প্রতি অর্থবছরেই বাড়ছে বাজেটের আকার

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, অর্থসংবাদ.কম, ঢাকা প্রকাশ: ২০২২-০৬-০৯ ১২:১৫:০৪, আপডেট: ২০২২-০৬-০৯ ১২:১৬:২৩

বাজেটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে সম্পদের পুনর্বণ্টন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আয় বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি অর্জন। এ লক্ষ্য পূরণে প্রতি অর্থবছরেই বাড়ছে বাজেটের আকার।

স্বাধীনতার পর ৫০টি অর্থবছরে ১১ জন অর্থমন্ত্রী ও অর্থ উপদেষ্টা বাজেট পেশ করেছেন। সব মিলিয়ে মোট ১৩ জন বাজেট পেশ করেছেন। ১৯৭২ সালে প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকার। আর সর্বশেষ ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ছিল ৬ লাখ ০৩ হাজার কোটি টাকা। আর আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৭৮ হাজার ৬৪ কোটি টাকা।

দেশের অর্থনীতির আকার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাজেটের আকারও বাড়ছে। বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫০ বছরে অর্থাৎ ১৯৭১ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত এই ৫০টি বাজেটেই আকারের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা যায়। এবারও গতবারের তুলনায় বাড়ছে বাজেটের আকার।

প্রথম বাজেটের পর এক হাজার কোটি টাকার বাজেট দিতে অপেক্ষা করতে হয়েছিল তিন বছর। এরপর ১৪ বছর লেগেছে ১০ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত হতে। ১৯৮৮ সালে এ বাজেট পেশ করা হয়। এরপর ২১ বছর পর এক লাখ কোটিতে উন্নীত হয় বাজেটের আকার। এটি ২০০৯ সালের কথা। বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে এক লাখ কোটি টাকার বাজেট পেশ করে। এর ১০ বছরের মাথায় অর্থাৎ ২০১৯ সালে একই সরকার ৫ লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দেয়। আর আগামী ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল পৌনে সাত লাখ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব করছেন আজ বিকেলে।

স্বাধীনতা-পরবর্তী ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশে মাত্র ৭৮৬ কোটি টাকার বাজেট দেন তাজউদ্দীন আহমদ। ১৯৭২ সালের ৩০ জুন ওই বাজেট পেশ হয়। তাজউদ্দীন আহমদ ওই দিন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছর, অর্থাৎ দুই অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন। এরপর আরও দুবার বাজেট দেন তাজউদ্দীন আহমদ, সেটি সবশেষ দাঁড়ায় ১ হাজার ৮৪ কোটি টাকার।

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।