Connect with us

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

মাটির নিচে থাকা গ্যাস উত্তোলন করতে হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

Published

on

প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, মাটির নিচে এখনো আমাদের অনেক গ্যাস রয়ে গেছে। সেগুলো উত্তোলনের দিকে যেতে হবে। আমরা অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকি। আমরা আগাবো কি না, আমরা ওদিকে যাবো কি না, গ্যাস পাবো কি না। কিন্তু বঙ্গবন্ধু সেটা ভাবতেন না। তিনি সাহস করে হাত দিতেন। তার প্রমাণ সে সময়ে ৫টি গ্যাস ক্ষেত্র কিনে নেওয়া।

মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস উপলক্ষে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে সে সময়ে বঙ্গবন্ধু বিদেশি কোম্পানির কাছ থেকে ৫টি গ্যাসক্ষেত্র কিনে নেন। অনেকেই বলে স্বল্প বাজেটে। কিন্তু ওই সময়ে তো এই টাকা ছিল অনেক। উনি তো নাও নিতে পারতেন। তখন গ্যাসের তেমন চাহিদাও ছিল না। তখন বঙ্গবন্ধু যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে খাদ্য না কিনে গ্যাস ক্ষেত্র কিনলেন। আমরা এত গ্যাস দিয়ে করবো কি? কিন্তু সেই গ্যাস তো এখন কাজে লাগছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিশ্বব্যাপী এই আপৎকালীন সময়ে অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে জাতির পিতার প্রতি আস্থা রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের যে স্বপ্ন দেখাচ্ছেন উন্নত দেশ গড়ার, আমরা যেন সে স্বপ্নে অবিচল থাকি। তাহলেই আমরা এই বিপদ থেকে পার হতে পারবো। আমাদের সবাইকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে।

গ্যাস উত্তোলনের দিকে যেতে হবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রচুর সম্পদ এক্সপ্লোরেশনে বাকি আছে। আমাদের অনেক সম্পদ রয়ে গেছে। আমাদের সেদিকেই যেতে হবে। আমরা স্বল্প, দীর্ঘ বা মধ্য মেয়াদি সিদ্ধান্তে যাবো কি না, সেটা আমাদের এখন চিন্তা করতে হবে। আবারও কোভিড আসতে পারে। আবারও যুদ্ধ আসতে পারে। আমাদের সেই প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. মাহবুব হোসনের সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিশেষ অতিথি ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বেগম ওয়াসিফা আয়শা খান। এছাড়া বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

 

শেয়ার করুন:

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশকে গোড্ডা কেন্দ্রের বিদ্যুৎ দেবেন আদানি

Published

on

প্রতিমন্ত্রী

চল‌তি বছরের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে গোড্ডা বিদ্যুৎ প্রকল্প থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ভারতীয় শিল্পপতি ও আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের পর এক টুইট এ কথা জানান তিনি। টুইটে তিনি লিখে‌ছেন, দিল্লিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করা সম্মানের। বাংলাদেশ নিয়ে তার দূরদর্শিতা অনুপ্রেরণাদায়ক ও অত্যন্ত সাহসী। আমরা চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে ১৬শ মেগাওয়াট গোড্ডা বিদ্যুৎ প্রকল্পের ট্রান্সমিশন লাইন চালু করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এদিকে, সোমবার নয়াদিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর এস জয়শঙ্কর।

বৈঠক শেষে ভারতীয় মন্ত্রীর বরাত দিয়ে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন ব্রিফিংয়ে জানান, তারা আমাদের বলেছে যে, ভারত সেখানে (রাখাইন রাজ্য) সৃষ্ট অস্থিরতার দিকে নজর রাখছে।

পররাষ্ট্রসচিব বলেন, দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক খুবই ভালো। বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে সংযোগ বাড়াতে তাদের প্রস্তাব দিয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী ন‌রেন্দ্র মো‌দির আমন্ত্রণে চার দিনের সফরে সোমবার নয়া‌দি‌ল্লি পৌঁছান শেখ হা‌সিনা। প্রধানমন্ত্রী দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান ভারতের রেল ও টেক্সটাইল প্রতিমন্ত্রী দর্শনা বিক্রম জারদোস।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আকার আরও বড় হবে

