Connect with us

জাতীয়

বিমানের কর্মীরাই সোনা চোরাচালানে জড়িত

Published

on

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীরা বিভিন্ন সময়ে সোনা চোরাচালানে জড়িত থাকায় হাতেনাতে ধরা পড়েছেন।‍ প্রায়ই উড়োজাহাজ ব্যবহার করে সোনা চোরাচালান ঘটছে । সম্প্রতি চোরাচালানে ব্যবহার হওয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানটির দু’টি উড়োজাহাজ জব্দও করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। কর্মীদের চোরাচালানের জড়িয়ে পড়ার কারণে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী এই এয়ারলাইন্সের। এরপরও কর্মীদের চোরাচালানে জড়িয়ে পড়া ঠেকাতে কোনও ধরণের উদ্যোগ নেই বিমানের।

সূত্র জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কর্মীরা বিভিন্ন সময়ে সোনাসহ আটক হয়েছেন। উড়োজাহাজের সিটের নিচে, টয়লেটে থেকে সোনা উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে। এছাড়া, বিমানের নিয়ন্ত্রণাধীন হ্যাঙ্গার কমপ্রেক্স, আমদানি-রফতানি কার্গো ভিলেজ ও বিমানবন্দরে অবস্থিত বিমানের অফিস থেকেও একাধিকবার সোনা উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টম হাউস, শুল্ক গোয়েন্দা অধিদফতর, ও বিমানবন্দর আর্মড পুলিশ।

সূত্র জানায়, বিমানের নিজস্ব নিরাপত্তাকর্মী, সিসি ক্যামেরা থাকার পরও প্রতিনিয়ত চোরাচালানের সঙ্গে বিমানের কর্মীরা জড়িয়ে পড়ছেন। চোরাচালানের কারণে কোনও কর্মী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়লে বরখাস্ত করে দায় সারে বিমান। কখনও কখনও তদন্ত কমিটি গঠিত হলেও সেসব কমিটি দায়ীদের শনাক্ত করতে পারেনি। তবে, এসব তদন্ত প্রতিবেদনে বিমানের ক্যাটারিং সার্ভিস ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মীরা জড়িত বলেই উল্লেখ করা হয়।

গত শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) এক অনুষ্ঠানে বিমানে সোনা চোরাচালান রোধে নির্দেশে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এদিন সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘এক সময় ঠাট্টা করে বলতাম, বিমান স্বর্ণ প্রসবিনী হয়ে গেছে। বিমানে খালি সোনার বারই পাওয়া যায়। ভালোই তো আমাদের সোনার রিজার্ভ বেড়ে যাচ্ছে। আর তো কিছু হচ্ছে না। এগুলোও বন্ধ করতে হবে। যেন বিমানের সুনাম আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাড়ে।’

Nogod-22-10-2022

সূত্র জানায়, বিমানব্ন্দরে বিমানের বিভিন্ন স্থাপনায় পর্যাপ্ত সিসি ক্যামেরা নেই। অন্যদিকে, যে সব জায়গায় আছে সেখানে যথাযথ মনিটরিং করা হয় না। উড়োজাহাজ, হ্যাঙ্গার, কার্গো হাউসে বিমানের পর্যাপ্ত নিরাপত্তাকর্মী নেই, একইসঙ্গে যারা আছেন, তারাও যথাযথ নজরদারি করেন না। উড়োজাহাজ থেকে কাজ সেরে নামার পর বিমানকর্মীদের সব সময় দেহ তল্লাশি করা হয় না।

চোরাচালান ঠেকাতে বিমানে নজরদারি বাড়ানো ও কঠোর ব্যবস্থা না নেওয়ায় এমন ঘটনা ঘটছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কাস্টমস কর্মকর্তা বলেন, ‘বিমানের কর্মীরা অফিসে আসা-যাওয়া, ‍উড়োজাহাজে ওঠার সময় নিরাপত্তাকর্মীরা প্রতিনিয়ত তল্লাশি করলেই অনেক ক্ষেত্রে চোরাচালান কমে আসবে। একইসঙ্গে প্রতিটি জায়গায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন ও নজরদারি বাড়লেও চোরাচালানে যুক্ত হওয়ার প্রবণতাও কমবে। কিন্তু পরিস্থিতি থেকে মনে হচ্ছে, চোরা চালানে সহায়তার করার উদ্দেশ্যেই বিমানের ঊর্ধ্বতন কেউ কেউ এসব বিষয় এড়িয়ে যান।’

