে আমাদের জন্য ১২-১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তার যোগান থাকবে বলে আশা করা যায়। আমাদের উন্নয়নের মাইলফলক অর্জনে এডিবির ক্রমাগত সমর্থন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশর সক্ষমতা ও অগ্রগতি তুলে ধরে মুস্তফা কামাল বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী ও বিচক্ষণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সকল আর্থ-সামাজিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন বিশ্ব সম্প্রদায়ের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বাংলাদেশ গত ১৩ বছরে গড়ে ৬.৬ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারি এবং বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক সংকটের কারণে, খাদ্য, জ্বালানি, সার, এবং আর্থিক সংকট বিশ্বব্যাপী সরবরাহ চেইনকে ব্যাহত করেছে এবং সারা বিশ্বে মূল্যস্ফীতি বাড়িয়েছে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা নিশ্চিত করার জন্য, আমাদের এডিবি থেকে বাজেট সহায়তার পাশাপাশি নীতি ভিত্তিক ঋণ প্রয়োজন। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী এডিবি’র বিশেষ সহযোগিতা কামনা করেন এবং বাংলাদেশও এডিবি সদর দপ্তরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রাখবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।

তিনি আরও বলেন, আমরা দৃঢ়ভাবে আশা করি যে এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাংলাদেশকে জলবায়ু অভিযোজন, প্রশমন এবং দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাসে অসহায় মানুষদের সাহায্য করার জন্য গতিশীল ভূমিকা পালন করতে পারে। আমি বিশ্বাস করি যে জলবায়ু পরিবর্তনের দুর্বলতা মোকাবিলায় মিশ্র অর্থায়নের পরিবর্তে নমনীয় ঋণ সহায়তা হবে বাস্তবসম্মত পদ্ধতি। এছাড়াও এডিবি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের উপর বিশেষ মনোযোগ দিয়ে আইসিটি ভিত্তিক উদ্যোক্তা উন্নয়ন, কৃষি বৈচিত্র্যকরণ, স্থিতিস্থাপক স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং মানসম্পন্ন অবকাঠামোর কৃষি প্রবর্তনে তার উদার সহায়তা প্রসারিত করতে পারে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী বছর বাংলাদেশ ও এডিবির জন্য একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। ২০২৩ সাল আমাদের অংশীদারিত্বের ৫০তম বার্ষিকী হবে।

৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে অর্থমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ১৬৫ মিলিয়ন বাংলাদেশি নাগরিকের পক্ষ থেকে এডিবি প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশ সফর এবং ৫০ বছর পূর্তি অনুষ্ঠান উদযাপন করার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও সক্ষমতার ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ বাংলাদেশের সক্ষমতার একটি প্রতীক।

এজন্য তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ় নেতৃত্বের বিশেষ প্রশংসা করেন। এছাড়া কোভিড-১৯ মহামারির কারণে সৃষ্ট স্বাস্থ্যগত ও আর্থ-সামাজিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ গৃহীত পদক্ষেপ এবং টিকা কার্যক্রমেরও প্রশংসা করেন তিনি।

তিনি বলেন, শুরু থেকেই বাংলাদেশের প্রতি এডিবির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এবারের বার্ষিক সভায় বাংলাদেশ যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছে সেগুলোও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। করোনা মহামারি কাটিয়ে উঠতে বাংলাদেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা পুনরুদ্ধারে এডিবি শুরু থেকেই বাংলাদেশের পাশে থেকে সহযোগিতা করছে এবং ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের পাশে সবসময় এডিবি থাকবে।

 

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

খাদ্য সংকট মোকাবিলায় ১৪ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের ঘোষণা এডিবির

Published

on

জ্বালানি তেল

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, করোনা মহামারি, সংঘর্ষ ও জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ২০১৯ সালের পর বিশ্বজুড়ে তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতার সম্মুখীন মানুষের সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি বেড়ে সাড়ে ৩৪ কোটি ছাড়িয়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য সহায়তা-সংক্রান্ত শাখা বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) এ তথ্য জানিয়েছে। তবে সব থেকে বেশি সংকটে পড়তে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল।

এ অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা বাড়াতে ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা এক হাজার ৪০০ কোটি ডলারের বিশাল অর্থায়নের ঘোষণা দিয়েছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এ বিশাল অর্থায়নের সুবিধা পাবে বাংলাদেশও।

