অধিকাংশ ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা বাড়লেও কমেছে ন্যাশনাল ব্যাংকের

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশ: ২০১৯-১২-৩১ ২২:০৫:৩৫, আপডেট: ২০২০-০১-০১ ১২:১৫:৪৭

বছর শেষে বৃদ্ধি পেয়েছে দেশের বেশিরভাগ ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা। যদিও এটি প্রকৃত মুনাফা নয়। বিপুল অঙ্কের খেলাপি ঋণের বিপরীতে নিরাপত্তা সঞ্চিতি বা প্রভিশন সংরক্ষণ এবং আয়কর প্রদানসহ বিভিন্ন খরচ বাদ দিলে নিট মুনাফা অনেক কমে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

এদিকে গত বছরের তুলনায় এবছর অধিকাংশ ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা বাড়লেও কমেছে ন্যাশনাল ব্যাংকের। গত বছর ব্যাংকটির পরিচালন মুনাফা হয়েছিল ১ হাজার ২৩০ কোটি টাকা। এবছর ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা হয়েছে ৯ শত ৪৮ কোটি টাকা। সে হিসেবে ব্যাংকটির পরিচালন মুনাফা গত বছরের তুলনায় কমেছে ২৮২ কোটি টাকা। এছাড়া অন্যন্য প্রায় সব ব্যাংকেরই পরিচালন মুনাফা বেড়েছে।

                                    ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা (কোটি টাকায়)

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত বছরের (২০১৮) জুন থেকে সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার ঘোষণা আসে। কয়েকটি ব্যাংক এটি কার্যকরেরও ঘোষণা দেয়। আর সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনলে ব্যাংকের বেশি লাভ করার সুযোগ থাকে না। তার পরেও প্রায় সব ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা বেড়েছে।

সূত্র জানায়, আয় থেকে ব্যয় বাদ দিয়ে যে মুনাফা থাকে, সেটিই কোনো ব্যাংকের পরিচালন মুনাফা। পরিচালন মুনাফা থেকে খেলাপি ঋণ ও অন্যান্য সম্পদের বিপরীতে প্রভিশন (নিরাপত্তা সঞ্চিতি) এবং সরকারকে কর দিতে হয়। প্রভিশন ও কর-পরবর্তী এ মুনাফাই হল একটি ব্যাংকের প্রকৃত বা নিট মুনাফা।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, পরিচালন মুনাফার ওপর ভিত্তি করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগের কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়াই ভালো। কারণ পরিচালন মুনাফা থেকে নিট মুনাফা বা প্রকৃত মুনাফার ধারণা পাওয়া কঠিন। পরিচালন মুনাফা থেকে খেলাপি ও মন্দ ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতি রাখা এবং আয় কর পরিশোধের পর প্রকৃত মুনাফা বা নিট মুনাফার পরিমাণ জানা সম্ভব।

আমরা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।