সর্বশেষ গত ২৮ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ থেকে ৬৪ কেজি সোনা উদ্ধার করেছে ঢাকা কাস্টমস হাউস। কাঠের চারটি ক্যারেটের কাঠামোর মধ্যে লুকিয়ে রাখা সোনার বার পাওয়া যায়। এই সোনাগুলো ২৭ ও ২৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি০৮৫ ফ্লাইটে ঢাকায় আসে। কাস্টমস কর্মকর্তাররা প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করছেন, এ ঘটনায় বিমানকর্মীরা জড়িত থাকতে পারেন।

এর আগে, গত ২৩ নভেম্বর ৭ কেজি ১৯০ গ্রাম সোনাসহ বিমানকর্মীকে আটক করে ঢাকা কাস্টমস হাউস। একইসঙ্গে বিমানটিও জব্দ করা হয়। সেদিন দুবাই থেকে আসা বিামনের ফ্লাইটে (বিজি০৪৮) সিটের নিচে রাখা ৪ কেজি ৬৪০ গ্রাম সোনার বার পাওয়া যায়। অন্যদিকে, একই দিনে আমদানি কার্গো কমপ্লেক্সের বহিরাংশ সংলগ্ন রানওয়ে এলাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের টেকনিক্যাল হেলপার মেহেদি হাসানের কাছ থেকে ২ কেজি ৫৫০ গ্রাম সোনা পাওয়া গেছে।

গত ১৩ নভেম্বর আবুধাবি থেকে আসা বিমানের একটি উড়োজাহাজ থেকে ৮ কেজি ৮০০ গ্রাম সোনা উদ্ধার করে ঢাকা কাস্টমস হাউস। উড়োজাহাজটির সিটের নিচের পাইপের মধ্যে এসব সোনা লুকানো ছিল। এঘটনায়ও উড়োজাহাজটি জব্দ করে ঢাকা কাস্টমস হাউস।

এর আগে, গত ১৩ জুলাই শাহজালাল বিমানবন্দরের হ্যাঙ্গার গেটের কাছ থেকে বিমানের ট্রাফিক হেল্পার এমদাদ হোসেন চৌধুরী ও তার সহযোগী আব্দুর রহিমকে ৪ কেজি সোনাসহ আটক করেন বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের সদস্যরা। তারা দুজনই সেদিন আমদানি কার্গোতে একটি প্যালেট থেকে এসব সোনা নিজেদের হেফাজতে নেন।

সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে সোনা চোরাচালানের দায়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে ২০ লাখ টাকা জরিমানা করে ঢাকা কাস্টমস হাউস। একই সঙ্গে চোরাচালানের পণ্য বহনের দায়ে বিমানের বোয়িং ৭৩৭ উড়োজাহাজ (এস২-এএইচভি) ময়ূরপঙ্খীকে বাজেয়াপ্তও করে কাস্টমস। তবে ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়ে উড়োজাহাজটি অবমুক্তির সুযোগ দিয়েছিল কাস্টমস। এই চোরাচালানের ঘটনায় বিমানকে কারণ দর্শানোর নোটিশের পাশাপাশি ৪ দফা শুনানিতে অংশ নিতে চিঠি দেয় ঢাকা কাস্টম হাউস। বিমানের পক্ষ থেকে নোটিশের জবাব ও একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। তবে কোনও শুনানিতে অংশ নেয়নি বিমান। দায়ীদের শনাক্ত না করেই একটি তদন্ত প্রতিবেদন কাস্টমস হাউসে জমা দেয় বিমান।

এই প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিমানবন্দরের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যেসব বিমানের যে সব জায়গা থেকে সোনা উদ্ধার হয়, সেখানে দক্ষ লোক ছাড়া রাখা ও বের করা সম্ভব নয়। একইসঙ্গে বিমানবন্দরের যে জায়গা থেকে উদ্ধার হয়, সেখানেও সাধারণ যেকোনও মানুষের পক্ষে যাওয়া সম্ভব নয়। ফলে এটি পরিষ্কার, যারা বিমানে কাজ করছেন, তাদের কেউ কেউ এ কাজে জড়িত। বিমান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান হওয়ায় কাস্টমস পুলিশ অনেক সময় নমনীয় থাকে, এ সুবিধাটিও নেয় চোরাকারবারিরা।’

চোরাচালানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রসঙ্গে ঢাকা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, চোরাচালানে প্রতিরোধ কাস্টমস হাউস সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। যেকোনও ধরনের চোরাচালান প্রতিরোধ করতে আমরা কাজ করছি। চোরাচালানের ঘটনা ঘটলে মামলা হচ্ছে, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