মঙ্গলবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় ম্যানিলা থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

দক্ষিণ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান খাদ্য সংকট মোকাবিলায় আগামী তিন বছরে (২০২২-২৫) ১৪ বিলিয়ন ডলার অর্থায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। খাদ্য সংকট মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদে উন্নতি করার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির প্রভাবের বিরুদ্ধে খাদ্য ব্যবস্থা শক্তিশালী করার মাধ্যমে দীর্ঘ মেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করতে এই অর্থ ব্যবহার করতে পারবে বাংলাদেশেসহ এডিবি’র সদস্যভুক্ত দেশগুলো।

এই অঞ্চলে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য এডিবি এরই মধ্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। এশিয়ায় ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মানুষ নিম্ন আয়ের। ফলে এ অঞ্চলে খাদ্যের দামের কারণে স্বাস্থ্যকর খাবারের অভাব রয়েছে। এটা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। ফার্ম ইনপুট, খাদ্য উৎপাদন ও বণ্টন, সামাজিক সুরক্ষা, সেচ, পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের সমস্যার সমাধান সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে অর্থায়ন করা হবে। এডিবি অন্যান্য কার্যক্রমে বিনিয়োগ অব্যাহত রাখবে যা খাদ্য নিরাপত্তায় অবদান রাখে। যেমন-জ্বালানি শক্তি, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, পরিবহন, গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়ন, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্য এবং শিক্ষা খাত।

এডিবির ৫৫তম বার্ষিক সভায় এটির অনুমোদন করা হয়। এই বিষয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে এডিবির প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া বলেন, বিশ্ব একটি সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এমন একটি সংকটের জন্য একটি সময়োপযোগী এবং জরুরিভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এশিয়ার অনেক দরিদ্র পরিবারকে ক্ষুধার্ত ও নিত্যপণ্যের দাম বৃদ্ধির কারণে অতি দারিদ্রের মধ্যে ফেলে দিচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সংকট বাড়ছে। এই অঞ্চলের উন্নয়নে আরও কাজ করতে হবে। উদীয়মান এবং ভবিষ্যৎ খাদ্য নিরাপত্তা ঝুঁকির প্রভাব কমাতে খাদ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে।

ইউক্রেন-রাশিয়ার আগ্রাসন খাদ্যের প্রধান উপাদান ও সারের সরবরাহ ব্যাহত করেছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, করোনা সংকট এবং টেকসই কৃষি অনুশীলন দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে বিশ্বব্যাপী খাদ্য ব্যবস্থা চাপে পড়েছে। এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের খাদ্য উৎপাদন ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ এই অঞ্চল খাদ্য আমদানি ও বৈদেশিক সারের উপর নির্ভরশীল। সব ব্যবস্থায় ভেঙে পড়েছে। ইউক্রেন আক্রমণের আগেও এডিবির অনেক দেশে কিছু মানুষের পুষ্টিকর খাবারের অভাব ছিল। এখন এটা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

এডিবি জানায়, এশিয়ার দারিদ্র মানুষকে সহায়তার পাশাপাশি, খাদ্য নিরাপত্তা সহায়তায় উন্মুক্ত বাণিজ্যকে উন্নীত করা হবে। এডিবি সহায়তায় খামারের উৎপাদন ও জীবিকা উন্নত করবে, সারের ঘাটতি কমিয়ে দেবে এবং দক্ষ ব্যবহার বৃদ্ধি করা হবে। এডিবি অর্থায়ন খাদ্য উৎপাদন ও বণ্টনে বিনিয়োগে সহায়তা করবে, পুষ্টি বৃদ্ধি করবে এবং জলবায়ু মোকাবিলায় সহায়তা করবে।

এ প্রোগ্রামের আওতায় সহায়তা চলতি বছরে শুরু হয়ে ২০২৫ সাল পর্যন্ত চলবে। খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বেসরকারি খাতের সহ-অর্থায়নে অতিরিক্ত পাঁচ বিলিয়ন সংগ্রহ করবে এডিবি। এডিবি খাদ্য নিরাপত্তায় বার্ষিক বিনিয়োগে দুই বিলিয়ন ডলার দিচ্ছে। চরম দারিদ্র্য দূরীকরণের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, টেকসই এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এডিবি। ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এডিবি। বাংলাদেশসহ সংস্থাটির ৬৮টি সদস্য দেশ রয়েছে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