Published

on

প্রতিমন্ত্রী

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বর্তমানে বায়ু থেকে মাত্র ২­৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে। এর বাইরে ৩টি প্রকল্পের মাধ্যমে ১৪৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ চলমান আছে। আরও ৫টি প্রকল্পের অধীনে ২৩০ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎ প্রক্রিয়াধীন। এরপরও বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আকার আরও বড় হবে।

রোববার (০৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে মংলায় ৫৫ মেগাওয়াট বায়ুভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অন্যতম উৎস হিসেবে বায়ুর আকার দিনে দিনে আরও বড় হবে। উপকূলীয় অঞ্চলসহ দেশের ৯ (নয়) টি স্থানে বায়ু বিদ্যুতের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্য বায়ু প্রবাহের তথ্য উপাত্ত (ডাটা) সংগ্রহ করে Wind Mapping কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। সার্বিক উপযুক্ততা যাচাই করে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে।
তিনি বলেন, বাগেরহাট, মংলায় স্থাপিত হতে যাওয়া ৫৫ মেগাওয়াট বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল। পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি এ ধরনের প্রকল্প বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতেও শক্তিশালী ভূমিকা রাখবে।আমেরিকার ন্যাশনাল রিনিউএ্যবল এনার্জি ল্যাবরেটরি (NREL) প্রদত্ত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে দেখা যায়, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা বিশেষত খুলনার দাকোপ, চট্টগ্রামের আনোয়ারা এবং চাঁদপুরের নদী মোহনার এলাকা সমূহে ১০০ মিটার উচ্চতায় বাতাসের গড়বেগ ৬ মি./সে. এর বেশি যা বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদনে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

চুক্তিতে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষে বোর্ডের সচিব গোলাম রাব্বানী ও মংলা গ্রীণ পাওয়ার লিমিটেডের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝু ওয়েনটাও স্বাক্ষর করেন।

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান ও মংলা গ্রীণ পাওয়ার লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝু ওয়েনটাও।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি

Published

on

প্রতিমন্ত্রী

ডিজেল-অকটেন-পেট্রোল-কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা কমিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সোমবার (২৯ আগস্ট) রাত ১২টা থেকে এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আজ রাত ১২টার পর থেকে ডিপোর ৪০ কিলোমিটারের ভেতর ডিজেলের লিটার ভোক্তা পর্যায়ে খুচরা মূল্য ১০৯ টাকা, কেরোসিন ১০৯ টাকা, অকটেন ১৩০ টাকা ও পেট্রোল ১২৫ টাকায় বিক্রি হবে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড গতকাল এক প্রজ্ঞাপনে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডিজেলের ওপর আরোপণীয় সমুদয় আগাম কর থেকে অব্যাহতি এবং আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশের পরিবর্তে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করার ফলে ভোক্তা পর্যায় জ্বালানি তেল ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, প্লাটস অনুসারে গত ২৬ আগস্ট প্রতি ব্যারেল ডিজেলের মূল্য ছিল ১৪৭.৬২ মার্কিন ডলার। সে অনুযায়ী প্রতি লিটার ডিজেলের মূল্য পড়ে ১২৮.৬১ টাকা। অর্থাৎ ১০৯ টাকা ধরে ডিজেল বিক্রি করলে প্রতি লিটারে বিপিসির লোকসান হবে ১৯.৬১ টাকা।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন বিগত ছয় মাসে (ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই) জ্বালানি তেল বিক্রিতে (সব পণ্য) ৮ হাজার ১৪ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে বলেও জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

এর আগে গত ৫ আগস্ট ভর্তুকি কমানোর কথা বলে সব ধরনের জ্বালানি তেলের মূল্য বাড়ানো হয়। সেদিন প্রতি লিটার ডিজেল ও কেরোসিন ৮০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১৪ টাকা, অকটেন ৮৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং পেট্রোলের মূল্য ৮৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয় (১ লিটার)।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

