সিলেটে পানি কমলেও বেড়েছে দুর্ভোগ

ডেস্ক রিপোর্টার প্রকাশ: ২০২২-০৬-২৬ ১৭:৫৪:৫৫

সিলেটে বন্যার পানি কমছে। তবে পানি নামার গতি ধীর থাকায় এখনো বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়ে আছে। ধীরগতিতে নামছে পানি। প্রায় ১২ দিন ধরে পানিবন্দি থাকায় বানভাসিদের দুর্ভোগ বাড়ছে।

এদিকে যেসব এলাকা থেকে পানি নেমে পড়েছে সেসব এলাকায় ফিরতে শুরু করেছেন মানুষজন। তবে বাড়িঘর ভেঙে যাওয়া ও আসবাবপত্র নষ্ট হওয়ায় আরও দুর্ভোগে পড়ছেন তারা।

সিলেট নগর ও সুনামগঞ্জ শহর থেকে পানি নেমে গেলেও এই দুই শহরজুড়েই দুর্গন্ধ দেখা দিয়েছে। শহরগুলোর নানা স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে আবর্জনার স্তুপ।

পানি নামায় রোববার নিজ বাসা পরিষ্কার করছিলেন নগরের মির্জাজাঙ্গাল এলাকার দেবব্রত চৌধুরী লিটন। তিনি বলেন, ‘ঘরে ১০ দিন পানি ছিল। সব আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। আজকে পানি নামায় ঘর পরিষ্কার করতে এসেছি। কিন্তু চারপাশে দুর্গন্ধে টেকা যাচ্ছে না। ঘরের ভেতরে দুর্গন্ধ।’

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, ‘পানি কমায় আমরা পুরো নগরে এখন পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাবো। এজন্য প্রচুর পরিমাণ ব্লিচিং পাউডার প্রয়োজন। ব্লিচিং পাউডারের চাহিদা মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে।’

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রোববার বেলা ১২টা পর্যন্ত সুরমা নদীর পানি বিভিন্ন পয়েন্টে ৪ থেকে ৫ সেন্টিমিটার কমেছে। অপরদিকে কুশিয়ারা নদীর পানি কমেছে ১ থেকে ২ সেন্টিমিটার।

পানি একেবারে ধীরে নামছে বলে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং। তিনি বলেন, ‘পানি এক দিনে এক সেন্টিমিটারও কমছে না। পানি দ্রুত না কমায় বানভাসি মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। তাদের পুনর্বাসনেরও উদ্যোগ নেওয়া যাচ্ছে না।’

গত ১৫ জুন থেকে সিলেটে বন্যা দেখা দেয়; ১৭ জুন তা ভয়ংকর রূপ নেয়। প্লাবিত হয়ে পড়ে জেলার ৮০ শতাংশ এলাকা।

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।