এ প্রসঙ্গে বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোকাব্বির হোসেন বলেন, ‘উড়োজাহাজ বিদেশ থেকে যখন আসে, তখন সেখানে বিমানকর্মীদের উড়োজাহাজের ভেতরে সোনা রাখার সুযোগ নেই। কারণ বিদেশে বিমানের প্রকৌশলসহ অন্যান্য কাজে যে দেশে যায়, সেদেশের কোনও সংস্থার সহায়তা নেওয়া হয়। তবে যখন চোরাচালানে বিমান কোনও কর্মীকে আটক করে, তখন আমরা বিভাগীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। সূত্র-বাংলা ট্রিবিউন

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

জাতীয়

৫ নারীর হাতে বেগম রোকেয়া পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখায় এ বছর বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন ৫ জন। শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাদের হাতে পদক তুলে দেন।

বেগম রোকেয়া দিবস ও বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়। প্রধান অতিথি হিসেবে স্বশরীরে উপস্থিত থেকে প্রধানমন্ত্রী পদক তুলে দেন।

নারী অধিকার প্রতিষ্ঠায় বিশেষ অবদান রাখায় এ বছর বেগম রোকেয়া পদক বিজয়ী হলেন চট্টগ্রাম জেলার প্রফেসর কামরুন নাহার বেগম (অ্যাডভোকেট)। নারীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বেগম রোকেয়া পদক বিজয়ী হলেন সাতক্ষীরা জেলার ফরিদা ইয়াসমিন (জন্মস্থান খুলনা), নড়াইল জেলার ড. আফরোজা পারভীন সাহিত্য ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নারী জাগরণের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বেগম রোকেয়া পদক পেয়েছেন। পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ঝিনাইদহ জেলার নাছিমা বেগম। নারী শিক্ষায় বিশেষ অবদান রাখায় বেগম রোকেয়া পদক পেলেন ফরিদপুর জেলার রহিমা খাতুন।

পদক প্রাপ্তদের প্রত্যেককে আঠারো ক্যারেট মানের পঁচিশ গ্রাম স্বর্ণ নির্মিত একটি পদক, পদকের রেপ্লিকা, চার লাখ টাকার চেক ও সম্মাননাপত্র দেওয়া হয়।

Nogod-22-10-2022

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

কমেছে সবজির দাম, চাল-চিনি-তেলে এখনো অস্বস্তি

Published

on

শীতের সবজির ভরা মৌসুম শুরু হয়েছে। বাজারেও শীতের সব ধরনের সবজির সরবরাহ বেড়েছে। সরবরাহ বাড়ায় কমেছে দাম। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় চাল, আটা, তেল, চিনি ও ডাল বিক্রি হচ্ছে আগের মতোই চড়া দামে।

এক সপ্তাহ আগের তুলনায় কিছু সবজির দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। সবজির দাম কমায় স্বস্তি মিলেছে ক্রেতাদের।

খুচরা বাজারে সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা কম। তবে অনেক নিত্যপণ্যের দাম এখনো সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। বিশেষ করে আমনের নতুন ধান বাজারে এলেও চালের দাম না কমায় অস্বস্তির কথা বলছেন ভোক্তারা।

মোটা চালের দামও এখনো আকাশছোঁয়া। তেল, চিনি, ডালের দামও বাড়ার পর আর কমছে না। আমাদের মতো নিম্নবিত্তের মানুষেরা সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছি।

Nogod-22-10-2022

শিম ও নতুন আলু কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গেল কয়েক সপ্তাহ যা ছিল ৬০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে। কাঁচা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি। এক সপ্তাহ আগেও যা ছিল ৬০ টাকার ওপরে। এছাড়া শীতকালীন শালগম বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। গত সপ্তাহে এ সবজির দাম ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা। বাঁধাকপি ও ফুলকপির দামও কমেছে। বড় সাইজের একেকটি বাঁধাকপি বা ফুলকপি পাওয়া যাচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকার মধ্যে।

শীতকালীন সবজির দাম এখন কমতির দিকে। শীতের সবজির দাম কমার কারণে সারা বছর পাওয়া যায় এমন সবজিগুলোর দামও ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে নেমেছে। যা গত সপ্তাহেও ৬০ থেকে ৮০ টাকা ছিল। সরবরাহ বাড়লে সবজির দাম আরও কমতে পারে বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে জানা যায়, গত দুই সপ্তাহে চালের দাম বেড়েছে কেজিপ্রতি ২ থেকে ৫ টাকা পর্যন্ত। বেড়েছে আটার দামও। খোলা আটার কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা এবং প্যাকেটজাত আটার কেজি ৭০ থেকে ৭৫ টাকা। চিনির বাজারে অস্থিরতা এখনো কাটেনি। বেশিরভাগ দোকানে প্যাকেটজাত চিনি মিলছে না। কিছু দোকানে খোলা চিনি পাওয়া গেলেও বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে। সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা লিটার আর মসুর ডাল মানভেদে ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি।

