সরকারি জমি ইজারা পেলো ফরচুন সুজ

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, অর্থসংবাদ.কম, ঢাকা প্রকাশ: ২০২২-০৬-১৫ ০০:২৬:২২, আপডেট: ২০২২-০৬-১৫ ০০:৩০:১৬

দেশি ও বিদেশি বাজারে পাটের বেশ সম্ভাবনা রয়েছে। এসব পাটজাত পণ্য উৎপাদনে আগ্রহ দেখিয়েছে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ফরচুন সুজ। সম্প্রতি চট্টগ্রাম ও খুলনা জোনে রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলের ইজারা পেতে প্রস্তাব জমা দিয়েছে দুটি কোম্পানি। এর মধ্যে ফরচুন সুজের প্রস্তাব গ্রহন করা হয়েছে। ৫৬ একর জমিতে ফরচুন জুটেক্স নামে নতুন প্রতিষ্ঠানটিতে যাত্রা শুরু করবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি) চলতি বছরের শুরুতে ১৩টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পাটকল বেসরকারি খাতে ইজারা দেওয়ার জন্য একটি আন্তর্জাতিক দরপত্র তৈরি করে। দেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত দুটি কোম্পানিসহ মোট ১৮টি দেশি-বিদেশি সংস্থা প্রাথমিকভাবে পাট খাতে প্রস্তাব জমা দেয়। এসব কোম্পানিগুলো সর্বশেষ গত ২৫মে চূড়ান্ত প্রস্তাব জমা দেয়। বিজেএমসির মূল্যায়ন কমিটি বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি মালিকানাধীন পাটকল ইজারা দেওয়ার জন্য চুড়ান্ত করে। এর ফলে পাট শিল্পে বিনিয়োগ করতে যাচ্ছে ফরচুন সুজ।

জানা যায়, ২০১২ সালের ৪ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ফরচুন সুজ। প্রথম অবস্থায় ৪৭২ জন লোকবল নিয়ে বরিশাল বিসিক নগরীর ২টি প্লটে কারখানা খুলে সু প্রস্তুতের কার্যাক্রম শুরু করে। উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ২০২১ এর শেষের দিকে আরও চারটি প্রোডাকশন লাইন সংযুক্ত করে মোট ছয়টি লাইন করার পরিকল্পনা করেছিলো।বিভিন্ন ধরণের জুতা তৈরি এবং রপ্তানি করে আসছে কোম্পানিটি।

বিজেএমসি জানায়, বরিশালভিত্তিক পাদুকা কোম্পানি ফরচুন সুজ খুলনা জোনে দুটি পাটকল ইজারা পেতে পাট খাতে প্রস্তাব জমা দিয়েছে। প্লাটিনাম জুবিলি জুট মিলস ও দৌলতপুর জুট মিলস লিজ পেতে আগ্রহী এই কোম্পানিটি।

ফরচুন সুজের সেক্রেটারি রিয়াজউদ্দিন ভূইয়া বলেন, পাট খাতে বিনিয়োগ করার জন্য আমরা ফরচুন সুজ নামে টেন্ডারে অংশ নিয়েছি। তবে লিজ পেলে বিনিয়োগ ফরচুন গ্রুপের অধীনে চলে আসবে। গ্রুপ ম্যানেজমেন্ট নতুন কোম্পানির মাধ্যমে পাট খাতে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অল্প সময়ে নতুন কোম্পানি খোলা সম্ভব নয়। এ কারণে ফরচুন সুজের নামে দরপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।

কোম্পানিটি প্রতিদিন ৩৫ হাজার ৫০০ জুতা তৈরি করতে সক্ষম। এছাড়া ৯টি উৎপাদন লাইন রয়েছে। ২০২০-২০২১ অর্থবছরে কোম্পানিটির রাজস্ব ১৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ১ হাজার ৪৪০ কোটি ৪০ লাখ টাকা হয়েছে। এছাড়া কর-পরবর্তী নিট মুনাফা ১০৯ শতাংশ বেড়ে ২৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা হয়েছে।

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।