রেমিট্যান্স সংগ্রহে ডলারপ্রতি ৫০ পয়সা কমানোর সিদ্ধান্ত

Published

on

জ্বালানি তেল

বৈদেশিক উৎস থেকে রেমিট্যান্স সংগ্রহে ডলারপ্রতি ৫০ পয়সা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংকগুলো। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ব্যাংকগুলো ১০৭ টাকা ৫০ পয়সা দরে রেমিট্যান্সের ডলার কিনবে। এতদিন তা কেনা হতো ১০৮ টাকায়। তবে রপ্তানি বিল কেনার ক্ষেত্রে আগের মতো ৯৯ টাকা অপরিবর্তিত থাকবে।

সোমবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক শেষে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) চেয়ারম্যান ও সোনালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফজাল করিম।

এদিন ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ (এবিবি) এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনকারী ব্যাংকের সংগঠন বাংলাদেশ ফরেন এক্সচেঞ্জ ডিলারস অ্যাসোসিয়েশনের (বাফেদা) যৌথ বৈঠক থেকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে আফজাল করিম বলেন, আমাদের আজকের বৈঠকে শুধুমাত্র রেমিট্যান্স কেনার ক্ষেত্রে পূর্বের দাম সংশোধন করা হয়েছে। বাকিগুলোতে পরিবর্তন আসেনি। আমাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রেমিট্যান্স সংগ্রহ হবে ১০৭ টাকা ৫০ পয়সা দরে এবং রপ্তানি বিল সংগ্রহ হবে ৯৯ টাকায়। আর আন্তঃব্যাংক ডলার লেনদেনের ক্ষেত্রে দুই দামের মধ্যবর্তী একটি সংখ্যা নির্ধারণ হবে।

তিনি বলেন, নতুনভাবে নির্ধারিত দাম অনুযায়ী রেমিট্যান্স ও রপ্তানি বিলের গড় ১০৩ টাকা ২৫ পয়সা আসে। ব্যাংকগুলো এ দামের সঙ্গে ১ টাকা লাভ করে ১০৪ টাকা ২৫ পয়সায় অন্য ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করতে পারবে। এ সিদ্ধান্ত আগামী ১ অক্টোবর থেকে বাস্তবায়ন হবে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানের দায়িত্বে ফেরার সুযোগ

Published

on

জ্বালানি তেল

ছয় ব্যাংকের বিরুদ্ধে ডলারে অতি মুনাফা করার যে অভিযোগ উঠেছিল, তা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যার ফলে এসব ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানরা আগের পদে ফেরার সুযোগ পাচ্ছেন।

ব্যাংকগুলো হলো- প্রাইম ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক, দ্য সিটি ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি (বিআরপিডি) বিভাগ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এ সিদ্ধান্ত ব্যাংক ছয়টিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দিয়েছে।

ডলারে অতি মুনাফা করায় গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকগুলোর এমডিদের ব্যাখা তলব করেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। পরদিন ১৮ আগস্ট দেশি-বিদেশি এ ছয় ব্যাংকের ট্রেজারি প্রধানদের দায়িত্বে থেকে সরিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে ব্যাংকগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের (এমডি) কাছ থেকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়।

ব্যাংক ছয়টি গত মে ও জুন মাসে ডলার বিক্রিতে যে মুনাফা করেছিল, তার অর্ধেক আয় খাতে নিতে বলা হয়েছে। আর বাকি অর্ধেক অর্থ সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতে (সিএসআর) বরাদ্দ রাখতে বলা হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোর এমডিরা এ নিয়ে পরিস্থিতির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। তারা এ ধরনের ভুল আর হবে না বলেও জানিয়েছেন। এজন্য বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ট্রেজারি প্রধানরাও কাজে যোগদান করতে পারবেন।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

চিনি ও পাম অয়েলের দাম নির্ধারণ করে দিল সরকার

Published

on

জ্বালানি তেল

চিনি ও পাম তেলের একদাম নির্ধারণ করে দিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এখন থেকে প্রতি কেজি প্যাকেটজাত চিনি সর্বোচ্চ ৮৯ টাকা, খোলা চিনি ৮৪ টাকা এবং পাম তেলের লিটার ১৩৩ টাকায় ক্রয় করতে পারবেনন ক্রেতারা।

বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ দাম ঘোষণা করে।

বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পাম তেল ও চিনির দাম নির্ধারণ করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। মিলগেট, পরিবেশক ও খুচরা পর্যায়ের জন্য আলাদা দাম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি লিটার পাম সুপার খোলা তেল মিলগেট থেকে ১২৮ টাকায় কিনে পরিবেশকরা ১৩০ টাকায় বিক্রি করবেন। আর খুচরা পর্যায়ে তা বিক্রি হবে ১৩৩ টাকায়।

প্রতি কেজি খোলা চিনি মিলগেটে ৭৯ টাকায় কিনে পরিবেশক পর্যায়ে ৮১ টাকা এবং খুচরা বিক্রি হবে ৮৪ টাকা।

আর প্যাকেটজাত চিনি মিলগেটে ৮২ টাকায় কিনে পরিবেশকরা বিক্রি করবে ৮৪ টাকা। ভোক্তাদের কাছে চিনি বিক্রি হবে ৮৯ টাকায়।

এতদিন খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার পাম সুপার খোলা তেল ১৪৫ টাকা ও খোলা চিনির দাম ছিল ৯০ টাকা। সে হিসাবে পাম তেলের দাম কমেছে ১২ টাকা আর চিনিতে দাম কমলো ৬ টাকা।

 

 

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অন্যান্য

১৩৭ প্রতিষ্ঠানকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা

Published

on

জ্বালানি তেল

দেশের ৫৩টি জেলায় বাজার তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধের দায়ে ১৩৭টি প্রতিষ্ঠানকে ২০ লাখ ১২ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়, বিভাগীয় ও জেলা কার্যালয়ের ৫৮ জন কর্মকর্তা এসব অভিযান পরিচালনা করেন।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

অভিযুক্ত এসব প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী ঢাকা মহানগরের চকবাজার মৌলভীবাজার, কামাল মার্কেট, নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড ও চকবাজারসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন বাজার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিচালিত তদারকি কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোক্তা-স্বার্থ বিরোধী কার্যক্রমের জন্য জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যদিকে লিখিত অভিযোগ নিষ্পত্তির মাধ্যমে ৯টি প্রতিষ্ঠানকে ৩৬ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়। একই সঙ্গে আটজন অভিযোগকারীকে জরিমানার ২৫ শতাংশ অর্থ দেওয়া হয়।

ভোক্তা অধিদপ্তর জানিয়েছে, এসব অভিযানে জরিমানার পাশাপাশি জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ওইসব এলাকায় ভোক্তা ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে লিফলেট, প্যাম্ফলেট বিতরণসহ হ্যান্ডমাইকে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি বিভাগ, মৎস্য বিভাগ, কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ (ক্যাব) সংশ্লিষ্ট শিল্প বণিক সমিতির প্রতিনিধিরা সহযোগিতা করেন।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

জ্বালানি তেল
জাতীয়3 hours ago

শেখ হাসিনার জন্যই দেশজুড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জ্বালানি তেল
জাতীয়5 hours ago

আইজিপির দায়িত্ব নিলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

জ্বালানি তেল
সারাদেশ5 hours ago

এক টাকায় পছন্দের পোশাক,সহযোগীতায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

জ্বালানি তেল
কর্পোরেট সংবাদ6 hours ago

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

জ্বালানি তেল
জাতীয়6 hours ago

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী

জ্বালানি তেল
পরিবেশ7 hours ago

৩ দিনের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, বাড়বে বৃষ্টি

জ্বালানি তেল
জাতীয়7 hours ago

র‍্যাবের ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এম খুরশীদ হোসেন

জ্বালানি তেল
ক্রিকেট8 hours ago

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা

জ্বালানি তেল
জাতীয়9 hours ago

আমাদের হাঁটু ভাঙবে না, কোমরও ভাঙবে না: কাদের

জ্বালানি তেল
রাজধানী11 hours ago

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৯

তারিখ অনুযায়ী খবর

October 2022
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
Advertisement
Advertisement

এ সপ্তাহের আলোচিত

সম্পাদক : হায়দার আহমেদ খান এফসিএ

কার্যালয় : ৫৬ পুরানা পল্টন, শখ সেন্টার, লেভেল-৪, ঢাকা।

news.orthosongbad@gmail.com

+8801791004858

স্বত্ব © ২০২২ অর্থসংবাদ