তবে ক্রেতাদের জন্য স্বস্তি ফিরেছে ডিমের দামে। প্রতি ডজন ডিম এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে ১১০ থেকে ১২০ টাকায়। যা কয়েক সপ্তাহ আগেও ছিল ১৫০ টাকা পর্যন্ত।

ব্রয়লার ও সোনালী মুরগির দাম কিছুটা কমেছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা দরে। সোনালী মুরগির কেজি ২৪০ থেকে ২৫০ টাকা। তবে অপরিবর্তিত রয়েছে গরুর মাংসের দাম। বাজারভেদে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। একইভাবে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মাছের দামও অপরিবর্তিত থাকতে দেখা গেছে।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

অর্থনীতি

ডলার সংকটে কাঁচামাল আমদানি আরও নিম্নমুখী

Published

on

ডলার সংকট, টাকার অবমূল্যায়ন ও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণে ছোট ও মাঝারি শিল্পের কাঁচামাল আমদানির এলসি খোলা ব্যাপকভাবে কমে গেছে। আগে খোলা এলসির পণ্য দেশে আসতে শুরু করায় এ খাতে আমদানি কিছুটা বেড়েছে।

তবে নতুন করে এলসি খোলা কমে যাওয়ায় পর্যায়ক্রমে এ খাতের কাঁচামাল আমদানিও কমে যেতে পারে। ডলার আয়কারী রপ্তানিমুখী বড় শিল্পের জন্য এখনো ডলারের সংস্থান রয়েছে। যে কারণে ভালো রপ্তানিকারকদের কাঁচামাল আমদানিতে এখনো তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। তবে আমদানি ব্যয় বেড়েছে অনেক। যে কারণে আগের চেয়ে বেশি দামে কম পণ্য আমদানি করতে হচ্ছে।

এদিকে নতুন রপ্তানির অর্ডার কম আসায় কাঁচামাল আমদানির ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি খোলা কমে গেছে। প্রয়োজনীয় ডলারের সংস্থান করতে না পারায় কাঁচামাল আমদানি নির্ভর শিল্পগুলো এলসি খুলতে পারছে না। অনেক প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন সক্ষমতাও কমে গেছে।

সূত্র জানায়, বিশেষ করে ডলার সংকট মোকাবিলায় অপ্রয়োজনীয় পণ্য আমদানি নিরুৎসাহিত করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও সরকার থেকে নানা ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। এতে আমদানিতে লাগাম পড়েছে। বর্তমানে ডলার সংকট এতটাই প্রকট হয়েছে যে, উদ্যোক্তাদের মধ্যে যারা ডলার আয় করে না, তারা এখন কোনো এলসি খুলতে পারছেন না। টাকায় শতভাগ মার্জিন দিয়েও এলসি খোলা যাচ্ছে না শুধু ডলারের অভাবে।

Nogod-22-10-2022

এতে কাঁচামাল আমদানিনির্ভর শিল্পগুলো সংকটে পড়েছে। ভুক্তভোগীরা এলসি খুলতে না পেরে চড়া সুদে বায়ার্স ক্রেডিট বা সাপ্লায়ার্স ক্রেডিটে ঋণ নিয়ে এলসি খোলার চেষ্টা করছেন। এ চেষ্টায় অনেকে সফল হচ্ছেন না। ফলে বাধ্য হয়ে খোলা বাজার থেকে বাণিজ্যিকভাবে আমদানি করা কাঁচামাল চড়া দামে সংগ্রহ করে কারখানা চালু রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী আমদানির জন্য শতভাগ টাকা দেওয়া হলেও ব্যাংক ডলার দিতে পারছে না। এছাড়া গ্যাস সংকট তো আছেই। গ্যাসে যেসব কারখানার বয়লার চালাতে হয় তারা পড়েছে বড় সংকটে। গ্যাসের অভাবে উৎপাদন কাজ চরমভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ অবস্থায় উদ্যোক্তারা চড়া দাম দিয়েও গ্যাস-বিদ্যুৎ নিতে আগ্রহী।

সূত্র জানায়, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অবস্থা আরও করুণ। বিশেষ করে ছোট আকারের শিল্পগুলো সরাসরি কাঁচামাল আমদানি করে না। বাণিজ্যিকভাবে যেসব উদ্যোক্তা কাঁচামাল আমদানি করেন তাদের কাছ থেকে কিনে তারা নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে থাকেন।