জ্বালানি তেলের দাম কমছে লিটারে ৫ টাকা

Published

on

প্রতিমন্ত্রী

সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সোমবার (২৯ আগস্ট) দিনগত রাত ১টা থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে। রাতেই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হবে।

সোমবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নতুন দাম কার্যকর হলে ভোক্তা পর্যায়ে লিটারপ্রতি ডিজেল ১১৪ টাকা থেকে কমে ১০৯ টাকা, কেরোসিন ১১৪ টাকা থেকে ১০৯ টাকা, অকটেন ১৩৫ টাকা থেকে ১৩০ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩০ টাকা থেকে কমে ১২৫ টাকা নির্ধারণ করেছে সরকার।

এর আগে সোমবার দুপুরে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, আগামী দু-একদিনের মধ্যে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হবে। ডিজেলের আগাম কর অব্যাহতি ও আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করে গতকাল রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।

গত ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১০টায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম বেড়ানোর সিদ্ধান্ত জানানো হয়। ওইদিনই রাত ১২টার পর থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়।

নতুন দাম অনুযায়ী, ৫ আগস্ট দিনগত রাত ১২টার পর থেকে ভোক্তা পর্যায়ে লিটার প্রতি ডিজেল ৮০ টাকা থেকে ৩৪ টাকা বেড়ে ১১৪ টাকা, কেরোসিন ৩৪ টাকা বেড়ে ১১৪ টাকা, অকটেন ৪৬ টাকা বেড়ে ১৩৫ টাকা এবং পেট্রোল ৪৬ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা দরে বিক্রি শুরু হয়।

২০২১ সালের ৪ নভেম্বর ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়িয়েছিল সরকার। তখন এ দুই ধরনের জ্বালানির দাম লিটারপ্রতি ৬৫ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৮০ টাকা করা হয়। তবে ওই সময় পেট্রোল ও অকটেনের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। এর আট মাস পর গত ৫ আগস্ট দেশের বাজারে সব ধরনের জ্বালানির দাম বাড়ানো হয়।

এদিকে জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির কারণে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দেশের বাজারে সব পণ্যের দাম বেড়েছে। তেলের দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে সরকার গণপরিবহনের ভাড়া সমন্বয় করে।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি

ডিজেল আছে একমাসের, পেট্রল-অকটেন ১৮ দিনের

Published

on

প্রতিমন্ত্রী

দেশে বর্তমানে ৩০ দিনের ডিজেল মজুত রয়েছে। আর ১৮ দিনের পেট্রল ও ৩২ দিনের জেট ফুয়েল রয়েছে। এছাড়া দেশে যে অকটেন মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ১৮ থেকে ১৯ দিনে চাহিদা মেটানো সম্ভব।

বুধবার (১০ আগস্ট) জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ।

তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য তেলের দাম বাড়ানো হয়নি। ক্রুডের কারণে পেট্রল ও অকটেনের দাম বাড়ে। তাই পেট্রল ও অকটেনের দাম কৌশলগত কারণে বাড়াতে হয়েছে।’

এর আগে গত ২৭ জুলাই বিপিসির চেয়ারম্যান এ বি এম আজাদ জানিয়েছিলেন, তাদের কাছে ৩২ দিনের ডিজেল ও ৯ দিনের অকটেন মজুত আছে। এছাড়া ছয়মাসের তেল আমদানি নিশ্চিত করা আছে।

ওইদিন তিনি বলেছিলেন, ‘দেশে চার লাখ ৩১ হাজার ৮৩৫ মেট্রিক টন ডিজেল মজুত রয়েছে। অকটেন রয়েছে ১২ হাজার ২৩৮ মেট্রিক টন। ৩০ জুলাই দেশে পৌঁছাবে আরও ৩০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল।’

