ন্যাশনাল ব্যাংকের অবৈধ ব্যয় অনুসন্ধানে দুদক

নিউজ ডেস্ক, অর্থসংবাদ.কম, ঢাকা প্রকাশ: ২০২২-০৬-২০ ০০:০৬:৫২

ন্যাশনাল ব্যাংকের অবৈধ ব্যয় অনুসন্ধানে দুদক

ছবি: অর্থসংবাদ

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের (এনবিএল) পরিচালনা পর্ষদের বিরুদ্ধে ৩০ লাখ ডলার অবৈধভাবে খরচ করা ও নামে-বেনামে অর্থ লুটপাটের অভিযোগের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৯ জুন) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয় থেকে কমিশনের পরিচালক সৈয়দ ইকবাল হোসেনের সই করা পৃথক দুটি নোটিশ জারি করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে।

চিঠিতে আগের অভিযোগ বাদে নতুন উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে সাত ধরনের নথিপত্র তলব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডের নিমতলী শাখায় মেসার্স ইপস্ ট্রেডিংয়ের চলতি হিসাব খোলার আবেদন, ছবিসহ নমুনা স্বাক্ষর কার্ড, কেওয়াইসি ফরম, টিপি এবং শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত চলতি হিসাব বিবরণী।

এছাড়া আরও রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড ঢাকার কারওয়ান বাজারে এনবিএল টাওয়ারে বিনিয়োগ ও নির্মাণসংক্রান্ত রেকর্ডপত্র। যেমন- প্রাক্কলন, টেন্ডার, ঠিকাদার নির্বাচন, কার্যাদেশ, কাজ সম্পাদন হওয়া সংক্রান্ত প্রত্যয়ন, বিল প্রদানসহ সংশ্লিষ্ট রেকর্ডপত্র। এ ছাড়া যৌথ বিনিয়োগ হয়ে থাকলে চুক্তিপত্র ও ঋণ দেয়া সংক্রান্ত রেকর্ডপত্র চাওয়া হয়েছে।

ন্যাশনাল ব্যাংকের গুরুতর অনিয়মের অভিযোগের মুখে ২০২১ সালে ন্যাশনাল ব্যাংকের ঋণ দেয়ার ক্ষমতা কেড়ে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। অ্যাডভান্স ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) ৮৭ শতাংশে নামিয়ে আনার আগে ব্যাংকটি আর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিতে পারবে না বলে জানিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অবশ্য ওই বছরের ৩০ ডিসেম্বর ঋণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়া হয়।

এরপর চলতি বছরের মে মাসে ঋণ দেয়ার ক্ষমতা কেড়ে না নিয়ে কোন কোন খাতে ঋণ দিতে পারবে তা জানিয়ে দিয়ে ব্যাংকটির ক্ষমতা খর্ব করে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে শীর্ষ ২০ ঋণগ্রহীতার তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়। বড় ধরনের অনিয়মের সূত্র ধরে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।