কিন্তু এখন বাণিজ্যিক আমদানিকারকরা ডলারের অভাবে এলসি খুলতে পারছেন না। ফলে বাজারে আগে আমদানি করা কাঁচামাল বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-অক্টোবরে বাণিজ্যিকভাবে শিল্পের কাঁচামাল আমদানির এলসি খোলা কমেছে ৫ শতাংশ। আমদানি বেড়েছে ২৩ শতাংশ। চড়া দামের কারণে আমদানি ব্যয় বেশি হয়েছে। কিন্তু কাঁচামাল এসেছে কম।

অর্থসংবাদ/কেএ

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

একাদশে ভর্তি আবেদন শুরু

Published

on

একাদশ ও সমমান শ্রেণিতে অনলাইনে ভর্তির প্রথম ধাপের আবেদন শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) এ ভর্তি আবেদন শুরু হয়।

১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত তিন ধাপে হবে আবেদন গ্রহণ ও মেধা তালিকা প্রকাশ। তালিকাভুক্তদের নির্ধারিত সময়ে ভর্তির জন্য ৩২৮ টাকা দিয়ে নিশ্চয়ন করতে হবে। ২২ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে ভর্তি কার্যক্রম। ক্লাস শুরু হবে ১ ফেব্রুয়ারি।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠানে সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা এবং নন-এমপিওতে সর্বোচ্চ সাড়ে ৮ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

গতকাল বুধবার (৭ ডিসেম্বর) ভর্তি সংক্রান্ত নীতিমালা জারি করে এসব তথ্য জানিয়েছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড।

Nogod-22-10-2022

যারা আবেদন করতে পারবেন
২০২০, ২০২১ ও ২০২২ সালে দেশের যে কোনো শিক্ষাবোর্ড এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসএসসি বা সমমান পরীক্ষা পাস করা শিক্ষার্থীরা একদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্যান্য বছরে পাশ করা শিক্ষার্থীরাও ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। বিদেশি কোনো বোর্ড বা প্রতিষ্ঠা থেকে সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সনদের মান নির্ধারণের পর ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। টেলিটকের ওয়েবসাইটে www.xiclassadmission.gov.bd গিয়ে আবেদন করতে হবে।

এ বছর সারাদেশে তিন হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে ২৯ হাজার ৬৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৩৭ জন। যার মধ্যে পাস করেছে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬১৯ জন। গত বছর শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৫ জন। যার মধ্যে পাস করে ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬ জন।

চলতি বছর মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় সারাদেশে জিপিএ-৫ পেয়েছে দুই লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ছাত্র এক লাখ ২১ হাজার ১৫৬ জন ও ছাত্রী এক লাখ ৪৮ হাজার ৪৪৬ জন।

গত ২৮ নভেম্বর দুপুর ১২টায় এ ফল প্রকাশ করা হয়। গতবারের তুলনায় জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ৮৬ হাজার ২৬২ জন। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল এক লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ জন।

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন

জাতীয়

এশীয় চারুকলা প্রদর্শনীর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

Published

on

রাজধানীতে অনুষ্ঠিত মাসব্যাপী ‘১৯তম দ্বিবার্ষিক এশীয় চারুকলা প্রদর্শনী বাংলাদেশ’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ বৃহস্পতিবার (৮ ডিসেম্বর) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন তিনি।

এবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় আর্ট গ্যালারিতে প্রদর্শনীতে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশসহ ১১৪ দেশের ৪৯৩ জন শিল্পীর শিল্পকর্ম।

শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালায় ৮ ডিসেম্বর থেকে আগামী ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রদর্শিত হবে দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক শিল্পকর্ম, চিত্রকলা, ভাস্কর্য, আলোকচিত্র, স্থাপনাশিল্পসহ নানা মাধ্যমে নির্মিত শিল্পকর্ম।

Nogod-22-10-2022

গত চার দশক ধরে এই উৎসবের আয়োজন করে আসছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি। করোনার কারণে ২০১৮ সালের পর পিছিয়ে এ বছর আবার আয়োজিত হলো।

অর্থসংবাদ/এসএম

শেয়ার করুন:
বিজনেস নিউজ পোর্টাল অর্থসংবাদে প্রকাশিত ও প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
পুরো সংবাদটি পড়ুন
Advertisement
December 2022
S M T W T F S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
25262728293031

কর্পোরেট সংবাদ

ক্যাম্পাস টু ক্যারিয়ার

ফেসবুকে অর্থসংবাদ