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, পেট্রল পুরোটাই বাংলাদেশ উৎপাদন করে। আর অকটেনের চাহিদার প্রায় ৪০ শতাংশ দেশে উৎপাদিত হয়। আগস্টে আটটি জাহাজে দুই লাখ ১৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, একটি জাহাজে ২৫ হাজার মেট্রিক টন জেট-এ-১, একটি জাহাজে ২৫ হাজার মেট্রিক টন অকটেন আসার আগাম বার্তা দিয়েছিল মন্ত্রণালয়।

তেল আমদানিতে আগামী ছয়মাসের জন্য এলসি বা ৫০ শতাংশ জি-টু-জি চুক্তির মাধ্যমে এবং বাকি ৫০ শতাংশ উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে অর্ডার করা আছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস আজ

Published

on

প্রতিমন্ত্রী

আজ ৯ আগস্ট, জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর জ্বালানির সাশ্রয়ী ব্যবহারের লক্ষ্যে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ২০১০ সালের ১২ আগস্ট এক পরিপত্রে ৯ আগস্টকে জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

১৯৭৫ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শেল অয়েল কোম্পানির কাছ থেকে ৪৫ লাখ পাউন্ড স্টার্লিংয়ে (তখনকার ১৭ কোটি ৮৬ লাখ টাকা) পাঁচটি গ্যাসক্ষেত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানায় কিনে নেন।

ক্ষেত্রগুলো হচ্ছে- তিতাস, বাখরাবাদ, রশিদপুর, হবিগঞ্জ ও কৈলাসটিলা। এই গ্যাসক্ষেত্রগুলো দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার বড় নির্ভরতা হয়ে ওঠে। এখন দেশে মোট গ্যাস উৎপাদনের মধ্যে আন্তর্জাতিক তেল গ্যাস কোম্পানি (আইওসি) ৫৯ শতাংশ এবং দেশীয় কোম্পানিগুলো ৪১ শতাংশ গ্যাস উৎপাদন করছে।

দিবসটি উপলক্ষে আজ একটি ওয়েবিনারের আয়োজন করেছে জ্বালানি বিভাগ।

শেয়ার করুন:
পুরো সংবাদটি পড়ুন

ফেসবুকে অর্থসংবাদ

প্রতিমন্ত্রী
জাতীয়3 hours ago

শেখ হাসিনার জন্যই দেশজুড়ে শান্তির সুবাতাস বইছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রী
জাতীয়5 hours ago

আইজিপির দায়িত্ব নিলেন চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন

প্রতিমন্ত্রী
সারাদেশ5 hours ago

এক টাকায় পছন্দের পোশাক,সহযোগীতায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ

প্রতিমন্ত্রী
কর্পোরেট সংবাদ7 hours ago

স্বপ্ন এখন মৌলভীবাজারের শেরপুরে

প্রতিমন্ত্রী
জাতীয়7 hours ago

বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা সরকারের দায়িত্ব: তথ্যমন্ত্রী

প্রতিমন্ত্রী
পরিবেশ7 hours ago

৩ দিনের মধ্যে সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, বাড়বে বৃষ্টি

প্রতিমন্ত্রী
জাতীয়7 hours ago

র‍্যাবের ডিজি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন এম খুরশীদ হোসেন

প্রতিমন্ত্রী
ক্রিকেট8 hours ago

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা

প্রতিমন্ত্রী
জাতীয়9 hours ago

আমাদের হাঁটু ভাঙবে না, কোমরও ভাঙবে না: কাদের

প্রতিমন্ত্রী
রাজধানী12 hours ago

রাজধানীতে মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেফতার ৫৯

তারিখ অনুযায়ী খবর

October 2022
S M T W T F S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
Advertisement
Advertisement

এ সপ্তাহের আলোচিত

সম্পাদক : হায়দার আহমেদ খান এফসিএ

কার্যালয় : ৫৬ পুরানা পল্টন, শখ সেন্টার, লেভেল-৪, ঢাকা।

news.orthosongbad@gmail.com

+8801791004858

স্বত্ব © ২০২২ অর্থসংবাদ